ঝটপট কলমি শাক রান্না।।২০.০৮.২০২২।।
চলুন বন্ধুরা আমার ঝটপট শাক রান্না টা দেখে আসি। আমি খুব সহজেই, অল্প সময়ের মধ্যে মজাদার একটি শাক রেসিপি করেছি যা আপনাদের সাথে এখন শেয়ার করবো।
প্রথমে আমি সব উপকরণ নিয়ে দেখাবোঃ-
উপকরণ সমূহঃ
| উপকরণ প্রণালী | পরিমাণ সমূহ |
|---|---|
| কলমি শাক | ২৫০ গ্রাম |
| রসুন | ৪/৫ কোয়া |
| কাঁচা মরিচ | ৫/৭ টা |
| তেল | পরিমাণ মত |
| লবণ | স্বাদ মত |
বন্ধুরা, আমি সব উপকরণ নিয়েছি এখন আমি আমার মূল রেসিপিতে চলে যাব।
প্রথমে আমি শাক গুলোকে ময়লা পেলে দিয়ে দেখে দেখে ভাল গুলো নিবো। এরপর পরিষ্কার করে ধুয়ে নিতে হবে। ধুয়ার পর পানি ঝরিয়ে নিবো। পানি ঝারা হয়ে গেলে আমার পছন্দমত টুকরো টুকরো করে নিবো। সাইজ করে কাটার পর অন্য ধাপে চলে যাব।
এই ধাপে এসে আমি রসুন গুলো কিছুর সাহায্যে তেতলে করে নিবো। কাঁচা মরিচ গুলো দুই ফালি করে নিতে হবে।
রান্নার জন্য একটি পাত্র নিতে হবে। পাত্রটি চুলায় বসায় দিয়ে তাপ মিডিয়াম আঁচে রাখতে হবে।
পাত্রটি গরম হয়ে আসলে পরিমাণ মত তেল দিয়ে দিতে হবে। তেল দিয়ে দিছি।
তেল গরম হয়ে আসলে তাতে কেটে রাখা কাঁচা মরিচ আর রসুন দিয়ে দিতে হবে। এখানে আমি রসুন আর মরিচ দিয়ে দিয়েছি।
স্বাদমত লবণ দিয়ে দিয়েছি। লবণ দেওয়ার পর নেড়ে-চেড়ে হালকা পানি দিবো যাতে পুড়ে না যায়।
আমি কেটে রাখা শাকগুলো দিয়ে দিছি। শাকগুলো দেওয়ার পর এদিক ওদিক ওল্টায় দিবো। আর হালকা পানি দিয়ে দিবো সিদ্ধ হওয়ার জন্য।
আমার রান্না করা শাক কমে এসেছে সিদ্ধ হয়ে। আমি ঢাকনা দিয়ে আর একটু সিদ্ধ করে নিবো।
আমার রান্না করা শাক পুরোপুরি সিদ্ধ হয়ে এসেছে।
আমার রান্না করা শাক এখন খাওয়ার জন্য উপযোগি হয়ছে। আমি পরিবেশনের জন্য একটা প্লেটে নিয়েছি।
বন্ধুরা, আমার ঝটপট শাক রান্না রেসিপি আপনাদের কেমন লেগেছে জানিনা। যদি আপনাদের ভাল লেগে থাকে তাহলে মতামতের মাধ্যমে জানাবেন।
আমি আমার রেসিপিতে ব্যবহার করা সব তথ্য আমি নিজের থেকে লিখেছি এবং সব ছবি আমার নিজের মোবাইল দিয়ে করেছি।
নিম্নে ছবির বিস্তারিত দেওয়া হলোঃ
| ক্যাটাগরি | ফটোগ্রাফি |
|---|---|
| ডিভাইস | Wiko,T3 |
| ফটোগ্রাফার | @samhunnahar |
| মডেল | W-V770 |
| বিষয় | ঝটপট কলমি শাক রান্না রেসিপি |
| লোকেশন | বাসায়, কক্সবাজার, বাংলাদেশ |
হ্যালো বন্ধুরা! আমার আজকের ব্লগিং আমি এখানে শেষ করতে যাচ্ছি। আপনারা একক্ষণ আমার রেসিপি সময় দিয়ে দেখার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সবাই সুস্থ্য থাকবেন, ভাল থাকবেন। আবার হাজির হবো আর একটি নতুন ব্লগিং নিয়ে অন্য আর একদিন ততক্ষণ সাথে থাকার অনুরুধ রইলো।
আল্লাহ হাফেজ সবাইকে
আমি সামশুন নাহার হিরা
ব্লগিং করতেছি কক্সবাজার,
বাংলাদেশ থেকে।
আমরা সাধারণত কলমি ছোট ছোট করে কেটে ভাজি করে থাকি। আপনি দেখছি না কেটেই কলমি ভাজি করেছেন। আপনার রেসিপিটা আসলেই দেখে মনে হচ্ছে অনেক সুস্বাদু হয়েছে ধন্যবাদ।
আপু আমিও ছোট ছোট করে কেটে ভাজি করে থাকি।এভাবে ও করি খুব সহজেই। আপু অনেক স্বাদ হয়েছিলো।
কোন কাজে বাইরে গেলে আর একটিভ থাকা হয় না আর মাকে দেখতে গিয়েছিলেন সেটা তো এর থেকেও ভালো কাজ ।আপনি ঝটপট কলমি শাকের রেসিপি শেয়ার করেছেন আমি কখনো কলমি শাক খাইনি জানিনা কেমন লাগে খেতে ।তবে আপনার শাকটি আপনি খুব সুন্দর করে রান্না করেছেন দেখে ভালো লাগলো।
আপু ঠিক বলেছেন বাইরে গেলে কাজ একদম হয় না। আপু কলমি শাক অনেক মজাদার খেয়ে দেখবেন একদিন ভাল লাগবে।ধন্যবাদ আপু সুন্দর মতামতের জন্য।
ঝটপট কলমি শাক রান্না রেসিপি কলমি শাক ভাজি খেতে আমার অনেক বেশি ভালো লাগে আর আপনি আজ আমাদের মাঝে অনেক চমৎকার ভাবে কলমি শাক ভাজি রেসিপি তৈরি করে শেয়ার করেছেন দেখে মনে হচ্ছে অনেক সুস্বাদু ছিল অসংখ্য ধন্যবাদ।
একদম ঝটপট রান্না ভাইয়া। খেতে ও স্বাদ লাগে অনেক। আপনার জন্য শুভকামনা ভাইয়া
ঝটপট কলমি শাক রান্নার রেসিপি যেটা দারুণ খাবার। সত্যিই শাক ভাজি আমার খুবই ফেভারিট অনেক পছন্দ হয়েছে আপনার রেসিপি তৈরি।
ধন্যবাদ ভাইয়া আমার রেসিপি পড়ার জন্য সাথে সুন্দর একটি মন্তব্য ও করেছেন।
কলমি শাক আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারি। আপনি খুব সুন্দর ভাবে স্টেপ বাই স্টেপ আপনার রেসিপি তৈরির প্রসেস দেখিয়েছেন। আপনার রেসিপি দেখেই খেতে মন চাচ্ছে। আমি বাসায় এভাবে রান্না করবো।
ভাইয়া অনেক মজা হয়েছিল।আপনাকে অনেক ধন্যবাদ সাবলীল ভাষায় খুব সুন্দর করে মতামত দিছেন।
ঝটপট কলমি শাক রান্না দেখে অনেক ভালো লাগলো। অনেক সুন্দর করে সাজিয়ে উপস্থাপনা করেছেন। আমিও শিখে নিলাম বাসায় তৈরী করবো। ধন্যবাদ আপনাকে
জ্বী ভাইয়া অনেক সহজ পদ্ধতিতে রেসিপি টা বাসায় করে খেতে পারেন ভাল লাগবে।
ঠিক বলেছেন আপু শাকসবজি আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারি।তারজন্য আমি চেষ্টা করি প্রায় প্রতিদিন বিভিন্ন ধরনের শাক রান্না করতে। আমার কাছে আবার শাকসবজি বেশি করে খেতে খুবই ভালো লাগে। এই কলমি শাক আমার অনেক পছন্দের। আমার শ্বাশুড়ির হাতের চিংড়ি মাছ দিয়ে কলমি শাক খেতে খুবই সুস্বাদু লাগে। রেসিপির প্রতিটা ধাপ খুব সুন্দর ভাবে বর্ণনা করেছেন। ধন্যবাদ মজাদার রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
আপু শাক-সবজি তো আমাদের শরীরের রোগ=প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় তাই না। আপনি খুব সুন্দর করে গুছিয়ে কথা গুলো বলেছেন। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা থাকলো আপু
শাক আসলেই আমাদের জন্য অনেক উপকারী । আপনি আজকে কলমি শাক ভাজি করেছেন। কলমি শাক আসলে ভাজি করলে খেতে বেশি ভালো লাগে। তবে চিংড়ি মাছ দিয়ে ভাজি করলে আরও বেশি সুস্বাদু হয়। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে এই রেসিপিটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
ভাইয়া আপনি ঠিক বলেছেন কলমি শাক বিভিন্ন ভাবে রান্না করা যায়। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আমার পোষ্ট পড়ার জন্য।
কলমি শাক ভাজি খেতে আমারও অনেক ভালো লাগে বিশেষ করে সকাল অথবা বিকেলের নাস্তায় রুটি অথবা পরোটা দিয়ে খেতে।। অথবা যদি দুপুরবেলা হয় তাহলে ডাউল দিয়ে ভাতের সাথে খেতে অনেক মজা হয়।।
ভাইয়া আপনি আমার মত কলমি শাক অনেক পছন্দ করেন দেখতেছি। কলমি শাক অনেক মজার একটি শাক। ধন্যবাদ ভাইয়া সময় দিয়ে আমার পোষ্ট পড়ার জন্য
আপনি খুব সুন্দর করে কলমি শাক রান্না করেছেন। রেসিপি দেখে আমার জিভে জল এসে গেলো। আপনি খুব সুন্দর করে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ এবং আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
আপু জিবে জল এসে গেলে তো খেয়ে পেলতে হবে। কি করে পাঠায় বলেন তো?। ধন্যবাদ আপু সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য