চাম ঘাস ভর্তা রেসিপি❤️
হ্যালো বন্ধুরা,
আশা করছি ভালো আছেন? আমিও ভালো আছি।
আমি শাপলা দত্ত, বাংলাদেশ থেকে আজকে আপনাদের মাঝে চাম পাতা বা চাম ঘাস এর ভর্তা রেসিপি নিয়ে এসেছি।এলাকা ভিত্তিক এই চাম ঘাসের ভিন্নি ভিন্ন নাম হয়ে থাকে কিন্তুু ভর্তা খেতেই সবাই ভালোবাসে এই শাকটির।চলুন দেখা যাক রেসিপিটি।
উপকরন,
১.চাম ঘাস।
২.কালো জিরা।
৩.রসুন।
৪.লবন।
৫.সুকনা মরিচ।
প্রথম ধাপঃ
প্রথমে আমি চাম ঘাস গুলো পরিস্কার করে ধুয়ে নিয়েছিও পাতা গুলো সিদ্ধ করে নিয়েছি। পাতা গুলো সিদ্ধ হয়ে গেলে সেগুলো নামিয়ে নিয়েছি ও জল ঝড়াতে দিয়েছি একটি পাত্রে।
দ্বিতীয় ধাপঃ
এখন আমি কড়াইয়ে চাম ঘাস গুলো দিয়ে ভালো করে অল্প আচে ভেজে নিবো কারন সিদ্ধ করার সময় চাম ঘাসে যে জল থাকে সেটা শুখিয়ে নিতে হবে।জল শুখিয়ে গেলে চামঘাস গুলো নামিয়ে নিয়েছিও শুকনা মরিচও কালো জিরা গুলোন ভেজে নিয়েছি
তৃতীয় ধাপঃ
চাম ঘাস গুলো থেকে জল শুকিয়ে গেলে নামিয়ে নিয়েছি, শিল নোরাতেও চামঘাস গুলোতে রসুন দিয়েছি।
চতুর্থ ধাপঃ
এখন আমি চাম ঘাস,রসুন,কালো জিরা,লবন দিয়ে সুন্দর করে বেটে নিয়েছি, এখানে লবন দিয়েছি কারন সিদ্ধ করার সময় লবন দিয়েছিলাম জল ঝরানোর পর কম মনে হচ্ছে লবন তাই একটু লবন দিতে হয়েছে।আর কাঁচা রসুন ব্যাবহার করেছি কারন কাঁচা রসুন আমাদের শরিরের জন্য অনেক উপকারী। খালি মুখে তো কাঁচা রসুন খেতে ভালো লাগে না তাই এভাবে খাওয়া যায়।
পঞ্চম ধাপঃ,এভাবে তৈরী হয়ে গেলো আমার চাম ঘাস ভর্তা রেসিপি। এখন আমি পরিবেশের জন্য একটি পাত্রে সাজিয়ে নিয়েছি ভর্তা গুলো।
আমার বাংলা ব্লগ বন্ধুরা আশা করছি আমার রেসিপিটি ভালো লাগবে।এই চাম ঘাসের ভর্তা রেসিপি কম বেশি সবার জানা হয়তো বা একটু ভিন্নতা থাকে রেসিপিতে। আজকের মতো এখানেই শেষ করছি। সবাইকে ধন্যবাদ।
টাটা❤️
চাম ঘাসটা আমি চিনি না যদি সম্পূর্ণ পাতার ছবি দেখতাম তাহলে চিনতে পারতাম। রেসিপিটি নতুন দেখলাম, ধন্যবাদ সুন্দর একটি শেয়ার করার জন্য।
চাম ঘাস ভর্তা রেসিপি আমার কাছে ইউনিক লেগেছে, এতো মজাদার রেসিপি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের একটা রেসিপি আজকে আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করলেন আপু। এই শাক এর রেসিপি টা এর আগে আমি কোনদিন দেখেছিলাম না। আপনার পোষ্টের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো দেখতে পেলাম।
আপু চাম ঘাস ভর্তা করে খাওয়া যায় এ কথা অনেক শুনেছি। তবে কখনো চাম ঘাসের ভর্তা করে খাওয়া হয়নি। তাই আপনার রেসিপিটি দেখে মনে হচ্ছে, একদিন তৈরি করে খেতে হবে। আপনার রন্ধন প্রণালী মনোযোগের সাথে দেখে নিলাম পরবর্তী সময়ে ট্রাই করে দেখব। চাম ঘাস কিভাবে ভর্তা করা হয় তার প্রতিটি ধাপ তুলে ধরার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
চাম ঘাস ভর্তা রেসিপি দেখে খুব ভালো লাগলো। চাম ঘাস ভর্তা আমার কাছে ইউনিক মনে হলো। চাম ঘাস কখনো আমি নাম শুনি নি। যাই হোক ভর্তা তৈরি করা প্রক্রিয়া খুবই দুর্দান্ত হয়েছে। সুন্দর করে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
চাম ঘাস নামটা প্রথমবার শুনলাম। অনেকটা কলমি শাকের মতো লাগছে দেখতে। তবে এই চাম ঘাস বোধহয় আমার প্রথমবার দেখা। খেতে কেমন হয়েছিল জানাতে ভুলবেন না....🌝
চাম ঘাস ভর্তা আমার খুবই প্রিয় একটি খাবার। চাম ঘাস ভর্তা রেসিপি টি দেখে জ্বিভে জল চলে আসলো দেখতে খুবই লোভনীয় হয়েছে আশাকরি খেতেও অনেক সুস্বাদু হয়েছে।লোভনীয় ভর্তা রেসিপি টি শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।শুভকামনা রইলো।