রেসিপি: বাঁধাকপি দিয়ে বড়া ভাজার পদ্ধতি
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধুগন
আমি @mostafezur001 বাংলাদেশ থেকে
আজকে শুক্রবার , এপ্রিল ৭/২০২৩
আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন আমিও ভাল আছি। আজকে আমি আপনাদের মাঝে আবারো নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়ে গেলাম। আমি প্রত্যেক সপ্তাহে আপনাদের মাঝে অন্তত একটি করে রেসিপি পোস্ট শেয়ার করি সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্যই আজকে আমি আপনাদের মাঝে একটা রেসিপি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়ে গিয়েছি। আপনারা হয়তোবা অনেকেই অনেকেই ইফতারিতে বড়া খেতে খুবই পছন্দ করেন। ইফতারিতে আমারও বড়া খেতে খুবই ভালো লাগে তাই তো আজকে আপনাদের মাঝে একটা ভিন্ন ধরনের বড়া তৈরির পদ্ধতি নিয়েই হাজির হয়ে গিয়েছি। এই বলা তৈরি করার ক্ষেত্রে আমি মূলত পেঁয়াজ এবং বাঁধাকপি ব্যবহার করেছি। প্রথমে মনে করেছিলাম বাঁধাকপির পাকোড়া তৈরি করব কিন্তু পরে ভাবলাম যে বাঁকুড়া তৈরি না করে বড়া তৈরি করলেই বেশি ভালো হবে।
বাঁধাকপি দিয়ে বড়া ভাজার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ |
|---|
| ক্রমিক নম্বর | উপকরণের নাম |
|---|---|
| ১ | বাঁধাকপি |
| ২ | ময়দা |
| ৩ | ডিম |
| ৪ | লবণ |
| ৫ | সয়াবিন তেল |
| ৬ | কাঁচা মরিচ |
| ৭ | পেঁয়াজ |
| ৮ | মরিচের গুঁড়া |
| ৯ | হলুদের গুঁড়া |
প্রথমে আমি বাঁধাকপি গুলোকে খুবই চিকন চিকন করে কেটে নিলাম তারপরে বাঁধাকপিতে হালকা পরিমাণে লবণ মিশিয়ে রেখে দিলাম। বাঁধাকপিতে লবণ মিশিয়ে রাখা সব থেকে বড় উদ্দেশ্য হচ্ছে বাঁধাকপিতে যে পানি থাকে সেগুলোকে বের করে ফেলা।
বাঁধাকপি থেকে পানি বের করার কাজ শেষ হয়ে যাবার পরে আমি সেখানে পরিমাণ মতো পেঁয়াজ কেটে দিয়ে দিলাম।
তারপরে আমি বড়া তৈরি করার জন্য প্রয়োজন মত হলুদের গুঁড়া এবং মরিচের গুঁড়া দিয়ে দিলাম।
এরপরে আমি বড়া তৈরি করার জন্য প্রয়োজন মত ময়দা দিয়ে দিলাম।
ময়দা দেবার কাজ শেষ হয়ে যাবার পরে আমি উপকরণগুলোকে খুব সুন্দর করে মাখিয়ে নিলাম।
আমার তৈরি করা এই বরাগুলোকে আরও সুস্বাদু করার জন্য আমি একটা ডিম ভেঙ্গে দিয়ে দিলাম। ডিম দেবার ফলে এটা খেতে আরো সুস্বাদু হবে এবং অনেক স্বাস্থ্যকরও হবে।
ডিম দেওয়া হয়ে যাবার পরে আমি সেগুলোকে খুবই ভালোভাবে মাখিয়ে নিলাম।
এরপরে বড়ার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার জন্য আমি সামান্য পরিমাণে কিছু কাঁচামরিচ দিয়ে দিলাম।
এরপরে আমি একটা শুকনো কড়াই নিলাম এবং তার মধ্যে পরিমাণ মতো সয়াবিন তেল দিয়ে দিলাম। সয়াবিন তেল গরম হওয়ার জন্য আমি কিছু সময় অপেক্ষা করতে থাকলাম।
সয়াবিন তেল গরম হয়ে যাবার পরে আমি বড় তৈরি করার জন্য যে মিশ্রণ তৈরি করেছিলাম সেগুলোকে আস্তে আস্তে করায় এর মধ্যে দিয়ে দিলাম।
পাঁচ মিনিট পরে সেগুলো এমন আকার ধারণ করেছিল। এরপরে আমি পর্যায়ক্রমে এপিঠ ওপিঠ করে উল্টে দিতে থাকলাম। যদি সয়াবিন তেলের পরিমাণ বেশি ব্যবহার করা হয় তাহলে উল্টে দেবার কোন প্রয়োজন হয় না। কিন্তু যদি আপনি একটু কম পরিমাণে সয়াবিন তেল ব্যবহার করে থাকেন তাহলে উল্টে দেবার প্রয়োজন হবে।
বড় তৈরি করার এই কাজ শেষ হয়ে যাবার পরে আমি সেগুলোকে আলাদা একটা পাত্রে নামিয়ে রাখলাম।
বাঁধাকপি দিয়ে বড়া তৈরি করার এই পদ্ধতিটা আপনাদের কাছে কেমন লেগেছে তা অবশ্যই আমাকে কমেন্ট করে জানাবেন। আপনারা আমাকে এটাও জানাতে পারেন যে আপনারা ইফতারিতে বড়া খেতে পছন্দ করেন কিনা। আজকের মত এ পর্যন্তই পরবর্তী সময়ে আপনাদের মাঝে হাজির হব নতুন কোন একটা পোষ্টের মধ্যে দিয়ে।
আমি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান।আমি বাংলাদেশের খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানায় বসবাস করি।আমি বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে করি। আমি আমার জন্মভূমি বাংলাদেশকে খুবই ভালোবাসি।বর্তমানে আমি গ্রীনরেইন ল্যাবরেটরী স্কুলের একজন শিক্ষক।আমি ফটোগ্রাফি করতে খুব ভালোবাসি এবং সৃজনশীলতার মাধ্যমে নতুন নতুন জিনিস তৈরি করতে আমার খুবই ভালো লাগে।আমি বিশ্বাস করি, আমার এই সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে থেকে কেউ যদি উপকৃত হয় বা নতুন কিছু শিখতে পারে তবেই আমার সৃজনশীল কাজটি সার্থক হবে। তাই আমি চেষ্টা করবো আপনাদের মাঝে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন সৃজনশীল জিনিস নিয়ে উপস্থিত হতে।
আমার কিছু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
ফেসবুক টুইটার
VOTE @bangla.witness as witness
OR
এই ধরনের বড়া গুলো মোটামুটি সবাই ভীষণ পছন্দ করে খেতে। তবে এর সাথে আরো কিছু সবজি মিশিয়ে বানালে আমার কাছে ভালো লাগে। শুধুমাত্র বাঁধাকপি ব্যবহার করে কখনো তৈরি করিনি। রেসিপিটি দেখতে খুব লোভনীয় লাগছে। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
বাঁধাকপি দিয়ে বড়া ভাজার ইউনিক আইডিয়া নিয়ে মজাদার রেসিপি তৈরি করেছেন। রমজান মাসে ইফতারের সময় খেতে বেশ মজা লাগবে। সত্যি অনেক লোভনীয় লাগছে ভাইয়া।
বাঁধাকপি দিয়ে বড়া ভাজার রেসিপিটি বেশ ইউনিক একটি রেসিপি। বড়াগুলো দেখে মনে হচ্ছে খেতে খুবই সুস্বাদু হবে। বেশ সুন্দরভাবে রেসিপিটির প্রস্তুত প্রণালী আমার সামনে তুলে ধরেছেন। অনেক শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।
শীতকালীন সবজি বাঁধাকপি যেটা দিয়ে পকোড়া হোক বা বড়া যেটাই তৈরি করা হোক না কেন খেতে কিন্তু অনেক সুস্বাদু লাগে। বাঁধাকপি দিয়ে এভাবে যদি তৈরি করা হয় খেতে অসাধারণ লাগবেই। রেসিপিটিও খুব সুন্দর করে উপস্থাপন করেছেন ভাই। ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন সবাইকে নিয়ে এই প্রত্যাশা করি ।
আপনি এত সুন্দর ভাবে বড়া তৈরি করে আমাদের মাঝে মাঝে রেসিপি শেয়ার করেছেন দেখে ভালোই লাগলো। কিছুদিন আগে আমার হাজব্যান্ড কে বলেছিলাম বাঁধাকপি আনার জন্য। কিন্তু উনি বলতেছে বাজারে নাকি এখন পাওয়া যায় না। আর আপনি দেখতেছি বাঁধাকপির বড়া তৈরি করে ফেললেন। দেখেই তো ভীষণ লোভ হচ্ছে। আমারও বাঁধাকপির বড়া অথবা বাঁধাকপি ভাজি খেতে ভীষণ ভালো লাগে। এত সুন্দর স্পেশাল শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
বাঁধাকপি দিয়ে বড়া ভাজার পদ্ধতিটি আমার অনেক ভালো লেগেছে। এই ধরনের বড়াগুলো খুবই পুষ্টিকর হয়ে থাকে ।বিকেলবেলার নাস্তায় এরকম বড়া রেসিপি গুলো ছোট বড় সবাই পছন্দ করে। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
বাঁধাকপি দিয়ে বরা ভাজির রেসিপি আমার কাছে খুবই সুন্দর লাগে। কারণ বাঁধাকপি আমার খুবই প্রিয় একটি খাবার। ভাই আপনি সুন্দর ভাবে আপনার রেসিপি তৈরি পদ্ধতি আমাদের সাথে বর্ণনা করেছেন আপনার রেসিপিটি খুবই দুর্দান্ত হয়েছে।
আপনি খুবই ইউনিক একটা রেসিপি তৈরি করেছেন। বাঁধাকপি দিয়ে বড়া ভাজার পদ্ধতি দেখে ভীষণ ভালো লেগেছে আমার কাছে। আসলে রোজার সময় ভাজাপোড়া একটু বেশি তৈরি করা হয় এবং খাওয়া হয়। আপনার বাঁধাকপির বড়া ভাজা দেখে মনে হচ্ছে বেশ মজা করেই খেয়েছেন। আপনার এত সুন্দর একটা রেসিপি তৈরি করার পদ্ধতি দেখে এবং পড়ে ভালো লাগলো আমার কাছে।
রমজান মাসে বিভিন্ন রকমের বড়া তৈরি করা হয়। আর খেতেও ভালো লাগে। আপনি অনেক সুন্দর ভাবে বাঁধাকপির বড়া তৈরি করেছেন। যদিও বাঁধাকপির বড়া বেশ কিছুদিন থেকেই খাওয়া হয় না। আপনার এই রেসিপি দেখে আবারো তৈরি করতে ইচ্ছে করছে। দারুন হয়েছে আপনার রেসিপির উপস্থাপন। অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া দারুন একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
বেশ লোভনীয় একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন ভাইয়া ৷ আসলে এ ধরেনর খাবার গুলো সবাই অনেক পছন্দ করে ৷ তবে এভাবে বাঁধাকপির বড়া তৈরি করে আগে খাওয়া হয়নি আমার ৷ আপনার রেসিপি দেখে অনেক ভালো লাগলো ৷ দারুণ একটি রেসিপি শিখতে পারলাম ৷ অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে মজাদার একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য ৷