কেএফসি তে কাজিন এর সাথে একটু খাওয়া দাওয়া
কেমন আছেন আমার প্রিয় বাংলা ব্লগের বন্ধুরা? আমি আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। আশাকরি আপনারা ও অনেক ভালো আছেন।
আজকে আপনাদের সাথে কাজিন এর সাথে কেএফসি তে খাওয়ার মূহুর্ত শেয়ার করবো। আশা করছি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে। আজকে দুপুর থেকে অনেক বৃষ্টি হয়েছে। অফিসে তেমন একটা কাজ ও ছিল না।বেশ কয়েকদিন পর আজকে অফিসে কাজ কম ছিল।জানালা দিয়ে বৃষ্টি দেখতেছিলাম। হঠাৎ পিছন থেকে আমার কাজিন এসে হাজির। আমি তো অবাক এই বৃষ্টির মধ্যে তুমি কিভাবে।কাজিন আসলে একটা কাজে আসছিলো ঢাকায় থাকে আমাকে সারপ্রাইজ দিবে এই জন্য না জানিয়ে আসছে। এর মধ্যে সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসছে অফিসে নাস্তা তেমন একটা ভালো ছিল না।পড়ে অফিস থেকে বের হয়ে কাজিন কে নিয়ে পাশেই কয়েকদিন হলো নতুন শাখা হয়েছে আমাদের এখানে কেএফসির সেখানে গেলাম। কেএফসির আইটেম গুলো আগে থেকেই অনেক ভালো লাগে আমার কাছে।
এরপর দুজনে মিলে খাওয়ার জন্য কেএফসি ভিতরে প্রবেশ করলাম। ভিতরে প্রবেশ করার পর কয়েকটি ছবি তুলে নিলাম।শাখা স্পেস টা একটু কম হয়ে গেছে। কেএফসি শাখা গুলো মোটামুটি বড় হয়ে থাকে। তাদের ডেকরেশন অনেক ভালো ছিল।
এরপরে খাবার অর্ডার দেওয়ার জন্য সিরিয়াল এ দারালাম। এদের নিয়ম হচ্ছে আগে পেমেন্ট করে তারপর সিরিয়াল নাম্বার নিয়ে বসে থাকা। এরপর আমরা পাঁচ মিনিট এর মতো বসে ছিলাম। পাঁচ মিনিট এর মধ্যে খাবার চলে আসলো। ।
অপেক্ষা করার মধ্যে আমরা কয়েকটি ফটোশুট করে ফেলি। আর কাজিন আমার অনেক ছোট।সে ইন্টার এ পড়াশোনা করে সাইন্সে।
অপেক্ষা শেষে খাবার চলে আসলো। আমরা একটা প্যাকেজ নিয়েছিলাম।প্যাকেজ এ ছিল ৪ টা উইংস , ফেন্স ফ্রাই, একটা বাটার বন। কেএফসির চিকেন গুলো আমার কাছে অসাধারণ লাগে। অনেক জায়গায় অনেক ধরনের চিকেন খাওয়া হয়েছে কিন্তু কেএফসির মতো মজা আর কোথাও লাগে নাই। এরপরে দুজনে পূরো দমে খাওয়া দাওয়া শুরু করলাম।
খাইতে খাইতে মাগরিব এর আযান দিয়েছিল।এই জন্য তাড়াতাড়ি করে খাওয়া শেষ করে নামাজ পড়ার জন্য অফিসে চলে গেলাম।কারণ অফিসে ভিতরে মসজিদ আছে সেখানে নিয়মিত নামাজ হয়ে থাকে। এরপর নামাজ শেষে কাজিন বাসা চলে গেল।আর আমিও আছতে আছতে বাসার উদ্দেশ্যে চলে আসলাম। আজকে এই পর্যন্তই সবাই ভাল থাকবেন এবং সুস্থ থাকবেন। পরবর্তী আবারো আসবো নতুন কোন বিষয় নিয়ে। ধন্যবাদ জানাচ্ছি সবাইকে।
| ফটোমেকার | @engtariqul |
|---|---|
| ডিভাইস | শাওমি রেডমি নোট ৭ |
আমি তারিকুল ইসলাম। আমি একজন বাংলাদেশী। আমার মাতৃভাষা বাংলা বলে আমি নিজেকে নিয়ে অনেক গর্ববোধ করি। আমি সিভিল ইন্জিনিয়ার থেকে পড়াশোনা শেষ করেছি।
আমি ভ্রমণ এবং ঘোরাঘুরি করতে ভিশন পছন্দ করি। তাছাড়া ফটোগ্রাফি করতে ভিশন ভালো লাগে। ছবি আঁকতে, পড়তে, লিখতে, এবং ডাই বানাতে পছন্দ করি।
আপনার কাজিন একটা কাজে এসে আপনাকে সারপ্রাইজ দিল অফিসে এসে।আপনার কাজিন ইন্টারে পড়াশোনা করছে।কাজিনকে নিয়ে খুব মজা করে কেএফসি তো খেয়েছেন।খুব সুন্দর মূহুর্ত কাটিয়েছেন দেখে ভালো লাগলো। শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে ভাইয়া।
তাহলে কাজিনকে নিয়ে কেএফসিতে অনেক মজার খাবার খেলেন। আপনার কাজিন আপনাকে না জানিয়ে এসে সারপ্রাইজ দিয়েছেন। যাক অফিসে কাজ কম থাকার কারণে হয়তো কাজিনকে নিয়ে ঘুরতে বের হতে পেরেছেন। দেখতেছি অনেক মজার মজার খাবার খেলেন ফটোগ্রাফির মধ্যে বুঝতে পারলাম। কাজিনকে নিয়ে সুন্দর সময় পার করলেন।
তাহলে আপনার কাজিনের সাথে কেএফসিতে মজার খাবার খেলেন। আপনার কাজিন অফিসের কাজে এসে আপনাকে সারপ্রাইজ দিলেন। এরকম আপন মানুষগুলোর সাথে একসাথে বসে কিছু খেতে পারলে অনেক ভালই লাগে।কেএফসিতে অনেক মজার মজার খাবার গুলো খেলেন। অনেক সুন্দর করে পোস্টটি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
কেএফসি তে গিয়ে কাজিনের সাথে দেখছি বেশ ভালোই খাওয়া দাওয়া করেছিলেন। আপনাদের খাওয়া দাওয়া করার মুহূর্তটা দেখে আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। বেশ ভালো মুহূর্ত কেটেছিল আপনাদের দুজনের যা দেখে বুঝতে পারছি। আপনার কাজিন আপনাকে জানিয়ে আসেনি, তিনি চেয়েছিলেন আপনাকে এসে সারপ্রাইজ দিবে। হঠাৎ করে ওনাকে দেখে আপনিও বেশ অবাক হয়ে গিয়েছিলেন। সম্পূর্ণটা বেশ ভালোই উপভোগ করেছি।