ভাতিজার জন্য গাড়ি কেনার মূহুর্ত
কেমন আছেন আমার প্রিয় বাংলা ব্লগের বন্ধুরা? আমি আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। আশাকরি আপনারা ও অনেক ভালো আছেন।
এইবার ঈদের মধ্যে বাড়িতে গিয়ে বেশ মজা করেছি। বিশেষ করে পরিবারের সবাইকে একসাথে পেয়েছি। এইটা বেশি আনন্দ ছিল।বাসায় মা, বাবা, বড় বোন,বড় ভাই, বড় ভাবি, ভাতিজা, ছোট ভাতিজা, ভাগ্নি, ভাগ্নে, আমার ওয়াইফ, দুলাভাই সহ বাড়িতে অনেক কাজিনরা।বাসায় ছোট বাচ্চা অনেক এর মধ্যে থেকে আমার ভাতিজা বয়স ১.৫ বছর একটু বেশি। তাছাড়া সবাই মোটামুটি বড়। তাদের গাড়ি চালানো দেখে সে গাড়ি কেনার বাইনা ধরে আমার কাছে।ভালো করে কথা বলতে পারে না ঠিক মতো। তারপর আমার কাছে এসে বলে যে চাচ্চু গাড়ি এনে দাও। তারপর আর কি করা ভাতিজা গাড়ি কথা বলছে। কিনতে তো হবেই সাথে সাথে গাড়ি কেনার জন্য মার্কেট এ চলে গেলাম।
এরপর একটা আরএফএল এর শোরুম এ চলে গেলাম। সেখানে বিভিন্ন ধরনের গাড়ি আছে সুন্দর সুন্দর। এদের শোরুমে গেলে আমার অনেক ভালো লাগে। কারণ তাদের ছোট ছোট ঘরের জিনিসপত্র গুলো অনেক ভালো লাগে আমার কাছে। এরপর শোরুমে অনেক সময় ধরে ঘোরাফেরা করলাম আরো সুন্দর সুন্দর কিছু জিনিস নিয়ে নিলাম সাথে।
আরএফএল শোরুমে গেলে কিছু না কিছু নিয়ে আসি আমি সেটা দশ টাকার জিনিস হোক না কেন ।আরো বেশি দেরি হওয়ার কারণ হচ্ছে আমার সাথে আমার বড় আপু গিয়েছিল। জানেন তো মেয়ে মানুষের একটু কেনাকাটা করতে একটু সময় লাগে। বেশিরভাগ মেয়েদের মার্কেট গেলে অনেক দেরি হয়ে যায়। কারণ আমি আমার ছোট বোন বড় বোন আর এখন নিজের স্ত্রী কে নিয়ে গিয়ে বুঝি বিষয়গুলো।যদিও আমার খুব একটা বিরক্তিকর মনে হয় না। বেশি খারাপ লাগলে দোকানে গিয়ে ঠান্ডা খায় বসে বসে। এরপর সবকিছু নিয়ে বিল দিয়ে চলে আসলাম বাসায়। এদিকে বাসায় গিয়ে গাড়ি দেখে তো ভাতিজা ভিশন খুশি।সে আর গাড়ি থেকে কোনভাবেই নামবে না।
উপরে মার্ক করা গাড়িটা কেনা হয়েছিল। এরপর ছবিটা আমার ভাতিজা।সে খুব ভাব নিতে পারে। আসলে গাড়ি সহ ছবিগুলো ডিলিট হয়ে যায়। কয়েকদিন আগের হওয়ার কারণে ছবিগুলো হঠাৎ ডিলেট হয়ে যায়।সে গাড়ি পেয়ে ভিশন খুশি। গাড়িতে কাউকে উঠতে দেয় না। আমাকে উঠতে দেয় না তার গাড়িতে।তার আরো অনেক বড় বড় গাড়ি আছে কিন্তু সে সেগুলোতে না উঠে এই গাড়িতে সবসময় উঠে। আজকে এই পর্যন্তই সবাই ভাল থাকবেন এবং সুস্থ থাকবেন। পরবর্তী আবারো আসবো নতুন কোন বিষয় নিয়ে। ধন্যবাদ জানাচ্ছি সবাইকে।
| ফটোমেকার | @engtariqul |
|---|---|
| ডিভাইস | শাওমি রেডমি নোট ৭ |
আমি তারিকুল ইসলাম। আমি একজন বাংলাদেশী। আমার মাতৃভাষা বাংলা বলে আমি নিজেকে নিয়ে অনেক গর্ববোধ করি। আমি সিভিল ইন্জিনিয়ার থেকে পড়াশোনা শেষ করেছি।
আমি ভ্রমণ এবং ঘোরাঘুরি করতে ভিশন পছন্দ করি। তাছাড়া ফটোগ্রাফি করতে ভিশন ভালো লাগে। ছবি আঁকতে, পড়তে, লিখতে, এবং ডাই বানাতে পছন্দ করি।
আপনার ভাতিজার জন্য গাড়ি কিনার মূহুর্ত পড়ে অনেক ভালো লাগল। আসলে ভাতিজা আবদার করলে তো কিনে দিতেই হবে। যাইহোক আপনার ভাতিজা গাড়ি পেয়ে খুশি হয়েছে, সত্যি সব বাচ্চাদের গাড়ি অনেক পছন্দ। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ সুন্দর মূহুর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
এটা সেরা ছিল ভাই 👌👌। ভাই আপনার ভাতিজা মারাত্মক কিউট 🥰। এমন মিষ্টি বাবু কিছু আবদার করলে সেটা পূরণ না করে কি আর উপায় আছে 😊। বেশ ভালো লাগলো সবটা। আর ভাতিজার জন্য অনেক আদর আর ভালোবাসা রইলো। ❤️❤️
এটা আপনি ঠিক বলছেন আসলে মেয়েদেরকে নিয়ে মার্কেটে গেলে একটু দেরি হয় কারণ একটু দেখেশুনে ঘোরাফেরা করে কিনতে ভালো লাগে। আর পুরুষ মানুষটা এত দোকানে ঘুরাঘুরি করে না যে কোন একটা দোকানে গিয়ে নিয়ে নেই। ভাতিজা তবে সুন্দর বায়না ধরলো গাড়ির জন্য। গাড়িটা অনেক সুন্দর হয়েছে কিছুদিন আগে আমাদের বাসায় এনেছিলাম এরকম একটা। খুব সুন্দর অনুভূতি ছিল আপনার ভাতিজা কে গাড়ি কিনে দেওয়ার বেশ ভালো লেগেছে পড়ে।
মেয়ে মানুষের কেনাকাটা করতে সময় লাগবে না মেয়েরা তো আপনাদের মত হুটহাট যা পায় তাই কিনতে পারেনা ওরা একটু দেখে শুনেই কিনে। আর ভাতিজার জন্য গাড়ি কিনেছেন ভাতিজা চাক আর না চাচা হিসেবে আপনিতো দিতেই পারেন। ভালো লাগলো ভাতিজা গাড়িটি পেয়ে খুব খুশি হয়েছে। অবশ্য দেড় বছরের বাচ্চা যা পাবে তাতেই খুশি হবে।
সুন্দর একটি অনুভূতি আপনি শেয়ার করেছেন। এটা ঠিক বলেছেন যে মেয়েদের নিয়ে কোথাও গেলে বিশেষ করে মার্কেটে গেলে একটু সময় বেশি লেগে যায়। কারন তাদের বিভিন্ন দোকান থেকে চয়েজ করতে হয়। তারপরও দেখা যায় যে তাদের মনমতো হয়নি। কিন্তু পুরুষ মানুষ এরা অল্প সময়ের মধ্যে তাদের পছন্দমত ক্রয় করে এতে অনেক কম সময় লাগে।অনেক সুন্দর একটি অনুভূতি আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আসলে এমনিতেই মেয়েদের কেনাকাটা করতে অনেক বেশি সময় লাগে। তারা এক দোকান থেকে অন্য দোকানে যায়। আর এক দোকানে গেলেও সব কিছু অনেক চর্চা করে কিনে থাকে। আপনার ভাতিজা তো দেখছি খুবই মিষ্টি দেখতে। আসলে ছোট বাচ্চারা গাড়ি একটু বেশি পছন্দ করে। আপনার ভাতিজা অনেক খুশি হয়েছিল গাড়িটি পেয়ে দেখে বুঝতে পারছি। ভালো লাগলো সম্পূর্ণটা পড়ে এবং দেখে।
আপনার ভাতিজা ভালো করে কথা না বলতে পারলেও গাড়ি কেনার কথাটা বেশ বলেছে,যেহেতু এটা তার দরকারি একটা জিনিস। ঈদে বাড়িতে গিয়ে সবাইকে একসাথে পেয়ে বেশ মজা করেছেন।বাহ্ ছবি তোলার সময় তো দেখছি দারুন পোজ দেয় আপনার ভাতিজা।গাড়ি কেনার মুহূর্ত পড়ে অনেক ভালো লাগলো।আপনার ভাতিজা খুশি হয়েছে নিশ্চয় গাড়ি পেয়ে।ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।