চিংড়ি আর শুটকি মাছের সংমিশ্রণে দারুন মজার কচুর লতি
আসসালামুআলাইকুম বন্ধুরা,
আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই অনেক ভালো আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভাল আছি। আজকে আমি হাজির হয়েছি মজার একটি বাঙালি রেসিপি নিয়ে। মজাদার কচুর লতির রেসিপি। সাত সমুদ্র তেরো নদীর পাড়ে থেকেও বাঙালির ঐতিহ্যবাহী খাবারের কথা ভুলি নাই। এটিআমার খুব পছন্দের একটি খাবার। তো চলুন মজাদার খাবারটি তৈরি করা যাক।
প্রথমেই দেখে নেয়া যাক এর উপকরন ও পরিমান :
কচুরলতি: ৩০০ গ্রাম
চিংড়িমাছ: ২০০ গ্রাম
সিদল শুটকি: ৪টি
টমেটো কুচি: ১/৪ কাপ
পিয়াজ কুচি: ২ কাপ
কাঁচা মরিচ: ২ টি ফালি করে কাটা
নাগা মরিচ: ২ টি ফালি করে কাটা
রসুন কুচি : ১/৪ কাপ
নাগার পিকল: ২ টেবিল চামচ (এটি ঐচ্ছিক)
লবন: স্বাদমতো
তেল: তিন টেবিল চামচ
হলুদ: ২ টেবিল চামচ
কারিপাউডার: ২ টেবিল চামচ(এটি ঐচ্ছিক)
ধনেপাতা কুচি : ১ কাপ
রন্ধনপ্রণালী:
প্রথমে কচুর লতি, চিংড়ি মাছ ও শুটকি ধুয়ে পরিষ্কার করে রেখেছি, আমি ফ্রজেন চিংড়ি ও কচুর লতি ব্যবহার করেছি কারণ এগুলো এখানে টাটকা পাওয়া যায় না, তবে এতে স্বাদের পরিমাণ কমে যায় না।
এরপর কুকার অন করে কড়াইতে তেল ঢেলে গরম করে নিয়েছি। এরপর রসুনকুচি দিয়েছি তা বাদামী রঙের হলে পেঁয়াজ ,কাঁচামরিচ এবং টমেটো , লবন দিয়ে হালকা আগুনে রেখেছি সিদ্ধ হওয়ার জন্য।
এরপর পেঁয়াজ গলে গেলে এর মধ্যে কচুর লতি , চিংড়ি মাছ এবং শুটকি দিয়ে তারপর হলুদ এবং কারি পাউডার দিয়ে ভালোভাবে মেখে নিয়েছি। এরপর নাগা মরিচের পিকল দিয়েছি , আপনারা চাইলে নাগা মরিচের পিকল নাও দিতে পারেন এটি আমার খুব পছন্দের তাই অ্যাড করেছি এর পরিবর্তে আপনারা মরিচের গুঁড়া ব্যবহার করতে পারেন।
এরপর হালকা একটু পানি দিয়ে ভালোভাবে কষিয়ে নিয়েছি। এরপর দেড় কাপ পানি অ্যাড করে নাগা মরিচ দিয়েছি যেন এর ঘ্রাণটা পাওয়া যায় ।চুলার হিট বাড়িয়ে ১০ মিনিট রেখে দিয়েছি। 10 মিনিট পরে ধনেপাতা এড করে আমার রান্না শেষ করেছি। তৈরি হয়ে গেল মজাদার কচুর লতির তরকারি।
এরপর বাটিতে রেখেছি পরিবেশনের জন্য।
| ডিভাইস | আই ফোন ১০ এক্স ম্যাক্স |
|---|
আশাকরি খাবারটি আপনাদের সকলের ভাল লেগেছে ।
ধন্যবাদ,সবাই ভাল থাকবেন
@tangera.
খুব সুস্বাদু খাবার। দেখেই বোঝা যাচ্ছে।ধন্যবাদ
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
বেশ স্বাদের তরকারি। তবে আমরা শুধু শুটকি দিয়েই রান্না খেতে বেশী পছন্দ করি, আপনি দেখলাম সাথে চিংড়ি মাছও দিয়েছেন।
আমাদের তরকারি শুকনা থাকে, আপনার রানায় ঝোল দেখা যাচ্ছে। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
জি ভাইয়া একএক অঞ্চলের এক এক রকমের রান্নার স্টাইল।
আমার পরিবারের সবাই শুটকি মাছ খেতে পছন্দ করে। কিন্তু কেন জানিনা শুটকি মাছের গন্ধ আমার খুবি অসহ্য লাগে ।
১০০% ইউনিক পোস্ট করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
জি ভাইয়া প্রথম প্রথম আমারও খুব খারাপ লাগত এখন অনেক মজা লাগে।
আমার শুঁটকি ছাড়া ও শুঁটকি দিয়ে ও লতিটা খেতে পছন্দ করি। অনেক সুন্দর একটা রেসিপি শেয়ার করেছেন ।
ধন্যবাদ আপনাকে।
সুন্দর হয়েছে রেসিপিটা ধন্যবাদ আপনাকে শেয়ার করার জন্য।
আপনাকেও অনেক
ধন্যবাদ ।
দুই রকম মাছ দিয়ে লতি রান্না এটা কখনো চেষ্টা করি নাই, আশা করছি খেতে স্বাদের হবে।
হ্যাঁ অনেক স্বাদের হয়েছিল , শুটকি মাছ টা দিয়েছিলাম শুধু ঘ্রাণেরজন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
এটা আমার পছন্দের একটা খাবার। গরমের দিনে প্রায় সময় খাওয়া হয়। আপনার রান্না চমৎকার হয়েছে।