আজকে আমি আপনাদের মাঝে নতুন একটি রেসিপি নিয়ে হাজির হয়েছে ।আজকে আমি আপনাদেরকে দেখাবো কিভাবে কিভাবে পুইশাকের ফল আলু দিয়ে রান্না করে ভেজে খেতে হয়।আসলে পুঁইশাক সব সময়ই পাওয়া যায় কিন্তু শীতকালে পুইশাকের ফলটা ভেজে খেতে খুব ভালো লাগে।পুঁইশাক দিয়ে আলু ভাজি কিভাবে আমি রান্না করেছি তা আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।

সবজি তরকারি মানব দেহের জন্য খুবই উপকার। পুইশাকে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন রয়েছে। শীতকালে এই সময়ে পুঁইশাকের ফল হয়। আর এই ফলটি ভেজে খেতে খুব ভালো লাগে।অবশ্য ফলটি এখনো পেকে যায়নি। যদি এই ফলটি পাকে। তাহলে অনেকটা রক্তের মত লাল দেখায়। যাহোক এই ফলটি আলু দিয়ে আমি রান্না করেছি এবং খেতে অনেক সুস্বাদু হয়েছে। ইচ্ছে করলে আপনারাও এভাবে রান্না করে বাসায় খেতে পারেন।

প্রথমে আমি পুঁইশাক থেকে পুঁইশাকের যে ফল হয় সেই ফলের ডোগা গুলো কেটে নিয়েছে। আপনি যে পরিমাণ রান্না করবেন সে পরিমাণ পুঁইশাকের ফল নিতে পারেন তবে প্রত্যেকটা জিনিস অল্প পরিমাণে রান্না করলে তার সাধ্য একটু বেশি হয়।

এরপরে আমি পুঁইশাকের ডোগাগুলো ছোট ছোট করে কেটে নিয়েছি এবং পরিষ্কার পানি দিয়ে সুন্দর করে ধুয়ে নিয়েছে।

এই ধাপে আমি আমার উপর ইচ্ছা মতো আলু ছোট ছোট করে কেটে নিয়েছি। এরপরে আলু গুলো পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে নিয়েছে।

এরপরে পুঁইশাকের ফলগুলো একত্রিত করে কড়ার উপর দিয়েছি। এর সাথে ঝাল পেঁয়াজ লবণ ইত্যাদি যে গুলো দরকার ঠিক সেগুলো দিয়ে দিয়েছি।

যতক্ষণ পর্যন্ত ভালোভাবে সিদ্ধ না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আমি আলু এবং পুঁইশাক গুলো সিদ্ধ করে নিয়েছি।

এরপরে সিদ্ধ হওয়ার পরে আমি একটি পরিষ্কার বাটিতে ঢেলে নিয়েছি।

এরপরে পুনরায় আমি কড়াটি গ্যাসের উপরে দিয়েছি। এবং করাটি ভালোভাবে একটু তাঁতিয়ে নিয়ে নিয়েছি।

এরপরে গরম কড়ার উপরে আমি পরিমাণ মতো তেল ঢেলে দিয়েছি।তেলটি গরম না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করেছি ।

যখন তেলটি গরম হয়ে গেছে, গরম হওয়ার পরে আমি পেঁয়াজ কেটে রেখেছিলাম সেই পিয়াজগুলো গরম তেলে ঢেলে দিয়েছিলাম।

যতক্ষণ পর্যন্ত পেঁয়াজের বাদামের রং ধারণ না করে ততক্ষণ পর্যন্ত সুন্দর করে পেঁয়াজটি আমি ভেজে নিয়েছি।

এরপরে আমি যে আলু ও পুইশাকের ফল সিদ্ধ করে বাটিতে ঢেলে রেখেছিলাম সেগুলো পুনরায় আমি পিয়াজ ভাজির মধ্যে ঢেলে দেবো এবং সুন্দর মত করে নাড়বো এবং অল্প জ্বালে সেগুলোকে নাড়াচাড়া করব।

আর এভাবে তৈরি হয়ে গেল আলু দিয়ে পুঁইশাকের ফল ভাজি। এই রেসিপিটা আমার খেতে বেশ ভালই লাগে। এই সময় আসলে এ রেসিপিটা আমরা প্রায় তৈরি করে খায়। তবে পুঁইশাককে ফলগুলো যদি পেকে যেত তাহলে খেতে আরো বেশি ভালো লাগতো।
সঙ্গে থাকার জন্য অনেক ধন্যবাদ |
| device | poco M2 |
| Location | Meherpur |
| Photograpy | রেসিপি |
👨🦰আমার নিজের পরিচয়👨🦰
আমি তুহিন ব্লগ।আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।আমার মাতৃভাষা বাংলা।আমি বাংলা ব্লগে কাজ করতে অনেক ভালোবাসি।এই ব্লগে কাজ করার মধ্যমে আলাদা প্রশান্তি পায়।আমি পাশাপাশি একটি ব্যবসা করি।এ ছাড়া আমার একটি বাগান আছে। এবং বাগানে অনেক ফল ও সবজির চাষ করে থাকে।আমি ছবি আঁকতে পছন্দ করি।মাছের চাষ আমার প্রধান পেশা।এছাড়া আমি বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে খুব পছন্দ করি। সংক্ষিপ্ত আকারে আমার নিজের পরিচয় আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম।সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইল।

১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য |
বাহ খুবই সুস্বাদু রেসিপি শেয়ার করেছেন। আমি পাকা পুঁইশাকের বিচির ভাজি খেয়েছি কিন্তু কাঁচা অবস্থায় আলু দিয়ে এভাবে কখনো খাওয়া হয়নি। আমার কাছে পাঁকা বিচি ভাজি খেতে অনেক ভালো লাগে। তবে আপনার রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে খেতে খুবই সুস্বাদু হয়েছিল। ধাপগুলো খুব সুন্দর ভাবে বর্ণনা করেছেন। ধন্যবাদ মজাদার রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
আমার কাছে পাকা বিচি খেতে অনেক ভালো লাগে কারণ বিচি পেকে গেলে লাল টকটক করে। আর ভাতও লাল হয়ে যায় দেখতে অনেক সুন্দর লাগে।
ভাইয়া আপনার পুইশাক দিয়ে আলুর রেসিপি চমৎকার হয়েছে। দেখে মনে হচ্ছে অনেক সুস্বাদু হয়েছে।আপনি ঠিক বলেছেন এই ফল গুলো পাকলে অনেক ভালো লাগে। আমি ও এই ফল ভাজি খেয়েছি কিন্তু কখনো আলু দিয়ে খাওয়া হয়নি।এভাবে একদিন অবশ্যই তৈরি করবো।আপনাকে অনেক ধন্যবাদ সুন্দর একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
সুন্দর মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আপু।
ওয়ালাইকুম আসসালাম, আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। আপনি কেমন আছেন ভাইয়া।আপনার করা পুঁই শাক এরফল ভাজি রেসিপিটি বেশ দারুন হয়েছে।পুঁই শাকের ফল ভাজি আমার অনেক ছন্দের খাবার । অনেকেই কাঁচা ফল পছন্দ করে আবার অনেকে পাকা ফল পছন্দ কর। আমার কাছে সব থেকে ভালো লাগে পাকা ফল গুলো ভেজে খেতে।অনেক সুন্দর ভাবে আপনি আপনার রেসিপিটি আমাদের মাধ্যমে উপস্থাপন করেছেন। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ আমার পছন্দের একটি খাবার বা রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
অলাইকুম আসসালাম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ। আপনার সুন্দর মন্তব্য জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।
আমরা পুঁইশাকের ফলটাকে পুইশাকের গোটা বলি।বাজারে এখন এভেলেবেল পাওয়া যায়।আমার মা রান্না করে নোনা ইলিশ দিয়ে খেতে বেশ ভালোই লাগে তবে আলু দিয়ে ভেজে খাওয়া হয়নি।আপনার রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে খেতে ভালোই লাগবে।ভালো লাগলো আপনার রেসিপি টা।ধন্যবাদ
যদিও সবাই আমরা বাংলাদেশের মানুষ তথাপিও এলাকাভিত্তির কারণে কোন জিনিসের নাম পরিবর্তন হয়ে থাকে। সুন্দর মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ আপু।
পুঁইশাক অনেক উপকারী একটা শাক।পুঁইশাকের মধ্যে অনেক ভিটামিন রয়েছে যা আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী।পুঁইশাক এমন একটি শাক সব ঋতুতে পাওয়া যায় তবে শীতকালে পুঁইশাকের ফুল গুলো বেশি পাওয়া যায়।আপনি আলু দিয়ে পুঁইশাক ভাজি করছেন দেখেই খেতে ইচ্ছে করতেছে।শাক রান্নার ধাপ এবং কালার কম্বিনেশনটা দারুন দেখাচ্ছে ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনি ঠিকই বলেছেন পুইশাকের ফলগুলো শীতকালে বেশি পাওয়া যায়।
পুঁই-শাকের বীজ ও আলুর রেসিপি দেখে খুবই সুস্বাদু মনে হচ্ছে। আপনি খুবই মজাদার রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করলেন।রেসিপির পরিবেশন খুব ভালো লেগেছে।
সুন্দর মন্তব্যর জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
পুঁইশাকের ফল চিংড়ি মাছ এবং ডাল দিয়ে রান্না করে খেয়েছি। তবে আলু দিয়ে এভাবে ভাজি করে কখনো খাওয়া হয়নি। এভাবে একদিন ভাজি করে খেয়ে দেখব। রেসিপিটি দেখে বোঝা যাচ্ছে খেতে মজা হয়েছে। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
একদিন বাসায় এভাবে তৈরি করে খাবেন আপু অনেক ভালো লাগবে।
পুঁইশাকের বিচি দিয়ে আপনি আলু রান্না করলেন দেখে মনে হচ্ছে খেতে খুবই সুস্বাদু হয়েছে। আসলে পুঁইশাকের বিচি খেতে এমনিতেই অনেক সুস্বাদু হয়। আমার নিজেরও পুঁইশাকের বিচি খেতে অনেক ভালো লাগে। কিন্তু আপনার মত এমন করে কখনো রান্না করে খাইনি। এমনিতে পুঁইশাকের সাথে বিচি রান্না করে খেয়েছি। আপনার রেসিপিটি আমার কাছে চমৎকার লাগলো। এত সুন্দর রেসিপি আমাদেরকে উপহার দেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
সুন্দর মন্তব্য করার জন্য অনেক ধন্যবাদ ভাই
পুঁই শাকের বীজ কখনো খাওয়া হয়নি। আলু দিয়ে এভাবে একদিন রান্না করে খেয়ে দেখতে হবে। পুষ্টিগুনে ভরপুর এই সবজিগুলো খাওয়া খুবই উপকারী। ভাইয়া আপনার কাছে নতুন একটি রেসিপি শিখতে পেরে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে ভাইয়া মজার একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আপু।
পুঁইশাকের বিচিগুলো আলু দিয়ে খুব সুন্দর করে ভাজি করেছেন। তবে আমি পুইশাকের বিচিগুলো রান্না করে খেয়েছি খেতে অনেক মজা লাগে। আপনার মত এভাবে ভাজি করে খাইনি। তবে পুঁইশাকের মধ্যে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন আছে যা মানুষের শরীরের জন্য অনেক উপকারী। তবে আপনার রেসিপি দেখে বোঝা যাচ্ছে খেতে অনেক মজা হয়েছে। সুন্দর ভাবে উপস্থাপনা করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
ঠিকই বলছেন ভাই পুইশাকের বীজ গুলো ভেজে খেতে অনেক ভালো লাগে।