আজ- ১১ বৈশাখ /২৪ এপ্রিল | ১৪২৮, বঙ্গাব্দ/২০২২ খ্রিস্টাব্দ| রবিবার | গ্রীষ্মকাল |
আসসালামু-আলাইকুম।
কেমন আছেন বন্ধুরা। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আমি আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করব বাটা মাছের একটি সুস্বাদু রেসিপি। বাটা মাছ আমার প্রিয় একটি মাছ। মাছগুলো ভেজে ঝোল করে রান্না করলে খেতে আমার কাছে দারুন লাগে কিন্তু দুঃখের বিষয় আমাদের বাসার আর কেউ এই মাছটি তেমন একটা খেতে চায় না। তাই সংখ্যালঘু হবার কারণে খুব বেশি আনা হয় না বাড়িতে। তাই খাবার সুযোগ ও হয় না। যাই হোক তুলনামূলকভাবে দামে সস্তা হবার কারণে প্রায় সব শ্রেণীর মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যেই আছে এই মাছটি। বাটা মাছের মত দেখতে আর একটি মাছ পাওয়া যায় বাজারে যার নাম টাটকানি। তবে এই মাছটি আরো বেশি সুস্বাদু। আজ আপনাদের সামনে উপস্থাপন করব শুধুমাত্র পেঁয়াজ দিয়ে বাটা মাছের এই রেসিপিটি। অনেকেই এটিকে দোপেয়াজা বলে থাকে। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে। আসুন তবে প্রক্রিয়া গুলো দেখে নেয়া যাক।


প্রয়োজনীয় উপকরণ
- বাটা মাছ
- সয়াবিন তেল
- পেয়াজ কুচি
- কাচা মরিচ
- হলুদের গুড়ো
- শুকনা মরিচের গুরা
- আদা বাটা
- লবন
- রসুন বাটা
- জিরা বাটা

প্রস্তুত প্রণালী
ধাপ ১ঃ
প্রথমেই মাছগুলোর আঁশ ছাড়িয়ে ভালো মতো পরিষ্কার করে পছন্দমত সাইজ করে কেটে নেই।


ধাপ ২ঃ
কাটা মাছ গুলোকে হলুদের গুঁড়া এবং পরিমাণমতো লবণ দিয়ে ভালো করে মেখে নেই ।


ধাপ ৩ঃ
একটি ফ্রাই প্যানে তেল গরম করে তার মধ্যে মসলা মাখানো মাছ গুলোর দুই পিঠ হালকা করে ভেজে নেই।


ধাপ ৪ঃ
এবার একটি কড়াইতে পরিমান মত তেল দিয়ে তার মধ্যে পেঁয়াজ কুচি এবং কাঁচা মরিচ গুঁলো দিয়ে আস্তে আস্তে নাড়তে থাকি।


ধাপ ৫ঃ
এরপর একে একে হলুদ গুঁড়া, শুকনা মরিচের গুঁড়া, আদা বাটা, রসুন বাটা সহ সকল মসলাগুলো দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে দেই।


ধাপ ৬ঃ
সমস্ত উপকরণ গুলো দেয়া শেষ হলে পরিমাণমতো পানি দেই।


ধাপ ৭ঃ
পানির সঙ্গে মসলাগুলো ভালোভাবে মিশে গেলে ভাজা মাছ গুলো একে একে দিয়ে দেই।


ধাপ ৮ঃ
একেবারে শেষ পর্যায়ে একটি ঢাকনা দিয়ে পাত্রটি ঢেকে দেই এবং অল্প আঁচে দশ-পনের মিনিট রান্না করি। পানি শুকিয়ে আসলে পাত্রটি নামিয়ে ফেলি। তাহলেই তৈরি হয়ে গেল আমাদের বাটা মাছের দোপেয়াজা।



আজকের মত এ পর্যন্তই। কেমন লাগলো মন্তব্যের মাধ্যমে জানাতে ভুলবেন না আশা করি।
আবার কথা হবে অন্য কোন বিষয় নিয়ে। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই কামনায় আজকের মতো এখানেই শেষ করছি।
বাটা মাছে আসলে খেতে খুবই সুস্বাদু হয়। আপনি আজকে খুবই মজা করে বাটা মাছের দোপেয়াজা তৈরি করেছেন।৷ দেখতে বেশ লোভনীয় লাগছে, খেতে নিশ্চয়ই খুবই মজার হয়েছিল।
আমার কাছে তো সবসময়ই অনেক মজার লাগে কিন্তু যারা এটা পছন্দ করে না তারা বোধহয় কোন মজা খুঁজে পায়না। ধন্যবাদ ভাই আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
কি বলেন ভাইয়া এতো সুস্বাদু মাছ আপনার বাসায় কেউ খায় না, আমার বাসায় তো এই মাছটা সকলের খুবই প্রিয়। তবে আমি কখনো টাটকানি মাছ খাই নি আপনাকে ধন্যবাদ এই মাছটির নাম আমাকে জানানোর জন্য এরপর বাজারে গেলে এই মাছটি খুঁজে দেখব।
আর আপনার উপস্থাপন করা বাটা মাছের দোপেয়াজা রেসিপিটি দারুন লাগছে ভাইয়া। দেখে মনে হচ্ছে খেতে ভালই মজার হয়েছে। ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য।
আসলে মাছটি খায় না এটা ঠিক নয়। খেতে চায় না অর্থাৎ ভালো লাগেনা। আর তাই আমার ভাগ্যেও খুব একটা জোটেনা। আপনার মতামত শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
এই মাছটা আমার খুব পছন্দের। কিন্তু আমার ওয়াইফ কে খুব একটা পছন্দ করে না এজন্য একটু কম কেনা হয়। বাটা মাছ এভাবে রান্না করে খেতে আসলে অনেক মজা লাগে। আমি অবশ্য বেশিরভাগ সময় শুধু ভেজেই খাই। তোমার রেসিপির চেহারা দেখে মনে হচ্ছে খেতে বেশ মজা হয়েছে।
আমাদের বাড়িতেও একই অবস্থা। অপছন্দ করার লোক সব সময়ই মনে হয় দু-একজন থাকে। শুধুমাত্র ভেজে আমি কখনো খাইনি।
পেয়াজ দিয়ে বাটা মাছ এভাবে ভুনা করে রান্না করলে আমি খেতে খুবই পছন্দ করি এবং খেতে খুবই সুস্বাদু হয় এভাবে রান্না করলে। আপনি অনেক সুন্দর ভাবে বাটা মাছের দোপেয়াজা রেসিপি তৈরি করে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। যা দেখে সত্যিই মনে হচ্ছে খেতে খুবই সুস্বাদু হবে। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই আমাদের মাঝে এত সুন্দর একটি রেসিপি উপস্থাপন করার জন্য।
এভাবে বাটা মাছ রান্না করলে আসলেই খেতে অনেক সুস্বাদু লাগে। আমার পোস্টে আপনার মতামত শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
বাটা মাছের দোপেয়াজা রেসিপি খুব সুন্দর হয়েছে ভাইয়া। মাছের দোপেয়াজা আমার খুবই পছন্দের তবে বাটা মাছের দোপেয়াজা আমার খুব একটা পছন্দ নয় কারণ বাটা মাছ আমার কাছে অনেক কাঁটাযুক্ত মনে হয়। তবে আপনার তৈরীকৃত বাটা মাছের দোপেয়াজা রেসিপি দেখে খুব লোভনীয় মনে হচ্ছে বিশেষ করে তরকারির কালার টা দেখেই বোঝা যাচ্ছে খেতে খুবই সুস্বাদু হয়েছে। ধন্যবাদ আপনাকে রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
একদম ঠিক বলেছেন ভাইয়া। এ মাছের কাঁটা আসলে একটু বেশি। তাই খাবার সময় কাটা বাছা খুব একটা ঝামেলার ব্যাপার। তবে সাদটা কিন্তু চমৎকার।
বাটা মাছের দোপেঁয়াজি দেখতে খুবই লোভনীয় হয়েছে ভাইয়া। আমার কাছে এই মাছটা খেতে খুবই ভালো লাগে। আসলেই দুঃখের বিষয় যে ভাইয়া আপনার মত আমার বাসায় এই মাছটা তেমন কেউ পছন্দ করেন। কিন্তু তাও মাঝে মাঝে আমি একাই রান্না করে খাই। আপনার রেসিপিটি দেখতে সত্যিই খুব লোভনীয় হয়েছে। মানে হচ্ছে খেতে খুব সুস্বাদু হয়েছে। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া এত সুন্দর একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য, আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
আমার মনে হয় কাটার জন্য এ মাছ কেউ খাইতে চায় না। কাটা আরেকটু কম হলে এই মাছ আসলেই সবার অনেক পছন্দ হতো। ধন্যবাদ আপু
বাটা মাছ আমারও অনেক প্রিয়, প্রায় সময় আমাদের বাসায় বাটা নিয়ে আসা হয়, আর বাটা মাছের দোপেয়াজা সত্যি খেতে অনেক সুস্বাদু এবং মজাদার হয়, আপনার উপস্থাপনাটা আমার বেশ সুন্দর লেগেছে, শুভকামনা রইলো আপনার জন্য ভাইয়া ।
একসময়ের পুকুরে আর নদীতেও প্রচুর বাটা মাছ পাওয়া যেত কিন্তু এখন চাষের মাছ ছাড়া আর কোন মাছ পাওয়া যায় না। অনেক ধন্যবাদ আপনার সুন্দর একটি মন্তব্যের জন্য।
বাটা মাছের দোপেয়াজা রেসিপি দেখে অনেক লোভনীয় লাগছে ভাইয়া। আপনার বাসায় এই সুস্বাদু মাছ কেউ খায়না তবে আমাদের বাসায় এই মাছ সবার অনেক পছন্দের। তাই বেশিরভাগ সময় বাটা মাছ বাজার থেকে আনা হয়। ভাইয়া আপনার বাটা মাছের দোপেয়াজা রেসিপি দেখে বোঝা যাচ্ছে খেতে অনেক সুস্বাদু হয়েছে। ধন্যবাদ আপনাকে ভাইয়া এতো সুস্বাদু রেসিপি আমাদের মাঝে পোস্ট করার জন্য।
বাটা মাছ গুলো দেখতে কিন্তু ভীষণ সুন্দর। কেমন চকচকে রুপালি রং। কেন যে এ মাছ পছন্দ করেনা বুঝি না। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপু।
খুবই লোভনীয় ভাবে বাটা মাছের দোপেয়াজা রেসিপি প্রস্তুত করেছেন রেসিপিটি দেখেই জিভে জল চলে আসলো নিশ্চয়ই খেতে অনেক সুস্বাদু হয়েছিল সুন্দর উপস্থাপনা করেছেন ধাপগুলো শুভকামনা রইল আপনার জন্য
জি ভাই আসলেই অনেক সাদেট হয়েছিল। তবে কাটা বেশি থাকায় ছোট বাচ্চারা একেবারেই খেতে চায় না। ধন্যবাদ
বাটা মাছের আমি অনেক রেসিপি তৈরি করেছি। এই মাছের রেসিপি খেতে খুবই মজা লাগে। বাটা মাছ ভাজি করে খেতে আমার আরো বেশি মজা লাগে। আপনি খুবই সুন্দরভাবে দোপেয়াজা রেসিপি তৈরি করলেন। দেখে আমার খুব খেতে ইচ্ছা করছে।
আপনার তৈরি বাটা মাছের রেসিপি খুব সম্ভবত আমি দেখেছি। আপনার রেসিপি পোষ্ট গুলো অনেক ভাল হয়। আমার পোস্টে আপনার অভিমত দেয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।