প্রতিযোগিতার ১৩তম সপ্তাহ ঐতিহ্যবাহী পুরাতন মসজিদ
স্টিম ব্যবহারকারী সকল ভাই ব্রাদার বন্ধুগণকে জানাই ভালবাসা এবং আন্তরিক মোবারকবাদ । আমার পক্ষ থেকে সকলকে যানাই,মাহে রমজানের শুভেচ্ছা । আপনারা সবাই কেমন আছেন ? আমি জানি এই হালকা গরমে আল্লাহ-তাআলার অশেষ মেহেরবানিতে আপনারা সবাই ভালোই আছেন। আমিও আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে ভালো আছি। আজকে আমি আপনাদের মাঝে পুরাতন মসজিদ নিয়ে কিছু কথা বলবো।আশা করি সকলের ভালো লাগবে। নিচে তাহলে শুরু করা যাক। |
|---|
দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর থানার ৬নং মোমিনপুর ইউনিয়নের যশাই হাটের তের-আনিয়া গ্রামে আমার বাসা। উপরের যে ছবিটি দেখতে পাচ্ছেন সেটি হচ্ছে একটি পুরাতন মসজিদ এর ছবি।এই মসজিদটি ফুলবাড়ি উপজেলার কয়লার খনি নামক জায়গায় অবস্থিত। এই মসজিদটি আমার বাসা থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এই মসজিদটি অনেক পুরাতন একটি মসজিদ। আমি একদিন আমার ফুফাতো বোনের বাসায় দাওয়াত খেতে গেছিলাম। আমার ফুফাতো বোনের বাসা ফুলবাড়িতে।আমার ফুফাতো বোনের স্বামী কয়লার খনিতে চাকরি করে । এই জন্য তারা কয়লার খনির একটি পাশের গ্রামে থাকে। |
|---|
তো আমি তাদের বাসা দাওয়াত খেতে গেলাম। এরপর বাসায় ঢুকে তাদের রুমে গেলাম। রুমে গিয়ে বসে কিছুখন ফেন এর বাতাস খেলাম। এরপর কিছুখন বাতাস খাওয়ার পর বাথরুমে গিয়ে ফ্রেশ হলাম।এরপর আবার রুমে আসলাম।তখন আমার ফুফাতো বোন আমাকে খাওয়া করার জন্য ডাক দিল।এরপর আমি খাওয়া করার জন্য গেলাম। খাওয়া করার জন্য টেবিলে বসলাম এবং খাওয়া করলাম।একপর্যায়ে আমার খাওয়া শেষ হলো এবং আমি হাত ধুয়ে আবার রুমে গেলাম।এরপর আমি রুমে কিছুখন তাকার পর কয়লার খনি এলাকাটা দেখার জন্য বাহিরে বাহির হলাম আমার ফুপাতো বোনের স্বামী সহ। |
|---|
এরপর এলাকাটি ঘুরতে শুরু করলাম। ঘুরতে ঘুরতে এই পুরাতন মসজিদটি দেখতে পেলাম।এই পুরাতন মসজিদের পাশেই একটি বড় বিল আছে। এই বিল সম্পর্কে পরবর্তী পোষ্টে আপনাদের জানাবো।এরপর আমি মসজিদটির কাছে গেলাম। সেখানে গিয়ে দেখলাম যে এই মসজিদটি বেশ পুরনো। এটি নির্মান করা হয় ১৯৯৭ সালে। এই মসজিদটির আশেপাশে যে ফাকা স্থানগুলো দেখতে পাচ্ছেন সেগুলো বাড়ি দিয়ে ভর্তি ছিল। কয়লার খনিতে কয়লা উত্তোলন করার এই জায়গাটি দেবে যায়।এতে সব বাড়ি ঘর নিচে তলিয়ে যায়। শুধু এই মসজিদটি থাকে ভেসে।এই মসজিদের কোনো খতি হয়নি।কারণ মসজিদ হচ্ছে আল্লাহর ঘর। |
|---|
এটি মুসলমান জাতির পবিত্র একটি স্থান। এরপর আমি মসজিদটির কয়েকটি ছবি তুললাম এবং ভিতরে ঢুকে মসজিদটি দেখলাম। এরপর সেখান থেকে ফুফাতো বোনের বাসা চোলে আসলাম। এরপর কিছুখন বোনের সাথে গল্প করে বাসা যাওয়ার জন্য বাহির হলাম। এরপর বাসার দিকে রওনা দিলাম। |
|---|
পরিশেষে সকলের সুসাস্থ কামনা করে আমি আমার বক্তব্য এখানেই শেষ করতেছি। আপনাদের মূল্যবান সময় দিয়ে আমার পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই। সকলেই ভাল থাকবেন এবং পরবর্তী পোস্টে আবার দেখা হবে। |
|---|
| আসসালামুআলাইকুম,আমার নাম মোঃ আহনাফ শাহরিয়ার । আমার স্টিমিট ইউজার নেম @ahanaf057। আমি দিনাজপুর জেলার, পার্বতীপুর উপজেলার যশাই হাটের তের-আনিয়া গ্রামের একজন বাসিন্দা। আমি পার্বতীপুর সরকারি কলেজে ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে পড়াশোনা করি।এখন পড়াশোনার পাশাপাশি স্টিমিট প্লাটফর্মে কাজ করতেছি। আমি ফটোগ্রাফি ও ভ্রমণ করতে অনেক ভালবাসি।আমার প্রিয় খেলা হচ্ছে ক্রিকেট। আমি ক্রিকেট খেলতে ভালবাসি। আর সময় পেলে যে কোন ধরনের ফটোগ্রাফি করি।সকলেই ভাল থাকবেন এবং সুস্থ থাকবেন। |
|---|
You can also vote for @bangla.witness witnesses
এই মসজিদটা আগে ব্যবহার হত।বর্তমানে এই মসজিদটা আর ব্যবহার হয় না।এই মসজিদটি পুরাতন একটি মসজিদ। আপনি পুরাতন মসজিদ নিয়ে খুব সুন্দর একটা পোস্ট শেয়ার করছেন ভাই। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ
ধন্যবাদ ভাই
পুরাতন মসজিদটি দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম এত পুরনো মসজিদ এখনো বিদ্যমান। আপনি অনেক সাজিয়ে গুছিয়ে উপস্থাপন করেছেন ভাই। এবং এ পুরাতন মসজিদটি আমাদের মাঝে শেয়ার করে আমাদের দেখার সুযোগ করে দিলেন। সে জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই আপনাকে
শুভকামনা রইল ভাই
ধন্যবাদ ভাই
কয়লার খনিতে অবস্থিত মসজিদটি বেশ সুন্দর। আসলে আল্লাহর প্রতিটি ঘরই সুন্দর। এটা শুনে ভাল লাগল যে মসজিদটির কোনো ক্ষতি হয় নি। আপনি অনেক সুন্দর করে সাজিয়ে গুছিয়ে উপস্থাপন করেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি কন্টেন্ট শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ আপু
বর্তমান এই মসজিদ টি আর ব্যবহৃত হয় না। রমজান মাসে আমি ও আমার কয়কজন বড় ভাই মিলে ঘুরতে গিয়েছিলাম তখন দেখলাম এই মসজিদ বর্তমান বন্ধ রয়েছে। আর এই মসজিদ টি দেখে বোঝা যাচ্ছে অনেক বছরের পুরাতন। সুন্দর ফটোগ্রাফি করেছেন এবং দারুণ ভাবে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। ধন্যবাদ
ধন্যবাদ ভাই
কয়লা খনিতে এই পুরনো মসজিদটি রয়েছে আমিও গত বছরে গেছিলাম। মসজিদটি অনেক দিনের পুরনো। মসজিদের পাশে জলাশয়ে ছিল একটি গ্রাম। গ্রামটি রাতারাতি ডুবে গিয়েছে তবে মসজিদটি টিকে আছে।আপনার পোস্ট কোয়ালিটি যথেষ্ট ভাল।
ধন্যবাদ ভাই
প্রথম দেখায় ভেবেছিলাম কোন দ্বীপের মধ্যে মসজিদটি। আপনার পোস্ট পড়ে জানতে পারলাম এটি একটি গ্রামের মধ্যে ছিল। কয়লার খনির কারণে গ্রামটি হারিয়ে গেছে। অনেক ভালো লিখেছেন ভাই।ফটোগ্রাফি গুলো চমৎকার হয়েছে। শুভকামনা রইল আপনার জন্য
এই মসজিদ টি অনেক পুরাতন একটা মসজিদ, এটা হলো কয়লার খনিতে অবস্থিত,এই মসজিদের বিষয় আমি অনেক কিছু শুনছি,,এই গ্রামটি এক সময় পুরোটাই পানি দিয়ে ভরে যায় শুধু মসজিদ টি দেখা যায়। আপনি সুন্দর সুন্দর বিষয় আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ সুন্দর একটা পোস্ট করার জন্য।
ধন্যবাদ ভাই
কয়লার খনির কালুপাড়ার এই মসজিদটি বেশ পুরানো। পুরা গ্রাম ডুবে গেলোও এই মসজিদ ভেসে আছে। আপনি অনেক সুন্দর ছবি তুলেছেন। আপনার উপস্তপনা অনেক সুন্দর। সুন্দর লিখেছেন আপনার জন্য শুভ কামনা রইল।
ধন্যবাদ ভাই
আপনি আপনার পোস্টে খুব সুন্দর ফটোগ্রাফি করেছেন। খোলা মাঠে এমন মসজিদ আমি তেমন দেখি নি। নদীর পাড়ের কাছে এমন মসজিদের সৌন্দর্য আসলেই অনেক সুন্দর।আপনার পোস্টের ছবিগুলো দেখে মনে হচ্ছে এই মসজিদটি দেখার জন্য লোকজন সেখানে যায়। ধন্যবাদ আপনাকে।
ধন্যবাদ আপু