//রেসিপি//নীল চা//
নমস্কার বন্ধুরা
আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি আপনারা সকলেই খুব ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি।সকলের সুস্থতা কামনা করেই আমার আজকের ব্লগটি শুরু করতে চলেছি।
আজ আমি আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি আবারও নতুন একটি রেসিপি পোস্ট নিয়ে। আমি আজকে মূলত খুবই সহজ আর উপকারী একটি চায়ের রেসিপি আপনাদের মাঝে শেয়ার করবো। রেসিপিটির নাম হল "নীল চা"। আপনারা আগে কখনো এই চা খেয়েছেন কিনা জানিনা ,তবে আমি প্রথমবারই তৈরি করেছি আর প্রথমবারই খেয়েছি।
নীল চা এর উপকারিতা:
এই নীল চায়ের মধ্যে অ্যান্টি - অক্সিডেন্ট ভরপুর থাকে। এই চা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে, ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দেয় না। এছাড়া শরীর থেকে টক্সিন দূর করতে এই চা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ।স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী এটি।
চলুন তাহলে এই স্বাস্থ্যসম্মত নীল চায়ের রেসিপি আমি কিভাবে তৈরি করলাম ,দেখে নেওয়া যাক।
প্রয়োজনীয় উপকরণ:
| উপকরণ | পরিমাণ |
|---|---|
| অপরাজিতা ফুল | ১০-১২ টি |
| মধু | ২চামচ |
| জল | ৩কাপ |
প্রস্তুত প্রণালী:
প্রথমেই নিয়ে নিয়েছি আমার প্রয়োজনীয় উপকরণ - ১০ থেকে ১২ টি অপরাজিতা ফুল এবং ২ চামচ মধু।
এবার একটি বাটিতে করে অপরাজিতা ফুলগুলিকে খুব ভালোভাবে ধুয়ে নিলাম। আরেকটি পাত্রের মধ্যে তিন কাপ জল দিয়ে গরম করতে দিলাম। জল ফুটে দুই কাপের মতো হয়ে আসলে তার মধ্যে দিয়ে দিলাম ধুয়ে রাখা অপরাজিতা ফুল।
৫ থেকে ৬ মিনিট ফোটানোর পর ফুলগুলি থেকে নির্যাস বেরতে শুরু করে দিয়েছিল। ফলে জলের রং নীল হতে শুরু করেছিল। এরপর আরও দুই মিনিট সেটিকে ফুটিয়ে ছাঁকনি দিয়েছে ছেঁকে একটি কাপে ঢেলে নিলাম। এরপর একটি চামচের সাহায্যে তার মধ্যে দুই চামচ মধু দিয়ে গুলে নিলাম ।আর এভাবেই তৈরি হয়ে গেল আমার আজকের রেসিপি "নীল চা"।
আশা করি এই সহজ,চটজলদি এবং উপকারী রেসিপিটি আপনাদের কাছে ভালই লেগেছে।
| শ্রেণী | রেসিপি |
|---|---|
| ডিভাইস | realme 8i |
| ফটোগ্রাফার | @pujaghosh |
| লোকেশন | বারাসাত |
আজ আর নয়। আজ এই পর্যন্তই শেষ করছি। ভালো থাকবেন সকলে আর সুস্থ থাকবেন। দেখা হবে পরবর্তীতে আবারও নতুন কোনো পোস্ট নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হব।
আমি তো একজন চা-প্রেমী মানুষ তাই যেকোনো চা আমার খুব ভালো লাগে।তবে আমি সবসময় দুধ চা খাই।অনেক রকমের চা খেয়েছি কিন্তু কখনো অপরাজিতা চা খাওয়া হয়নি।নীল চা দেখেই তো খুব খেতে ইচ্ছে করছে।আশাকরি খুব শীঘ্রই নীল চা বানিয়ে খাবো।অসাধারণ একটি চায়ের রেসিপি শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ বনু।🥰💙💙
দিদি ,আপনি যখন চা প্রেমী মানুষ, তাহলে অবশ্যই একবার বানিয়ে খেয়ে দেখবেন ।আমারও ভালো লাগবে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
আপনার দুই একটা রেসিপি মাথা ঘুরিয়ে দেয় রীতিমত 🙄🙄। এভাবে চাও হয়!! আচ্ছা খেতে কি ভালো লাগে সত্যিই? তবে রং টা মারাত্মক রকমের সুন্দর লাগছে দেখতে। কিন্তু এক্সট্রা কোন চা পাতি দিতে হয় নাহ্? এটাই অবাক লাগলো বেশি।
ছোটবেলায় আমি শুনেছিলাম যে নীলকন্ঠ ফুল খেলে নাকি মানুষ পাগল হয়ে যায়, এখন দেখছি মানুষ এই ফুল দিয়ে চা ও বানিয়ে খায়।😂 যদিও পরবর্তীতে জানতে পেরেছি আসলেই এই ফুলের অনেক উপকারিতা রয়েছে।
ঐ তো ভাই, যারা পাগল তারা গন্ধে গন্ধেই ঐ ফুলের কাছে চলে যায়। আর তারপর চা বানিয়ে খায় 🤪😅
আসলেই এই রকম খাওয়া যায় ভাই। কিনতেও পাওয়া যায়। এই গুলো বড়োলোকের পানীয়।
মিথ্যে বলবো না, খেতে খুব একটা ভালো না ।তবে স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী, তাই চোখ নাক মুখ সব বন্ধ করে একটু খেয়ে নিলাম। আলাদা করে চা পাতা দেওয়া লাগে না, আলাদা করে চা পাতা দিলে রংটা পাল্টে যাবে আর এটা অপরাজিতার নির্যাস থেকেই তৈরি চা।
নীল চা নামটি শুনতেই যেন চায়ের মধ্যে নতুনত্বের ঘ্রাণ পাচ্ছি। চা আমার কাছেও ভীষণ রকম প্রিয়। তবে কখনো অপরাজিতা ফুলের নীল চা খাওয়া হয়নি। আপনার নীল চা দেখে মনে হচ্ছে খেতে খুব টেস্ট হয়েছে। তাই একদম নতুন এই নীল চা খাওয়ার ভিশন ইচ্ছা পোষণ করছি। অনেক ধন্যবাদ আপু একদম ইউনিক নীল চা রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
চা আপনার ভীষণ প্রিয়, জেনে ভালো লাগলো। তাহলে অবশ্যই একবার এই চা বাড়িতে বানিয়ে খেয়ে দেখবেন। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
আমি মাঝে মধ্যে চা খাই তবে নিয়মিত না।চা খেতে আমার কাছে খুবই ভালো লাগে তবে লীল চা এটা আমার দেখা প্রথম চা।আপনার কাছথেকে নতুন এক ধরনের চায়ের রেশিপি দেখতে পেয়ে খুবই ভালো লাগলো দিদি। আপনার ক্রিয়েটিভিটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ দিদি।
আপনি যখন মাঝেমধ্যে চা খান ,তবে এই চা একবার বানিয়ে খেয়ে দেখবেন। এটা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
নীল চা আজকে প্রথম শুনলাম এরকম একটি চা এর নাম। এই চা আগে কখনো খাওয়া হয়নি আমার।অপরাজিতা ফুল দিয়ে এত সুন্দর ভাবে চা তৈরি করা যায় এটি আমার জানা ছিল না। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি আইডিয়া দেয়ার জন্য।
আপনিও তবে একবার বাড়িতে বানিয়ে খেয়ে দেখবেন এই নীল চা। ধন্যবাদ আপু আপনাকে সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
নীল চা কখনো খাওয়া হয়নি আমার। দারুণ একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন তো আপু। রেসিপিটা একেবারে ইউনিক হয়েছে। যেহেতু নীল চা শরীরের জন্য এতো উপকারী ,তাহলে তো একদিন ট্রাই করতে হবে। আশা করি উপস্থাপনা দেখে খুব সহজে তৈরি করতে পারবো। যাইহোক এমন ইউনিক একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
হ্যাঁ ভাই এই চা শরীরের জন্য খুবই উপকারী ,অবশ্যই একবার তৈরি করে খেয়ে দেখবেন ।ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
এই চা কি আসলেই খাওয়া যায়...?😰 ছোটবেলাতে আমি শুনতাম যে নীলকন্ঠ ফুল খেলে নাকি মানুষ পাগল হয়ে যায়। এখন তো দেখছি এই ফুল দিয়ে লোকে চা ও বানিয়ে খায়।
খাওয়া তো দূরের কথা, জীবনে প্রথমবার দেখলাম।
হা হা হা হা হা হা, এই জন্যই হয়তো আজ আমি পাগল 😆।