বিভিন্ন প্রকার ফটোগ্রাফি নিয়ে ধারণ করা একটি অ্যালবাম
Photo Editing by Infinix mobile gallery app
হ্যালো বন্ধুরা,
আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি, সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে অনেক অনেক ভালো রয়েছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় অনেক ভালো রয়েছি। 'আমার বাংলা ব্লগ'এর সকল ভাইবোন বন্ধুদের কে আমার পক্ষ থেকে সালাম এবং অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করতে যাচ্ছি আজকের নতুন একটি পোস্ট। আজকে আমি আপনাদের মাঝে আবারও উপস্থিত হয়েছি রেনডম ফটোগ্রাফি নিয়ে। আমরা যে সমস্ত বিষয় পোস্ট করে থাকি না কেন সব পোস্টের মধ্যে কোন কোন অভিজ্ঞতা ও ভালোলাগা খুঁজে পায়। ঠিক তেমনি রেনডম ফটোগ্রাফির মধ্যে বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে পরিচয় লাভ করা যায় এবং অনেক কিছু জানা সম্ভব হয়। তাই রেনডম ফটোগ্রাফি মূলক পোস্ট আমি অনেক ভালবাসি। আশা করবো আপনাদেরো অনেক ভালো লাগবে আমার এই পোস্ট। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।
'আমার বাংলা ব্লগ' কোয়ালিটি সম্পন্ন পোস্ট |
|---|
প্রথমে যেই ফটোটা আপনাদের মাঝে শেয়ার করব, সেটা হচ্ছে ফসলের মাঠের পাশে একজন ব্যক্তি অনেকগুলো ভেড়া চড়াই করেছেন। ঘন সবুজ ফসলের মাঠের পাশে এমন ভেড়ার পালের খাবার বা ঘাস খাওয়ার মুহূর্তে দৃশ্যটা সত্যিই মনোরঞ্জন করে। পড়ন্ত এক বিকেল মুহুর্তে আকাশে ঘন মেঘ, আশেপাশে মানুষের উপস্থিতি কম, চারি পাশের ঘন সবুজ ফসলের মাঠ, তারই পাশে যদি এমন সুন্দর পশু পাখির উপস্থিতি অনেকগুলো হয়ে থাকে অবশ্যই সেই জায়গার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় তাই ক্যামেরাবন্দি করতেও অনেক ভালো লাগে। তাই পথ চলার মুহূর্তে বাইক থামিয়ে কিছুটা সময় আমরা সেই জায়গায় অবস্থান করেছিলাম এবং ফটো ধারণ করেছিলাম।
এই মুহূর্তে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন নদীর বুকে চলন্ত একটি ফেরি। এমন ফেরি চলাচল দেখতে বেশ ভালো লাগে। যেখানে নদীর মাঝখান থেকে এক প্রান্ত হয়ে আরেক প্রান্তে চলে যাই অসংখ্য মানুষ, মালামাল ও গাড়ি বহন করে। আমি এ ফটোটা ধারণ করেছিলাম দোলোদিয়া ঘাট থেকে। সত্যি নদীর বুকে ভাসমান এমন নৌকা ফেরি লঞ্চে স্টিমার দেখতে খুবই ভালো লাগে।
এ মুহূর্তে আপনারা যে ফটোটা দেখতে পাচ্ছেন, মাটির বুকে অনেকগুলো গর্ত করা হয়েছে। মূলত এটা ছিল স্কুলের ফুলবাগানের দৃশ্য। শীতকালীন গাঁদা ফুল লাগানোর জন্য জায়গা করা হয়েছিল। আপনারা জানেন শীতকালে বিভিন্ন রকমের গাঁদা ফুল ফোটে। তবে তার মধ্যে মিনকা গাঁদা ফুল অন্যতম। তাই বাগান সাজানোর উদ্দেশ্যে এভাবে পাশাপাশি অনেক গর্ত করা হয়েছিল যেন ফুলে ফুলে ভরে তোলা হয় বাগানের চারিপাশ।
আমরা সকলে জানি বেশ কিছুদিন ধরে প্রচন্ড বৃষ্টি হচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে। বর্ষাকালে বৃষ্টি না হলে বর্তমান আশ্বিনের শেষের দিকে অনেক বৃষ্টির আবির্ভাব। আরে বৃষ্টির জন্য পুকুর থেকে সাপ ব্যাঙ কাকড়া ডাঙায় উঠে আসছে। কিছুদিন আগে লক্ষ্য করে দেখলাম বাড়ি থেকে বের হতে গেটের পাশে এমন কাকড়ার আবির্ভাব। আর ঠিক তখনই এ ফটোটা ধারণ করেছিলাম আপনাদের দেখানোর উদ্দেশ্যে।
দীর্ঘদিন বৃষ্টির কারণে রাতের আকাশে আর চাঁদের আলো লক্ষ্য করা যায় না। অনেকদিন চাঁদনী রাত মিস করছি আমরা সবাই। তবে আমরা যারা এভাবে চাঁদনী রাতের দৃশ্য ফটোগ্রাফি করে রেখেছিলাম, তাদের মোবাইলের গ্যালারিতেই লক্ষ্য করা যায় চাঁদনী রাতের দৃশ্য। আমরা সবাই কমবেশি এমন চাঁদনী রাতের দৃশ্য পছন্দ করে থাকি। যেন অন্যরকম ভালোলাগা খুঁজে পাই এমন সুন্দর চিত্রের মাঝে।
এই মুহূর্তে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন কলার পাতার উপর জমে থাকা বৃষ্টির ফোঁটা। বৃষ্টির শেষে গাছের পাতার উপর জমে থাকা এমন বৃষ্টির ফোঁটা গুলো দেখতে বেশ ভালো লাগে। আমরা যদি একটু ভালোভাবে ফটো ধারণ করার চেষ্টা করি অবশ্যই অনেক সুন্দর ফটো হয়ে থাকে সেই বৃষ্টির ফোটার। তাই বেশ কিছুদিন আগে পথ চলতে হঠাৎ লক্ষ্য করে দেখেছিলাম বৃষ্টির পানি এভাবেই জমে রয়েছে কলার পাতার উপর। আর ঠিক তখনই আপনাদের দেখানোর উদ্দেশ্যে ধারণ করেছিলাম এই ফটো।
কোন একদিন বন্ধুরা মিলে ওয়াজ মাহফিলের মেলাতে ভ্রমণ করেছিলাম। আর সে মেলার স্থানে আমরা লক্ষ্য করে দেখি বিভিন্ন জিনিসের আগমন ঘটে। যেমন নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস রয়েছে,তারই পাশাপাশি রয়েছে কসমেটিক সামগ্রী এমনকি বিভিন্ন প্রকার খাবারের দোকান। তাই আমরা বেশ কয়েকজন বন্ধুরা মিলে একটি মিষ্টির দোকানের পাশে উপস্থিত হয়েছিলাম। এবং সেখান থেকে জিলাপি কিনে খেয়েছিলাম এবং আনন্দ করেছিলাম ঠিক তারই মুহূর্তের ধারণ করা এই ফটো।
এই মুহূর্তে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন বৃষ্টি হওয়ার সুন্দর একটা দৃশ্য। মাছের খাবার আনার জন্য নিকটস্থ জোড়পুকুরিয়া বাজারে উপস্থিত হয়েছিলাম। আর সেই মুহূর্তে প্রচন্ড বেগে বৃষ্টি হয়েছিল, তাই অপেক্ষা করার মুহূর্তে ধারণ করা এই ফটোটা। যেন রিম ঝিম এই বাড়ির ধারা দেখতেও বেশ ভালো লাগছিল অনেকদিন পর বাজারে এসে।
এই মুহূর্তে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন মেটে আলুর উপরের অংশে বেশ গাছের খুশী বের হয়েছে। এই অংশগুলো মাটির নিচে পুঁতে দিয়ে নিয়মিত পানি দিলেই গাছগুলো বড় হয়ে যায়। এরপর দীর্ঘ পাঁচ ছয় মাস পর নিচে বেশ বড় আকারে আলু হয়ে থাকে। আর এভাবেই বীজ সংরক্ষণ করে মেটে আলু লাগানো হয় ফসলের জমিতে।
এরপর আপনারা লক্ষ্য করে দেখছেন কোন এক ঈদের নামাজ শেষে সাথে চলা ছেলেদের ফটোগ্রাফি। আমরা সবাই জানি ঈদের নামাজ শেষে অনেকেই একত্রিত হয় এবং ছবি সেলফি তোলার চেষ্টা করে পাশাপাশি দীর্ঘদিন দেখা হয়নি, এমন মানুষদের সাথে বিভিন্ন আলাপ আলোচনা বিনিময় করে। ঠিক সেই মুহূর্তে ধারণ করা এই ফটোটা। নিজেদের ছোট ভাইয়েরা উপস্থিত ছিল এবং তাদের সাথে মতামত বিনিময় করে, ফটো ধারণ করা হয়েছিল। যেখানে আমাদের সাথে কাজ করা বিপ্লব উপস্থিত ছিল।
💌আমার পরিচয়💌
| আমি মোঃ নাজিদুল ইসলাম (সুমন)। বাংলা মাস্টার্স ফার্স্ট ক্লাস মেহেরপুর গভমেন্ট কলেজ। আমার বাসা গাংনী-মেহেরপুর। ইলেকট্রনিক্সের যন্ত্রপাতি মেরামত ও সৌর প্যানেল নিয়ে রিসার্চ করতে পছন্দ করি। প্রাকৃতিক দৃশ্য ফটোগ্রাফি করা আমার সবচেয়ে বড় ভালোলাগা। দীর্ঘদিনের আমি পাঙ্গাস মাছ চাষী এবং বিরহের কবিতা লেখতে খুবই ভালোবাসি। |
|---|
পোস্টটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
| পরিচয় | বিশেষ তথ্য |
|---|---|
| নাম | @sumon09 |
| ফটোগ্রাফি ডিভাইস | মোবাইল |
| ব্লগিং মোবাইল | Infinix hot 11s |
| ক্যামেরা | camera-50mp |
| আমার বাসা | মেহেরপুর |
| দেশ | বাংলাদেশ |
| পুনরায় কথা হবে পরবর্তী কোন পোস্টে, ততক্ষণ ভালো থাকা হয় যেনো। আল্লাহ হাফেজ। |
|---|
ভাইয়া আপনার করা বিভিন্ন প্রকার ফটোগ্রাফি নিয়ে ধারণ করা অ্যালবাম এর প্রতিটি ফটোগ্রাফি আমার কাছে দারুণ লেগেছে। তবে কলার পাতায় বৃষ্টির ফোঁটা জমে থাকা দৃশ্যটি আমার কাছে বেশি ভালো লেগেছে।
মাঝেমধ্যে কলার পাতা কেন কচুর পাতাতেও দেখা যায় এমন পানি জমে আছে।
সব কটি ছবিই বেশ সুন্দর হয়েছে৷ গাঁদা চারা লাগানোর জন্য এতো গভীর গর্ত করতে হয় আগে দেখিনি৷ ফেরির ছবিটা খুব সুন্দর হয়েছে। এছাড়াও রাতের আকাশ ও কলাপাতায় জলের বিন্দু খুব ভালো লেগেছে৷
হ্যাঁ উপর অংশে লাগাতে হলে এমন গর্ত করতে হয়
আজ আপনি আমাদের মাঝে দৈনন্দিন জীবনের কতগুলো ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন। প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফির বর্ণনা আপনি খুব সুন্দর ভাবে আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটা ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম দাদা
অসাধারণ কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন আপনি। আপনার ফটোগ্রাফি বেশ দুর্দান্ত হয়েছে। বিশেষ করে মাঠে ভেড়ার পাল দেখে খুব ভালো লাগলো। কলা পাতার উপর বৃষ্টির ফোটার দৃশ্য খুবই দারুণ। নদীর বুকে চলন্ত ফেরি দেখে ভালো লাগলো । ধন্যবাদ আপনাকে ভাই এতো সুন্দর ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য।
হ্যাঁ ফেরিটা আমার ভালো লেগেছিল
ভাইয়া আপনার প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি অনেক সুন্দর হয়েছে ।বিশেষ করে দেখলাম ভেড়া চড়ানোর ফটোগ্রাফিটা দারুন হয়েছে। বৃষ্টির ফটোগ্রাফি আমার তেমন করা হয় না। তবে দেখতে ভালোই লাগে। ধন্যবাদ।
এবার বৃষ্টির সম্মুখীন হয়েছে একাধিকবার তাই ফটো ধারণ করা হয়েছে।