"ঝটপট তৈরি করা সন্ধ্যার জল খাবার কলার পিঠা"
বন্ধুরা
আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি, আপনারা সবাই ভালো আছেন। সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি।আজ অনেকদিন পর কলার পিঠার রেসিপি নিয়ে চলে আসছি। তবে এই রেসিপিটি বেশ কিছুদিন আগে তৈরি করেছিলাম। কিন্তু সেভাবে আপনাদের সাথে শেয়ার করা হয়নি। এখন আর সেভাবে আমি তেমন কোনো রেসিপি তৈরি করি না। তাই আর শেয়ার করা হয়ে ওঠে না। কিছুদিন আগে আপনাদের দাদার বলার জন্য কলার পিঠা তৈরি করেছিলাম। এখন ভাদ্র মাসে চারিদিকে পাকা তালের মৌসুম চলছে।আর এ সময় ঘরে ঘরে তালের পিঠা ও তালের বড়া তৈরি করার ধুম পড়ে যায়। আর পাকা কলা প্রায় সবার ঘরে থাকে। তাই ভাবলাম কলার পিঠা তৈরি করা যাক। এই পিঠা তৈরি করতে খুব বেশি সময় লাগে না।ঝটপট এটা তৈরি করা যায়। এই পিঠা গ্রামে প্রায়ই তৈরি করা হয়। আমি ছেলেবেলায় খুবই খেতাম। আসলে আমি সব ধরনের পিঠা খেতে খুবই পছন্দ করি। আর কথা না বাড়িয়ে মূল রেসিপিতে ফিরে যাই।
উপকরণঃ
১.পাকা কলা - ৫ টি
২. চিনি - দেড় কাপ
৩. চালের গুঁড়া - ১ কাপ
৪. ময়দা - হাপ কাপ
৫. গুঁড়া দুধ - চার চামচ
৬. লবণ - এক চিমটি
৭. সাদা তেল - ২ কাপ
চালের গুঁড়া, ময়দা, চিনি ও গুঁড়া দুধ
প্রস্তুত প্রণালী:
১. প্রথমে একটা পাত্রে কলা ও পরিমাণ মত চিনি নিয়ে ভালো করে মাখতে হবে।
২. কলা মেখে নেওয়ার পর চালের গুঁড়া, ময়দা ও গুঁড়া দুধ দিয়ে সামান্য লবণ নিয়ে ভালো করে মেখে নিতে হবে। তবে লক্ষ্য রাখতে হবে বেটার যেন খুব বেশি নরম ও খুব বেশি শক্ত না হয়। অনেকটা থকথকে বেটার তৈরি করতে হবে।
৩.এরপর চুলার উপর একটা করাই বসিয়ে দিলাম।পরিমাণ মত তেল দিয়ে দিলাম কড়াইতে। তেল গরম হয়ে গেলে বেটার থেকে অল্প অল্প করে বড়া আকারে
দিলাম। চুলার আঁচ মিডিয়ামে রেখে বড়া গুলো ভেজে নিলাম।
৪.কলার পিঠা গুলো বাদামী রঙের করে ভেজে একটা পাত্রে নামিয়ে নিতে হবে।
এবার তৈরি হয়ে গেল কলার পিঠা। এই পিঠা সন্ধ্যায় চা এর সাথে খুব দ্রুত তৈরি করে পরিবেশন করা যায়।
বেশ লোভনীয় রেসিপি তৈরি করেছেন দিদি। দেখে বেশ ভালো লাগলো আমার। কিছুদিন আগে আমি তালের পিঠা তৈরি করেছিলাম। যাকে বলা হয় তালের বড়া। ঠিক তেমনি কালার হয়েছে আপনার এই কলার বড়া। এই সমস্ত রেসিপি গুলো খুব ভালো লাগে।
দিদি আপনার হাতে তৈরি কলার পিঠার রেসিপি দেখে মায়ের হাতের কলার পিঠা রেসিপির কথা মনে পড়ে গেলো। আমি বাড়িতে থাকলে মা এই সময়ে কলার পিঠা রেসিপি তৈরি করে খাওয়াতো। আমি কলার পিঠা অনেক পছন্দ করি। আপনার তৈরি কলার পিঠার রেসিপিটি দেখে অনেক লোভনীয় লাগছে। অসংখ্য ধন্যবাদ দিদি আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইলো।
বৌদি আপনার রেসিপি মানেই স্বাদের কিছু, এটা সত্যি দারুণ স্বাদের রেসিপি। স্কুল জীবনে খুব খেতাম এটা, তবে এখন খাওয়া হয় না। আপনার রেসিপিটি দেখে আবার খাওয়ার ইচ্ছা জাগ্রত হলো। অনেক ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
অনেক লোভনীয় হয়েছে আপনার কলার পিঠা রেসিপি। প্রথমে ভেবে নিয়েছিলাম তাল পিঠা পরে দেখলাম দাদার আবদারের মজাদার কলা পিঠা।এই কলা পিঠা অনেক সুস্বাদু হয় জানি। আপনার পিঠা রেসিপিটি অনেক লোভনীয় হয়েছে বৌ দিদি। ধন্যবাদ আপনাকে খুব সুন্দর করে রেসিপিটি আমাদের সাথে ভাগ করে নেয়ার জন্য।
বেশ মুখরোচক একটি রেসিপি তৈরি করেছেন বৌদি। কলার পিঠা একসময় প্রায়ই খাওয়া হতো,কিন্তু অনেকদিন হলো এই পিঠা খাওয়া হয় না। সন্ধ্যার সময় কলার পিঠা খেতে আমার খুব ভালো লাগে। পিঠা গুলো দেখে মনে হচ্ছে খেতে দারুণ লেগেছিল। যাইহোক এতো মজাদার একটি রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।