কচুশাকের ভর্তা রেসিপি🥗||[১০% লাজুক খ্যাঁকের জন্য]
আসসালামু আলাইকুম/নমস্কার
আমি@monira999। আমি একজন বাংলাদেশী। আজকে আমি "আমার বাংলা ব্লগ" সম্প্রদায়ে আমার তৈরি করা একটি মজাদার রেসিপি শেয়ার করতে যাচ্ছি। নতুন নতুন মজার রেসিপি তৈরি করতে ভালো লাগে আমার। আমার খুবই প্রিয় একটি খাবার হচ্ছে কচুশাকের ভর্তা। কচুশাকের ভর্তা আমি খুবই পছন্দ করি। তাই আমি আমার প্রিয় কচুশাকের ভর্তা রেসিপি আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করেছি। আশা করছি আমার তৈরি কচুশাকের ভর্তা রেসিপি আপনাদের ভালো লাগবে।
🥗কচুশাকের ভর্তা রেসিপি:
আমার পছন্দের একটি খাবার হলো কচুশাকের ভর্তা। কচুশাকের ভর্তা খেতে আমি খুবই পছন্দ করি। বিশেষ করে গরম ভাতের সাথে লেবু দিয়ে কচু শাকের ভর্তা খেতে আমার ভালো লাগে। এছাড়াও কচুশাক আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী। কচুশাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে। কচুশাক আমাদের শরীরের জন্য অনেক বেশি উপকারী। কারণ এর পুষ্টিগুণ আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। বিশেষ করে আমাদের চোখ ভালো রাখতে ও দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে কচুশাক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমি মাঝে মাঝেই কচুশাক খাই। এছাড়া কচুশাক খেতে আমার খুবই ভালো লাগে। আমাদের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে এবং শরীরের অন্যান্য বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করতে মাঝেমধ্যেই প্রত্যেকেরই উচিত কচু শাক খাওয়া। তাই আমি কচু শাক খেতে অনেক বেশি সুস্বাদু করার জন্য মজাদার একটি রেসিপি তৈরি করেছি। আশা করছি আমার তৈরি করা কচুশাকের ভর্তা রেসিপি সকলের কাছে ভালো লাগবে।
প্রয়োজনীয় উপকরণ:
- কচু শাক ৩০০ গ্রাম।
- রসুন বাটা ১/২ চামচ।
- জিরা বাটা ১ চামচ।
- হলুদের গুঁড়া ১/২ চামচ।
- পেঁয়াজ কুচি ১/২ কাপ।
- রসুন ৮ থেকে ১০ কোয়া।
- লবণ ১ চামচ।
- সয়াবিন তেল ৩ চামচ।
- কাচা মরিচ।
- লেবু।
🥗রেসিপি তৈরির ধাপসমূহ:
🥗ধাপ-১🥗
মজাদার কচুশাকের ভর্তা রেসিপি তৈরি করার জন্য প্রথমে আমি কচুশাক গুলো খুব সুন্দর করে ছোট ছোট করে কেটে নিয়েছি। এরপর আমি পানি দিয়ে ধুয়ে নিয়েছি।
🥗ধাপ-২🥗
আমি মজাদার কচুশাকের ভর্তা রেসিপি তৈরি করার জন্য প্রথমে একটি পরিষ্কার কড়াই চুলার উপর দিয়েছি। এরপর কিছুক্ষণ পর কড়াইয়ের মধ্যে পরিমাণ অনুযায়ী সয়াবিন তেল দিয়েছি। আমি যেহেতু কচুশাকের মজাদার ভর্তা রেসিপি তৈরি করব তাই আমি একটু বেশি পরিমাণে তেল দিয়েছি।
🥗ধাপ-৩🥗
এবার আমি কচুশাকের ভর্তা খেতে অনেক বেশি মজাদার করার জন্য পরিমাণ অনুযায়ী পেঁয়াজকুচি গরম তেলের মধ্যে দিয়েছি। এরপর কিছুক্ষন পর তেলের সাথে পেঁয়াজকুচি গুলো ভাজাভাজা করেছি।
🥗ধাপ-৪🥗
এবার আমি আমার পছন্দের মজাদার রেসিপি তৈরি করার জন্য পরিমাণ অনুযায়ী রসুনের কোয়া ভাজা পিয়াজের মতে দিয়েছি। এরপর আমি পরিমাণ অনুযায়ী রসুন বাটা ও জিরা বাটা দিয়েছি। এবার সব গুলো একত্রে মিশিয়েছি।
🥗ধাপ-৫🥗
এবার আমি পরিমাণ অনুযায়ী কাঁচামরিচ দিয়েছি। আমি কিছু পরিমাণে কাঁচা মরিচ কেটে দিয়েছি আবার কিছু পরিমাণে কাঁচামরিচ গোটা দিয়েছি।
🥗ধাপ-৬🥗
এবার আমি আমার তৈরি করা কচুশাকের ভর্তা রেসিপি আরো বেশী মজাদার করার জন্য লবণ দিয়েছি। এরপর হলুদের গুঁড়া দিয়েছি। এবার সবগুলো মিশিয়েছি। সবগুলো মসলা তেলের সাথে ভালোভাবে ভুনা করার জন্য কিছুক্ষণ সময় নিয়ে নাড়াচাড়া করেছি
🥗ধাপ-৭🥗
এবার মসলা ভুনা হওয়ার পর কেটে ধুয়ে রাখা কচু শাক গুলো ভুনা মসলা মধ্যে দিয়েছি।
🥗ধাপ-৮🥗
এবার কচুশাক গুলো খুব ভালোভাবে ও সাবধানতার সাথে মিশানোর চেষ্টা করছি।
🥗ধাপ-৯🥗
এবার আমি কচুশাক গুলো সিদ্ধ করার জন্য একটি ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিয়েছি। কিছুক্ষণ পরপর ঢাকনা খুলে আবার নাড়াচাড়া করেছি।
🥗ধাপ-১০🥗
এভাবে আমি কিছুক্ষণ পরপর ঢাকনা খুলে কচুশাক গুলো খুব ভালোভাবে মসলার সাথে মেশানোর চেষ্টা করেছি। এরপর আমি আরো কিছুক্ষণ সময় নিয়ে নাড়াচাড়া করেছি।
🥗ধাপ-১১🥗
এবার আমার তৈরি করা মজাদার এই রেসিপিটি আরো বেশি মজাদার করার জন্য লেবুর রস দিয়েছি। আমার রেসিপি তৈরির শেষের দিকে এসে আমি লেবুর রস ব্যবহার করেছি। কারণ কচুশাকের সাথে লেবুর রস খেতে খুবই ভালো লাগে।
🥗শেষ ধাপ🥗
এবার আমার তৈরি করা কচুশাকের ভর্তা রেসিপি সুস্বাদু করার জন্য আমি এবার একটি কাঠের বাটনা দিয়ে ডলে ডলে কচুশাকের ভর্তা তৈরি করেছি। এভাবে আমি মজাদার একটি রেসিপি তৈরি করে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি।
🥗উপস্থাপনা:🥗
কচুশাকের ভর্তা রেসিপি তৈরি হওয়ার পর আমি সকলের মাঝে পরিবেশন করার জন্য সুন্দর করে সাজিয়েছি। আমি অনেক সুন্দর করে কচুশাকের ভর্তা ডেকোরেশন করার চেষ্টা করেছি। আশা করছি আমার তৈরি রেসিপি সকলের কাছে ভালো লাগবে।
কচু শাক অনেক উপকারী এবং সহজলভ্য আমরা বাড়ি আশেপাশে সহজেই এই শাক পাই । এই শাকে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ পাওয়া যায়। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য।
আপু আপনি একদম ঠিক বলেছেন কচুশাক সহজলভ্য। এই শাক বাড়ির আশেপাশে খুব সহজেই পাওয়া যায়। এই শাক সহজলভ্য হলেও এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন রয়েছে। আপনার মন্তব্যের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
এখনই তো খেতে ইচ্ছে করছে। এটি আমার প্রিয়। বেশ খানিক ভাত আমি এটি দিয়ে খেয়ে উঠতে পারব।অসাধারণ একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন ধন্যবাদ ।
অনেক সুন্দর একটি মন্তব্য করেছেন এ জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমার রেসিপি আপনার কাছে ভালো লেগেছে এটা জেনে অনেক ভালো লাগলো ভাইয়া।
আপনি আমার পছন্দের একটি রেসিপি তৈরি করেছেন। কচুশাকের ভর্তা গরম ভাতের সঙ্গে সত্যি অসাধারণ লাগে। গত একমাস আগে কচু শাকের ভর্তা খেয়েছি। তারপর থেকে আর খাওয়া হয়নি। আপনার রেসিপিটি দেখে লোভ লেগে গেলো। রেসিপি প্রতিটি ধাপ বেশ সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। এত সুন্দর একটি রেসিপি তৈরি করে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আপনি একদম ঠিক বলেছেন গরম ভাতের সাথে কচুশাকের ভর্তা খেতে অসাধারণ লাগে। অনেক সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি ভাইয়া।
কচু ভর্তা লেবু দয়ে খেতে অসাধারণ লাগে আপু। অনেক দিন এই ভর্তাটি খাওয়া হয় না। আপনার রেসিপি টি দেখে খুবই খেতে ইচ্ছা করছে। ভর্তাটি দেখেই বুঝতে পারছি খেতে অনেক মজার হয়েছে । অনেক সুন্দর ভাবে গুছিয়ে লিখেছেন আপু। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। শুভ কামনা রইলো আপনার জন্য।
জি ভাইয়া কচুশাকের ভর্তা লেবু দিয়ে খেতে খুবই ভালো লাগে। আমার তৈরি রেসিপি আপনার ভালো লেগেছে এটা জেনে ভালো লাগলো। অনেক সুন্দর একটি মন্তব্য করেছেন এ জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
ওয়াও আপু আমিও মূলত কচুশাকের ভর্তা খুবই পছন্দ করি। এখন হয়তো তেমন খাওয়া হয় না তবে আগে অনেক খেতাম গ্রামে থাকতে। তবে সপ্তাহে একদিন হলেও আমাদের কচু শাক খাওয়ার দরকার কেননা কচু শাকে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ রয়েছে। যা আমাদের রাতকানা রোগ ও চোখের দৃষ্টিশক্তি এবং বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়।
ধন্যবাদ আপনাকে আপনি এত সুন্দর একটি ভর্তার রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আপনি একদম ঠিক বলেছেন ভাইয়া কচু শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে। যা আমাদের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। আপনার মন্তব্যের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
কচু ভর্তা অনেক পুষ্টিকর একটি খাবার। কচুতে প্রচুর পরিমাণ আয়রন এবং ভিটামিন সি পাওয়া যায়। কচু পাতা আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী। অনেক সুন্দর হবে কচু পাতা ভর্তা বানিয়েছে। আপনাকে এত সুন্দর একটা পোস্ট আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য।
আপু,কচুশাক রান্না খেয়েছি তবে এভাবে ভর্তা খাওয়া হয় নি। আপনি খুব সুন্দর করে এটি তৈরি করেছেন। মনে হচ্ছে সুস্বাদু হবে।নতুন রেসিপি বলেই আমার কাছে বেশি ভালো লাগতেছে। অনেক সুন্দর উপস্থাপনা ছিল।
কচুশাকের ভর্তা একদিন খেয়ে দেখবেন ভাইয়া আশা করছি ভাল লাগবে। কচুশাকের ভর্তা খেতে সত্যিই অনেক সুস্বাদু। সুন্দর একটি মন্তব্য করেছেন এ জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
আপনার কচু শাকের ভর্তা রেসিপি দেখে আমার এখনি খেতে মন চাচ্ছে। আপনি অনেক সুন্দর ভাবে ধাপে ধাপে কচু শাকের ভর্তা রেসিপি তৈরি করেছেন। আপনার উপস্থাপনা আমার অনেক ভালো লেগেছে। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ইউনিক একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য অনেক শুভকামনা রইলো আপু।
শীতের সময় কচুশাকের ভর্তা খেতে খুবই ভালো লাগে। আমি গমের রুটি এবং কচুশাকের ভর্তা খেতে খুব ভালোবাসি। কচু শাক আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী একটি খাবার এটি অনেক পুষ্টিকর ।ধন্যবাদ আপনাকে এমন সুস্বাদু রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।