🥘 ঢেঁড়স ভাজি রেসিপি 🥘 || ১০% পে-আউট লাজুক খ্যাঁক-এর জন্য।
✋হ্যালো বন্ধুরা,✋
আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। প্রতিদিনের মত আজকেও আপনাদের সামনে এসে হাজির হলাম। আজকে আমি আপনাদের সামনে অনেক সুন্দর একটা রেসিপি নিয়ে এসেছি। আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব ঢেঁড়স ভাজি রেসিপি। রেসিপিটা খেতে অনেক মজার।
আসলে যে কোন সবজি ভাজি খেতে আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে। এরকমই একটা সবজি হচ্ছে ঢেঁড়স। ঢেঁড়সে প্রচুর ভিটামিন রয়েছে। যেকোনো সবজি আমাদের জন্য ভীষণ উপকারী। এজন্য আমি চেষ্টা করে প্রতিদিনের খাবারে কিছু না কিছু সবজি রাখার। এইজন্য আমি ঢেড়স ভাজি করেছি। ঢেঁড়স ভাজি আমার ভীষণ প্রিয়। আমার কাছে খেতে ভীষণ ভালো লাগে। বিশেষ করে গরম বাদ দিয়ে খেতে বেশি ভালো লাগে।
তো চলুন,
এই রেসিপিটি তৈরি করতে আমার কি কি উপকরণ লাগলো এবং আমি পুরো রেসিপি কিভাবে তৈরি করলাম তার বর্ণনা নিচে প্রতিটা ধাপে উপস্থাপন করলাম। আশা করি আমার আজকের রেসিপি আপনাদের ভালো লাগবে।
🍲 উপকরণ 🍲 |
|---|
| উপকরণ | পরিমাণ |
|---|---|
| ঢেঁড়স | ৫০০ গ্রাম |
| পেঁয়াজ কুচি | ১ কাপ |
| রোসন বাটা | ১ টেবিল চামচ |
| কাঁচামরিচ কুচি | ২ টেবিল চামচ |
| হলুদের গুঁড়া | ২ টেবিল চামচ |
| মরিচের গুঁড়া | ২ টেবিল চামচ |
| লবন | পরিমাণমতো |
| তেল | পরিমাণমতো |
✴️ ধাপ 0️⃣1️⃣ ✴️ : |
|---|
প্রথমে আমি ঢেঁড়স গুলোকে ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিলাম। এরপরে আমি ঢেঁড়স গুলোকে কুচিকুচি করে কেটে নিলাম।
✴️ ধাপ 0️⃣2️⃣ ✴️ : |
|---|
এরপরে চুলায় একটি কড়াই বসিয়ে দিলাম। এরপরে এর মধ্যে পরিমাণ মতো তেল দিয়ে দিলাম। এরপর এরমধ্যে পেঁয়াজকুচি এবং কাঁচামরিচ কুচি দিয়ে দিলাম।
✴️ ধাপ 0️⃣3️⃣ ✴️ : |
|---|
এরপর এর মধ্যে পরিমাণ মতো লবণ, রসুন বাটা মরিচের গুঁড়া এসব গুলো মসলা দিয়ে দিলাম।
✴️ ধাপ 0️⃣4️⃣ ✴️ : |
|---|
এরপর সবগুলো মসলা নেড়েচেড়ে মিশিয়ে নিলাম। এভাবে মসলাগুলো একটু তেলের উপরে কষিয়ে নিব।
✴️ ধাপ 0️⃣5️⃣ ✴️ : |
|---|
এরপর এরমধ্যে কুচি করে কেটে রাখা ঢেড়স গুলো দিয়ে দিলাম। এরপরে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিলাম।
✴️ ধাপ 0️⃣6️⃣ ✴️ : |
|---|
এরপর ঢাকনা খুলে কিছুক্ষণ পরপর একটু নেড়েচেড়ে দিব। এভাবে আমি কিছুক্ষণ ভেজে নিব।
✴️ ধাপ 0️⃣7️⃣ ✴️ : |
|---|
এভাবে আমি আরো কিছুক্ষণ নেড়েচেড়ে ভাজতে। তবে আমি এভাবে আমি তেলের উপরে ভাবো।
✴️ ধাপ 0️⃣8️⃣ ✴️ : |
|---|
এভাবে আমি কড়া করে ঢেঁড়স গুলো ভেজে নিব। একদম মুচমুচে করে ভাজা হয়ে গেলে এরপর চুলে থেকে নামিয়ে নিলাম।
✴️ শেষ ধাপ ✴️ : |
|---|
এরপর পরিবেশন করলাম। আশা করি আমার আজকের রেসিপি আপনাদের ভালো লাগবে। পরবর্তীতে আবারও দেখা হবে নতুন কিছু নিয়ে। সবাই ভালো থাকবেন।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেণী | রেসিপি |
|---|---|
| ডিভাইস | Redmi note 9 |
| ফটোগ্রাফার | @tasonya |
| লোকেশন | ফেনী |
আমার পরিচয়
আমার নাম তাসলিমা আক্তার সনিয়া। আমি বাংলাদেশী। বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা বলে আমি অনেক গর্বিত। আমি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অনার্স ফাইনাল ইয়ারের একজন ছাত্রী। আমি ছবি আঁকতে ভালোবাসি। বিশেষ করে যে কোন ধরনের পেইন্টিং করতে পছন্দ করি। যখনই অবসর সময় পায় আমি ছবি আঁকতে বসে পড়ি। এছাড়াও আমি ভ্রমণ করতে পছন্দ করি। কিছুদিন পর পর বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ করার চেষ্টা করি। এছাড়াও আমি বিভিন্ন ধরনের কারুকাজ করতে পছন্দ করি। রান্না করতেও আমার খুব ভালো লাগে। আমি বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করতে পছন্দ করি। আমি যখনই সময় পাই আমার পরিবারের সবাইকে বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করে খাওয়াই। আমি সব সময় নতুন নতুন কিছু করার চেষ্টা করি।

ঢেঁড়স ভাজি খেতে আমি অনেক পছন্দ করি। আপনার রান্না করা ঢেঁড়স ভাজি রেসিপিটি আমার কাছে একটু অন্যরকম লেগেছে। আপনি আগে মসলাগুলো দিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু আমরা ঢেঁড়স আগে দিয়ে পরে মসলাগুলো দেই। আপনার রেসিপিটি দেখে মনে হচ্ছে খুবই সুস্বাদু হয়েছে। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
হয়তোবা আপনি আপনার মতো করে তৈরি করেন আমি আমার মত তৈরি করলাম।
ওয়াও আপু আপনি আজকে আমার সব থেকে পছন্দের রেসিপি তৈরি করেছেন ঢেঁড়স ভাজি। আমি ঢেঁড়স ভাজি খেতে অনেক পছন্দ করি প্রায় দিন সকালে রুটি দিয়ে ঢেঁড়স ভাজি খেয়ে থাকে। আপনার ঢেঁড়স ভাজি দেখে আমার কাছে মনে হচ্ছে আরেকটু ভাজলে হয়তো খেতে আরো বেশি ভালো লাগতো।
আসলেই রুটি দিয়ে ঢেঁড়স ভাজি খেতে বেশি ভালো লাগে।
আমার খুব প্রিয় খাবার ঢেঁড়স ভাজি। তবে আমি একটু বেশি কড়া করে ভেজে খেতে পছন্দ করি। যাইহোক আপনার প্রতিটি স্টেপ উপস্থাপনা দারুন ছিলো। সহজ ভাবে বুঝানোর চেষ্টা করছেন। আপনার ঢেঁড়স ভাজি রং দেখে মনে হচ্ছে সুস্বাদু হবে। ধন্যবাদ আপু ঢেঁড়স ভাজি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য শুভকামনা রইলো।
আসলে ঠিক বলেছেন একটু কড়া করে ভেজে খেলে বেশি ভালো লাগে।
ঢেঁড়স ভাজি আমার খুবই ফেভারিট বিশেষ করে সকালের নাস্তায় রুটি দিয়ে খেতে সব থেকে বেশি ভালো লাগে। তবে এরকমভাবে নয় ভিজে একদম কালো কালো করে ফেললে কেটে যেমন সুস্বাদু লাগে দেখতে অনেক লোভনীয় দেখায়।।
ঠিক বলেছেন সকালে নাস্তায় রুটির সাথে খেতে বেশি ভালো লাগে।
ভীষণ ভালোবাসি এই ভাজা খেতে। গরম ভাতের সাথে এই দিয়েই ভাত খাওয়া হয়ে যায়।সুন্দর লাগলো আপনার পোস্ট।
ঢেঁড়স বা করোলা ভাত যদি আমি শুকনো ভাত খেতে খুবই পছন্দ করি। আপনার রেসিপিটির উপস্থাপনা খুবই ভালো ছিল আপু শুভকামনা রইল।
আসলেই আপু গরম ভাতের সাথে শুকনো শুকনো খেতে বেশি ভালো লাগে।
আমার পছন্দের রেসিপি। তবে বাজারে এখন টাটকা ঢেড়স পাওয়া যায় না আপু, বেশিরভাগই শক্ত অনেক। কচি ঢেড়স ভাজি করেও খেতে মজা। পেয়াজ হালকা কড়া কড়ে ভেজে নিলে তো কথাই নেই।
ঠিক বলেছেন নিজের কাছের হলে তো বেশি ভালো হয়।
আপু আপনার ঢেঁড়স ভাজি দেখে লোভ লেগে গেল। সত্যি বলতে ঢেঁড়স ভাজি আমার অনেক প্রিয়।আপনার ঢেঁড়স ভাজি দেখে মনে হচ্ছে অনেক সুস্বাদু হয়েছে।ধন্যবাদ এমন সুন্দর রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
সত্যিই অনেক সুস্বাদু হয়েছিল ঢেঁড়স ভাজি।
ঢেঁড়স ভাজি রেসিপি কিন্তু আমার অনেক ভালো লাগে। এই মৌসুমে অনেক ঢেঁঢ়স খেয়েছি। কখনো রান্না করি কখনো ভাজি করে গরম ভাত দিয়ে ভাজি খাওয়ার মজাই আলাদা। আমি কিন্তু ঢেঁড়স ভাজিতে হলুদ ব্যবহার করি না। আপু তবে হলুদ ব্যবহার করে আপনার মত করে এক সময় খেয়ে দেখতে হবে।
অবশ্যই আমার মত করে ট্রাই করে দেখবেন। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
ঢেঁড়সের অন্য সব রেসিপির থেকে ঢেঁড়স ভাজি আমার সব থেকে বেশি ভালো লাগে। বাচ্চারাও ঢেঁড়স ভাজি অনেক পছন্দ করে। ঢেঁড়স ভাজি দিয়ে ভাত সহজে গিলে ফেলা যায়। আমার পছন্দের একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
বাচ্চাদের ক্ষেত্রে ঢেঁড়স ভাজি দিয়ে ভাত খেতে বেশি ভালো লাগবে।