পটেটো ওয়েজেস তৈরির রেসিপি
আসসালামু আলাইকুম
আমার বাংলাব্লগের বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন ভাল আছেন নিশ্চয়ই। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালই আছি আলহামদুলিল্লাহ।
আজকে আমি আবার আপনাদের সামনে নতুন একটি রেসিপি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়ে গেলাম । নতুন নতুন রেসিপি করতে খুব সবসময় ভালো লাগে এইজন্য নতুন নতুন রেসিপি নিয়ে আপনাদের সামনে সবসময় হাজির হওয়ার চেষ্টা করি ।আর আজকে আমি আলুর তৈরি মজাদার একটি রেসিপি আপনাদের সাথে শেয়ার করব । আলু দিয়ে যে কোন জিনিস তৈরি করতে এবং খেতে আমার কাছে খুব ভালো লাগে । যদি কেউ বানিয়ে দেয় তাহলে তো আরো বেশি ভালো লাগে কিন্তু দেওয়ার তো কেউ নেই এজন্য নিজের হাতে বানাই ।আলু দিয়ে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরি করলে যেমন ভালো লাগে খেতে তেমনি আলু দিয়ে ওয়েজেস তৈরি করলে সেটা খেতেও ভালো লাগে । রেস্টুরেন্টের ওজেসগুলো যখন খাই তখন খুব ভালো লাগে । ওরা কত মজা করে ওই জিনিসগুলো তৈরি করে তারপর নিজেরা যখন বাসায় ট্রাই করি তখন সেটাও খেতে খুব ভালো লাগে । আমি মাঝে মাঝে এ ধরনের খাবার তৈরি করে খেয়ে থাকি। এটা বাচ্চারা থেকে বড়রা সবাই পছন্দ করে আমার কাছে তো খুবই ভালো লাগে ।
প্রয়োজনীয় উপকরণ
আলু
ময়দা
মরিচের গুঁড়া
লবণ
তেল
চিলিফ্লেক্স
গোলমরিচের গুঁড়া
চার্ট মসলা
কার্যপ্রণালী
প্রথমে আলু গুলোকে কেটে একটা পানির ভিতরে ভিজিয়ে রেখেছি । এখানে আলুগুলোকে মোটা মোটা করে কাটতে হবে আমি যেরকম করে কেটেছি সেরকম করে । সবসময় ওয়েজেস এর আলুগুলো এভাবে কাটা হয় । এরপর একটা পাতিলে পানি ফুটতে দিয়েছি । পানি ফুটে আসলে তার ভেতরে আলুগুলো দিয়ে দিয়েছি । হালকা একটু সিদ্ধ করে নেব। আলু গুলো খুব বেশি সিদ্ধ করা যাবে না তাহলে ভাজার সময় ভেঙে যাবে ।
আলু সিদ্ধ হয়ে গেলে একটা চালনিতে নিয়ে সাথে সাথে নরমাল পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে , যাতে আলুগুলো আর বেশি সিদ্ধ হতে না পারে । এরপর একটা বাটিতে আমি কিছু ময়দা নিয়ে নিয়েছি । আপনাদের কাছে কর্নফ্লাওয়ার থাকলে সাথে কিছু কনফ্লাওয়ার মিলিয়ে দেবেন আমার কাছে ছিল না তাই আমি দিতে পারিনি । এরপর এর ভিতর লবন ,মরিচের গুড়া দিয়ে দিয়েছি । তারপর গোলমরিচের গুঁড়ো দিয়েছি এবং কিছু চিলি ফ্লেক্স দিয়েছি । এরপর চাট মসলা দিয়েছি ।সবকিছু দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিয়েছি । এখানে ঝালের পরিমাণটা একটু বেশি হবে এজন্য সব ধরনের ঝাল মসলা বেশি দেওয়া হয়েছে । এরপর নরমাল পানি দিয়ে আস্তে আস্তে করে গুলিয়ে নিতে হবে ।
এরপর একটা বেটার তৈরি করে নিয়েছি । দেখুন ব্যাটারটা রেডি হয়ে গেলে তার ভিতরে আলুগুলো দিয়ে ভালো মতো নেড়ে চেড়ে মিশিয়ে নিয়েছি । এরপর চুলায় একটি প্যান বসিয়ে তার ভেতরে তেল দিয়ে দিয়েছি এবং তেলের ভিতরে একটা একটা করে আলু গুলো ছেড়ে দিয়েছি ।
এরপর আলুগুলো উল্টে পাল্টে বাদামি কালার করে ভেজে নিয়েছি । তৈরী হয়ে গিয়েছে আমার মজাদার পটেটো ওয়েজেস । তারপর একটা প্লেটে তুলে নিয়ে গরম গরম পরিবেশন করেছি । খেতে কিন্তু একেবারে মুচমুচে হয়েছিল ।যেমন কালার হয়েছে খেতেও কিন্তু খুবই অসাধারণ মজা হয়েছিল ।
আশা করছি আমার আজকের এই ব্লগটি আপনাদের সকলের কাছে ভালো লেগেছে। আজকের মত এখানেই বিদায় নিচ্ছি। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।
| ফটোগ্রাফার | @tauhida |
|---|---|
| ডিভাইস | samsung Galaxy s8 plus |
ধন্যবাদ
| আমি তৌহিদা, বাংলাদেশ আমার মাতৃভূমি।বাংলাদেশে আমার জন্ম।আমি আমার মাতৃভূমিকে ভালোবাসি। আমি বিবাহিতা, এক সন্তানের মা। আমি রান্না করতে ও খেতে ভালোবাসি,আমি ঘুরতেও অনেক ভালোবাসি। |
|---|
আলু আসলে এমন একটা সবজি যেটা দিয়ে অনেক কিছুই তৈরি করা যায়। খুব সম্ভবত আমি রেস্টুরেন্টে গিয়ে দুই একবার পটেটো ওয়েজেস খেয়েছিলাম এবং আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছিল। তবে সত্যি কথা বলতে কখনো বাড়ি বানিয়ে খাওয়া হয়নি। আপনার রেসিপিটা দেখে আমার বেশ ভালো লাগলো। এরকম করে আমি নিজেও চেষ্টা করব রেসিপিটি বাড়িতে বানিয়ে খাওয়ার জন্য । আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর একটা রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
বাড়ি কখনো বানিয়ে খাননি তবে অবশ্যই একদিন বানিয়ে খাবেন ভালো লাগে কিন্তু খেতে যখন তখন খাওয়া যায় ।
অবশ্যই আপু , এরকম করে একদিন বাড়িতে বানিয়ে খেয়ে দেখবো।
পটেটো ওয়েজেস খেতে ভীষণ মজাদার লাগে। সকাল সকাল আপনার তৈরি রেসিপি দেখে তো খেতে ইচ্ছে করছে আপু। অনেক গুলো উপকার দিয়ে তৈরি করেছেন ভালো লাগলো।
পটেটো ওয়েজেস খেতে আমার কাছেও অনেক ভালো লাগে বেশি বেশি ঝাল ঝাল দিলে আরো বেশি ভালো লাগে।
রেস্টুরেন্ট এর পটেটো ওয়েজেস খেতে সবথেকে বেশি ভালো লাগে। তবে এভাবে কখনো ঘরে তৈরি করে পটেটো ওয়েজেস খাওয়া হয়নি। এমনিতে ঘরে কোন কিছু তৈরি করলে কিন্তু শরীরের জন্য বেশি ভালো, এবং সেটা অনেক বেশি স্বাস্থ্যসম্মত হয়। আলু দিয়ে কোন কিছু তৈরি করলে এমনিতেই খেতে খুব ভালো লাগে। বাড়িতে যেহেতু কখনো এটা তৈরি করা হয়নি। আপনার উপস্থাপনা দেখে শিখে নিলাম। পারলে কখনো এটা তৈরি করে দেখব।
রেস্টুরেন্টের পটেটো ওয়েজেস বেশি স্বাদ তবে আমাদেরটাও কিন্তু কম স্বাদ হয়নি খেতে ভালোই লেগেছিল ।
ঠিক বলেছেন আপু কেউ এরকম খাবার গুলো বানিয়ে দিলে খেতে বেশি ভালো লাগে। এরপর আপনার বাসায় গেলে বানিয়ে খাওয়াবেন কিন্তু। তাছাড়া বাচ্চারা এরকম ফ্রেঞ্চ ফ্রাই এবং ওয়েজেস খুব পছন্দ করে। খুব সহজে আপনি ওয়েজেস তৈরি করেছেন। দেখে শিখে নিলাম। বাসায় বানিয়ে খাওয়া যাবে। দেখতেও কিন্তু বেশ লোভনীয় লাগছে।
এরকম খাবার বাচ্চারা অনেক বেশি পরিমাণে পছন্দ করে আমার কাছেও খেতে কিন্তু খুব ভালই লাগে ।
পটেটো ওয়েজেস আমার বেশ কয়েকবার খাওয়া হয়েছিল রেস্টুরেন্টে। আর রেস্টুরেন্টের পটেটো ওয়েজেস অনেক বেশি সুস্বাদু হয়ে থাকে, যা খেতেও খুব ভালো লাগে। আপনি ঘরোয়া পদ্ধতিতে এই রেসিপিটা তৈরি করেছেন, মনে হচ্ছে অনেক বেশি সুস্বাদু হয়েছে। যারা এই রেসিপিটা ঘরে তৈরি করতে পারে না। তারা চাইলেই শিখে নিতে পারবে আপনার উপস্থাপনা দেখে। নিশ্চয়ই অনেক মজা করে খেয়েছিলেন এই পটেটো ওয়েজেস।
আমরা তো রেস্টুরেন্টে গেলে এই ধরনের খাবার খুব বেশি পরিমাণে খাই এজন্য বাসায় মাঝে মাঝে তৈরি করে খেতে ভালো লাগে।
রেসিপিটা কখনো বাসায় তৈরি করে খাওয়া হয়নি। তবে রেসিপিটা দেখে মনে হচ্ছে এটা তৈরি করা খুবই সহজ। আমি অবশ্যই বাসায় একদিন রেসিপিটা শেয়ার করব। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
একদিন অবশ্যই তৈরি করে দেখবেন খেতে খুবই সুস্বাদু এবং অল্প উপকরণে খুব সহজেই বানিয়ে ফেলা যায় ।
বেশ সহজ ও সুন্দর করে ঘরে থাকা উপকরন দিয়ে মজার খাবার পটেটো ওয়েজেস বানিয়ে নিলেন আপু। বাচ্চাদের বেশ পছন্দ এ খাবার ।আর এভাবে বাসায় বানালে তা স্বাস্থ্যসম্মতও হবে। একদিন ট্রাই করবো অবশ্যই। ধন্যবাদ রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য।
আসলেই ঘরে থাকা উপকরণ দিয়ে খুব সহজে বানিয়ে ফেলা যায় এবং স্বাস্থ্যসম্মত খেতেও ভালো লাগে।
আলুর তৈরি মজাদার একটি রেসিপি আর এই রেসিপিটি পুরোটাই তেলে ভাজি হওয়ায় খেতে আরো বেশি সুস্বাদু হবে। পটেটো ওয়েজেস রেসিপির নামটা একদম ইউনিক। কিভাবে এই রেসিপি তৈরি করতে হয় সেটা আমাদের মাঝে তুলে ধরার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
আলুর যে কোন জিনিসই খেতে আমার কাছে অনেক সুস্বাদু লাগে এজন্য আমি আলু দিয়ে বিভিন্ন ধরনের জিনিস তৈরি করে খেতে পছন্দ করি ।
আপনার মত আমার কাছেও আলু দিয়ে কিছু তৈরি করে খেতে খুব ভালো লাগে। আজকে আপনি অনেক সুন্দর করে আলু দিয়ে পটেটো ওয়েজেস রেসিপি তৈরি করেছেন। তবে এই রেসিপিগুলো সকাল-বিকাল রাত্রে যেকোনো সময় খেতে খুব মজা লাগে। সত্যি বলতে আপনার পটেটো ওয়েজেস রেসিপি দেখে আমার খেতে খুব ইচ্ছে করতেছে। অনেক সুন্দর করে রেসিপিটি আমাদের মাঝে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত শেয়ার করেছেন।
এই রেসিপিগুলো বিকেলের নাস্তার সাথে খেতে আমার কাছে বেশি ভালো লাগে সকালে কখনো খাওয়া হয়নি তাই বলতেও পারছিনা সকালে খেলে কেমন লাগবে ।