সহজ পদ্ধতিতে সুস্বাদু ডিম রান্নার রেসিপি
হ্যালো..!!
আমার সুপ্রিয় বন্ধুরা,
আমি @aongkon বাংলাদেশের নাগরিক।
আজ - ২৭শে ভাদ্র ||১৪২৯ বঙ্গাব্দ || রবিবার ||শরৎকাল
আমি অংকন বিশ্বাস, আমার ইউজার নেম @aongkon । আমি বাংলাদেশ থেকে বলছি। আশা করি, আপনারা সবাই সুস্থ এবং সুন্দর আছেন। আমার মাতৃভাষা বাংলার একমাত্র ব্লগিং কমিউনিটি [আমার বাংলা ব্লগ] এর ফাউন্ডার , এডমিন প্যানেল, মডারেটর প্যানেল এবং সকল সদস্য ও সদস্যাদের আমার অন্তরের অন্তরস্থল থেকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন রইল।
আমি আজকে একটি রেসিপি নিয়ে হাজির হয়েছি আপনাদের সামনে। আমি ব্যাচেলর, আমি ঢাকার একটি ম্যাচে থেকে লেখাপড়া করি । আমি এই রেসিপিটি নিজেই করেছি। তাই এই রেসিপিটি আপনাদের সামনে তুলে ধরব এবং রন্ধন পদ্ধতি পর্যায়ক্রমে ধাপে ধাপে সুন্দর করে বর্ণনা করবো। আশা করি, আমার এই রেসিপিটি তৈরি পদ্ধতি আপনাদের ভালো লাগবে।
রেসিপি তৈরির জন্য উপকরণ :
👉ডিম = চারটি
👉আলু = পরিমাণ মতো
👉পেঁয়াজ= পরিমাণ মতো
👉মরিচ= পরিমাণ মতো
👉রসুন= পরিমাণ মতো
👉আদা= পরিমাণ মতো
👉হলুদ= পরিমাণ মতো
👉লবণ= পরিমাণ মতো
👉জিরা= পরিমাণ মতো
👉গরম মসলা= পরিমাণ মতো
👉তেল= পরিমাণ মতো
উপকরণ প্রস্তুত প্রণালী :
প্রথমে ডিম সেদ্ধ করে নিয়ে খোসা ছাড়িয়ে খুব সুন্দর করে জল দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। আলু,পেঁয়াজ,রসুন এবং মরিচ কেটে নিতে হবে পরিমাণ মতো। আমি পেঁয়াজ,রসুন,মরিচ একসাথে করে কাটার পর হামাল দিস্তা দিয়ে বেটে নিয়েছি সাথে জিরা এবং গরম মসলা ও আলাদা করে বেটে নিয়েছি।
রন্ধন প্রণালী
প্রথম ধাপ:
প্রথম ধাপে চুলা জ্বালিয়ে কড়াই বসিয়ে দিতে হবে। তারপর পরিমাণ মতো তেল দিতে হবে।
দ্বিতীয় ধাপ :
দ্বিতীয় ধাপে কড়াইতে তেল গরম হয়ে আসলে সিদ্ধ ডিমে হলুদ আর লবণ মিশিয়ে হালকা করে ভেজে নিবো।
তৃতীয় ধাপ :
তৃতীয় ধাপে আলুতে হালকা হলুদ আর লবণ মিশিয়ে ভাজি করে নিতে হবে।
চতুর্থ ধাপ:
চতুর্থ ধাপে কড়াইতে তেল হালকা গরম হওয়ার পর পেঁয়াজ, রসুন, মরিচ, জিরা সকল বাটা এবং পরিমাণ মতো লবণ একসাথে তেলে দিয়ে নাড়াচাড়া করতে হবে। তবে চুলায় আগুন এর পরিমাণ হালকা রাখতে হবে যাতে পুড়ে না যায়।
পঞ্চম ধাপ:
পঞ্চম ধাপে মশলা হালকা লাল হয়ে আসলে আলু এবং ডিম দিয়ে একসাথে আস্তে আস্তে নড়াচাড়া করতে হবে।
ষষ্ঠ ধাপ:
ষষ্ঠ ধাপে আলো এবং ডিমের সাথে মসলার ভালোভাবে মিশ্রণ হয়ে গেলে পরিমাণ মতো জল দিয়ে পনেরো থেকে বিশ মিনিট মতো জ্বালাতে হবে।
সপ্তম ধাপ:
সপ্তম ধাপে ডিমের রেসিপি খাবারের উপযোগী হয়ে গেলে রান্না বন্ধ করে দিতে হবে এবং চুলা থেকে রেসিপি নামিয়ে ফেলতে হবে।
অষ্টম ধাপ:
অষ্টম ধাপে রেসিপি খাবারের উপযুক্ত করে পরিবেশনের জন্য পাত্রে রাখা হয়েছে।
উপরোক্ত রন্ধন পদ্ধতি অবলম্বন করে, এভাবে খুব সহজে এবং সুন্দর করে আমরা সুস্বাদু ডিমের রেসিপি তৈরি করতে পারি। আসলে রান্না করা একটা আর্ট। আর এই আর্ট যত বেশি করা যায় ততই বেশি শেখা যায়। আমি নিজে নিজে রান্না করতে খুবই পছন্দ করি। নিজে নিজে রান্না করার একটা আলাদা মজাও আছে বটে। আসল কথা হল নিজের রান্না নিজে খাওয়ার রাতে একটা শান্তি আছে। আশা করি, রেসিপিটা খেতেও বেশ মজাই হবে।
প্রিয় বন্ধুরা, আমার রেসিপিটি রন্ধন এবং উপস্থাপনে ভুল ত্রুটি হলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং সুপরামর্শ দিয়ে সাহায্য করবেন। আবার দেখা হবে নতুন কোন পোস্ট নিয়ে খুব শীঘ্রই।
ক্যামেরাম্যান : আমি নিজেই
ফোন : স্যামসাং জে-৭ প্রো
লোকেশন: ঢাকা, মোহাম্মদপুর ।

ডিমের ঝোল সব দিনই আমার প্রিয় ছেলেবেলায় প্রথমে এই ডিমের ভাতের পিকনিক করতাম। যাইহোক খুব সুন্দর ভাবে আপনি এই রেসিপিটি তৈরি করেছেন। বেশ ভালো লাগলো দেখে। কালার টা খুব সুন্দর হয়েছে।
আমিও শৈশবে ডিম ভাতের পিকনিক করতাম।
সুন্দর মন্তব্য করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
আলু দিয়ে ডিমের রেসিপি খেতে আমার খুবই ভালো লাগে। ডিম আমার পছন্দের খাবার। আপনার রেসিপিটি দেখে বোঝা যাচ্ছে খেতে সুস্বাদ হয়েছে। তাও আবার নিজের হাতে রান্না। খেতে নিশ্চয়ই মজা হয়েছে। নিজে নিজের কাজগুলো করার মধ্যে আলাদা একটা মজা আছে। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
সত্যি বলতে ডিমের রেসিপি টা বেশিরভাগ লোকের একটি পছন্দের খাবার। আর সেটা যদি নিজে রান্না করে খাওয়া হয় তাহলে খুবই ভালো লাগে। নিজের কাজ নিজে করতে পাড়ার ভেতরে আলাদা একটা মজা লুকিয়ে থাকে। সুন্দর মন্তব্য করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
আলুর সাথে এরকম ডিম রান্না খেতে সত্যিই অনেক সুস্বাদু লাগে। আপনি ডিম রান্নার বর্ণনা গুলো প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত অতি চমৎকারভাবে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। এরকম সুন্দর সুন্দর আরো রেসিপি আপনার নিকট থেকে আমরা প্রত্যাশা করি।
হ্যাঁ ভাই ডিম এমন একটা খাবার যেটা খেতে সবাই পছন্দ করে মোটামুটি। আমি যতটুকু পেরেছি আপনাদের মাঝে শেয়ার করার চেষ্টা করেছি। আগামীতে অবশ্যই আরো ভালো ভালো রেসিপি নিয়ে আপনাদের সামনে আসব। গঠনমূলক মন্তব্য করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।