আমি হাড় ছাড়া মুরগির বুকের মাংস নিয়েছি। আর এটিকে একেবারে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিয়েছি। তারপরে ভালভাবে ধুয়ে একটি পাত্রে নিয়ে নিলাম।

চুলার আগুন জ্বালিয়ে দিয়ে এই মাংসের মধ্যে পরিমান মত পানি, এক চামচ লবণ, আদা বাটা, আধা চা-চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো দিয়ে দিলাম।
এখন এই মুরগি মাংস সিদ্ধ হওয়া পর্যন্ত রান্না করতে থাকলাম।

এই ধাপে আমি হোয়াইট সস তৈরি করব। এজন্য আমি প্রথমত একটি পাতিল চুলায় বসিয়ে দিলাম। এর মধ্যে ১ টেবিল চামচ পরিমাণ সয়াবিন তেল দিয়ে দিলাম।

তেল কিছুটা গরম হয়ে গেলে এর মধ্যে আটা দিয়ে নাড়তে থাকলাম কিছুক্ষণ। ভালোভাবে নেড়ে এরমধ্যে সামান্য লবণ, আধা চা-চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো দিয়ে আবার নাড়তে থাকলাম।
এরপরে এরমধ্যে আধাকাপ পরিমাণ তরল দুধ দিয়ে দিলাম। ভালোভাবে নাড়তে নাড়তে ঠিক কিছুটা ঘন হয়ে গেলে এর মধ্যে আধা চা চামচ পরিমাণ চিনি দিয়ে আবার কিছুক্ষণ নেড়ে নামিয়ে নিলাম এবং সাথে সাথে আলাদা একটি বাটিতে এই হোয়াইট সস ঢেলে নিলাম।
এই হোয়াইট সস গরম পাতিলে রাখলে শক্ত হয়ে যাবে।তাই আলাদা বাটিতে নিয়ে নিয়েছি।
মোটামুটি আমার রান্নার কাজ শেষ। এখন স্যান্ডউইচ এর পুর তৈরীর কাজ।
এজন্য আমি একটি বাটিতে সিদ্ধ করে রাখা মুরগির মাংস পানি ছাডিয়ে নিয়ে নিলাম। পানি ঝরানো গাজর কুচি নিয়ে নিয়েছি। এর সাথে দিয়ে দিলাম কাঁচামরিচ কুচি।

তারপরে এর মধ্যে দিয়ে দিলাম হোয়াইট সস, টমেটো সস, আধা চা-চামচ গোলমরিচ গুঁড়া এবং সামান্য পরিমাণ লবণ। সবকিছু একসাথে মেখে নিলাম আর পুর তৈরি হয়ে গেল।

এখন আমি পাউরুটি নিলাম। দুটি পাউরুটিকে একসাথে নিয়ে কিনারার অংশ কেটে ফেলে দিলাম।

তারপরে তৈরি করে রাখা পুর একটি পাউরুটির মধ্যে দিয়ে ভালোভাবে ছড়িয়ে দিলাম। এরপরে অপর পাউরুটি দিয়ে উপরে দিয়ে দিলাম। তারপরে মাঝ বরাবর কোনাকুনিভাবে কেটে স্যান্ডউইচ এর আকারে তৈরি করে নিলাম।
এইতো খুব সুন্দর করেই স্যান্ডউইচ তৈরি হয়ে গেল।এভাবে আমি বাকি চারটি পাউরুটি দিয়ে আরও চারটি স্যান্ডউইচ তৈরি করে নিয়েছি।


এটি এখন এইভাবেই খাওয়া সম্ভব। তবে আমি ৪টি পাউরুটিকে শুকনো তাওয়ায় টেলে নিলাম।এভাবে খেতেও অনেক ভালো লাগে।



আমার আজকের এই স্যান্ডউইচ তৈরির রেসিপিটি আপনাদের কাছে কেমন লেগেছে তা জানাতে ভুলবেন না কিন্তু।সবার মন্তব্যের অপেক্ষায় রইলাম।
সবাই অনেক অনেক ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন। সবার জন্য আন্তরিক ভালোবাসা রইল। সম্পূর্ণ পোস্টে আমার ভুল-ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। |

আমি তাহমিনা আক্তার বৃষ্টি। আমি একজন বাংলাদেশী। আমি বাংলায় কথা বলি,আমি বাংলায় নিজের মনোভাব প্রকাশ করি। আমি নিজের মত করে সবকিছু করার চেষ্টা করি। আমি অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী। পড়ালেখার পাশাপাশি আমি বিভিন্ন জিনিস আঁকতে পছন্দ করি। বিভিন্ন ধরনের ছবি আঁকা, রঙ করা, নতুন নতুন কিছু তৈরি করা আমার পছন্দের কাজ। তবে রান্নাবান্না আমার ভালোলাগা, চেষ্টা করি সবসময় নিজে নতুনভাবে কিছু রান্না করার। ভ্রমণপ্রেমীদের মত আমিও ঘুরতে পছন্দ করি। পরিবারের সবাইকে নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।

💦
💦 BRISTY 💦
💦

এত মজাদার একটা রেসিপি তৈরি করেছেন। সাধারণত আমরা রেস্টুরেন্টে গিয়ে চিকেন স্যান্ডউইচ খেয়ে থাকি। যদি বাড়িতে বসে তৈরি করা যায় তাহলে তো কোন কথাই নেই। যেমন স্বাস্থ্যসম্মত তেমনি খেতেও সুস্বাদু। আমার কাছে তো ভীষণ ভালো লাগলো। আমাদের মাঝে এত মজাদার একটা রেসিপি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
চিকেন স্যান্ডউইচ তৈরি দেখে খুবই ভালো লাগলো। দেখে খেতে খুব ইচ্ছে করতেছে। আপনি যেভাবে উপস্থাপন করেছেন তা দেখে শিখে নিতে পেরেছি অবশ্য বাসায় ট্রাই করে দেখব। আপনার প্রতিটি ধাপ খুবই অসাধারণ হয়েছে এত সুন্দর পোস্ট শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
আপনার টক দই ছাড়া চিকেন স্যান্ডউইচ তৈরি খুবই সুন্দর হয়েছে ।যেটা রেস্টুরেন্টে গেলে খাওয়া হয় আমার কাছে খেতে ভালোই লাগে ।এভাবে ঘরোয়া পদ্ধতিতে খুব সুন্দর করে তৈরি করে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
চিকেন স্যান্ডউইচ তৈরি খুবই সুস্বাদু হয়েছে। দেখে খেতে খুব ইচ্ছে করতেছে আমার। আপনি খুব সুন্দর করে উপস্থাপন । আপনার প্রতিটি ধাপ খুবই অসাধারণ হয়েছে এত সুন্দর পোস্ট শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
চিকেন স্যান্ডউইচ দেখতে খুব সুন্দর দেখাচ্ছে। অনেক সুন্দর ভাবে পুরো প্রক্রিয়াটি ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করেছেন। চিকেন স্যান্ডউইচ তৈরি করার প্রক্রিয়াটি দেখে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ
স্যান্ডউইচ খেতে আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। আপনার তৈরি করা চিকেন স্যান্ডউইচ তৈরির রেসিপি দেখতে খুবই লোভনীয় লাগছে। আশাকরি খেতেও অনেক সুস্বাদু হয়েছিল। শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।।
ওয়াও খুব অসাধারণ একটি রেসিপি তৈরি করেছেন আপনি। এটিতো খেতে খুবই সুস্বাদু হবে আপু। চিকেন স্যান্ডউইচ তৈরির রেসিপি দেখেই আমার বেশ ভাল লেগেছে। এত অসাধারণ একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
চিকেন স্যান্ডউইচ খুবই সুন্দর হয়েছে। দেখতে খুবই লোভনীয় লাগছে। আপনার এই পোস্টটা দেখে আমি নিজেই একদিন তৈরি করার চেষ্টা করব। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
আপনার হাতে বানানো চিকেন স্যান্ডউইচ খুবই চমৎকার হয়েছে এবং খুবই সুস্বাদু হয়েছে। বিশেষ করে অনেক ভালো লেগেছে খেতে। ধন্যবাদ আশা করি এরকম আরো ভালো ভালো খাবার বানিয়ে খাওয়াবেন এই আশা রাখি।
মেয়োনিজ বা টক দই ছাড়া আপনি অনেক সুন্দর ভাবে চিকেন স্যান্ডউইচ তৈরি করেছেন আপু। কখনো কখনো মেয়োনিজ বা টক দই না থাকার কারণে স্যান্ডউইচ তৈরি করতে ইচ্ছে করেনা। তবে আজ আমি স্যান্ডউইচ তৈরির নতুন একটি পদ্ধতি শিখে নিলাম। এখন থেকে আমি বাসায় এভাবেই তৈরি করার চেষ্টা করব। ধন্যবাদ আপু আপনাকে এত সুন্দর চিকেন স্যান্ডউইচ এর প্রতিটি ধাপ আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য