বাচ্চাদের জন্য শীতের কিছু কেনাকাটা
আসসালামুআলাইকুম সবাইকে।
আমার বাংলা ব্লগের বন্ধুরা কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমিও ভাল আছি আলহামদুলিল্লাহ।
আজকে আবার হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। বাচ্চাদের নিয়ে এই এক সমস্যা। শীত আসলে একবার কাপড় কিনতে হয়। আবার গরম আসলে আর একবার কিনতে হয়। শীত আসলে গরমের কাপড়গুলো উঠিয়ে রাখি। কিছুদিন পর বের করলে দেখা যায় যে সব ছোট হয়ে গিয়েছে। শীতের কাপড়ের ক্ষেত্রে একই সমস্যা। একবারের শীতের কাপড় অন্য বার ছোট হয়ে যায়। গ্রামের দিকে বেশ ভালোই ঠান্ডা পড়ে গিয়েছে। ঢাকায় এখনো সেরকম ঠান্ডা পরেনি। রাতে তো হালকা ফ্যান ছেড়ে ঘুমাতে হয়। কিছুদিন আগে আমার হাসবেন্ড নিউ মার্কেটের ওই দিকে গিয়ে বাচ্চাদের জন্য শীতের কাপড় কিনে নিয়ে এসেছে। কিন্তু সমস্যা হয়েছে বড় ছেলের গেঞ্জি গুলো নিয়ে। মাপ যা দিয়ে দিয়েছিলাম দোকানদার অন্যভাবে মাপ দিয়ে এক সাইজ বড় গেঞ্জি দিয়ে দিয়েছে। বাসায় আনার পরে দেখি যে সবগুলো গেঞ্জি ছেলের একদম পাঞ্জাবি হয়ে যাচ্ছে। আমার হাজবেন্ডও আর এই গেঞ্জি চেঞ্জ করার জন্য অত দূরে যাবে না। বলে এই কয়েকটি গেঞ্জি চেঞ্জ করতে এত দূরে গেলে আমার এর থেকে বেশি গাড়ির তেল খরচ হবে, তাছাড়া কষ্টতো আছেই। এর থেকে ওর গেঞ্জি এইদিক থেকে কিনবো। ওগুলো রেখে দাও পরে পরবে। তাই বড় ছেলের গেঞ্জি কেনার জন্য গিয়েছিলাম বারিধারা অনন্যা মার্কেটে। এখানে মোটামুটি এক্সপোর্ট মানের ভালো গেঞ্জি পাওয়া যায়। বড় ছেলের জন্য বেশ কয়েকটি গেঞ্জি কেনা দেখে ছোট ছেলের তো মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে। সে নিজে নিজেই দোকানদারের কাছ থেকে একটি গেঞ্জি নিয়ে পরে বসে আছে। পরে কি আর করা তার জন্যও গেঞ্জি কেনা হলো। তাছাড়া মার্কেটে গিয়েছে আর আমার হাসবেন্ড কিছু কিনবে না তা কি হয়। সে গেঞ্জি, প্যান্ট এবং ট্রাউজার কিনলো। আর আমি বাসায় পরার জন্য কিছু ট্রাউজার কিনলাম। মার্কেটে গেলেই আমার ছেলেদের অনেক ক্ষুধা পায়। সেজন্য টুকটাক খাওয়া-দাওয়া করে নিয়েছি মার্কেটের নিচের রেস্টুরেন্ট থেকে।
ধন্যবাদ
@tania
| Photographer | @tania |
|---|---|
| Phone | oppo reno5 |
| আমি তানিয়া তমা। আমি বাংলাদেশে থাকি। ঢাকায় বসবাস করি। আমি বিবাহিত। আমার দুটি ছেলে আছে। আমার শখ রান্না করা, শপিং করা, ঘুরে বেড়ানো। আমি বাংলায় কথা বলতে ভালোবাসি। আমি আমার বাংলাদেশকে ভালবাসি। |
|---|
VOTE @bangla.witness as witness OR SET @rme as your proxy
ফ্যামিলির সবাই মিলে মার্কেটে গিয়ে পছন্দের জিনিসগুলো কিনলেন শীতকালের। তবে কিছু কিছু দোকানদার এমনই হয় আপনি বলবেন একটি সাইজের কথা তারা আরেকটি সাইজ দিয়ে বলবে ঠিকমতো দিলাম। পরে বাসায় নিয়ে আসলে হয়তো বা বড় হয় নয়তো বা ছোট হয়। যেমন আপনার বড় ছেলের শীতকালের কাপড়টি যখন গায়ে দিল তার পাঞ্জাবি হয়ে গেলো। আর ছোট বাচ্চাদের এক বছরের শীতের কাপড় অন্য বছর পড়ানো যায় না কারণ বাচ্চাগুলো তখন বড় হয়ে যায়। আপনার ছোট ছেলে বাইনা ধরে গায়ে দিয়ে বসে রইলো শুনে খুব ভালো লাগলো। এবং ফ্যামিলির সবাই কেনাকাটা করলেন শুনে খুব ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আমাদের মাঝে খুব সুন্দর করে শেয়ার করার জন্য।
কারো কোন ড্রেস কিনতে দেখলেই আমার ছোট ছেলেও শুরু করে দেয় ওর গেঞ্জি কেনার জন্য। এজন্য সবার আগে ওরটা কিনতে হয়। দোকানদারদের কথা কি আর বলবো। এরা তো বিক্রি করতে পারলেই বাঁচে। যাইহোক আপু ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
সকাল সকাল আপনার পোস্টে খাবার গুলোর কথা শুনে খুব করে লোভ হচ্ছে। বেশ কিছুদিন হলো রেস্টুরেন্টে গিয়ে এমন খাবার খাওয়া হয় না।। ঠিকই বলেছেন ঝামেলা একটা থেকেই যায় সি তেলে ধুম পড়ে যায় কেনাকাটার শীত চলে গেলে আবার গরমের কেনাকাটা।। যাহোক অনেক সুন্দর সময় অতিবাহিত করেছেন আপনারা সবাই মিলে বিশেষ করে খামার গুলা কিন্তু জটিল ছিল।।
বাচ্চাদের ক্ষেত্রে এই সমস্যাটা বেশি হয়। কারণ বাচ্চারা খুব দ্রুত বড় হয়। একবারের কাপড় অন্যবার গায়ে হতে চায় না। যাইহোক ভাইয়া ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য। আপনার লেখার মধ্যে কিছু বানান ভুল আছে আশা করি ঠিক করে নেবেন।
গতদিন বাবু এবং বাবুর বাবা বাহিরে গিয়ে চিকেন শর্মা খেয়েছিল আমাকে ছেড়ে। আপনার চিকেন শর্মা টি দেখে খাওয়ার ইচ্ছে করছে। ধন্যবাদ আপু।
দেখলাম আপু ভাইয়া বাবুকে নিয়ে ঘুরতে গিয়েছে। বেশ ভালো লাগলো দেখে। ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
খুবই ভালো একটি সময় অতিবাহিত করেছেন দেখছি। আসলে আমার কাছে এরকম পোস্টগুলো ভীষণ ভালো লাগে। ছেলের জন্য শীতের জামা কাপড় কেনার সুযোগে একটু ঘুরাঘুরি হলো আর কি। খাওয়া দাওয়াও বেশ ভালো করেছেন। অনেক কিছুর ফটোগ্রাফি করেছেন যেগুলো আমার কাছে ভীষণ ভালো লেগেছে। চিকেন শর্মা টি মনে হচ্ছে খেতে ভীষণ ভালো লেগেছে। সুন্দরভাবে লিখার জন্য ধন্যবাদ জানাই।
কেনাকাটার মানেই তো ঘোরাঘুরি আর খাওয়া দাওয়া। বিশেষ করে আমার বাচ্চাদের মার্কেটে গেলেই কিছু না কিছু খেতেই হবে। এই ফাঁকে আমাদেরও খাওয়া হয়ে যায়। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
আসলে এখনকার সময়ে ছোট ছোট বাচ্চারা আস্তে আস্তে বড় হচ্ছে এবছর আপনি যেই কাপড় গুলো কিনবেন পরবর্তী বছর আসতে না আসলে সেগুলো ছোট হয়ে যাবে এটাই স্বাভাবিক। বর্তমান সময়ে কিছু কিছু দোকানি আছে যে দোকানিগুলো মাপ ঝোঁক ভালোভাবে না বুঝেই কোন একটা কাপড় দিয়ে দেয় অবশেষে লক্ষ্য করলে দেখা যায় কাপড় গুলো হয় ছোট হয়ে গিয়েছে না হয় বড় হয়ে গিয়েছে আপনার ছেলের ক্ষেত্রে হয়তো বা সেটাই ঘটেছে। যাইহোক অবশেষে আপনার বাচ্চাদের জন্য কিছু কাপড় কিনেছেন সেই সাথে রেস্টুরেন্টে গিয়ে সুন্দর একটি মুহূর্ত অতিবাহিত করেছেন দেখে খুবই ভালো লাগলো। বাহিরে গেলে ছোট ছোট বাচ্চাদের ক্ষুধা লাগবে এটাই স্বাভাবিক হাহাহা।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া দোকানদাররা বিক্রি করতে পারলেই বেঁচে যায়। তার জন্য উল্টাপাল্টা করে দিয়ে দেয় যত তাড়াতাড়ি সম্ভব। ঠিক বলেছেন ভাইয়া খুব সুন্দর মুহূর্ত কাটিয়েছিলাম। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
এখন তো বাচ্চাদের জন্য জামা কাপড় কেনার কয়েক মাস পরই জামা কাপড় গুলো ছোট হয়ে যায়। তাই বাচ্চাদের জন্য বুঝে শুনে জামা কাপড় কেনা দরকার আমাদের। আপনি তো দেখছি জামা কাপড় কিনতে গিয়ে খুবই ভালো একটি মুহূর্ত কাটিয়েছেন। আসলেই আপনার বাচ্চার জন্য যে গেঞ্জি গুলো আপনার হাসবেন্ড নিয়ে এসেছিল সেগুলো কয়েক বছর পরেও আপনি ওকে গায়ে দিতে পারবেন। বড় হলে তো কোন সমস্যা নেই কিন্তু ছোট হলে চেঞ্জ করা লাগে। এখন তো বাচ্চাদের জামা কাপড় নিয়ে অনেক ঝামেলা হয় একবার ছোট হয়ে যায় একবার বড় হয়ে যায়। যাই হোক এত সুন্দর একটি মুহূর্তে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
বড় গেঞ্জি কিনলে সমস্যা হয় উঠিয়ে রাখতে রাখতে ভুলে যাই। পরে যখন বের করি তখন দেখা যায় যে ছোট হয়ে গিয়েছে। এজন্য খুব একটা কাজে লাগে না। যাই হোক ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
এতদিন শুনেছি মেয়েরা সাধারনত কেনাকাটা পাগল। মার্কেটে গেলে এটা সেটা কেনা তাদের অভ্যাস এখন তো দেখতে পাচ্ছি ভাইয়ার বেলায় ব্যাপারটা উল্টা। আর বাচ্চাদের মত আমারও কিন্তু শপিং এ গেলে ক্ষুধা পায় হাহাহা।
ছেলেরাও প্রচুর শপিং করে কিন্তু মেয়েদের মতো এতো দেখা যায় না। এরা চুপিচুপি শপিং করে শুধু নাম হয় মেয়েদের।
ফুসকা কিন্তু বাকি আছে। এবারেও ফাঁকি দিলেন।