কিশোরদের গোসল করা দেখে নিজের শৈশবের কথা মনে পড়ে গেলো
হ্যালো বন্ধুরা
আমি বাংলাদেশ থেকে @mahmudul20
কেমন আছেন আপনারা, আশা করি আপনারা সবাই অনেক ভালো আছেন, আলহামদুলিল্লাহ আমিও আল্লাহর রহমত এবং আপনাদের দোয়ায় অনেক ভালো আছি।
হেল্লো বন্ধুরা, আজ আমি কিশোরদের শৈশব নিয়ে কিছু আলোচনা করতে এসেছি, গ্রাম অঞ্চলে বর্ষাকালে নদী- নালা খাল-বিলে পানিতে ভরপুর হয়ে থাকে, আর গ্রামীন কিশোরদের গোসলের আমদ পরে যায়, শুধু যে ছোটরা গোসল করে এমনটা না গ্রামের বড় ভাই ব্রাদার রাও দল নিয়ে নদীতে গোসল করতে যায়, ভরপুর নদীতে এদিক থেকে ওদিকে কে আগে যেতে পারবে তা নিয়ে অনেক বাজি ধরা হতো, এমন মুহূর্তের মজাটাই ছিলো আলাদা লেভেলের, কিন্তু এখন গ্রামে ছেলেরা না থাকায় এসব আর খুঁজে পাওয়া যায় না।
বর্তমান কিশোরদের গোসল করার দৃশ্য দেখে খুবই ভালো লাগলো, আর আমার পুরনো শৈশবের স্মৃতি গুলো মনে পড়ে গেলো, ছোট বেলায় তো নদীতে যাইতে পারতাম না, তাই গ্রামের ছোট নালা গুলো এদের মতো করে গোসল করতাল, পুলের উপর থেকে লাফ দেওয়ার সময় আলাদা রকম ভাব নিতাম একেক জনের একেক স্টাইল ছিলো, গোসলের থেকে লাফালাফি বেশি হইতো, মাঝে মাঝে কেউ আবার সয়তানি করে গায়ের উপর লাফ দিতো, পরের জন আবার সুযোগ বুঝে থাকতো কবে সে আগে লাফ দিবে, সে লাফ দিলেই তার গায়ের উপর লাফ দিতো, ব্যাস সমস্যা সমাধান।
তবে আমাদের সময় এতো পরিমাণে স্মার্ট ফোন ছিলো না, তাই আমাদের শৈশবের সৃতি গুলো ক্যামেরা বন্ধি করতে পারিনি, কিন্তু আমাদের শৈশবটা ছিলো বেস্ট বিভিন্ন সময় বিভিন্ন গ্রামীণ খেলায় আসক্ত ছিলাম, আর এখনকার কিশোররা সারাদিন মোবাইলে আসক্ত এর কারণেই আমাদের শৈশবের অনেক খেলা ধুলা বিলুপ্ত হয়ে গেছে।
আমরা গোসল করতে গিয়েও অনেক খেলা ধুলা করতাম, হাঁড়ি বাড়ি খেলতাম এরপর ঢোপ বাড়ি খেলতাম, হাড়ি বাড়ি খেলাটা হলো একজন চুন্নি থাকে যে যাকে ছুঁইবে সে চুন্নি হবে আর ঢোপ বাড়ি মানে হলো একটি পিতালি থাকবে সেটি পানিতে দিয়ে সবাই তার উপর লাফিয়ে পরবে যে পাবে সে পাওয়ার পড়ে পিতালি নিয়ে একটা ডুব দিবে তাহলে সে এক পয়েন্ট পাবে, আরও অনেক খেলা ধুলা করতাম, এসব স্মৃতি মনে পরলে আবারও শৈশবে ফিরে যেতে ইচ্ছে করে, যাইহোক আজকে এখানেই শেষ করলাম।
| বিষয় | কিশোরদের শৈশব |
|---|---|
| ক্যামেরা মডেল | Realme C55 |
| ফটোগ্রাফার | @mahmudul20 |
| লোকেশন | কিশোরগঞ্জ নীলফামারীর |
❤️🔥-আল্লাহ হাফেজ-❤️🔥
❤️🔥-আল্লাহ হাফেজ-❤️🔥
Best Regards:-
@mahmudul20
আপনি একদম ঠিক কথা বলেছেন ভাইয়া যে, বর্তমানের কিশোররা মোবাইল ফোনে এতটাই আসক্ত যে তারা এসব স্মৃতিময় দিনগুলো উপভোগ করতেই পারছে না। আমাদের ছেলেবেলা গুলো বর্তমান ছেলেমেয়েদের মত ছিল না। আমাদের শৈশব তো কেটেছে খেলাধুলা এবং অন্যান্য আনন্দ উপভোগের মাধ্যমে। সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন ভাইয়া। ধন্যবাদ আপনাকে।
ধন্যবাদ আপু
শৈশব মানেই আনন্দের। শৈশবের প্রত্যেককে দিন কেউ ভুলতে পারবে না। শৈশবে বন্ধুদের সাথে এভাবে ব্রিজ থেকে লাফিয়ে গোসল করতাম। সেই দিনগুলো এখন শুধুই অতীত। আপনার পোস্টের মাধ্যমে সেই দিনগুলির কথা মনে পড়ে গেলো।অসাধারণ ফটোগ্রাফি করেছেন ভাই। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
ধন্যবাদ ভাইয়া
বন্যার সময় আসলেই গোসল করার এমন দৃশ্য দেখতে পাওয়া যায়। আমাদের এলাকায় কাছেই নদী দুই তিন দিন বৃষ্টি হলেই বন্যা হয়৷ আমি কত যে বন্যার পানিতে গোসল করেছি ঠিক নাই। শৈশবের একটা সৃতি মনে করে দিলেন ভাই।
শৈশব মানেই আনন্দ উৎসবপই ভরা একটি জীবন। এবং সবাইরে শৈশব অনেক সুন্দর কাটে কারণ। শৈশবে কাটানো অনেক সুন্দর একটি পোস্ট তৈরি করেছেন আপনি অনেক সুন্দর হয়েছে এবং প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফি অসাধারণ লাগতাছে। অনেক অনেক শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
ধন্যবাদ
আপনি খুব সুন্দর একটা বিষয় নিয়ে পোস্ট উপস্থাপন করেছেন ভাই।আপনার পোস্ট পড়ে শৈশবের স্মৃতি মনে পরে গেলো।আগে ছোট বেলায় অনেক কয়জন মিলে গোসল করতাম।নদী বা পুকুর যেটাই হোক না কেনো উপরের কোনো অংশ থাকলে সেটা দিয়ে লাফ দিতাম।আপনি খুব সুন্দর আলোচনা করছেন আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ সুন্দর একটা পোস্ট করার জন্য।
ধন্যবাদ ভাইয়া
Twitter link
https://twitter.com/Mahmudu22149647/status/1687339517102227456?s=20
এভাবে গোসল করার মজাই আলাদা।বিশেষ করে আমরা যখন গ্রামে সবাই মিলে ফুটবল খেলতাম তারপর সোজা নদীতে যেতাম গোসল করার জন্য। আর এভাবে ব্রিজ থেকে ঝাপ দিতাম আর অনেক মজা করতাম।অসাধারণ একটি পোস্ট করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ
ধন্যবাদ ভাইয়া
আপনি ঠিকই বলেছেন যে আমাদের সবার শৈশব আরো বেশি সুন্দর ছিল। মোবাইল থাকলে হয়তো তখন ক্যামেরাবন্দী করে রাখতাম।এই কথাটির সাথে আমিও একমত।আমি কোনোদিনও এভাবে গোসল করিনি।তবে এতে অনেক মজা হয়। শৈশব মানেই আনন্দ আর খুশি।বড় হয়ে অনেক কিছু হারিয়ে ফেলেছি।সুন্দর একটি বিষয় তুলে ধরেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে।
আমাদের শৈশবে এমন অনেক স্মৃতি রয়েছে যেগুলো কখনো ভোলার নয়। আপনার পোস্টটি পড়ে আমার ও শৈশবের অনেক স্মৃতি মনে পড়ে গেল। ছোটবেলায় আমিও পুকুরে গোসল করতাম আর আম্মুর কাছে বকুনি খেতাম।তাই লুকিয়ে লুকিয়ে যেতাম পুকুরে গোসল করতে।বড় ভাইয়াদের দেখতাম পুল থেকে লাফাতে তখন অনেক ভয় লাগতো।কিন্তু এই দিলগুলো এখন শুধুই স্মৃতি। আপনি অনেক সুন্দর একটি বিষয় আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। ধন্যবাদ ভাইয়া