মজাদার গজা বা মুরালির রেসিপি
আসসালামুআলাইকুম,
বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভালোই আছেন, আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। আজকে আমি আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি মজাদার একটি রেসিপি নিয়ে। রেসিপিটির নাম হচ্ছে গজা, কেউ কেউ আবার মুরালি বলে থাকে। আমার কাছে তো খুবই পছন্দের।ছোটবেলায় বাংলাদেশ থেকে অনেক খাওয়া হয়েছে, বিশেষ করে মেলা থেকে কিনে আনা হতো। কয়েকদিন আগে হাজব্যান্ড বাজার থেকে কিনে এনেছিল।দারুণ লেগেছিল খেতে। শেষ হয়ে গেলে মন চাচ্ছিল আরো খেতে।তাই নিজেই বানিয়ে ফেললাম।এই প্রথম বানিয়েছি। খেতে কিন্তু দারুণ হয়েছিল। ভাল লাগলে আপনারাও ট্রাই করে দেখবেন।।চলুন চলে যাওয়া যাক তাহলে মূল পর্বে।
চলুন দেখে নেয়া যাক রেসিপিটি তৈরি করতে আমাদের কি কি উপকরণ এবং কতটুকু পরিমান লাগবেঃ
| উপকরণ | পরিমাণ |
|---|---|
| ময়দা | ২ কাপ |
| লবন | ১ চা চামচ |
| সয়াবিন তেল | ৪ টেবিল চামচ |
| ফুড কালার | তিন রকমের, হাফ চা চামচ বা তার কম |
| সয়াবিন তেল | ভাঁজার জন্য |
| চিনি | ১ কাপ |
| পানি | চা কাপের এক চুতুর্থাংশ |
কার্যপদ্ধতিঃ
রেসিপিটি দুটি ধাপে তৈরি করেছি। নিম্নে ধাপগুলো দেখানো হলোঃ
ধাপঃ ১
প্রথমেই বাটিতে ময়দা নিয়ে লবণ ও তেল দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে নিয়েছি।
এরপর তিনটি বাটিতে ময়দার মিশ্রণের সাথে তিন রকমের কালার নিয়ে একটু একটু করে পানি দিয়ে এভাবে তিনটি ডো বানিয়ে নিয়েছি।আপনারা ইচ্ছা করলে ফুড কালার নাও দিতে পারেন।
আধাঘন্টা রেস্ট রেখে দিয়েছি।এরপর রুটির মত এভাবে একটু লম্বা করে বেলে নিয়েছি।
এরপর ছুরির সাহায্যে এভাবে চারিপাশ কেটে এভাবে লম্বা লম্বা করে কেটে নিয়েছি।একটু মোটা হতে হবে।
একইভাবে বাকিগুলো কেটে নিয়েছি।এরপর একটি ফ্রাই প্যানে তেল গরম করে গজা গুলো ছেড়ে দিয়েছি।
এভাবে সবগুলো গজা ভালোভাবে ভেজে নিয়েছি।
শেষ ধাপঃ
এবার একটি ফ্রাইপেন গরম করে চিনি দিয়ে পানি দিয়ে দিয়েছি। এরপর ২/৩ মিনিট অল্প আঁচে নেড়ে নিয়েছি।
এরপর চিনি যখন গলে আঠালো হয়ে যায় তখন গজা গুলো দিয়ে দিয়েছি।
এরপর অল্প আঁচে ৪/৫ মিনিট ভালোভাবে নেড়ে নিয়েছি। হয়ে গেল আমার মজাদার গজা বা মুরালির রেসিপি।
পরিবেশনের জন্য এনেছি।
| Photographer | @tangera |
|---|---|
| Device | I phone 13 Pro Max |
বন্ধুরা এটিই ছিল আমার আজকের আয়োজন।আশাকরি আপনাদের ভালো লেগেছে।
পরবর্তীতে নতুন কিছু নিয়ে হাজির হব আপনাদের মাঝে।
ধন্যবাদ,
👉 আমাদের discord চ্যানেল এ JOIN করুন :
VOTE @bangla.witness as witness
OR
আপু ছোটবেলায় এগুলো অনেক খেতাম। আমরা আমাদের গ্রাম্য ভাষায় গুলোকে আঙ্গুলী বলে থাকি। খেতে কিন্তু বেশ ভালো লাগে। তবে অনেকদিন হয়ে গেল মুরালি খাওয়া হয় না। আপনি খুব সুন্দর করে বিভিন্ন রং দিয়ে মুরালি বানিয়ে ছেন । বিভিন্ন রঙের কালার দেখে বেশ ভালো লাগছে।
হ্যাঁ আপু আমার হাজব্যান্ড যেগুলো এনেছিল সেগুলো এমন কালারফুল ছিল। তাই আমিও বানিয়ে ফেললাম এগুলো দেখে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
আমরা এগুলোকে আঙ্গুলি বলে থাকি। খেতে খুবই মজার । কিন্তু এই রেসিপিটি সম্পর্কে আমার কোন ধারণাই ছিল না। আপনার দেওয়া রেসিপিটির মাধ্যমে আঙ্গুলি তৈরি শিখতে পারলাম। আসলেই খুব উপকৃত হলাম আপু।
হ্যাঁ আপু, একদিন বাসায় তৈরি করে দেখবেন। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
আপু মজার একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন। এই মুরালি সাধারণত মেলায় খাওয়া হতো। মেলার জন্য আর বসে থাকতে হবে না। রেসিপি শেয়ার করেছেন,ধাপে ধাপে সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন এখন বাড়িতে বানিয়ে ফেলতে পারব।অনেক ধন্যবাদ আপু রেসিপিটি শেয়ার করে জন্য। অনেক অভিনন্দন আপনাকে।
হ্যাঁ আপু বাসায় তৈরি করে দেখতে পারেন। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
মজাদার গজা বা মুরালির রেসিপি দেখে তো খেতে ইচ্ছা করছে আপু। শীত কালে এধরনের খাবার গুলো খেতে ভীষণ মজা লাগে। ইউনিক রেসিপি শেয়ার করেছেন। আপনার রেসিপি আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে আপু।
জেনে খুবই ভালো লাগলো আমার রেসিপিটি আপনার ভালো লেগেছে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
শুধু ছোটবেলা নাকি আমি তো এখনও খাই🤭।আশেপাশে মেলা হলেই কিনে আনতে বলি।যাই হোক আমরা মুরালি বলে থাকি।আপু বিভিন্ন কালার হওয়াতে দেখতে বেশ সুন্দর লাগছে।খেতে ও বেশ দারুন হয়েছে মনে হচ্ছে। ভালো লাগলো।ধন্যবাদ মজার একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
আসলেই অনেক মজার একটি খাবার।ছোটবেলা, বড় বেলা সব সময়ই ভালো লাগে। ধন্যবাদ আপনাকে।
মজাদার গজা বা মুরালির রেসিপি দেখে খুবই সুস্বাদু মনে হচ্ছে। আসলে সত্যিই আমি অবাক হয়ে গেছি এত মজাদার রেসিপি আইডি আপনি কোথা থেকে পান। আজকের রেসিপি পরিবেশ অনেক সুন্দর হয়েছে। দেখে খুব সহজেই শিখতে পারলাম, আর এত সুন্দর ভাবে পরিবেশন সত্যিই অসাধারণ আপনার দক্ষতা।
আপনার সুন্দর মন্তব্যটি পেয়ে অনেক অনুপ্রাণিত হলাম, ধন্যবাদ আপনাকে।
দারুণ একটি রেসিপি তৈরি করেছেন আপু ৷ আসলে বর্তমান সময়েও মেলায় গেলে গজা কিনে খাই ৷ আমার কাছে গজা খেতে দারুণ লাগে ৷ তবে আপনার মতো এভাবে তৈরি করে কখনো খাওয়া হয়নি ৷ এবং জানতামও না গজা কি ভাবে তৈরি করে ৷ আপনার রেসিপি থেকে জেনে গেলাম ৷ অনেক ভালো লাগলো আপু ৷ ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটি রেসিপি তৈরি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ৷
আমারও জেনে অনেক ভালো লাগলো যেনে রেসিপিটি আপনার ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ আপনাকে।
মুরালি খেতে পছন্দ করে না এরকম মানুষকে কমই আছে ।আপনার হাসবেন্ড কিনে নিয়ে এসেছিল যেগুলো খেয়ে আপনার খুবই ভালো লেগেছে,পরবর্তীতে খেতে ইচ্ছে করেছে বিধায় আপনি নিজে তৈরি করে ফেলেছেন এটা জেনে খুবই ভালো লাগলো। মুরালি এই রেসিপি দেখেই বোঝা যাচ্ছে আপনি খুবই মজাদার করে তৈরি করেছেন। রেসিপিটি দেখেই বোঝা যাচ্ছে অনেক বেশি সুস্বাদু এবং লোভনীয় ছিল শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
খেতে কিন্তু সত্যিই সুস্বাদু ছিল।একেবারে আমরা যেগুলো কিনে খাই ঠিক তেমনি ছিল।অনেক ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের জন্য।
বাহ্! গজা ছোটবেলায় অনেক খেয়েছি। বন্ধুরা সবাই একত্রে কিনে খেতাম।খুব মজা লাগতো।আর আপনার বানানো গজাগুলোও দেখতে সুন্দর ও মজাদার লাগছে। বিভিন্ন কালার হওয়ায় আরও সুন্দর লাগছে।আপনার জন্য অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল।
অনেক ধন্যবাদ ভাই আপনাকে মন্তব্যের জন্য।
গজা সবসময় বাহির থেকে কিনে খেয়েছি তবে এটি যে এত সহজে বাসায় বানানো যায় তা আমার জানা ছিল না। সত্যি সুন্দর একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন। বিভিন্ন কালার দেওয়ার কারণে গজা গুলো দেখতে ও বেশ আকর্ষণীয় লাগছে।
সত্যি কথা বলতে কি আমারও জানা ছিল না কিভাবে বানানো হয়।খুব খেতে ইচ্ছে করেছিল তাই ইউটিউব সার্চ করে বের করে ফেললাম। তারা কোন কালার দেয়নি,আমি কালার দিয়ে তৈরি করেছি দেখার সৌন্দর্যের জন্য।অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।