আমার বাংলা ব্লগের সকল বন্ধুরা☕☕
আসসালামুয়ালাইকুম☕☕
প্রীতি ও শুভেচ্ছা☕☕
বৃষ্টির দিনগুলোতে যেমন অবসরে থাকা উচিত তেমনি থাকা উচিত এক কাপ চা এবং একটি ভালো বই।
_বিল ওয়াটারসন
- আশা করি সবাই ভাল আছেন আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। আপনারা সবাই হয়তো "জানেন জীবনটা হচ্ছে এক কাপ চায়ের মত এটি তেমন স্বাদই দিবে যেমনটা আপনি বানাবেন।"
সে যাই হোক চা পছন্দ করে না এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া যাবে না। সারা বিশ্বে জনপ্রিয়তার কাতারে আমার মনে হয় চা সবার শীর্ষে থাকবে। তাইতো কত ধরনের চা তৈরি করা হয় আমাদের এই দেশে। তবে এর মধ্যে ক্ষতিকারক দিক রয়েছে ।অতিরিক্ত চা পান করলে অনেক ক্ষতি হতে পারে। তবে সেটা দুধ-চায়ের ক্ষেত্রে। রং চা বরং শরীরের উপকারী করে। আর তার মধ্যে যদি লেবু পাতার ফ্লেভার থাকে তাহলে তো চায়ের স্বাদ আরো বেশি হয়ে যায়।
- বৃষ্টির দিনে অবসরে যখন আমরা সময় কাটাই তখন সাথে যদি এক কাপ চা এবং একটি ভালো বই থাকে তাহলে তার মত সুখী মানুষ মনে হয় আর পৃথিবীতে কেউ থাকেনা। কেননা ঐ মুহূর্তের অনুভূতিটুকু পৃথিবীর সব দুঃখ কষ্টগুলোকে দূর করে দেয়। করোনা কালীন সময়ে বেশিরভাগ মানুষেরই জ্বর এবং গলা ব্যথা ছিল। তখন আদা এবং লেবু দিয়ে রং চা খাওয়ার উপদেশটাই সবচেয়ে বেশি দিয়েছে ডাক্তার। তারমানে বোঝাই যাচ্ছে এ রং চা আমাদের জন্য কতটা উপকারী। আর আমার একটু সর্দি হলে, জ্বর হলে বা গলা ব্যথা হলে রং চা চাই ই চাই। যাইহোক লেবু পাতা দিয়ে এই রং চা যাদের পছন্দ তারা অবশ্যই মন্তব্য করে জানাবেন। আজ আমি আপনাদের মাঝে নিয়ে এসেছি লেবু পাতা ফ্লেভারের রং চা। এক চুমুকে ই শরীর হয়ে যাবে সতেজ ও চাঙ্গা। তাহলে চলুন দেখে নেয়া যাক আমার আজকের লেবু পাতার রং চা।



- লেবু পাতা
- তেজপাতা
- এলাচ
- দারুচিনি
- আদা
- চা পাতা
- চিনি
- লবণ


- প্রথমে আমি একটি ফ্রাইপ্যানে পরিমাণ মত পানি দিয়ে দিলাম।


- পানি গরম হলে এর মধ্যে তেজপাতা, এলাচ, দারুচিনি, ও থেতলে নেয়া আদা দিয়ে দিলাম।


- এবার ঢাকনা দিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলাম।

- তারপর লবণ ও লেবুপাতা দিয়ে দিলাম।



- এবার চিনি ও এক চামচ চা পাতা দিয়ে দিলাম।


- চা তৈরি হয়ে গেছে এবার পাতিল চুলা থেকে নামিয়ে নিলাম।

- এবার লেবু পাতার রং চা পরিবেশন করে ছবি তুলে নিলাম।



🌺 আশা করি আমার আজকের রেসিপি টি আপনাদের ভালো লাগবে।ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। 🌺 |
🌺 ধন্যবাদ সবাইকে আমার পোস্টটি দেখার জন্য ও পড়ার জন্য🌺 |
খুব সুন্দর কিছু কথা বলেছেন যে জীবনটা আসলেই চায়ের মতো ৷ যেভাবে তৈরি করবে ঠিক সেভাবে তার স্বাদ পাবে ৷
আপনি এই সকাল সকাল চা বানিয়ে ফেললেন তাহলে ৷
জি আপু বৃষ্টির দিনে চা আর সাথে যদি কোনো গল্পের বই ৷ সত্যি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সুখ ৷
ভালো লাগলো আপু!!!!!
আপনি নিশ্চয়ই আমার পোস্টটি ভালোভাবে খেয়াল করেছেন তাই আমার এই সুন্দর কথাটি বুঝতে পেরেছেন। আমি মনে করি জীবনটা এক কাপ চায়ের মতই ।আমরা চা টাকে যতটা স্বাদ করে তৈরি করব ততটাই মজা পাব তাই আমাদের জীবনকেই যত সুন্দর ভাবে গঠন করবো ততই সুখে থাকব।
ওয়াও স্পেশালি ছিল আপনার লেবু পাতার চায়ের রেসিপি। আমার বাংলা ব্লগে আমার মনে হয় এই প্রথম দেখলাম চায়ের রেসিপি। তবে এই চায়ের রেসিপি নিয়ে কোন এক হ্যাংআউট চায়ের রেসিপি নিয়ে কথা উঠেছিল সবাই বেশ মজা করেছি অন্যরকম। কিন্তু আপনার আজকের লেবু পাতা চায়ের রেসিপি দেখেই মনে পড়ে গেল। এত সুন্দর একটি রেসিপি উপহার দেওয়ায়, শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
লেবু পাতা দিয়ে চা বানালে আমার কাছে স্পেশাল মনে হয় কারণ লেবু পাতার যেই ঘ্রাণ সেটি বেশি ভালো লাগে। বাহ তার মানে আমি প্রথম চায়ের রেসিপি শেয়ার করেছি। খুবই ভালো লাগছে জেনে আসলেই যা আমাদের সবার জন্যই প্রতিদিনের নিত্য নতুন পানীয়। তাইতো স্পেশাল লেবু পাতার চা আপনাদের মাঝে উপহার দিলাম।
আপু আমি চা একদম পছন্দ করতাম না। চা এর পরিবর্তে এক কাপ দুধ খেয়ে ফেলতাম।কিন্তু ইদানিং চা এর প্রতি এত নেশাটা বেড়ে গেছে না খেয়ে থাকতে পারিনা।সেটা গ্রিন টি বলেন, রং চা বলেন অথবা দুধ চা বলেন যে কোন একটা আমার খেতে হবে।নির্দিষ্ট কোন চায়ের প্রতি আকর্ষন নেই। যেকোনো ধরনের চা হলে হয়।গ্রামে যখন থাকতাম রং চায়ের মধ্যে লেবু পাতা দিয়ে খেতাম। ফ্লেভার টা অনেক ভালো লাগে।আপনি খুব সুন্দর করে প্রতিটি ধাপ আমাদের সাথে শেয়ার করে চা তৈরী করেছেন।দেখে অনেক ভালো লাগলো
আসলে আপু আমিও চা টাকে নেশার মতো করে খাই না অনেকে কিন্তু চা না হলে হবেই না এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি করে। আমার ও যেকোনো একটা চা হলেই হবে। তবে সব চায়ের মধ্যে আমার আদা এবং লেবু পাতা দিয়ে তৈরি করা চা বেশি ভালো লাগে। এটা অবশ্য ঠিক গ্রামে থাকলে লেবু পাতা খুব সহজেই পাওয়া যায় তাই খাওয়া যায়।
চা প্রতিদিনই খাওয়া হয় তবে সবসময়ই আদা চায় এবং লেবু চা খাওয়া হয় কিন্তু লেবু পাতা দিয়ে চা খাওয়া যায় এভাবে আপনার প্রস্তুত করা না দেখলে বুঝতেই পারতাম না।।
একদম ঠিক কথা বলেছেন ডাক্তারদের কাছে গেলে তারা সবসময়ই উপদেশ দেয় লেবু দিয়ে চা খাওয়ার জন্য।। আমিও বেশ কিছুদিন আগে একটু ঠান্ডা জনিত কারণে ভুগতেছিলাম ডাক্তারের কাছে গেলে তিনিও আমার একই পরামর্শ দিয়েছিলেন।।
ভাইয়া আমিও আদা দিয়ে এবং লেবু দিয়ে রং চা খাই কিন্তু লেবু পাতা দিয়েও মাঝে মাঝে খাই ।আপনি লেবু পাতা দিয়ে একদিন খেয়ে দেখবেন পাতার ঘ্রাণ অন্যরকম ফ্লেভার নিয়ে আসে। ঘ্রাণে খেতে মন চায়। আর এই ধরনের রং চা গুলো কিন্তু আমাদের জন্য খুবই উপকারী তাই ডাক্তাররাও পরামর্শ দিয়ে থাকে খাওয়ার জন্য।
চা আমার খুবেই পছেন্দের পানিয়। প্রতিদিন ২ কাপ চা না হলে আমার চলেই না। লেবু পাতা দিয়ে চা এখনো খাওয়া হয়নি। আশা করি ভালোই হবে আপনার এ রেসিপি। শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
আসলে ভাইয়া বেশিরভাগ বাঙালিরাই সকাল এবং বিকেল এই দুবেলা চা না হলে চলেই না। তবে অনেকেই রং চা খেতে চায় না আমি বলব যারা রং চা একটু কম খায় তারা মাঝে মাঝে লেবু পাতা দিয়ে খেয়ে দেখবেন ।তাহলে নিশ্চয়ই ভালো লাগবে। কারণ লেবু পাতার ঘ্রাণ অন্যরকম ফ্লেভার নিয়ে আসে।
সত্যিই জীবনটা চায়ের মতো, যেভাবে তৈরি করা যাবে ঠিক সেভাবেই এর স্বাদ বোঝা যাবে। সত্যি বলতে আমি লাল চা ভীষণ পছন্দ করি। আর আদা লেবু দিয়ে লাল চা আমার ভীষণ ভালো লাগে। তবে লেবু পাতা দিয়ে কখনো খাইনি। আচ্ছা লেবু পাতা দেয়াতে তেতো ভাব আসেনি তো? তবে আমার কাছে বেশ ভালোই লেগেছে এই চা। খুব তাড়াতাড়ি তৈরি করবো ইনশাআল্লাহ।
আসলেই ভাইয়া জীবনটাকে যে ভালোভাবে উপলব্ধি করতে পেরেছে সেই বুঝতে পারবে জীবনটা আসলে চায়ের মত। ভাইয়া লেবু পাতা দিয়ে চা বানালে সিস্টেম জানতে হবে ।নইলে কিন্তু তিতা হয়ে যাবে ।আদা এবং লং এলাচ তেজপাতা অনেকক্ষণ জাল দেয়ার পর চা পাতা যখন দিব তখন লেবু পাতা দিব ।তার পাঁচ মিনিট পরেই আগুন নিভিয়ে দেবো যাতে শুধু ফ্লেভারটা বের হয় তিতা ভাব না আসে।
দারুন বুদ্ধি তো।
তাহলে জাষ্ট ফ্লেবারটা পাওয়া যাবে লেবু পাতার।
তৈরি করবো খুব তাড়াতাড়ি।।।।
ধন্যবাদ আপনাকে।।
চা হলো বাঙ্গালির প্রিয় একটা খাবার সকাল দুপুর রাত্রি যেকোনো টাইমে চা হলো সেরা।আপনার রেসিপিটা অনেক ভাল লেগেছে ধন্যবাদ আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
ঠিকই বলেছেন বাঙ্গালী প্রিয় খাবারের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে চা। সকাল দুপুর রাত্রি যে কোন সময় মানুষের যখন ইচ্ছে করে তখনই চা খায়। তবে রং চা খাওয়ার মধ্যে রয়েছে অনেক উপকারিতা। আমি মনে করি রং চা খাওয়াই বেটার।
চা দিয়েই আমার দিন শুরু হয় আবার চা দিয়েই আমার দিন শেষ হয়। কিন্তু সেটা দুধ চা, আমি দুধ চা ছাড়া আমি অন্য কোন চা আমি খেতে পারিনা। কিন্তু আজকে আপনার চায়ের রেসিপি টি দেখে বেশ ভালোই লাগলো আশাকরি খুব শীঘ্রই লেবু পাতার চা বানিয়ে খাবো।সুন্দর রেসিপি টি শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
বাহ আপনি তো দেখছি সেই রকম চা খোর ।চা দিয়ে আপনার দিন শুরু আবার চা দিয়ে দিন শেষ। তবে আপু নিয়মিত এভাবে দুধ চা খেলে কিন্তু ক্ষতি হতে পারে তাই মাঝে মাঝে না খাওয়ার চেষ্টা করবেন। এক সময় লেবু পাতার চাটি খেয়ে দেখবেন আশা করি ভালো লাগবে।
আপনার চায়ের ফটোগ্রাফি গুলো তো খুব ভালো হয়েছে। ঠিক বলেছেন আপনি, জ্বর ঠান্ডার সময় এরকম এক কাপ রং চা হলে বেশ ভালো হয়। আমার কাছে লেবু পাতার ফ্লেবার টা আসলেই খুব ভালো লাগে। তবে এভাবে কখনো চা তৈরি করা হয়নি। অবশ্যই ট্রাই করবো একদিন। ধন্যবাদ আপনাকে এতো সুস্বাদু একটি চায়ের রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
চা আমাদের বাঙ্গালীদের খুবই প্রিয় একটি খাবার। তবে এর মধ্যে রং চা খুবই উপকারী। জ্বর কিংবা ঠান্ডা লাগলে এইরকম চা খেতে খুবই ভালো লাগে। তার প্রতি যদি লেবুর পাতা দেওয়া হয় তাহলে এর ঘ্রাণে খেতে মন চায়। আপনি বাসায় ট্রাই করে দেখবেন আশা করি ভালো লাগবে।
আপু স্পেশাল ছিল আপনার লেবু পাতার চায়ের রেসিপি। আমার বাংলা ব্লগে আমার মনে হয় এই প্রথম দেখলাম চায়ের রেসিপি। আপনার আজকের লেবু পাতা চায়ের রেসিপি দেখেই মনে পড়ে গেল আমার পুরনো একটা ঘটনা, যাই হোক পরবর্তীতে একদিন শেয়ার করার চেষ্টা করব। দারুন ছিল লেবু পাতার চায়ের রেসিপিটি। আপনি ঠিকই বলেছেন এক কাপ চা সাথে একটা গল্পের বই এ সময়টা বা এই অনুভূতিটা একটা সুখী মানুষের জন্ম দেয়। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে এত উপকার একটি রেসিপি শেয়ার করা জন্য, শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
লেবু পাতা দিয়ে চা বানালে খেতে খুবই ভালো লাগে বিশেষ করে লেবু পাতার ঘ্রাণ বেশি ভালো লাগে আমার। আর আমার এই লেবু পাতার চা দেখে আপনার একটি ঘটনা মনে পড়ে গেল একদিন নিশ্চয়ই আমাদের মাঝে শেয়ার করবেন তাহলে জানতে পারবো ঘটনাটা কি। আমার কাছে এক কাপ চা আর সাথে যদি একটি বই থাকে এটাই অনেক দারুন অনুভূতি জন্ম দেয় ভালো সময় কাটানোর এমনটাই মনে হয়।