বাঙালি রেসিপি " চুই ঝাল দিয়ে পাটনাই মুরগী কষা "
বন্ধুরা
আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আজ আমি আপনাদের সাথে চুই ঝাল দিয়ে মুরগীর মাংস রেসিপি শেয়ার করবো। এটি খুবই টেস্টি একটি খাবার চুই ঝাল দিলে স্বাদ অনেক অংশে বেড়ে যায়। আর চুই ঝাল আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।
উপকরণ:
১. পাটনাই মুরগী - ১ কিলো
২. পেঁয়াজ কুচি - ২ কাপ
৩. রসুন ও আদ বাটা - ৫ চামচ
৪. সাদা তেল - ১ কাপ
৫. চুই ঝাল
৬. লবণ - ২ চামচ
৭. হলুদ - ২ চামচ
৮. জিরে গুঁড়া - ২ চামচ
৯. শুকনো মরিচ গুঁড়া - ৩ চামচ
১০. আলু - ২ টি
১১. গরম মশলা - ২ চামচ
১২. শাহি জিরা - ১ চামচ
পাটনাই মুরগীর মাংস
লবণ, হলুদ, জিরা গুঁড়া , শুকনো মরিচ গুঁড়া ও গরম মশলা
জিরা
পেঁয়াজ কুচি
প্রস্তুত প্রণালী :
১. প্রথমে মুরগীর মাংস জল দিয়ে ধুয়ে পরিস্কার করে নিতে হবে। এরপর সামান্য লবণ ও হলুদ গুঁড়া দিয়ে ভালো করে মেখে নিতে হবে।
২. এবার আলু ও চুই ঝাল কেটে জল দিয়ে ভালো করে ধুয়ে পরিস্কার নিতে হবে।
৩. এবার চুলার উপর একটা কড়াই বসিয়ে দিতে হবে।
৪. কড়াই গরম হয়ে গেলে এক কাপ তেল দিয়ে দিতে হবে। তেল গরম হয়ে গেলে এক চামচ শাহি জিরা দিয়ে দিতে হবে।
৫. জিরা একটু ভাজা ভাজা হয়ে গেলে কেটে রাখা আলু ও চুই ঝাল দিতে হবে।
৬. আলু ও চুই ঝাল ৫ মিনিট ধরে ভেজে নিতে হবে। ভাজা হয়ে গেলে মাংস গুলো দিয়ে দিতে হবে।
৭. এবার ওই মাংসের ভিতর একে একে পরিমান জিরার গুঁড়া, শুকনো মরিচ গুঁড়া ও আদা ও রসুন বাটা, পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ভালো কষিয়ে নিতে হবে।
৮. ভালো করে কষানো হয়ে গেলে পরিমান মতো জল দিয়ে দিতে হবে।
৯. ঝোল ফুটতে শুরু করলে পরিমান মতো লবণ ও হলুদ দিয়ে দিতে হবে।
১০. এভাবে ১৫ মিনিট ধরে রান্না করতে হবে। ঝোল একটু কমে গেলে ২ চামচ গরম মসলা দিয়ে দিতে হবে। এবার আরও ১০ মিনিট ধরে রান্না করতে হবে।
১১. ঝোল গাঢ় হয়ে এলে লবণ টেস্ট করে নামিয়ে নিতে হবে।
তৈরি হয়ে গেল সুস্বাদু মুরগী কষা।এটি গরম গরম ভাত ও রুটির সঙ্গে পরিবেশন করতে হবে।
আপু আপনার রান্না কিন্তু সবসময় ভালো হয় ,তবে আজ রেসিপির নামটা অনেক উনিক লাগলো। তবে রান্না দেখে মনে হয়েছে অনেক মজার। কখন যে আপনার হাতের রান্না খাবো অপেক্ষায় রইলাম। অনেক ধন্যবাদ আপু।
চুইঝাল আমাদের দেশের যশোর এবং খুলনায় অনেক পাওয়া যায়। এবং চুইঝাল দিয়ে রান্না মাংস টা যেন বেশি টেস্টি লাগে🙂। চুইঝাল দিয়ে মুরগির মাংসের রেসিপি টা দারুণ তৈরি করেছেন বৌদি। দেখেই তো খেতে ইচ্ছে করছে।
ধন্যবাদ এতো সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।।
৮ম ধাপে মাংস কষানোর পর যখন জল দিয়েছেন তখন ঝোল গুলো লাল লাল হয়ে আছে। দেখতে কি যে সুন্দর লাগছে। ইচ্ছে করছে একটু করে নিয়ে খেয়ে ফেলি। সত্যিই মাংসটি দেখতে অনেক সুন্দর লাগছে। খেতে মনে হয় মজা হয়েছে।
হ্যা ভাইয়া খেতে খুবই টেস্টি ছিল।
আপনি একটি খুব স্পষ্ট পথ সঙ্গে খুব সুস্বাদু রেসিপি উপস্থাপন করেছেন, ভাগ করে নেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ
চুইঝাল দিয়ে রান্না মানে আকর্ষণটা দারুণভাবে বেড়ে যাওয়া, আজ তাইলে আমার দাওয়াত বৌদির বাড়ীতে, হে হে হে। এমন স্বাদের রান্না মিস করা যায় না, দারুণ রান্না করেছেন বৌদি, দেখেই লোভ লেগে গেলো। ধন্যবাদ
আহা যেমন রং তেমন স্বাদ। সর্বপরি লোভনীয় বৌদি শুভেচ্ছা রইলো আপনার জন্য।
পাটনাই মুরগি আমার কাছে একদম নতুন লাগলো। নতুন শুনলাম নামটা। আপনি চুই ঝাল দিয়ে পাটনাই মুরগি কষা রান্না দারুণভাবে তুলেছেন বৌদি। অনেক ভালোলাগলো। প্রতিটি ধাপ খুব সুন্দর করে উপস্থাপন করেছেন।প্রয়োজনীয় উপকরণ গুলো সঠিক মাত্রায় দিয়েছেন। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।পাটনাই মুরগি আছে এটা আমি আগে জানতামইনা। এই মুরগিটি নাম আজকে আমি প্রথম দেখতে পেলাম আপনার পোষ্টের মাধ্যমে। যদিওবা এটি আমার কাছে একটি অচেনা মুরগি তারপরও আপনার রান্না ধরণ দেখে মনে হচ্ছে খাবারটি অনেক সুস্বাদু হবে। আপনার রান্নার ধরন দেখে মন খেতে ইচ্ছে করতেছে খুব। অনেক অনেক শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
চুই ঝাল দিয়ে পাটনাই মুরগী কষা দেখে অনেক সুস্বাদু লাগছে। এই রেসিপিটি আমার কাছে একদম নতুন মনে হয়েছে। এই রেসিপিটি আমি কখনো খাইনি। তবে দেখে অনেক সুস্বাদু মনে হচ্ছে তাই বারবার খেতে ইচ্ছা করছে। পরবর্তীতে আমি এই রেসিপি তৈরি করব। আপনার ধাপে ধাপে উপস্থাপন দেখে আমিও শিখতে পারলাম। আপনার জন্য রইল শুভকামনা।
বৌদি এতদিন পর্যন্ত আমার ধারণা ছিল চুইঝাল শুধু খুলনা এলাকাতেই পাওয়া যায়। বাংলাদেশের বাইরেও যে চুই ঝাল পাওয়া যায় এবং এর ব্যবহার অনেকেই জানে আপনার পোষ্টটি দেখে বুঝতে পারলাম। চুইঝাল এমনিতেই আমার অনেক প্রিয় আর চমৎকার রান্না করেছেন আপনি। ধন্যবাদ আপনাকে আমাদের সঙ্গে শেয়ার করার জন্য।