আমার ভাতিন্ডা ফলস্, তোপচাঁচি লেক, খন্ডোলি ড্যাম বা ঊশ্রী ভ্রমণ - পর্ব ১

in STEEM FOR BETTERLIFElast year (edited)

সকল স্টেমিট সদস্যকে জানাই আন্তরিক ভালবাসা ও অভিনন্দন।

1000027562.jpg

1000027559.jpg

1000027565.jpg

1000027592.jpg

1000027598.jpg

1000027586.jpg

বিগত চল্লিশ বছর ধরে কর্মসূত্রে অজস্রবার ধানবাদ এবং সংলগ্ন বেশ কয়েকটা জায়গায় যেতে হয়েছে। কিন্তু কাছাকাছি দর্শনীয় দু তিনটে জায়গা, যেমন ভাতিন্ডা ফলস্, তোপচাঁচি লেক, খন্ডোলি ড্যাম বা ঊশ্রী কোনোটাই দেখা হয়নি।

গত শনিবার রাতে আবার যেতে হলো ধানবাদ একটা কারখানার কাজে। ভেবেছিলাম রবিবার কাজ শেষ করে সোমবার ভোরবেলা বেরিয়ে ভাতিন্ডা আর তোপচাঁচি ঘুরে আসব। তাই ভোরের ট্রেন বাদ দিয়ে পৌনে এগারোটার আজমের-শিয়ালদা এক্সপ্রেসের টিকিট কেটেছিলাম।

শনিবার কারখানার মালিকের সঙ্গে এই ব্যাপারে আলোচনা করাতে উনি বললেন যে সোমবার সকালে এই দুটো জায়গা দেখতে গেলে ট্রেন ধরতে পারব না। আরও বললেন, ' আপনি রবিবার সকালেই আমার গাড়ী নিয়ে চলে যান। ঘুরে এসে কাজ করবেন। রবিবার ভোর পাঁচটায় কারখানার কাজ শুরু করলাম। নটার সময় বেরিয়ে পড়লাম। ভাতিন্ডা আর তোপচাঁচি দেখে ওখানকার একটা অতীব সুন্দর হোটেল শান-এ-পঞ্জাবে মধ্যাহ্ন ভোজন সেরে দুটোর মধ্যেই কারখানায় ফেরত। সারারাত ধরে কাজ সম্পূর্ণ করে সোমবার বাড়ী।

চল্লিশ বছর পর এই যাত্রায় রথ দেখা এবং কলা বেচা সুচারুরূপে সম্পন্ন হলো।

পরের গন্তব্য ভাতিন্ডা বা ভাটিন্ডা ফলস। শিব মন্দিরের সামনের মাঠে গাড়ী রাখা হলো। কয়েক ধাপ সিঁড়ি নামলেই সামনে জলধারা কয়েক ফুট ওপর থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ছে। এখন জল নেই বললেই চলে। বর্ষার পর এনার রূপ ঠিকঠাক খোলে। তখন বেশ ভয়প্রদ। আমার বাহনের সারথিকে দিয়ে কয়েকটা ছবি তোলালাম।

আমি কখনও বসন্তকালে পুরুলিয়ার পলাশ দেখিনি। তবে এবারে যা দেখলাম তাতে মন ভরে গেছে। ভাতিন্ডা তোপচাঁচি রাস্তার দু ধারেই জঙ্গল আর পাহাড়। পলাশের ফুলে ফুলে মনে হচ্ছে জঙ্গলে আগুন লেগেছে।

এক জায়গায় গাড়ী থামিয়ে অল্প কিছু ছবি তুলতেই হলো, ওই কাঠফাটা রোদের মাঝেও।

আমার প্রতিবেদনটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

Coin Marketplace

STEEM 0.04
TRX 0.32
JST 0.082
BTC 61676.34
ETH 1642.77
USDT 1.00
SBD 0.41