রেসিপি: মজাদার তালের বড়া।
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধুগন
আমি @fatema001 বাংলাদেশ থেকে
আজকে বৃহস্পতিবার ,১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গণ আপনারা সবাই কেমন আছেন। আশা করছি আপনারা সবাই ভালো ও সুস্থ আছেন। আমি ও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। প্রতিদিনের মতো আজকেও আমি আপনাদের মাঝে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম। আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করব মজাদার একটি রেসিপি। আমার কাছে মনে হয় তালের বড়া খেতে সবাই অনেক পছন্দ করে। আমার কাছেও তালের বড়া খেতে খুবই ভালো লাগে। মাঠে আমাদের জমির পাশে বড় একটি তালগাছ রয়েছে । ওই তাল গাছের তাল গুলো বেশ বড় বড় আর ভীষণ ভালো খেতে। আমার আব্বু কয়েকদিন আগে ওখান থেকে দুইটি তাল নিয়ে এসেছিল। তাল দেখে তো আমার ভীষণ ভালো লাগলো। কেননা তালের যেকোনো রেসিপি খেতে আমার খুবই ভালো লাগে। তারপর তাল গুলোর খোসা ছাড়িয়ে রস তৈরি করে পিঠা বানানোর জন্য বসে পড়লাম। আর তখনই ভাবলাম এ বছর তালের কোন রেসিপি আপনাদের সাথে শেয়ার করা হয়নি তাই আজকে এই রেসিপিটা শেয়ার করব। যেমন ভাবনা তেমন কাজ তখনই রেসিপি তৈরি করলাম আর আপনাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ফটোগ্রাফি ধারণ করতে থাকলাম। যদিও বড়া গুলো ভাজতে আমার মা আমাকে অনেক সাহায্য করেছে। বড়া গুলো খেতে ভীষণ সুস্বাদু হয়েছিল। আমাদের পরিবারের সবাই তালের বড়া ভীষণ পছন্দ করে। আপনাদের কাছে কেমন লাগে তালের বড়া সেটা অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন। আশা করছি আপনাদের কাছেও ভালো লাগবে। কিভাবে আমি তালের বড়া রেসিপি তৈরি করলাম সেটা এখন শুরু করছি।
প্রয়োজনীয় উপকরণ
| ক্রমিক নম্বর | নাম |
|---|---|
| পাকা তাল | দুইটি |
| চিনি | এক কেজি |
| তেল | পরিমাণ মতো |
| লবণ | স্বাদমতো |
| ময়দা | পরিমাণ মতো |
ধাপ-১
প্রথমে আমি দুইটা পাকা তালের রস করে নিয়েছি। এরপর এর মধ্যে এক কেজি চিনি দিয়ে দিলাম। তারপর হাত দিয়ে নাড়াচাড়া করতে থাকতাম। চিনি সম্পূর্ণ গলে যাওয়া পর্যন্ত নাড়াচাড়া করতে হবে।
ধাপ-২
চিনি গলে গেলে এর মধ্যে আমি স্বাদমতো লবণ দিয়ে দিলাম। লবণ ভালোভাবে হাত দিয়ে পুরো রসের সাথে মিশিয়ে নিতে হবে।
ধাপ-৩
এরপর তালের রসের মধ্যে পরিমাণ মতো চালের ময়দা দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে নিতে হবে। আমি আজকে বড়া তৈরি করব তাই বেশি পাতলা ও না আবার খুব শক্ত করা যাবে না। আমার তৈরি করার ডো টা দেখে আপনার হয়তো বুঝতে পেরেছেন।
ধাপ-৪
এরপর আমি হাত দিয়ে ছোট ছোট গোল গোল বড়া তৈরি করে নিলাম।
ধাপ-৫
এরপর কড়াইয়ের মধ্যে পরিমাণ মতো তেল দিয়ে দিলাম। তেলটা গরম হলে আমি অল্প অল্প করে বড়া দিয়ে দিলাম। তারপর ভালোভাবে নাড়াচাড়া করে এপাশ ওপাশ উল্টিয়ে সুন্দর করে ভেজে নিলাম। একটু বেশি করে তেল দিয়ে বড়া ভাজলে খুবই মচমচে হয়।
ধাপ-৬
এভাবে সম্পূর্ণ করলাম আমার আজকের রেসিপি। আমার আজকের রেসিপিটা আপনাদের কাছে কেমন লেগেছে সেটা অবশ্যই জানাবেন। আজ এখানে শেষ করছি। পরবর্তীতে আবার আপনাদের মাঝে নতুন কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হওয়ার চেষ্টা করব। সবাই ভালো ও সুস্থ থাকবেন শুভকামনা রইল।
আমি মোছাঃ ফাতেমা খাতুন। আমি এই প্লাটফর্মে ২০২৩ সালের জুন মাসের ২৩ তারিখে যুক্ত হয়েছি। আমি বিবাহিত। আমার একটি ছেলে আছে। আমার শখ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যাওয়া। বিভিন্ন ধরনের নতুন নতুন রেসিপি এবং রঙিন কাগজ ব্যবহার করে যেকোনো ধরনের জিনিস তৈরি করতে আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে।প্রাকৃতিক সৌন্দর সহ বিভিন্ন ধরনের আর্ট করতে ও আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। আমার বাংলা ব্লগে কাজ করতে পেরে আমি অনেক আনন্দিত।।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
তালের বড়ার বেশ মজাদার একটি রেসিপি তৈরি করেছেন আপু।তাল থেকে রস ছড়ানো খুবই কঠিন কাজ।তবুও আপনি বেশ সুন্দর ভাবে রস ছাড়িয়ে সেই রস দিয়ে পিঠা তৈরি করে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন আপু।দেখে বেশ ভালো লাগলো।ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
একদম ঠিক বলেছেন আপু তাল থেকে রস ছাড়ানো সত্যি অনেক কঠিন। আমি তো পারিনা অনেক দেরি হয় করতে।
তালের বড়া আমার অনেক বেশি পছন্দের। এই ধরনের ভাজাপোড়া জাতীয় খাবার গুলো খেতে আমার কাছে অসম্ভব ভালো লাগে। এই সময়টাতে বেশিরভাগ বাড়িতে তালের বড়া তৈরি করা হয়েছে বলে আমার মনে হয়। আরো কয়েকদিন আগে আমরাও তালের বড়া তৈরি করে মজা করে খেয়েছিলাম। আপনি আজকে তালের বড়া তৈরি করার মজাদার একটা রেসিপি শেয়ার করেছেন, যেটা দেখে আমার তো এখনই খেয়ে নিতে ইচ্ছা করছে। এই সময় কিন্তু তালের বড়া খেতে মন্দ লাগবে না।
আমার কাছেও তালের বড়া ভীষণ ভালো লাগে আপু ধন্যবাদ।
বর্তমানে প্রায় মানুষ এই তালের বড়া তৈরি করে খাচ্ছে। এইতো আমাদের বাড়িতে কিছুদিন আগে তালের বড়া তৈরি করেছিল। সত্যিই এই বরাগুলো খেতে খুবই স্বাদ হয়ে থাকে। তাছাড়া এগুলো খুবই লোভনীয় একটি রেসিপি। ধন্যবাদ আপু শেয়ার করার জন্য।
যখন কিছু ভালো লাগে না তখন একটু একটু করে বড়া খাবেন দেখবেন অনেক ভালো লাগবে।
তালের বড়া আমার খুবই প্রিয় একটি রেসিপি। এত সুন্দর রেসিপি দেখে আমার অনেক ভালো লেগেছে। খুব সুন্দরভাবে তালের গড়ার প্রস্তুত করে তৈরি করা হয়েছে দেখছি। এই বছর আমরা একবার বানিয়েছিলাম। খেতে বেশ ভালো লাগে
আপু আপনার কমেন্টে একটু ভুল হয়েছে ঠিক করে নিবেন। ধন্যবাদ আপু।
তালের বড়া খেতে আমার কাছে অনেক অনেক ভালো লাগে। আজকে আপনি অনেক সুন্দর করে তালের বড়া রেসিপি করেছেন। সিজনের তাল গুলো দিয়ে যে কোন কিছু বানালে খেতে বেশ মজাই লাগে। ধন্যবাদ এত সুন্দর করে তালের বড়া রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
সিজন কালে আমরা তো তালের রেসিপি তৈরি করে খায় আবার ফ্রিজে রেখে পরেও খাই। ধন্যবাদ আপু
তালের বড়া খেতে আমরা সবাই কমবেশি পছন্দ করি। আর এত সুন্দর করে তালের বড়া তৈরি করা হয়েছে দেখে তো খুবই সুস্বাদু মনে হচ্ছে। অসাধারণ একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন আপু। দেখেই বোঝা যাচ্ছে খেতে দারুণ হয়েছিল।
জ্বী আপু বড়া গুলো খেতে ভীষণ সুস্বাদু হয়েছিল। ধন্যবাদ আপু।
তালের পিঠা আমার খুব পছন্দ। কয়েকদিন আগেও বাসায় আম্মু তালের পিঠা তৈরি করেছে খেতে খুব ভালো লেগেছে আমার। আপনার মজাদার তালের বড়া দেখে খেতে খুব ইচ্ছে করতেছে। তালের বড়া খেতে বেশ মজাদার এবং সুস্বাদু হয়ে থাকে। আপনার তালের বড়া প্রস্তুত প্রণালী দারুন হয়েছে। ধন্যবাদ আপনাকে আপু ।
ভাইয়া আমার মনে হয় তালের সিজনে সবাই কমবেশি তালের যে কোন পিঠা তৈরি করে খাই। ধন্যবাদ ভাইয়া।
আপু আমার মনে হয় তালের বড়া খেতে সবাই অনেক পছন্দ করে। আমি মাঝে মাঝেই বানায়। তবে বেশ কিছু দিন ধরে আর বানানো হয় নি। আপনার রেসিপি দেখে লোভ সামলানো মুশকিল। ধন্যবাদ আপু সুস্বাদু একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
তালের সিজন আসলে প্রতিটি ঘরে ই তালের যেকোন রেসিপি তৈরি হয় । ধন্যবাদ আপু।
এই তালের বড়া ভাজতে আপনার মা যে আপনাকে অনেক সাহায্য করেছে তা জেনে অনেক ভালো লাগলো আমার। আপু, আপনাদের মত আমাদের বাড়ির লোকজনও এই তালের বড়া খেতে অনেক পছন্দ করে। যাইহোক, এত সুন্দর করে রেসিপিটি ধাপে ধাপে তৈরি করে আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। এই রেসিপিটি দেখে এইগুলো এখন খেতে ইচ্ছে করছে আমার।
আমাদের বাসায় তো প্রায়ই তৈরি করা হয় এই রেসিপিটা। সবাই অনেক পছন্দ করে।
তালের বড়া রেসিপিটি অনেক লোভনীয় হয়েছে। তালের বড়া খেতে ও তালের যে কোন রেসিপি ভীষণ ভালো লাগে।তালের বড়া গুলো ভীষণ লোভনীয় হয়েছে আপু।বড়া তৈরি পদ্ধতি সুন্দর করে আমাদের সাথে ভাগ করে নিয়েছেন। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর তালের বড়া রেসিপিটি আমাদের সাথে ভাগ করে নেয়ার জন্য।
আপু আমার আব্বু যখন তাল গুলো এনেছিল তখনই ভেবেছিলাম যে রেসিপিটা আপনাদের সাথে শেয়ার করব। তাই প্রথম থেকেই ফটোগ্রাফি গুলো সুন্দর ভাবে করার চেষ্টা করেছি।