আয়ারল্যান্ডের সাথে দ্বিতীয় টি-২০ জয়ে সমতায় ফিরলো বাংলাদেশ।।
বাংলা ভাষার কমিউনিটি
হ্যালো বন্ধুরা, কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই অনেক ভালো এবং সুস্থ আছেন
বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ডের মধ্যকার দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচটি ছিল জমজমাট, রোমাঞ্চকর এবং শেষ পর্যন্ত দারুণ এক জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে টাইগার বাহিনী। ২০ ওভারে আয়ারল্যান্ড যেখানে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭০ রান করে, সেখানে বাংলাদেশ ১৯.৪ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭৪ রান তুলে ৪ উইকেটের দারুণ জয় নিশ্চিত করে। ম্যাচের প্রতিটি মুহূর্তেই ছিল উত্তেজনা, তবে ব্যাট হাতে লিটন দাস ও পারভেজ হোসেন ইমনের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স বাংলাদেশকে জয়ের ফাউন্ডেশন গড়ে দেয়।
এই ম্যাচে ব্যাটারদের আধিপত্য ছিল স্পষ্ট। উভয় দলের ব্যাটাররাই স্বচ্ছন্দে রান তুলেছেন। তবে শেষ পর্যন্ত ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট ছিল বাংলাদেশের টপ অর্ডারের জোড়া ইনিংস এবং শেষদিকে সাইফউদ্দিন–সাইফ হাসানের ছোট কিন্তু কার্যকরী অবদান।
আয়ারল্যান্ড টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে খেলতে থাকে। দলীয় স্কোর মাত্র ১৪ বলে ২৯ রান এনে দেন ওপেনার পল স্টার্লিং। তার ইনিংসটিতে ছিল ৩টি চার ও ২টি ছক্কার মার, স্ট্রাইক রেট ২০০–র বেশি। যদিও তাকে দারুণ ক্যাচে বিদায় দেন সাইফ হাসান এবং বলটি ছিল তানজিম হাসানের হাতে।
মাঝের দিকে টিম টেক্টর এবং লরকান টাকার দলের রানকে এগিয়ে নেন। টেক্টর ২৫ বলে ৩৮ এবং টাকার ৩২ বলে ৪১ রান করেন। দু’জনের ইনিংসই ছিল ম্যাচের মোড় ঘোরানোর সক্ষমতা রাখলেও তারা বড় ইনিংসে রূপ দিতে পারেননি।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন মাহেদি হাসান, যিনি ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন। এছাড়া তানজিম হাসান ও সাইফউদ্দিনও কার্যকর ভূমিকা রাখেন। শেষ পর্যন্ত আয়ারল্যান্ড নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৭০/৬–এ থামে, যা টি-২০ মানে ভালো টার্গেট হলেও অপ্রতিরোধ্য নয়। আর টাইগাররা ও আশা ছাড়েনি।
১৭১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করতে থাকে বাংলাদেশ। ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন ২৮ বলে ৪৩ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন। তার ইনিংসটিতে ছিল ৫টি চারের সঙ্গে ২টি ছক্কা। ইমন দলের দ্রুত রান তুলে চাপ কমিয়ে আনেন।
অন্য ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম রান আউট হয়ে মাত্র ৭ রান করেন। তবে মূল দায়িত্বটা কাঁধে নেন লিটন দাস। লিটনের আগ্রাসী ইনিংস ম্যাচের মোড় ঘুড়িয়ে দিয়েছিল। লিটন দাস আজ ব্যাট হাতে ছিলেন একেবারে ভিন্ন লেভেলে। ৩৭ বলে ৫৭ রান, যার ভেতরে ৩টি চার ও ৩টি বিশাল ছক্কা। স্ট্রাইক রেট ছিল ১৫৪। তার ইনিংসটির ওপর ভর করেই বাংলাদেশ টার্গেটের দিকে এগিয়ে যায়।
লিটনের আউট হওয়াটা দলের জন্য সামান্য চাপ তৈরি করলেও সেই চাপ সামাল দেন সাইফ হাসান ২২ রান ১৭ ও পরে সাইফউদ্দিন ৭ বলে ১৭ রান করে অপরাজিত থাকে। শেষদিকে তার এই ছোট্ট অবদান বাংলাদেশকে জয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়।
শেষ ২ ওভারে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল মাত্র ১৬ রান। চাপের মুহূর্তে সাইফউদ্দিনের ছক্কার মার ম্যাচকে বাংলাদেশের দিকে টেনে আনে। শেষে ১৯.৪ ওভারেই টার্গেট পেরিয়ে যায় টাইগাররা।
আনুষ্ঠানিকভাবে ম্যাচ সেরার পুরস্কার ব্যাট হাতে লিটন দাসের হাতে গেলেও বোলিংয়ে মাহেদি হাসান ছিলেন বাংলাদেশের প্রধান নায়ক।
বাংলাদেশ এই ম্যাচে ব্যাটিং, বোলিং দুই বিভাগেই দারুণ পারফর্ম করেছে। টপ অর্ডার রান দিয়েছে, মাঝের সারিও দায়িত্বশীল ছিল। বোলাররা উইকেট তুলে চাপে রেখেছে আয়ারল্যান্ডকে। এই জয় শুধু সিরিজে বাংলাদেশের অবস্থান শক্ত করেছে না, বরং আগামীর টি-২০ ম্যাচগুলোর জন্য আত্মবিশ্বাসও বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে তরুণ ব্যাটসম্যানদের পারফরম্যান্স দলকে অনেক আশাবাদী করেছে।
সবাইকে ধন্যবাদ। আল্লাহ হাফেজ।।
আমি একজন বাংলাদেশের সাধারন নাগরিক। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাতে আমার বসবাস। সিম্পল আমার স্বপ্ন সিম্পল আমার জীবন। স্টিমিট আমার জীবনের একটি অংশ, আমার বাংলা ব্লগ আমার পরিবার। বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া বলতে আমি স্টিমিটকেই চিনি। ভ্রমন করা, ফটেগ্রাফি করা আর বই পড়া আমার স্বপ্ন। আমি বিশ্বাস করি মানুষের জীবনে উত্তান পতন আছেই। সর্বপরি কাজ করতে হবে লেগে থাকতে হবে, তাহলেই একদিন সফলতা আসবে,এটাই আমি বিশ্বাস করি। সবাইকে ধন্যবাদ।।
Bangla Witness কে সাপোর্ট করতে এখানে ক্লিক করুন
এখানে ক্লিক করো ডিসকর্ড চ্যানেলে জয়েন করার জন্য
Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
250 SP 500 SP 1000 SP 2000 SP 5000 SP
Click Here For Join Heroism Discord Server
বাংলাদেশ বনাম আয়ারল্যান্ড এর পুরো ম্যাচ টি উপভোগ করছি।তবে আয়ারল্যান্ড যেভাবে খেলছিল এবং টার্গেট কিন্তু অনেক যেতো আরো।যাইহোক অবশেষে বাংলাদেশ ম্যাচটি জিততে পারছে এটাই অনেক আনন্দের।ধন্যবাদ আপনাকে পোস্ট টি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।