স্বনির্ভরশীলতা।
হ্যালো বন্ধুরা।
আসসালামু আলাইকুম।
কেমন আছেন আপনারা সবাই আশা করি সবাই? আশা করি সবাই অনেক ভালো আছেন। আত্মনির্ভরশীলতা নিয়ে আজ কিছু কথা বলব। আমরা স্বাধীনতা প্রিয় জীব। আমরা স্বাধীন থাকতে পছন্দ করি আমাদের জীবনের নিয়মকানুনে যখন কেও হস্তক্ষেপ করে তখন আমরা সেটা স্বাভাবিকভাবেই মেনে নিতে পারি না। আসলে স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকতে হলে আত্মনির্ভরশীল হওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
আমরা যখন অন্য কারোর উপর নির্ভরশীল হয়ে যাব তখন নিজের স্বাধীনতা, নিজের চাওয়া পাওয়া এগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধতা চলে আসবে। অন্যের উপর নির্ভরশীল হলে নিজের ইচ্ছেমতো আর নিজেকে সাজানো সম্ভব হয় না। নিজের ইচ্ছে মতো জীবন চালাতে পারাটা বিশাল কিছু। প্রত্যেকটা মুভমেন্টের জন্য প্রস্তুত থাকা যায়। কিন্তু অন্যের উপর নির্ভরশীল হওয়া মানে যে কোন মুহূর্তে যেকোনো পরিবেশের মুখোমুখি হওয়া লাগতে পারে। এটা জীবনের স্বাভাবিক ব্যালেন্স কে নষ্ট করে। যারা ব্যক্তি স্বাধীনতা চায়, কারোর অধীনে থাকতে চায় না তারা সবসময়ই নিজে উদ্যোক্তা হতে চেষ্টা করে। অন্যের অধীনে থাকার চেয়ে নিজে কিছু করাটাই অধিক শ্রেয়।
আত্মনির্ভরশীলতার অনেক গুরুত্ব রয়েছে যেমন ব্যক্তিগত জীবনে নিজের স্বাধীন চিন্তার বিকাশ ঘটানোর সুযোগ পাওয়া যায় এবং নিজে যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায় কোন বাধা থাকে না। নিজের জীবনের উপর নিজের নিয়ন্ত্রণ প্রত্যেকটা মানুষের খুবই দাম। জীবনের প্রত্যেকটা সমস্যার সমাধান খুব সুন্দর ভাবে করা সম্ভব। আপনি জানেন আপনার কখন কি করা প্রয়োজন। কিন্তু আপনি যখন অন্যের উপর নির্ভরশীল থাকবেন তখন আপনার সুবিধা অসুবিধার বাইরে অনেক কিছু করতে হবে যেটা আপনার স্বাভাবিক জীবনকে আরো কঠিন করে ফেলবে।
নিজে কিছু করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার পিছনে অনেক সম্মান রয়েছে। আপনি যখন আত্মনির্ভরশীল হবেন তখন আপনার আত্ম-মূল্য এবং আত্মসম্মান অনেক শক্তিশালী হবে । নিজের পার্সোনালিটি অনেক মজবুত হবে। এতে মানসিকতা ভালো থাকে এবং নিজের উপর কনফিডেন্স বাড়ে। স্বাধীন মন অনেক কিছু করতে পারে। আর এটি জীবনের মান উন্নয়নে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
আত্মনির্ভরশীলতা মানুষকে আরো অনেক কঠিন করে তোলে। যখন একজন মানুষ আত্মনির্ভরশীল হয়ে ওঠে তখন তার প্রত্যেকটা সমস্যার মোকাবেলা তার নিজেকেই করতে হয়। এতে ব্যক্তিগত বৃদ্ধি এবং এবিলিটি বৃদ্ধি পায়। কোন সমস্যা যখন ওভারকাম করা সম্ভব হয়ে তখন কনফিডেন্স আরো বৃদ্ধি পায় আর বড় বড় এচিভমেন্ট তখনই হাতের মুঠোয় চলে আসে। যত বেশি সমস্যার সমাধান করে সামনে এগিয়ে যাওয়া যায় তত বেশি অভিজ্ঞতা নিজের উন্নয়নেই ব্যবহার করা যায়। প্রত্যেকটা অভিজ্ঞতা শুধুমাত্র নিজের জন্যই ব্যবহার করা সম্ভব, যেটা অন্যের অধীনে থাকলে সম্ভব নয়।
স্বনির্ভর হয়ে কেউ যদি কোন উদ্যোগ গ্রহণ করে তাহলে একটা সম্ভাবনা থাকে অনেক সম্পদের মালিক হওয়ার। অন্যের অধীনে চাকরি করে আপনার কোন আবিষ্কার সেটি আপনার কাছে থাকবে না বা আপনার নিজের জন্য কাজ করবে না। আপনার নিজের প্রতিষ্ঠানের জন্য আপনি কোন কিছু আবিষ্কার করলে সেটি আপনার পুরো প্রতিষ্ঠানের জন্য সারা জীবন কাজ করে যাবে। পরবর্তীতে আপনি ইচ্ছা মতো মডিফাই, ইচ্ছামত পরিবর্তন যা খুশি তা করতে পারবেন। সম্পূর্ণ স্বাধীনতা আপনার কাছেই থাকবে।
আসলে মানুষের স্বভাব এমন। প্রত্যেকটা মানুষই স্বাধীন ভাবে বাঁচতে চায়। প্রত্যেকটা মানুষ চায় তার নিজের একটা আলাদা রাজ্য থাকবে এবং সে রাজ্যে সবকিছু তার নিজের খেয়াল খুশি মতো চলবে। আর এতে অনেক তৃপ্তি রয়েছে। যাইহোক আজ আমি এখানেই বিদায় নিচ্ছি। দেখা হবে পরবর্তী কোনো পোস্ট ইনশা আল্লাহ্। আল্লাহ্ হাফেজ।
image source & credit: copyright & royalty free PIXABAY
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
কথাগুলো আসলে যেন হৃদয় ছুঁয়ে গেল, এটা চিরন্তন সত্য যে, স্বনির্ভরশীল হওয়া খুবই জরুরী।
প্রতিটি কোথায় যুক্তিসঙ্গত। আর পুরো বিষয়টা একদম ক্লিয়ার করে তুলে ধরেছেন। আর বাস্তবেই স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার জন্য আত্মনির্ভরশীল হওয়া ছাড়া আর কোন বিকল্প নেই।
স্বাধীনতা এবং আত্মনির্ভরশীলতা দুটি বিষয় মানুষকে অনেক বেশি শক্তিশালী করে তোলে। একজন মানুষ যতই আত্মনির্ভরশীল হবে সে অন্যের ওপর নির্ভরশীল থেকে কোন কাজ করি তৃপ্তি পাবে না। যখন নিজের মতো করে নিজের কাজ করে তখনই তৃপ্তি পাবে। তার পাশাপাশি নিজেকে একটা অবস্থানে নিয়ে যেতে পারবে। দারুন কিছু কথা লিখেছেন ভাইয়া, পড়ে সত্যিই ভালো লেগেছে অনেক।
আমাদের প্রত্যেকের জীবনে আত্মনির্ভরশীলতা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আসলে একজন মানুষ যদি আত্মনির্ভরশীল না হয় তাহলে জীবনে প্রতিটি পদক্ষেপে বাঁধার সম্মুখীন হবে। আর সেই সমস্যাগুলো কাটিয়ে উঠতে পারবে না। নিজের সত্তা ধরে রাখার জন্য আত্মনির্ভরশীলতা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। ভালো লাগলো ভাইয়া আপনার লেখাগুলো পড়ে।
ব্যক্তি জীবনে প্রতিটি মানুষেরই স্বনির্ভরশীল ভীষণ ভীষণ দরকার ৷ এটা আজও সত্য কথা যে অন্যের অধীনে কোন কিছু করার চেয়ে নিজে প্রতিষ্ঠিত হয়ে কোন কিছু করা অনেক শ্রেয় ৷ তবে এর পিছনে পরিশ্রম মেধা এবং কি ধৈর্য ধরে রাখতে হয়৷
উদাহরণ স্বরুপ
এই স্বনির্ভরশীল তা পাওয়ার জন্যই তো দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধ করেছিল বাঙালি জাতি৷ যখন পশ্চিম পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠী পূর্ব বাংলার মানুষের উপর ভাষার প্রতি আঘাত করেছিল৷
তাই নিজেকে ধরে রাখার জন্য স্বনির্ভরশীল খুবই গুরুত্বপূর্ণ ৷
খুব ভাল লাগলো পড়ে ভাইয়া। আসলে আমাদের প্রত্যেকেরই আত্মনির্ভরশীল হওয়া জরুরি।আত্মনির্ভরশীল হলে প্রথমেই যে কাজটা হয়।তা হলো আত্মতৃপ্তি পাওয়া যায়। আর সেই আত্মতৃপ্তি থেকে যে কাজ গুলো করা হয় তা খুব ভাল হয়। খুব সুন্দর গুছিয়ে সুন্দর কিছু কথা লিখে তুলে ধরার জন্য অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে।
কথায় তো আছে বল বল বাহুর বল, জল জল গংগার জল। ভাই বেশ সুন্দর একটি টপিক্স নিয়ে আজ আমাদের মাঝে পোস্ট শেয়ার করেছেন। আপনার লেখার প্রতিটি কথায় যেন যুক্তিসঙ্গত। আমাদের সত্যি নিজেদেরই আত্ননির্ভশীল হতে হবে। তা না হলে আমরা হয়ে যাবো অচল পয়সা।
ঠিকই বলেছেন ভাই আমরা স্বাধীন জীব আর সকলেই স্বাধীন থাকতে পছন্দ করি, কেউই চায় না আমরা অন্য কেউ আমাদের স্বাধীনতার উপর হস্তক্ষেপ করুক। নিজের ইচ্ছামত জীবন চালাতে পারাটা বিশাল কিছু, কিন্তু সেটাই বা কয়জন পারে। এই কথাটা খুবই ভালো লাগলো এটা একদম ঠিক, নিজে কিছু করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার পিছনে অনেক সম্মান রয়েছে। আর এটাও ঠিক আমরা প্রত্যেকটা মানুষই চাই নিজের একটি আলাদা রাজ্য, যেখানে আমরা নিজের মনের মতন করে চলতে পারবো।