আমার প্রিয় বন্ধুগন, সবাই কেমন আছেন? সবাইকে আমার আন্তরিক মোবারকবাদ এবং অন্তরের অন্তস্থল থেকে আপনাদেরকে জানাই শুভেচ্ছা।সবাইকে স্বাগতম আমার নতুন পোষ্টে,আবার ও হাজির হলাম আপনাদের সামনে নতুন একটি পোষ্ট নিয়ে।

আজকের পোস্টে একদম ভিন্ন একটি রেসিপি নিয়ে আপনাদের মাঝে উপস্থিত হয়েছি।আজ দেখাবো কিভাবে খুব সহজে এবং অল্প উপকরণে বাসায় বনরুটি তৈরি করা যায়।আসলে আমার ছেলেটা খাওয়ার খেতে চায় না এখন।কিন্তু যখন দেখবে আমরা বিস্কুট, কেক বা পাউরুটি এসব খাচ্ছি তখনই গিয়ে ঝাপ দেবে ওগুলো খাওয়ার জন্য।এমনিতেও তো ন্যাচারাল কিছু মুখে তুলে না আর যদি একবার বাইরের খাবারের অভ্যাস হয় তাহলে তো রক্ষা নেই।প্রতিনিয়তই বাইরের আনহাইজিনিক খাবারের প্রতি লোভ বাড়বে আর ঘরের খাবারের প্রতি অনীহা চলে আসবে। সত্যি কথাটা হলো আমরা কেউই চাই না আমাদের ছেলেটা বাইরের খাবারে অভ্যস্থ হোক।কারণ এই বয়সটা হলো শরীর গঠন,রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরির সময়।এখনই যদি অস্বাস্থ্যকর খাবার খায় তাহলে প্রতিনিয়তই সে অসুস্থ হবে।
তাই সেই ছয় মাস থেকে তার আম্মু প্রতিদিন খাবার তৈরি করে।আবার কিছু কিছু খাবার তৈরি করে সংরক্ষণ করে রাখে।যদিও বাজারে বিভিন্ন রকম বেবি ফুড আছে, তবে সেগুলোর প্রতি বিন্দুমাত্র ভরসা নেই। সবকিছুতেই ভেজাল মিশ্রিত।তাই ভাবলাম ছেলে যেহেতু পাউরুটি খেতে আগ্রহী আর এটা যদি বাসায় ট্রাই করা যায় তাহলে কেমন হয়।সেজন্য আমি বাসায় বনরুটি তৈরির রেসিপি দেখেছিলাম আর বাবুর আম্মু সহ কাজে লেগে পড়লাম।কারণ আমার দ্বারা তো সবকিছু একা করা সম্ভব নয়।যাইহোক তাহলে এই রেসিপিটি দেখে নেয়া যাক।
রেসিপিটি তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ |
| উপকরণ | পরিমাণ |
| ময়দা | ২কাপ |
| চিনি | ২ চা চামচ |
| লবণ | আধা চা চামচ |
| ইস্ট | ১চা চামচ |
| গুড়ো দুধ | ২ চা চামচ |
| তেল | ৪টেবিল চামচ |
| পানি | ১কাপ |

প্রথমে একটি বড় বাটিতে ২কাপ পরিমাণ ময়দা নিতে হবে।এর মাঝে এক এক করে দিতে হবে চিনি, লবণ আর ইস্ট।
এখন ২চা চামচ পরিমাণে গুড়ো দুধ দিয়ে সবগুলো শুকনো উপকরণ আগে মিক্স করতে হবে।তারপর এর মাঝে সয়াবিন তেল দিতে হবে।সবকিছু আবারো ২মিনিট মিক্স করে নিতে হবে।

শুকনোভাবে মিক্স করার পর হালকা গরম পানি দিয়ে ভালোভাবে আটা মেখে নিয়ে নরম করে তৈরি করে নিতে হবে।তবে এক্ষেত্রে প্রায় ১০ মিনিট ধরে এই আটা তৈরি করতে হবে।তারপর নরম ডো তৈরি করে ঢেকে দিয়ে ১ ঘন্টার জন্য রেখে দিতে হবে।

এক ঘন্টা পর এই ডো অনেকটা ফুলে উঠবে ইস্ট এর কারণে। তারপর আবারও কিছুক্ষণ ভালো করে মেখে নিতে হবে।এবার ছোট ছোট বন তৈরি করার জন্য ছোট করেই ডো করে নিতে হবে।তারপর যে পাত্রে তৈরি করা হবে সেটাতে হালকা তেল ব্রাশ করে এরপর ছোট ছোট ডো গুলো ফাঁকা ফাঁকা করে বসিয়ে দিতে হবে।

তারপর চুলায় একটি বড় পাতিল বসিয়ে প্রথমে হিট দিয়ে দিতে হবে ২মিনিট।তারপর পেপার দিয়ে এর উপরে স্ট্যান্ড বসিয়ে দিতে হবে।এখন সেই ট্রে টা দিয়ে উপরে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিতে হবে আর প্রায় ২০-২৫ মিনিটের মধ্যেই এটি তৈরি হয়ে গেল।এরপর তো নামিয়ে সার্ভ করা হলো।



ছোট বাচ্চাদের ছোট থেকেই যদি ঘরের খাবার তৈরি করে খাওয়ানো হয় তাহলে তাদের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। আর বাহিরের খাবারের প্রতি তেমন আকর্ষণ থাকে না। আমরাই দোকানের খাবার এনে ওদেরকে অরুচির মধ্যে ফেলি।যাই হোক আপনার এই রেসিপিটি দারুণ কাজে লাগবে।
একদম ঠিক বলেছেন আপু বাইরের খাবারেই উপরে এদের আকর্ষণ বেশি থাকে।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
💐🙏🙏
আসলে ভাইয়া ছোট বাচ্চাদের ক্ষেত্রে বাইরের খাবার খাওয়ানো খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।
বাসায় তৈরি বন রুটির রেসিপি দেখে সত্যি খুব লোভ লেগে গেল।
যদিও কখনো প্রস্তুত করে খাওয়া হয়নি তবে আপনার প্রস্তুত করা দেখে খুব লোভ হচ্ছে খেতে নিশ্চয়ই খুব মজা হবে।
জি ভাই বাচ্চাদের ক্ষেত্রে বাইরের খাবার খাওয়ানো খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।
ছোট বাচ্চাদের এই এক সমস্যা ঘরের কোন খাবার খেতে চায় না কিন্তু বাইরের খাবার দেখলে অস্থির হয়ে যায়। বাইরের খাবার না দেয়ার যদি এই অভ্যাসটি গড়ে তুলতে পারেন তাহলে খুব ভালো। যাই হোক বনরুটি দেখে মনে হচ্ছে একদম পারফেক্ট হয়েছে। খুব সুন্দর ভাবে ফুলে উঠেছে। ভালো লাগলো রেসিপিটি দেখে।
একদম আপু বাইরের খাবার দেখলেই অস্থির হয়ে যায় এরা।
ভাই আপনি আজকে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন অল্প উপকরণে বাসায় বনরুটি তৈরি রেসিপি। আসলে আমি মনে করি যে কোন রেসিপি রেস্টুরেন্ট থেকে কিনে খাওয়ার থেকে বাসায় তৈরি করে খেতে পারলে বেশ ভালো হয়। আসলে বাসায় তৈরি করে যদি পরিবারের সকলে মিলে একসাথে খাওয়া যায় বেশ দারুন একটা অনুভূতি আসে। ধন্যবাদ ভাই এত সুন্দর ভাবে রেসিপি তৈরির পদ্ধতি শেয়ার করার জন্য।
জি ভাই রেস্টুরেন্ট থেকে কিনে খাওয়ার থেকে বাসায় তৈরি করে খেতে পারলে বেশ ভালো হয়।
আসলে বাইরের খাবার খাওয়ানো কোন বাচ্চার জন্যই ঠিক নয়। বিশেষ করে ৫ বছর পর্যন্ত বাইরের খাবার থেকে দূরে রাখাই সর্বোত্তম। যাই হোক তোমার এই রেসিপিটির কারণে বাবু একটু হলেও বন রুটি খেয়েছে ধন্যবাদ তোমাকে।
আমিও তা মনে করি ৫ বছর পর্যন্ত বাইরের খাবার থেকে দূরে রাখাই সর্বোত্তম।
বাচ্চাদের বাইরের খাবার না খাওয়ানোই ভালো।সামান্য কিছু উপকরন দিয়ে বনরুটি করলেন,বনরুটি গুলো দেখতে খুব সুন্দর হয়েছে।আমিও ছেলের জন্য প্রায় সবকিছু ই বাসায় ট্রাই করতে করতে আজও করেই দেই।যদিও এখন বাইরে ও খায়।খুব সুন্দর হয়েছে ভাইয়া বনরুটি গুলো।ছেলে মজা করেই খেয়েছে আশাকরি।ধন্যবাদ ভাইয়া রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য।
জি আপু বাচ্চাদের বাইরের খাবার না খাওয়ানোই ভালো।
ভাই বাসায় তৈরি খাবারগুলো খুবই স্বাস্থ্যসম্মত হয়। তাই বাইরের খাবারের প্রতি আসক্ত যাতে না হয়, সেজন্য কিন্তু ঘরে খাবার তৈরি করে বাচ্চাদের খাওয়ানোটাই উত্তম। যাইহোক ভাই আজ আপনি খুবই মজার করে বন রুটি তৈরি করেছেন। যদিও বা আমরা সব সময় বন রুটি বাইরে থেকে কিনে খাই, বাসায় কখনো তৈরি করা হয়নি। তাই আপনার তৈরি বন রুটি রেসিপিটি আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে, আপনার রেসিপির রন্ধন প্রণালী অনুসরণ করে একদিন বাসায় ট্রাই করে দেখব। আপনার সুন্দর উপস্থাপনার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
অনেক অনেক শুভকামনা রইল মাহবুবুল ভাই।
বাচ্চাদেরকে বাইরের খাবার না খাওয়াতে পারলে অনেক ভালো। যদি একবার খাওয়া হয় তাহলে অভ্যাস থেকে যায়। বাসায় বেশ সুন্দর করে বনরুটি তৈরি করলেন। দেখে খুবই ভালো লেগেছে। রেসিপিটি সুন্দরভাবে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
আপু আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাল থাকবেন। 💐
আপনি দারুন বন রুটির একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আপনার রেসিপিটি আমার অনেক ভালো লেগেছে। এই রেসিপিটি আমি একদিন বাসায় ট্রাই করেছিলাম কিন্তু হয়নি। চেষ্টা করব আপনার এই রেসিপিটি দেখে আবার ট্রাই করতে। অনেক ধন্যবাদ ভাই সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য।
শুভকামনা রইল আপু।