আফতাব গঞ্জের মেলায় একজন ভ্রাম্যমান লেবুর শরবত বিক্রেতা।
রবিবার,
তারিখঃ ১৩ আগষ্ট ২০২৩
আসসালামু আলাইকুম,
"স্টিম ফর ট্রাডিশন" কমিউনিটির সকল ভাই ও বোনেরা, আপনারা সকলে কেমন আছেন? আশা করি পরমকরুনাময় আল্লাহ তায়ালার অশেষ মেহেরবানিতে সকলেই ভালো আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালোই আছি। "স্টিম ফর ট্রাডিশন" কমিউনিটিতে আজ আমি আফতাব গঞ্জের মেলায় একজন ভ্রাম্যমান লেবুর শরবত বিক্রেতা নিয়ে পোস্ট উপস্থাপন করতে যাচ্ছি। আশা করি সকলের কাছে ভালো লাগবে।
প্রায় ২-৩ মাস আগে আমি,শামীম ভাই ও মায়নুনা ভাই সহ আফতাব গঞ্জের মেলা দেখতে যাই। তবে আমার বাসা থেকে আফতাব গঞ্জের মেলা প্রায় ২০-২৫ কিলোমিটার দুরে অবস্থিত। আমি সেদিন সকাল সকাল বাসা থেকে আফতাবগঞ্জ মেলার উদ্দেশ্য বাহির হয়ে পরে মায়নুনা ও শামীম ভাইয়ের দেখা করে এক জায়গায় হই। অতঃপর আফতাব গঞ্জের মেলার দিকে রওনা দেই। ১ ঘন্টার পথ অতিক্রম করে পরে আমরা মেলায় গিয়ে উপস্থিত হই। মেলায় এসে মোটরসাইকেল পার্কিং করে আমরা প্রথমে মনিহারির দোকানের চারপাশ ঘুরে ঘুরে ফটোগ্রাফি করেছিলাম। ফটোগ্রাফি করা শেষ হলে প্রচন্ড এই গরমে পানির তৃষ্ণা মেটাতে মায়নুনা ভাই একটি ভ্রাম্যমান লেবুর শরবতের দোকানে নিয়ে যায়।
লেবুর শরবতের দোকানি রাস্তার পাশেই বসা ছিল। আমি তো লেবুর শরবতের দোকানের কাছে গিয়ে অবাক হয়ে যাই। কারন আমি কখনোই এই রকম দোকান দেখি নাই । তবে প্রচন্ড এই গরমে মানুষের তৃষ্ণা মেটাতে তিনি ভালো একটি উদ্যোগ গ্রহন করেছেন। তার দোকানে ওয়াটার ফিল্টারে বরফ ও পানি সাজিয়ে রাখা হয়েছে। তার পাশে অনেকগুলো লেবু ও গ্লাস সারিবদ্ধ ভাবে সাজিয়ে রাখা হয়েছে।
দোকানের লেবু তৈরির সব উপকরণ গুলো পরিষ্কার করে রাখা হয়েছে। যা দেখতে সুন্দর লাগতেছে। দোকানের এমন পরিবেশ যে কোন ক্রেতাকে আর্কষণ করবে। অতঃপর মায়নুনা ভাই আমাদের ৩ জনের জন্য লেবুর শরবত তৈরি করার জন্য বিক্রেতার কাছে অর্ডার করলেন। দোকানদার তার গ্লাসগুলো পরিষ্কার করে নিল। এরপর গ্লাসের মধ্যে অল্প অল্প করে বরফের টুকরো দিয়ে দিলো। এরপর তিনি লেবু কয়েকটা কেটে নিয়ে সেই বরফের গ্লাসের মধ্যে দিয়ে দিলো।
তারপর তিনি পরিমান মতো পানি দিলেন। পানি দেওয়া শেষ করে তারপর তিনি চিনি ও মসলা জাতীয় কিছু উপকরণ গ্লাসের মধ্যে দিয়ে তা ভালোভাবে নেড়ে নিলেন। এরপর আমাদের সবাই কে লেবুর শরবতের গ্লাস দিয়ে দিলেন। প্রচন্ড এই গরমে লেবুর শরবত শরীরের জন্য অনেক উপকার। তাই আমিও তার তৈরি করা লেবুর শরবত খেয়ে নিলাম। লেবুর শরবত খেতে মোটামুটি ভালোই লাগছিলো। তবে আমাদের বাসার তৈরি লেবুর শরবতের মতো হবে না।
লেবুর শরবত খাওয়া শেষ করে অতঃপর আমাদের মায়নুনা ভাই তার দোকানের টাকা পরিশোধ করলেন। এই লেবুর শরবত বিক্রেতা তিনি গ্লাস প্রতি ১৫ টাকা করে শরবত বিক্রি করে থাকেন। প্রচন্ড এই গরমে অনেকেই তার দোকান থেকে শরবত পান করে থাকে। এই শরবত বিক্রি করে তিনি যে টাকা লাভ করেন তা দিয়ে তার সংসার চলে।
আমার লেখায় কোন প্রকার ভুল-ভ্রান্তি হয়ে গেলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। সকলে সুস্থ ও ভালো থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।
| ক্যামেরা | ওয়ান প্লাস |
|---|---|
| পোস্টের ধরণ | ভ্রাম্যমান লেবুর শরবত বিক্রেতা। |
| ক্যামেরা | ৬৪ মেগাপিক্সেল |
| ফটোগ্রাফার | @md-sajalislam |
| অবস্থান | পার্বতীপুর, দিনাজপুর, বাংলাদেশ। |
ধন্যবাদান্তে,
@md-sajalislam
আফতাবগঞ্জের মেলায় কোনদিন যাওয়া হয়নি।প্রচন্ড গরমে লেবুর শরবত খেলে শরীর অনেক টায় ঠান্ডা হয়ে যায়।আপনি ঠিক বলছেন বাড়ির তৈরি করা লেবুর শরবত আর দোকানের তৈরি করা শরবত অনেক পার্থক্য।আপনি ভ্রাম্যমান শরবত ওয়ালা নিয়ে সুন্দর রিভিউ আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন ভাই আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
আমার মতে প্রচন্ড তাপদাহে এ লেবুর শরবত হল একমাত্র উপায় যা দ্বারা শরীরকে ঠান্ডা করা যায় খুব সুন্দর ভাবে।এক গ্লাস ঠান্ডা পানি দিয়ে লেবু শরবত খাওয়ার মজাই আলাদা।আমাদের দেশে গরমের সময় লেবুর শরবতের চাহিদা অনেক বেড়ে যায়।দারুন ফটোগ্রাফি করেছেন আপনি ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি পোস্ট উপস্থাপন করার জন্য।
ধন্যবাদ
লেবুর শরবত আমার অনেক পছন্দের, বাসায় প্রতিদিন আমি লেবুর শরবত খাই। ভ্রাম্যমান এসব লেবুর শরবতের দোকান থেকে অনেক মানুষ শরবত খেয়ে তাদের ক্লান্তি দূর করে। গরমের সময় এদের বিক্রি বেশি হয়। তবে এই শরবত স্বাস্থ্যসম্মত কিনা সেটা আমি জানিনা। সুন্দর লিখছেন ভাই। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
ধন্যবাদ
পআফতাব গঞ্জের মেলায় একজন ভ্রাম্যমান লেবুর শরবত বিক্রেতা নিয়ে আপনি অনেক সুন্দর একটি পোস্ট লিখেছেন।প্রচন্ড গরমের সময় ক্লান্ত শরীরে এক গ্লাস লেবুর শরবত খেলেই যেন প্রানটা জুড়িয়ে যায়।লেবুর রস আমাদের শরীরে ভিটামিন সি এর ঘাটতি পূরনে সহায়তা করে। মেলায় কিংবা হাট-বাজারে এইরকম লেবুর শরবত বিক্রেতা দেখা যায়। কিন্তু আমার কখনো এইরকম দোকানে লেবুর শরবত খাওয়া হয়নি।আমি বাড়িতে নিজেই বানিয়ে খেয়ে থাকি।আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দারুণ হয়েছে। ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ
https://twitter.com/sajalislam08/status/1690649342494011392?t=l5FnTQWin8VE6Yg_yPjkyw&s=19
গ্রাম অঞ্চলে এমন শরবতের দোকান দেখা সত্যিই অনেক অবাক জনক বিষয়। তবে শহর অঞ্চলে এসব দোকানের সব খানেই দেখা যায়। আর এই লেবুর শরবত গুলো খেতে অনেক সুস্বাদু এবং মজাদার হয়। এই শরবতগুলো এতই পাওয়ার এক গ্লাস খেলেই আপনার ভেতর ঠান্ডা হয়ে যাবে। ভ্রাম্যমাণ শরবতের দোকান নিয়ে অনেক সুন্দর আলোচনা করেছেন ভাইয়া।
ধন্যবাদ
আমার কাছে প্রচন্ড গরমে লেবুর শরবত মানেই অন্যরকম এক প্রশান্তি। আমিও মাঝে মাঝে কলেজ থেকে ফেরার সময় রাস্তায় এমন ভ্রাম্যমান লেবু শরবত এর দোকান দেখতে পেলে দাঁড়িয়ে যেতাম। লেবুর শরবত আমার অনেক ভালো লাগে। বাড়িতেও মাঝে মাঝে মা লেবুর শরবত বানিয়ে দিতেন । অনেক সুন্দর একটি পোষ্ট আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন ভাইয়া ধন্যবাদ আপনাকে।
ধন্যবাদ
ধন্যবাদ
গরমের দিনে লেবুর শরবত অনেক বেশি উপকারী। আসলেই এমন ভ্রাম্যমাণ লেবুর শরবত বিক্রির প্রশংসা করতে হয়৷ মেলায় ঘুরে হাপিয়ে গেলে অনেকেই এই দোকান থেকে লেবুর শরবত কিনে খেয়ে তৃষ্ণা মেটাতে পারে। তবে আমার কাছে কাছে দামটা একটু বেশি মনে হচ্ছে। ১০ টাকা গ্লাস হলে ঠিক আছে।
ধন্যবাদ