অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ:- আর্জেন্টিনা বনাম ব্রাজিলের মধ্যকার কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচ।
আমি @tuhin002, আমি আমার বাংলা ব্লগের সকল সদস্যগনকে আমার পক্ষ থেকে জানায় সালাম," আসসালামু আলাইকুম" সবাই কেমন আছেন ? আশা করি, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে অনেক ভালো আছেন। আমি ও আপনাদের দোয়ায় এবং মহান আল্লাহুর অশেষ রহমতে ভাল আছি। আজকে আমি খেলাধুলা বিষয় সম্পর্কে আপনাদের সামনে একটি পোস্ট শেয়ার করতে যাচ্ছি।
খেলার রিভিউ
প্রত্যেকটা খেলায় একটা নিয়মের মধ্য দিয়ে শুরু হয়। যেহেতু এটি বিশ্বকাপ ম্যাচ সেহেতু এর নিয়ম কারণ ঠিক বিশ্বকাপের মতোই হয়ে থাকবে। যদিও এটা অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ। খেলা প্রথমে দুইদলের মধ্যে জাতীয় সংগীত গাওয়ার মধ্য দিয়ে খেলাটি আরম্ভ হয়। প্রথমে না দলের জাতের সুযোগ দেয়া হয় এরপরে ব্রাজিল দলের জাতীয় সংগীত দেওয়া হয়। প্রতিটা খেলার মধ্যে একটা শৃঙ্খলা বোধ হবে। মেসেজ শুরুতেই সব শৃঙ্খলাবোধকে আরো খেলার আগ্রহটাকে জাগ্রত করতে সাহায্য করে। খেলার প্রথমে এই সৌন্দর্যটা দর্শকদেরকে মুগ্ধ করে। মধ্য দিয়ে দেশপ্রেম ও জেগে ওঠে কারণ প্রত্যেকটা দেশে যখন জাতীয় সংগীত হয় তখন দেশ প্রেমের একটা অগ্রযাত্রা এখান থেকেই শুরু হয়ে যায় খেলার মধ্যে। সবার মধ্যে একটা অনুপ্রেরণা জাগে যে দেশকে জেতাতেই হবে আর এই মনোভাব নেই তারা খেলতে মাঠে নামে।
এই খেলাটি শুরু হয় বাংলাদেশ সময় গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে 6 টায়। ব্রাজিল এবং আর্জেন্টিনার ম্যাচ মানে একটা বড় রকম উত্তেজনা। সে যে দলের খেলায় হোক না কেন। খেলা দুইদিন আগে থেকে আমাদের গ্রামে এই খেলা নিয়ে তর্ক বিতর্ক চলছে। যাইহোক খেলা শুরু হওয়ার পর থেকে দেখছিলাম ব্রাজিলের ছেলেরা বেশ চাপে রাখছিল আর্জেন্টিনা দলকে। তারা যতই ভালো খেলুক না কেন ডি বক্সের মধ্যে সে তারা বল হারিয়ে ফেলছে। আস্তে আস্তে দুই দলের মাঝে বেশ ভালো খেলা চলছিল। যেহেতু সবাই নতুন তাই সবাইকে চেনাও যায় না। এর মধ্যেও কিছু পিলার আছে যেগুলো ভালো খেলে তাদেরকে আগে থেকেই মোটামুটি চিনে থাকে শুধু তারা ক্লাবে খেলার জন্য। দুই দলে পাল্টা আক্রমণের মধ্যে দিয়ে খেলা চলছিল।
খেলার সময় তখন হয়তোবা ২৪ মিনিটের মাথায় আর্জেন্টিনা গোলরক্ষক একটা বল তাদের পিলারের কাছে দেয়। ওই প্লেয়ার ঠিক ওই বলটি মাঝ মাঠে দাঁড়িয়ে ছিল এচিভেরর আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। এই প্লেয়ার খুবই চমৎকার খেলে থাকেন। তারপর তার প্রমাণ সে এই গোলটি তে বুঝতে পারো আসলে সে একটা অসাধারণ প্লেয়ার। বলটি মাঝমারঠ থেকে একাই কাটিয়ে নিয়ে গিয়ে একাই গোল করে আসে। আর এই গোলের সুবাদে আর্জেন্টিনা 1-০ গোলে এগিয়ে যায় ব্রাজিলের কাছ থেকে। ব্রাজিলে প্লেয়াররা আছে খারাপ খেলছিল তা না কিন্তু তারা কোনভাবে আর্জেন্টিনা প্লেয়ারদের কাছে খুব একটা ভালো কিছু করতে পারছিল না। আর্জেন্টিনা ডিফেন্স যথেষ্ট ভালো আর এজন্যই ব্রাজিল কোন ভাবে পাত্তা পাচ্ছিল না। কিছু সুযোগ তৈরি করছিল কিন্তু সেই সুযোগ তারা কাজে লাগাতে পারে নাই।
ব্রাজিলের প্লেয়াররা বেশ ভালো খেলেছিল তাদের অ্যাটিচুয়েট টা ভালো ছিল কিন্তু তারা কখনো এটি বক্সের মধ্যে গিয়ে ভালো কিছু করতে সক্ষম হচ্ছিল না। আর্জেন্টিনার অধিনায়ক এচিভেরর ডি বক্সের একটু বাইরে আবারও একটা বল পাই সে বল দুই একটা পিলার কাটে আবারও সে গোল করে আসেন। কি অসাধারণ পারফরম্যান্স কি অসাধারণ খেলা। এই ছেলেটার খেলা দেখে এর আগে আমি মুগ্ধ হয়েছিলাম একবার এর খেলাটি আমি ক্লাবে দেখেছিলাম অল্প একটু। এর মধ্যে এত সুন্দর স্কেল রয়েছে এই স্কেল যদি ধরে রাখতে পারে তাহলে সেও একজন বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় হয়ে উঠতে পারবে। ব্রাজিলের ডিফেন্সকে ভেঙেচুরের তছনছ করে ফেলেছে এই ছেলেটা। এই গোলের সুবাদে তার এই ম্যাচে দুইটা গোল করতে সক্ষম হলো। ছেলেটা খুবই ভালো খেলছে জাতীয় দলে অধিনায়ক যেমন তেমন তার খেলার স্কেল গুলো অনেক দারুন। বলা যায় যোগ্য একটা প্লেয়ার কে তার অধিনায়ক বানিয়েছে।
দেখতে দেখতে খেলার প্রায় ৭০-৮০ মিনিটের মাঝে মাঝেই চলে এসেছে। তখনো আর্জেন্টিনা ২-০ গোলে এগিয়ে। খেলা দেখে মনে হয়েছিল ব্রাজিল হয়তো বা একটা গোল দিতে পারবে। কিন্তু আর্জেন্টিনা ডিফেন্স এবং গোলকিপার এত ভালো পারফরম্যান্স করছে যে ব্রাজিলের প্লেয়াররা কোন ভাবে তারা গোল করতে সক্ষম হচ্ছে না। ঠিক এমনই সময় আবারও একটা বল পাই এচিভেরর। এবারও সে কোনোভাবে ভুল করে নাই। যত খেলা দেখছিলাম তত মুগ্ধ হয়েছিলাম এই ছেলেটার খেলা দেখে। এই বলটি পাওয়ার পরে এসে হ্যাটট্রিক করতে একটুও ভুল করল না। পিছন থেকে কয়েকটা প্লেয়ার সহ গোলকিপার কে কাটিয়ে তার তিন নম্বর গোলাপ চাচ্ছে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করল। সত্যি ভাই কি সুন্দর তার পারফরম্যান্স কি সুন্দর তার স্কেল। না দেখলে বোঝা যাবে না এই ছেলেটা কত বড় মাপের একজন পিলার হতে চলেছে। তার হ্যাট্রিকের শোবাদে ব্রাজিলকে ৩-০ গোলে হারিয়ে তারা সেমিফাইনালে চলে গেল। তারে অসাধারণ পারফরমেন্সের জন্য সেই এই মেসেজের জন্য ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয়। তবে বর্তমান সময় আর্জেন্টিনার এ দল এবং নিচে যেগুলো দল রয়েছে তাদের প্রত্যেকটা প্লেয়ারের যে পারফরম্যান্স তাতে বোঝা যায় বা আশাবাদী পরবর্তী বিশ্বকাপটা আর্জেন্টিনা ঘরে যাবে। তাদের এই পারফরম্যান্স তারা সারা বছর এভাবেই ধরে রাখুক এই প্রত্যাশনেই শেষ করছে আজকের মত এখানেই।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেণী | স্পোর্টস |
|---|---|
| ডিভাইস | poco M2 |
| স্ক্রিনশট সোর্স | YouTube |
| লোকেশন | মেহেরপুর |
| সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই প্রত্যাশায় নিয়ে শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ। |
|---|
👨🦰আমার নিজের পরিচয়👨🦰
আমি আবুল বাশার খাইরুল আলম তুহিন। আমার জন্ম ১১ এপ্রিল ১৯৯৫ সালে। আমার বাসা মেহেরপুর জেলা,গাংনী থানা, জুগীর গোফা গ্রাম। আমি বিবাহিত। বর্তমানে আমার একটা পুত্র সন্তান আছে। আমি গ্রাজুয়েশন শেষ করেছি রাজশাহী নিউ গভমেন্ট ডিগ্রী কলেজ থেকে। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমার মাতৃভাষা বাংলা। আমি বাংলা ব্লগে কাজ করতে অনেক ভালোবাসি। এই ব্লগে কাজ করার মাধ্যমে আলাদা প্রশান্তি পায়। আমি ছবি আঁকতে,গান গাইতে,কবিতা লিখতে অনেক পছন্দ করি। এছাড়া আমি বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে খুব পছন্দ করি। আর আমি স্টিমেটে জয়েন করেছি (২৭ - ০৬ - ২০২২) সালে। সংক্ষিপ্ত আকারে আমার নিজের পরিচয় আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইলো।
(১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য )
VOTE @bangla.witness as witness
OR
https://twitter.com/ABashar45/status/1728387735457828924?t=jEQFWjyZ398em5pWMCn-EA&s=19