//সুস্বাদু তালের বড় তৈরি রেসিপি//
আজকের তারিখঃ , মঙ্গলবার নভেম্বর ১৯
রেসিপি তৈরির উপাদান
| ক্রমিক নম্বর | উপাদান |
|---|---|
| ১ | মিষ্টি কুমড়া |
| ২ | চিনি |
| ৩ | লবণ |
| ৪ | ময়দা |
| ৫ | সোয়াবিন তৈল |
| ৬ | নারকেল |
কুমড়া গুলা অনেক সুন্দর পেকেছিল গাছ থেকে পেড়ে টুকরো টুকরো করে কেটে নেওয়া হয়েছে। সেই মুহূর্তে একটি ছবি আপনাদের মাঝে তুলে শেয়ার করেছি ইতিমধ্যে কুমড়ো গুলো দেখলেই বুঝতে পারবেন কতটা গাড়ো গোলাপে লাল তাহলে কত মিষ্টি ছিল।
কুমড়ো গুলো আমি কড়াইয়ের মধ্যে পরিমান মত পানি দিয়ে সিদ্ধ করতে দিয়েছি কিছুক্ষনের মধ্যেই সিদ্ধ হয়ে যাবে।
কড়াই এর উপরে গামলাটা সরিয়ে দেখলাম কুমড়ো গুলো অল্প সময়ের মধ্যে অনেক সুন্দর সিদ্ধ হয়ে গেছে। কুমড়ো খেতে আমার অনেক বেশি ভালো লাগে। কুমড়ো এর বড়া হলে তো আর কোন কথাই নেই। শীত মৌসুমে পিঠা খেতে বেশ ভালোই লাগে আশা করি আপনাদের কাছে আমার মিষ্টি কুমড়ো এর বড়া রেসিপিটা ভালো লাগবে।
এবার কুমড়ো গুলোর মধ্যে পরিমাণ মতো লবণ চিনি দিয়ে মিক্সড করে নেওয়া হয়েছে আনন্দের বিষয় হচ্ছে কুমড়ো গুলো অনেক সুস্বাদু এবং মিষ্টি ছিল তাই খুব একটা বেশি পরিমাণ চিনি দেওয়া লাগে নি। হাইব্রিড জাতের কুমড়াগুলোই অনেক সুস্বাদু এবং মিষ্টি হয়ে থাকে যদি একটু পাকিয়ে কুমড়া গুলো খাওয়া যায়। এই কুমড়াগুলো আমার নিজের হাতের গাছ লাগিয়ে বপন করা ফসল। দুঃখের বিষয় এবার আমার সবজি বাগানটি নষ্ট হয়ে গেছে।
এবার পরিমাণ মতো ময়দা দেওয়া হয়েছে দেওয়ার পরে যেটা করব?
এবার হাত দিয়ে ধীরে ধীরে মিষ্টি কুমড়া ভুনা চিনি লবণ পানি এবং ময়দা একত্রে মিক্সড করে নেওয়া হয়েছে। দেখতেই পারছেন কত সুন্দর করে মিক্সট করে নেওয়া হয়েছে। বড়া তৈরীর খুব নিকটবর্তী পর্যায়ে চলে এসেছি আর একটু অপেক্ষা করলেই আপনারা বুঝতে পারবেন কত সুন্দর করে বড়া তৈরির প্রক্রিয়া প্রথম থেকেই আরম্ভ হয়েছে আর খুব সহজেই আপনারা মিষ্টি কুমড়ো এর বড়া তৈরি করে খেতে পারবেন আমার পোস্টটি লক্ষ্য করলেই চলুন তাহলে দেখে নেয়া যাক সুস্বাদু মিষ্টি কুমড়ো এর বড়া তৈরির প্রক্রিয়াটি।
সুন্দর করে একটি একটি করে বড় তৈরি করে গরম কড়াই এর উপরে সোয়াবিন তৈল এর উপরে একটি একটি করে বড়া উঠিয়ে দেওয়া হয়েছে ভেজে নেওয়ার উদ্দেশ্যে। গরম তৈলের বুদবুদ উঠছে দেখতে বেশ সুন্দর লাগছে আমার কাছ থেকে এবং গরম গরম মিষ্টি কুমড়ো এর বরার সুবাস বের হচ্ছে বেশ ভালো লাগছে।
বাঁড়াগুলো ঝাঁজরা খুন্তি দিয়ে উল্টিয়ে দেওয়া হয়েছে দেওয়ার পরে বোঝা যাচ্ছে কত সুন্দর ভাজা ভাজা একটি কালার চলে এসেছে। কেমন জানি মনে হচ্ছে আমার জিভে জল চলে আসতেছে বড়গুলো খেতে দে কত সুস্বাদু এবং মজাদার না খেলে বোঝানো যায় না মুখে বলে। আপনাদের সবার দাওয়াত রইলো আমাদের বাসায় গরম গরম শীত মৌসুমী পিঠাপুলি এবং বড়া খাওয়ার সবাই দাওয়াতৃ গ্রহণ করবেন ইনশাআল্লাহ।
বড়াগুলো সুন্দর ভাজা হয়ে গিয়েছে এবার আমি নির্দিষ্ট একটি গামলায় রেখে দিয়েছি। সেই মুহূর্তে একটি ছবি উঠে আপনাদের মাঝে শেয়ার করে দিয়েছি।
এবার আমি ঠিক একই নিয়মে এভাবে বড় তৈরি করে এই বড় গামলার ভিতর রেখে দিয়েছি এভাবে ধীরে ধীরে অনেকগুলো বড়া তৈরি করা হয়েছে শেষ পর্যায়ে আমি একটি ফটো তুলে আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে চলেছে আশা করি আমার সুস্বাদু মিষ্টি কুমড়ো এর বড়া তৈরি রেসিপি প্রথম থেকে এ পর্যন্ত প্রক্রিয়াটি আপনাদের কাছে ভালো লেগেছে সবাই কমেন্টে জানাবেন কেমন লেগেছে ধন্যবাদ ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।
| |
|---|
আমি মোঃ জাহিদুল ইসলাম আমি মেহেরপুর জেলার গাংনী থানা জুগীরগোফা গ্রামে আমি বসবাস করি। আমি একজন বাংলাদেশের সুনাগরিক, বর্তমানে আমার বিএ ফার্স্ট ইয়ারে পড়াশোনা চলছে। আমার মাতৃভাষা বাংলা, আমি বাংলা ভাষায় কথা বলতে অনেক ভালোবাসি। আমার শখ ভ্রমণ করা এবং আর্ট করা, বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়া। সংক্ষিপ্ত আকারে আমি আমার নিজের পরিচয় আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন এবং আপনাদের জন্য রইল প্রাণঢালা শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন।
VOTE @bangla.witness as witness
টাইটেলের দেখলাম তালের বড় লিখেছেন, কিন্তু রেসিপি হল মিষ্টি কুমড়ার বড়া। রেসিপিটি কিন্তু অভিনব লেগেছে কারণ আমি মিষ্টি কুমড়োর বড়ার কথা কখনো শুনিনি এবং খাইওনি।
এছাড়াও আমি আপনাকে একটা কথা বলব, হয়তো খুবই তাড়াহুড়োর মধ্যে আপনি পোস্ট করেছেন তাই ভয়েস টাইপিং এর সময় কোন কিছুই খেয়াল করেননি। টাইটেলটি বদলে নিন সাথে ভেতরের অংশে অনেক ভুল টাইপ আছে সেগুলো একটু পড়ে দেখে নেবেন। পারলে এডিটও করে নেবেন।
তালের বরা রেসিপিটি আমার কাছেও খুব মজা লাগে। পরিবেশন করা বরাগুলো দেখে খেতে ইচ্ছে করছে। ভাই আপনার ক্যাপশনের সামান্য একটু মিস্টেক আছে অনুগ্রহ করে ঠিক করে নিবেন ধন্যবাদ।
তালের বড়া অনেক খেয়েছি, কিন্তু মিষ্টি কুমড়ার বড়া কখনো খাওয়া হয়নি আমার। বড়াগুলো দেখেই বুঝা যাচ্ছে খেতে দারুণ লেগেছিল। বিকেলের নাস্তায় এই ধরনের রেসিপি খাওয়ার মজাই আলাদা। যাইহোক আপনার পোস্টের টাইটেলে ভুল রয়েছে। আশা করি ঠিক করে নিবেন।
তালের বড়া দারুন দেখতে হয়েছে। আসলে সামনে তো খেয়ে দেখিনি কেমন, তাই দেখতে সুন্দর এটাই বললাম। তবে দেখে মনে হচ্ছে খুব সুস্বাদু হয়েছিল। সুন্দর ধাপে ধাপে আপনি সম্পূর্ণ রেসিপিটি পোস্ট করলেন। একদম হেডিং এ বড়া হয়ে গেছে বড়। একটু ঠিক করে নেবেন।
তালের বড়া খেতে অনেক ভালো লাগে। আর আপনি এত সুন্দর করে এই রেসিপি তৈরির পদ্ধতি তুলে ধরেছেন দেখে সত্যি ভালো লাগলো ভাইয়া। মনে হচ্ছে খেতে দারুণ হয়েছিল। খুবই লোভনীয় লাগছে।
তালের বড়া তো নয় ভাইয়া এগুলো মিষ্টি কুমড়ার বড়া।আমারা তাল দিয়ে যে বড়া তৈরি করি সেগুলোকে তালের বড়া বলি।হয়তো টাইপে ভুল হয়তো বা।যাইহোক বড়া গুলো চমৎকার সুন্দর এবং লোভনীয় হয়েছে। লোভ লোগে গেলো দেখে।খেতে অনেক সুস্বাদু হয়েছে তা বড়া গুলো দেখেই বুঝতে পারছি।ধাপে ধাপে বড়া তৈরি পদ্ধতি চমৎকার সুন্দর করে আমাদের সাথে ভাগ করে নিয়েছেন। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর রেসিপিটি আমাদের সাথে ভাগ করে নেয়ার জন্য।
আরে ভাইয়া আপনি তো বৃষ্টি কুমড়ার বড়া তৈরি করে তালের বড়ার নাম দিয়ে দিয়েছেন। তবে মিষ্টি কুমড়ার বড়া গুলো খেতেও ভীষণ ভালো লাগে। খুবই সুন্দরভাবে আপনি রেসিপি প্রতিটি ধাপ শেয়ার করেছেন। ধন্যবাদ ভাইয়া।
তালের বড়া রেসিপি খেতে অনেক মজা লাগে। আপনি দেখছি আজকে খুবই সুন্দর করে সুস্বাদু তালের বড়া তৈরি রেসিপি তৈরি করেছেন। আপনার তৈরি করা রেসিপি টি দেখে মনে হচ্ছে বেশ মজাদার হয়েছিল। তবে, আপনার বড়া বানান টি মনে হয় একটু ভুল হয়েছে, এটি ঠিক করে নিবেন। ধন্যবাদ।
ভাইয়া টাইটেল ঠিক করে নেবেন। তবে তালের বড়া বলেন আর মিষ্টি কুমড়ার বড়া বলেন এই বড়া খেতে কিন্তু খুবই সুস্বাদু লাগে। এভাবে মিষ্টি কুমড়া দিয়ে যে বড়া বানানো যায় তা এই প্রথম জানতে পারলাম। নিশ্চয়ই খেতে খুবই সুস্বাদু হয়েছিল। ধন্যবাদ লোভনীয় রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
যাইহোক আপনি খুব সুন্দর একটি রেসিপি শেয়ার করছেন।তবে আপনি টাইটেলে হয়তো ভুল লিখছেন আপনি মিষ্টি কুমড়োর বড়া রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করছেন।আশা করছি ভুলটি সংশোধন করে নিবেন। ধন্যবাদ আপনাকে ভাইয়া।