আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। আজ আমি আপনাদের সাথে নতুন একটি রেসিপি নিয়ে হাজির হয়েছি। আমার আজকের রেসিপিটি হচ্ছে মজাদার পেয়ারা মাখা। পেয়ারা মাখা নামটি শুনে নিশ্চয়ই সবার জিভে জল চলে এসেছে। এমন রেসিপি নাম শুনলেই জিভে জল আসারই কথা।
পেয়ারা মাখা খেতে আমি অনেক ভালবাসি।কোথাও যাওয়ার সময় রাস্তার পাশে ভ্যান গাড়িওয়ালা মামার কাছ থেকে পেয়ারা বানানো খেতে আমি ভুলি না। কোথাও দেখা যাচ্ছে পেয়ারা মাখা আছে কিন্তু আমি না খেয়ে চলে যাব এমনটা হতেই পারে না। বুঝতেই পারছেন আমার কতটা পছন্দের। আমার মনে হয় আমার মত আপনাদেরও অনেক পছন্দ এই পেয়ারা মাখা। কিন্তু সব সময় তো আমরা বের হই না।তাই পেয়ারা মাখার সিস্টেমটা যদি নিজেরা জানি বের হওয়া লাগবে না ঘরে বসেই তৈরি করে যখন তখন খেতে পারব। আজ আমি পেয়ারা মাখার জন্য অনেকগুলো উপকরণ দিয়ে তৈরি করেছি। এই পেয়ারা মাখা এতটাই মজা হয়েছিল যে আমার মনে হয় এখনো আমার জিভে লেগে আছে। ঠিক আছে আর কথা না বাড়াই চলুন পেয়ারা মাখা পদ্ধতি দেখে নেয়া যাক।
💘 প্রয়োজনীয় উপকরণ সমূহ💘
পেয়ারা চারটি
কাসুন্দি
তেতুল
মরিচের গুঁড়ো
শুকনো মরিচ ভাজা গুঁড়ো
বিট লবণ
কাঁচা মরিচ
লবণ
চিনি
ধনিয়া পাতা
💘 প্রথম ধাপ💘
প্রথমে আমি পেয়ারা গুলো পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে কুচি করে কেটে নিলাম।
💘 দ্বিতীয় ধাপ💘
এবার একটি বাটিতে তেঁতুল ও কাসুন্দি নিলাম।
💘 তৃতীয় ধাপ💘
এবার কাঁচা মরিচ কুচি দিয়ে ভালোভাবে মেখে নিলাম।
💘 চতুর্থ ধাপ💘
এবার বাকি মসলাগুলো দিয়ে ভালোভাবে মেখে নিলাম এবং সামান্য পরিমাণ পানি দিয়ে দিলাম।
💘 পঞ্চম ধাপ💘
এবার ধনিয়া পাতা দিয়ে ভালোভাবে মেখে কিছুক্ষণ রেখে দিলাম।
💘 ষষ্ঠ ধাপ💘
তারপর পেয়ারা কুচির উপর এই মসলা মাখা গুলো দিয়ে ভালোভাবে মেখে নিলাম যাতে সবগুলো পেয়ারায় ভালোভাবে লেগে যায়।
💘 শেষ ধাপ💘
তারপর পেয়ারা মাখা পরিবেশন করে ছবি তুলে নিলাম।
🌺 আশা করি আমার আজকের রেসিপি টি আপনাদের ভালো লাগবে।ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। 🌺
🌺 ধন্যবাদ সবাইকে আমার পোস্টটি দেখার জন্য ও পড়ার জন্য🌺
আমার কাছেও তেতুল ও সরিষা দিয়ে পেয়ারা মাখা খেতে ভালো লাগে। যদিও বাহিরের টা কম খাওয়া হয়,বাহিরের টা কেমন জানি লাগে আমার।মাখাগুলো দেখে জিভে জল এসে গেলো।প্রতিটি ধাপ আপনি সুন্দর করে দেখিয়েছেন। ধন্যবাদ
তেতুল ও সরিষা দিয়ে পেয়ারা মাখা খাওয়ার রুচি কি মজা তা আসলে যে খায় সেই বুঝতে পারে। বাইরেরটা আমি এখন কম খাই তবে আগে প্রচুর খেতাম। ধন্যবাদ আপু সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
আপু পেয়ারা আমার অনেক পছন্দের। আমিও বাহিরে বের হলে এইগুলো খেতে বেশ পছন্দ করি। আপনি যেভাবে তৈরি করেছেন দেখে তো জিহ্বা দিয়ে পানি চলে আসলো। তেঁতুল দেওয়ার জন্য মজাটা একটু বেশি হয়েছে। আপনার মাখানো প্রসেস টা দারুন ছিল। ধন্যবাদ আপু আপনাকে।
বাইরে কোথাও বের হলে রাস্তার পাশে ভ্যান ওয়ালা মামা থেকে পেয়ারা মাখা না খেলে যেন পেটের ভাতই হজম হয় না। ওই সময় জিব্বা থেকে পানি বের হওয়া শুরু করে। আর তাই না খেয়ে বাড়ি ফেরা যায়না তেতুলের টক দেখলে এমনিতেই খেতে ইচ্ছে করে।
আপু আপনি ঠিক বলেছেন রাস্তার ধারে ,মামাদের কাছে এরকম পেয়ারা মাখা দেখলে খুব খেতে ইচ্ছে করে। আমার খুব পছন্দের পেয়ারা মাখা। কিছুদিন আগে আমিও পেয়ারা মাখা শেয়ার করেছিলাম। আপনি খুব সুন্দর করে কাসুন্দি, তেঁতুলজ ধনিয়া পাতা দিয়ে পেয়ারা মেখেছেন যা দেখে খুবই লোভনীয় লাগছে। ধন্যবাদ আপু।
আপু আপনি দেখছি আমার মত রাস্তার ধারে পেয়ারা মাখা দেখলে খেতে ইচ্ছে করে ।তখন আর না খেয়ে বাসায় ফিরতে মন চায় না। জ্বী আপু আমিও দেখেছি আপনি পেয়ারা মাখা শেয়ার করেছিলেন ।আমার মনে হয় কাসুন্দি দিলে অনেক বেশি মজা লাগে।
দারুন স্বাদের পেয়ারা মাখা দেখে তো লোভ লেগে গেলো আপু। খেতে ইচ্ছা করছে। আপনি যে পেয়ারা মাখা খেতে ভীষণ পছন্দ করেন। আগে জানা ছিলো না। আমিও মাঝে মধ্যেই বাসায় খাই। আপনার পেয়ারা মাখা দেখে অনেক ভালো লাগলো। অনেক সুন্দর করে সাজিয়ে উপস্থাপনা করেছেন।
আমি জানতাম ভাইয়া এই পেয়ারা আমাকে দেখলে সবারই লোভ লেগে যাবে। কারণ পেয়ারা মাখা খেতে সবাই পছন্দ করে। আমি তো কলেজে গেলে পেয়ারা মাখা না খেয়ে বাসায় আসতাম না। ধন্যবাদ ভাইয়া মন্তব্যের জন্য।
রেসিপিটা তো সাধারণ কিন্তু প্রসেসটা দেখছি একটু ভিন্ন।এভাবে তেতুল, ধনিয়া পাতা দিয়ে কখনো পিয়ারা মাখা খাইনি। দেখে তো ভালোই হবে মনে হচ্ছে, ভাবলেই পানি চলে আসছে।
লোভনীয় একটা রেসিপি ছিল।শুভ কামনা রইলো।
জি ভাইয়া রেসিপিটা কমন হলেও আমি বানানো টা একটু ভিন্ন ভাবে করার চেষ্টা করেছি। আপনিও চাইলে তেঁতুল ও ধনিয়া পাতা ব্যবহার করে পেয়ারা মাখা খেতে পারেন। আমার মনে হয় আপনার অবশ্যই ভালো লাগবে।
আপনার পোস্ট দেখেই বোঝা যাচ্ছে আপনি পেয়ারা মাখা অনেক বেশি পছন্দ করেন। আমিও আপনার মত যদি বাহিরে কোথাও যাই চোখের সামনে পেয়ারা মাখা দেখলে নিজেকে আর স্থির রাখতে পারেনা অবশ্যই সেটা খেতে হবে। খুবই চমৎকার ভাবে আপনি আমাদের মাঝে রেসিপিটি তুলে ধরেছেন , দেখেই জিভে জল এসে গেল।
আপনি তো দেখছি আমার মত বাইরে কোথাও গেলে পেয়ারা মাখা দেখলে না খেয়ে আসেন না ।আসলে এরকম রেসিপি দেখলে সামনে রেখে চলে আসা সম্ভব হয় না। বিশেষ করে যারা খেতে বেশি পছন্দ করে তারা তো অবশ্যই খায়।
এমন পেয়ারা মাখা দেখে জিভে জল না এসে পারে নাকি,বাহিরে মামাদের হাতের পেয়ারা মাখা খেতে ভীষণ ভালো লাগে। আপনি অনেক ধরনের উপকরণ দিয়ে, খুবই ইয়াম্মি করে পেয়ারা মাখিয়েছেন। আমার মনে হচ্ছে বিশেষ করে, কাসুন্দি এবং তেঁতুল দেওয়াতে স্বাদ অনেকটা বেড়ে গিয়েছে। এককথায় আপনার পেয়ারা মাখা রেসিপিটা অসাধারণ হয়েছে। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে এমন লোভনীয় একটি রেসিপি, আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
আসলেই ঠিক বলেছেন এরকম রেসিপি দেখলে লোভ সামলানো মুশকিল হয়ে যায় বাইরে মামাদের কাছে থেকে খেতে তো ভীষণ ভালো লাগে। কিন্তু ঘরে যদি নিজের তৈরি করে খায় তাহলে স্বাস্থ্যসম্মত ভাবে খাওয়া যায়। এমনকি তৃপ্তি সহকারে যত ইচ্ছা তত খাওয়া যায় ।তেঁতুল দিয়ে বেশি ভালো লেগেছে।
আমারও পেয়ারা মাখা খেতে ভীষণ ভালোলাগে।আপনার মত আমিও রাস্তায় কোথাও পেয়ারা মাখা দেখলে খেতে ভুলি না।তবে আমি কখনো তেতুল দিয়ে পেয়ারা মাখা খাইনি।কিন্তু আপনার তেতুল দিয়ে পেয়ারা মাখা দেখে আমার খেতে ইচ্ছে করছে।আর আপনি প্রতিটা ধাপ খুব সুন্দরভাবে সাজিয়েছেন।আপনার জন্য অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল।
আমি কোথাও জার্নি করতে গেলে তখন গাড়িতে বসে পেয়ারা মাখা খেতে বেশি ভালো লাগে। মামারা বিভিন্ন ধরনের উপকরণ দিয়ে মাখিয়ে দেয়। তাই খেতে অনেক ভালো লাগে এজন্য নিজেই বাসায় তৈরি করে ফেললাম।
ওয়াও আপু দারুন স্বাদের পেয়ারা মাখাই তো মনে হচ্ছে দেখতে আপু।খেতেও নিশ্চয় অনেক সুস্বাদু ছিল।বেশ অনেক গুলো উপকরণ দিয়ে আপনি পেয়ারা মাখিয়েছেন।আমিও একদিন এভাবে খাবো।ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর লোভনীয় রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য।
জি আপু দারুন স্বাদের পেয়ারা মাখা খেতে অনেক ভালো লেগেছিল। খুবই টেস্ট লেগেছে তেঁতুল ও ধনিয়া পাতা দেয়ার কারণে । আর ঝালের পরিমাণটা একটু বেশি বাড়িয়ে দিয়েছি।
তেঁতুল দিয়ে পেয়ারা খাওয়া হয়নি আমার। কিন্তু আপনার পেয়ারা বানানো দেখে জিভে জল চলে এলো। উফফ,ঝাল ঝাল, টক টক 😋খুব মজার রেসিপি। অনেক ধন্যবাদ আপু।
তেঁতুল দিয়ে সাধারণত খুব কম মানুষ এই বানায় আপনি একসময় তেতুল দিয়ে বানিয়ে খেয়ে দেখবেন ।আমার মনে হয় আপনার পছন্দ হবে একেবারে ঝাল ঝাল টক টক।
আমার কাছেও তেতুল ও সরিষা দিয়ে পেয়ারা মাখা খেতে ভালো লাগে। যদিও বাহিরের টা কম খাওয়া হয়,বাহিরের টা কেমন জানি লাগে আমার।মাখাগুলো দেখে জিভে জল এসে গেলো।প্রতিটি ধাপ আপনি সুন্দর করে দেখিয়েছেন। ধন্যবাদ
তেতুল ও সরিষা দিয়ে পেয়ারা মাখা খাওয়ার রুচি কি মজা তা আসলে যে খায় সেই বুঝতে পারে। বাইরেরটা আমি এখন কম খাই তবে আগে প্রচুর খেতাম। ধন্যবাদ আপু সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
আপু পেয়ারা আমার অনেক পছন্দের। আমিও বাহিরে বের হলে এইগুলো খেতে বেশ পছন্দ করি। আপনি যেভাবে তৈরি করেছেন দেখে তো জিহ্বা দিয়ে পানি চলে আসলো। তেঁতুল দেওয়ার জন্য মজাটা একটু বেশি হয়েছে। আপনার মাখানো প্রসেস টা দারুন ছিল। ধন্যবাদ আপু আপনাকে।
বাইরে কোথাও বের হলে রাস্তার পাশে ভ্যান ওয়ালা মামা থেকে পেয়ারা মাখা না খেলে যেন পেটের ভাতই হজম হয় না। ওই সময় জিব্বা থেকে পানি বের হওয়া শুরু করে। আর তাই না খেয়ে বাড়ি ফেরা যায়না তেতুলের টক দেখলে এমনিতেই খেতে ইচ্ছে করে।
আপু আপনি ঠিক বলেছেন রাস্তার ধারে ,মামাদের কাছে এরকম পেয়ারা মাখা দেখলে খুব খেতে ইচ্ছে করে। আমার খুব পছন্দের পেয়ারা মাখা। কিছুদিন আগে আমিও পেয়ারা মাখা শেয়ার করেছিলাম। আপনি খুব সুন্দর করে কাসুন্দি, তেঁতুলজ ধনিয়া পাতা দিয়ে পেয়ারা মেখেছেন যা দেখে খুবই লোভনীয় লাগছে। ধন্যবাদ আপু।
আপু আপনি দেখছি আমার মত রাস্তার ধারে পেয়ারা মাখা দেখলে খেতে ইচ্ছে করে ।তখন আর না খেয়ে বাসায় ফিরতে মন চায় না। জ্বী আপু আমিও দেখেছি আপনি পেয়ারা মাখা শেয়ার করেছিলেন ।আমার মনে হয় কাসুন্দি দিলে অনেক বেশি মজা লাগে।
দারুন স্বাদের পেয়ারা মাখা দেখে তো লোভ লেগে গেলো আপু। খেতে ইচ্ছা করছে। আপনি যে পেয়ারা মাখা খেতে ভীষণ পছন্দ করেন। আগে জানা ছিলো না। আমিও মাঝে মধ্যেই বাসায় খাই। আপনার পেয়ারা মাখা দেখে অনেক ভালো লাগলো। অনেক সুন্দর করে সাজিয়ে উপস্থাপনা করেছেন।
আমি জানতাম ভাইয়া এই পেয়ারা আমাকে দেখলে সবারই লোভ লেগে যাবে। কারণ পেয়ারা মাখা খেতে সবাই পছন্দ করে। আমি তো কলেজে গেলে পেয়ারা মাখা না খেয়ে বাসায় আসতাম না। ধন্যবাদ ভাইয়া মন্তব্যের জন্য।
রেসিপিটা তো সাধারণ কিন্তু প্রসেসটা দেখছি একটু ভিন্ন।এভাবে তেতুল, ধনিয়া পাতা দিয়ে কখনো পিয়ারা মাখা খাইনি। দেখে তো ভালোই হবে মনে হচ্ছে, ভাবলেই পানি চলে আসছে।
লোভনীয় একটা রেসিপি ছিল।শুভ কামনা রইলো।
জি ভাইয়া রেসিপিটা কমন হলেও আমি বানানো টা একটু ভিন্ন ভাবে করার চেষ্টা করেছি। আপনিও চাইলে তেঁতুল ও ধনিয়া পাতা ব্যবহার করে পেয়ারা মাখা খেতে পারেন। আমার মনে হয় আপনার অবশ্যই ভালো লাগবে।
আপনার পোস্ট দেখেই বোঝা যাচ্ছে আপনি পেয়ারা মাখা অনেক বেশি পছন্দ করেন। আমিও আপনার মত যদি বাহিরে কোথাও যাই চোখের সামনে পেয়ারা মাখা দেখলে নিজেকে আর স্থির রাখতে পারেনা অবশ্যই সেটা খেতে হবে। খুবই চমৎকার ভাবে আপনি আমাদের মাঝে রেসিপিটি তুলে ধরেছেন , দেখেই জিভে জল এসে গেল।
আপনি তো দেখছি আমার মত বাইরে কোথাও গেলে পেয়ারা মাখা দেখলে না খেয়ে আসেন না ।আসলে এরকম রেসিপি দেখলে সামনে রেখে চলে আসা সম্ভব হয় না। বিশেষ করে যারা খেতে বেশি পছন্দ করে তারা তো অবশ্যই খায়।
এমন পেয়ারা মাখা দেখে জিভে জল না এসে পারে নাকি,বাহিরে মামাদের হাতের পেয়ারা মাখা খেতে ভীষণ ভালো লাগে। আপনি অনেক ধরনের উপকরণ দিয়ে, খুবই ইয়াম্মি করে পেয়ারা মাখিয়েছেন। আমার মনে হচ্ছে বিশেষ করে, কাসুন্দি এবং তেঁতুল দেওয়াতে স্বাদ অনেকটা বেড়ে গিয়েছে। এককথায় আপনার পেয়ারা মাখা রেসিপিটা অসাধারণ হয়েছে। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে এমন লোভনীয় একটি রেসিপি, আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
আসলেই ঠিক বলেছেন এরকম রেসিপি দেখলে লোভ সামলানো মুশকিল হয়ে যায় বাইরে মামাদের কাছে থেকে খেতে তো ভীষণ ভালো লাগে। কিন্তু ঘরে যদি নিজের তৈরি করে খায় তাহলে স্বাস্থ্যসম্মত ভাবে খাওয়া যায়। এমনকি তৃপ্তি সহকারে যত ইচ্ছা তত খাওয়া যায় ।তেঁতুল দিয়ে বেশি ভালো লেগেছে।
আমারও পেয়ারা মাখা খেতে ভীষণ ভালোলাগে।আপনার মত আমিও রাস্তায় কোথাও পেয়ারা মাখা দেখলে খেতে ভুলি না।তবে আমি কখনো তেতুল দিয়ে পেয়ারা মাখা খাইনি।কিন্তু আপনার তেতুল দিয়ে পেয়ারা মাখা দেখে আমার খেতে ইচ্ছে করছে।আর আপনি প্রতিটা ধাপ খুব সুন্দরভাবে সাজিয়েছেন।আপনার জন্য অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল।
আমি কোথাও জার্নি করতে গেলে তখন গাড়িতে বসে পেয়ারা মাখা খেতে বেশি ভালো লাগে। মামারা বিভিন্ন ধরনের উপকরণ দিয়ে মাখিয়ে দেয়। তাই খেতে অনেক ভালো লাগে এজন্য নিজেই বাসায় তৈরি করে ফেললাম।
ওয়াও আপু দারুন স্বাদের পেয়ারা মাখাই তো মনে হচ্ছে দেখতে আপু।খেতেও নিশ্চয় অনেক সুস্বাদু ছিল।বেশ অনেক গুলো উপকরণ দিয়ে আপনি পেয়ারা মাখিয়েছেন।আমিও একদিন এভাবে খাবো।ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর লোভনীয় রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য।
জি আপু দারুন স্বাদের পেয়ারা মাখা খেতে অনেক ভালো লেগেছিল। খুবই টেস্ট লেগেছে তেঁতুল ও ধনিয়া পাতা দেয়ার কারণে । আর ঝালের পরিমাণটা একটু বেশি বাড়িয়ে দিয়েছি।