মাছের ডিমের কালিয়া।
হ্যালো বন্ধুরা
| সবাইকে আমার নমস্কার,আদাব।আশাকরি আপনারা সকলেই ভালো আছেন,সুস্থ আছেন?ঈশ্বরের অশেষ কৃপায় আমিও পরিবারের সবাইকে সাথে নিয়ে ভালো আছি,সুস্থ আছি। |
|---|
ভাত খাওয়ার সময় পাতে মাছ না থাকলে যেনো খাবারের প্রতি মনটাই বসতে চায় না। খাবারের সময় মাছের প্রতি আগ্রহ যেন কখনো কমার মতো নয়। তবে এমন অনেকেই আছেন যারা মাছ খেতে খুব একটা পছন্দ করেন না। কিন্তু মাছের ডিম খেতে পছন্দ করেন।ঠিক তেমনি আমি মাছ খেতে খুব একটা পছন্দ করি না কিন্তু মাছের ডিম খেতে অনেক পছন্দ করি।আমার মতো অনেক মানুষই আছেন যাদের খুব পছন্দের খাবার মাছের ডিম।আর খুব প্রিয় খাবার মাছের ডিম এতেই রয়েছে নানান উপকারিতা।মাছের পাশাপাশি মাছের ডিমে থাকা প্রয়োজনীয় উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।আরও অনেক অনেক উপকারিতা রয়েছে যা বলে শেষ করা যাবে না।তাই আর কথা না বাড়িয়ে চলুন রেসিপি টি জেনে নেওয়া যাক।
| ক্রমিক নং | উপকরণ | পরিমাণ |
|---|---|---|
| ১ | মাছের ডিম | ২০০ গ্রাম |
| ২ | আলু | মাঝারি সাইজের ৪টা |
| ৩ | টমেটো | ১ টা |
| ৪ | পেঁয়াজবাটা | ২ টেবিল চামচ |
| ৫ | কাঁচামরিচ কুঁচি | ৪-৫ টা |
| ৬ | আদাবাটা | ১ চা চামচ |
| ৭ | রসুনবাটা | ১ চা চামচ |
| ৮ | জিরাবাটা | ১ চা চামচ |
| ৯ | গরমমশলা বাটা | ১ চা চামচ |
| ১০ | মরিচের গুঁড়া | ১ চা চামচ |
| ১১ | হলুদগুঁড়া | পরিমাণমতো |
| ১২ | লবণ | স্বাদমতো |
| ১৩ | শুকনা মরিচ | ২ টা |
| ১৪ | তেজপাতা | ২ টা |
| ১৫ | গোটা জিরা | হাফ চা চামচ |
| ১৬ | সয়াবিন তেল | পরিমাণমতো |
প্রথম ধাপঃ
প্রথমে আলু,পেঁয়াজ, রসুন,আদা,কাঁচামরিচ সবগুলো উপকরণ খোসা ছাড়িয়ে ধুয়ে কেটে নিয়েছি।
দ্বিতীয় ধাপঃ
টমেটো ধুয়ে কেটে নিয়েছি।
তৃতীয় ধাপঃ
মাছের ডিম গুলো ভালো করে ধুয়ে পরিস্কার করে নিয়েছি।তারপর ছোট ছোট করে কেটে নিয়েছি।
চতুর্থ ধাপঃ
আদা,রসুন,জিরা শিল পাটায় বেটে নিয়েছি।
পঞ্চম ধাপঃ
পেঁয়াজ কুঁচি গুলো শিল পাটায় বেটে নিয়েছি।
ষষ্ঠ ধাপঃ
গরম মশলা গুলো মিহি করে শিল পাটায় বেটে নিয়েছি।
সপ্তম ধাপঃ
ধুয়ে কেটে রাখা মাছের ডিমের মধ্যে পেঁয়াজ কুঁচি,কাঁচামরিচ,আদাবাটা,রসুনবাটা,জিরাবাটা,লবণ,হলুদগুঁড়া দিয়ে সবগুলো উপকরণ ভালোভাবে মেখে নিয়েছি।
ধাপ-১
চুলায় একটা কড়াই বসিয়ে দিয়েছি,কড়াইয়ে পরিমাণমতো তেল দিয়ে একটা চা চামচের সাহায্যে মাছের ডিম গুলো একটা একটা করে তেলের মধ্যে ছেড়ে দিয়েছি।
ধাপ-২
তেলের মধ্যে মাছের ডিম দেওয়ার পর কিছুক্ষণ পর উল্টিয়ে দিয়েছি।তারপর আবার আরেক পাশে উল্টিয়ে দিয়েছি।অল্প আঁচে মাছের ডিম গুলো ভালো করে ভেজে তুলে নিয়েছি।
ধাপ-৩
ডিম ভাজার তেলের মধ্যে কেটে রাখা আলু গুলো দিয়ে সামান্য পরিমাণে হলুদগুঁড়া দিয়ে নেড়েচেড়ে আলু গুলো লাল লাল করে ভেজে তুলে নিয়েছি।
ধাপ-৪
কড়াইয়ে তেলের মধ্যে গোটা মরিচ,তেজপাতা,গোটা জিরা ফোঁড়ন দিয়েছি।তারপর পেঁয়াজ বাটা গুলো দিয়ে নেড়েচেড়ে হালকা করে ভেজে নিয়েছি।
ধাপ-৫
এবার আদাবাটা রসুনবাটা দিয়ে নেড়েচেড়ে ভেজে নিয়েছি।
ধাপ-৬
এবার টমেটো কুঁচি গুলো দিয়ে নেড়েচেড়ে,লবণ হলুদগুঁড়া মরিচের গুঁড়া দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিয়েছি।
ধাপ-৭
সামান্য পরিমাণে জল দিয়ে মশলা গুলো ভালো করে কষিয়ে নিয়েছি।তারপর ভেজে রাখা আলু গুলো দিয়ে আরও কিছুক্ষণ কষিয়ে নিয়েছি।
ধাপ-৮
এবার পরিমাণমতো জল দিয়ে ঝোল দিয়ে নেড়েচেড়ে একটা ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিয়েছি।
ধাপ-৯
ঝোল ফুটে উঠলে ভেজে রাখা মাছের ডিম গুলো দিয়ে নেড়েচেড়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিয়েছি,যাতে করে আলু ও মাছের ডিম গুলো ভালোভাবে সিদ্ধ হয়ে যায়।
ধাপ-১০
কিছুক্ষণ পর ঢাকনা খুলে গরমমশলা বাটা গুলো দিয়ে আরও কিছুক্ষণ জ্বাল দিয়ে ঝোল কমে আসলে আলু ও মাছের ডিম গুলো মাখোমাখো হয়ে গেলে চুলার আঁচ বন্ধ করে দিয়েছি।
পরিবেশন
আজ এখানেই শেষ করছি।সবাই ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন এই প্রার্থনা করি।
এভাবে কখনও মাছের ডিমের কালিয়া রান্না করে খাওয়া হয়নি । তবে অন্যভাবে খেয়েছি। আমার বেশ পছন্দ মাছের ডিম। একদিন এভাবে মাছের ডিমের কালিয়া করে খেতে হবে। নতুন একটি রেসিপি শিখে নিলাম। বেশ সুন্দর লাগছে দেখতে আপনার কালিয়ার রংটি। অনেক অনেক ধন্যবাদ রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য।
আমি আজকে মাছের ডিম রান্না করেছিলাম। তবে মাছের ডিমের কালিয়া কখনো খাইনি। নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করতে যেমন ভালো লাগে তেমনি খেতেও ভালো লাগে। নতুন একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপু। আপনার জন্য শুভকামনা রইলো।
ঠিক বলেছেন আপু নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করার মাঝে অনেক আনন্দ আছে,আর খেতেও ভালো লাগে।সুন্দর মন্তব্য করেছেন তার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই আপু।আপনার জন্যও অনেক অনেক শুভকামনা রইলো আপু।
মাছের ডিমের কালিয়া আমি বেশ কয়েকবার খেয়েছি খেতে ভীষণ মজা লাগে। চমৎকার একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন। আপনার রেসিপি পোস্ট দেখে ভালো লাগলো। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে আপু।
হ্যাঁ ভাইয়া মাছের ডিমের কালিয়া খেতে সত্যি অনেক ভালো লাগে।ধন্যবাদ ভাইয়া।
ঠিক বলেছেন বৌদি অনেকে মাছ পছন্দ না করলেও মাছের ডিম খেতে পছন্দ করে। আজকে আমিও বাজার থেকে মাছ এনেছি এবং সেগুলোর মধ্যে ডিম ছিল। অবশ্যই এভাবে রেসিপিটা তৈরি করবো।ধন্যবাদ বৌদি মাছের ডিম দিয়ে দারুন একটা রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
হ্যাঁ ভাবি আমিও মাছের চেয়ে ডিম বেশি পছন্দ করি।অবশ্যই ট্রাই করে দেখবেন ভাবি আশাকরি আপনার অনেক ভালো লাগবে। ধন্যবাদ ভাবি।
বাঙালির কাছে ভাত এবং মাছ অবিচ্ছিন্ন একটি অংশ । কিন্তু আমার মাছ খেতে ভীষণ ভয় লাগে কাটার জন্য। যাই হোক এটা কিন্তু ঠিক আমার ডিম ভীষণ পছন্দ। মাছের ডিম খেতে ভীষণ সুস্বাদ। রেসিপিটির নতুন একটি নাম এবং নতুন একটি রেসিপি শিখলাম।
হ্যাঁ আপু বঙালিদের মাছ ভাত ছাড়া একদিনও চলে না।কাঁটার ভয়ে অনেকেই মাছ খেতে চায় না।ধন্যবাদ আপু।
আপনার মাছের ডিমের কালিয়া দেখে লোভ সামলানো মুশকিল। আপু অনেকে মাছ খায় না তবে মাছের ডিম অনেক পছন্দ করে যেমন আমার বাচ্চারা। তবে আপনার মত কখনো মাছের ডিমের কালিয়া বানাইনি। একদিন অবশ্যই এইভাবে বানিয়ে দেখব। ধন্যবাদ আপনাকে সুস্বাদু একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
জ্বি আপু বানিয়ে খেয়ে দেখবেন আশাকরি আপনার অনেক ভালো লাগবে।সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপু।
মাছের ডিম ভুনা ভাজি খেয়েছি তবে এভাবে মাছের ডিম দিয়ে মাছের ডিমের কালিয়া তৈরি করে কখনো খাওয়া হয়নি। রেসিপিটি আমার কাছেই ইউনিক লেগেছে। কালার দেখে বোঝা যাচ্ছে খেতে খুবই সুস্বাদু ছিল। রান্না করার প্রতিটি ধাপ খুব সুন্দর ভাবে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। এত সুন্দর রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
মাছ ছাড়া সত্যি ই একদিন ও চলে না। আর মাছের ডিম অনেক পছন্দের খাবার।অনেকেই আছেন সব মাছ না খেলেও মাছের ডিম ঠিক পছন্দ করেন।আমি মাছের ডিম ভাজা নয়ত মাছের পাশে ভেজে রান্না করি।কিন্তু আপনার মতো কালিয়া খাওয়া হয়নি।খুব সুন্দর পরিবেশনা ছিল।আপনি রান্নার ধাপগুলো খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন। শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপু।
মাছের ডিমের রেসিপিটি দেখে খুবই সুস্বাদু লাগছে। এভাবে মাছের ডিম রান্না করে আমি কখনো খাইনি আমার কাছেই রেসিপিটি অনেক বেশি ইউনিক লেগেছে। তবে আজকে আমিও মাছের ডিম খেয়েছিলাম সেটা রান্না করা না ভাজি করা মাছের ডিম। একদম ঠিক কথা বলেছেন আপনি অনেকেই আছে মাছ পছন্দ করে না কিন্তু মাছের ডিম পছন্দ করে আর তার মধ্যে আপনিও জেনে খুবই ভালো লাগলো। মাছের ডিম দিয়ে রেসিপিটি তৈরি করার প্রতিটি ধাপ খুবই সুন্দর ভাবে আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
মাছের ডিম ভাজি খেতে আমারও অনেক ভালো লাগে।মাঝে মাঝেই ভাজি করে খাওয়া হয় তাই আজ একটু অন্য রকমভাবে রান্না করলাম।খেতে খুবই চমৎকার হয়েছে তাই রেসিপি টি শেয়ার করলাম আপু।ধন্যবাদ আপু সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
মাছের ডিমের কালিয়া রেসিপি তৈরি করেছেন।দেখতে খুব সুস্বাদু মনে হচ্ছে। আমার কাছে ভীষণ ভালো লেগেছে। আপনার জন্য অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল।