কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমি আপনাদের দোয়ায় আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো আছি। সকলকে শুভকামনা জানিয়ে শুরু করছি আজকের একটি পোস্ট। আজকে আমি আপনাদের মাঝে উপস্থিত হয়েছি বেশ কিছু রেনডম ফটোগ্রাফি নিয়ে। আশা করি আমার তোলা এই সুন্দর ফটোগ্রাফি গুলো আপনাদের অনেক ভালো লাগবে,আসুন পোস্ট শুরু করি।

Edit by College Maker GirdArt
কৃষকের ধান কাটার শেষে,ধান মাড়াই করে পরে অবশিষ্ট খড়গুলো ঠিক এভাবে পালা দিয়ে থয়। বেশ ভালো লাগে মাঠের এই সুন্দর দৃশ্যগুলো দেখতে। জানিনা কতটা সুন্দর ছিল আমার এই ক্যামেরা ধারণ, তবে বেশ আমার কাছে ভালো লাগে মাঠের এই প্রাকৃতিক পরিবেশ দেখতে। বাগানের মধ্য দিয়ে পুকুরে যেতে হয়। আর যখন ফসল এভাবে কাটা সম্পূর্ণ হয় তখন ফসলের জমি দিয়ে যাওয়া হয়, তাই শর্টকাটে যাওয়া সম্ভব। ঠিক পুকুর পাড়ে যাওয়ার মুহূর্তেই ফটো ধারণ করেছিলাম।

আমাদের পুকুর পাড়ে রয়েছে বেশ কয়টি শিমের বান, তার মধ্যে এটা ইয়া বড় একটি বান। দেখতে বেশ ভয়ংকর মনে হয় যেদিন সূর্যের আলো থাকে না সেদিন তো এর নিচে তাকালে মনে হয় দিনকে রাত। শুনেছি এই কয়দিন নাকি আরো গাছ বৃদ্ধি পাওয়াই ভয়ংকর অন্ধকার হয়ে গেছে এই জায়গা। গতকাল আমার হাজব্যান্ড শিম তুলতে গিয়ে এই তথ্য দিল। সম্পূর্ণ পুকুর পাড়ে চার ভাগের একটি অংশ এভাবেই শিমের বান্ধ তৈরি করা হয়েছে।

এগুলো লাউ গাছের চারা। শীতের সময় লাউ গাছের চারা দিলে শীতের পর অনেক লাউ ধরে। আমাদের পুকুর পাড়ে বিভিন্ন শাকসবজি উৎপাদন করা হয় তবে তার মধ্যে লাভ অন্যতম। অনেক জায়গায় জায়গায় লাউ গাছের এভাবে চারা দেওয়া হয়েছে। গাছগুলো সতেজ ভাবে বেড়ে উঠছে কারণ এখানে নিচের কম্পোস্ট সার দেওয়া আছে তাই।

এটা একটি বাগানের দৃশ্য। এই বাগান এর মধ্য দিয়ে পুকুর পাড়ে যেতে হয়। লক্ষ্য করে দেখলাম গাছ থেকে অনেক পাতা ঝরে পড়ে রয়েছে মাটির উপর। ফাল্গুন মাস না আসতে এমন যদি দৃশ্য চোখের সামনে পড়ে তাহলে ফটোগ্রাফি করতে বেশ ইচ্ছে হয় আমার। তাই যে পথ দিয়ে পুকুর পাড়ে যাওয়া হয়, সেটা দেখাতেই ফটোটা ধারণ করেছিলাম।

এটা আমাদের পুকুরপাড়ের মিষ্টি কুমড়ার দৃশ্য। অনেকগুলো মিষ্টি কুমড়া গাছ ছিল কিন্তু কুমড়োর জালি আসে আর পোকায় নষ্ট করে দেয়। আমার আব্বাকে দেখেছি আমাদের ফসলের মাঠে কীটনাশক ব্যবহার করতে কিন্তু আমার হাজব্যান্ডকে তাদের ফসলে কখনো কীটনাশক দিতে দেখি নাই। এইজন্য এভাবে ফসল নষ্ট হয়ে যায়। তারপরেও তারা ফরমালিনমুক্ত শাকসবজি বেশি পছন্দ করে।

এটা আমাদের একমাত্র পেঁপে গাছের দৃশ্য। এমনিতেই আমাদের পরিবারের সবাই পেঁপে খেতে পছন্দ করে। তবে পুকুর পাড়ে পেঁপে গাছ নেই একটি মাত্র গাছ হয়েছে তাই এটাকে নিয়ে আমাদের ফ্যামিলির সবাই এতটাই মুগ্ধ যে, এটার গুনোগান বাড়িতে যখন তখন চলে।

আমাদের পুকুরপাড় থেকে তোলা কলমি ফুলের ফটোগ্রাফি। এটা হাইব্রিড বা বিদেশি কলমি ফুল। পুকুরে বেশ অনেক জায়গাতে এবার শীতের আগে এই ফুল ফুটেছিল। তবে এরপর বেশ কয়েকদিন পুকুর পাড়ে উপস্থিত হয়ে আর এই ফুলের দেখা নেই। ভাগ্য ভালো এর আগে পুকুরপাড়ে উপস্থিত হয়ে ফুল দেখেই ক্যামেরাবন্দি করেছিলাম।

পুকুর থেকে সবজি তুলতে গিয়ে লক্ষ্য করে দেখলাম একটি বেগুন পাতার আড়ালে পেকে গেছে। তাই মাথায় চিন্তা আসলো যেহেতু আমি ফটোগ্রাফিতেই ব্যস্ত ছিলাম সবজি তোলার পাশাপাশি,এটাকে আর বাদ রাখি নাই।

মাঠে পুকুরের দিকে যেতে একদিন দেখেছিলাম রাস্তার উপর অনেকগুলো পাতি হাঁস দাঁড়িয়ে রয়েছে। আর দেরি না করে পাতি হাঁসগুলোর ফটোগ্রাফি করে ফেলেছিলাম আমার এই নরমাল ক্যামেরা ওয়ালা দামি মোবাইলে।

এ পর্যায়ে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন এবার লাগানো নতুন গাছের বেশ সুন্দর বেগুনি কালারের বেগুন। এই বেগুনগুলো ভেজে খেতে খুবই ভালো লাগে। তবে পুকুরপাড়ে পাখিতে এই বেগুনগুলো নষ্ট করে দেয়।

Camera: Huawei P30 Pro-40mp
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
| বিশেষ | তথ্য |
| ক্যাটাগরি | রেনডম ফটোগ্রাফি |
| লোকেশন | গাংনী-মেহেরপুর |
| ফটোগ্রাফার | সিমরান জারা মৌসুমী |
| ডিভাইস | মোবাইল ফোন |
| মোবাইল | Huawei P30 Pro-40mp |
| দেশ | বাংলাদেশ |
সাথে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

আমি মোছাঃ সিমরান জারা। আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটির সদস্য সুমন জিরো নাইন এর পরিবার। আমার বাসা গাংনী মেহেরপুর। আমি একজন গৃহিণী। আমি ফটোগ্রাফি, রেসিপি পাশাপাশি ব্লগ করতে বেশি পছন্দ করে থাকি। এছাড় বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরি করতে ভালো লাগে। আমি এসএসসি পাশ করেছি। গাংনী ডিগ্রী কলেজে অধ্যায়ণরত রয়েছি।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
আপনার প্রতিটি ফটোগ্রাফি অসাধারণ।আপনার প্রতিটি ফটোগ্রাফি আমার দেখতে অনেক ভালো লেগেছে। এত সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
গ্রাম বাংলার প্রকৃতি থেকে ধারণ করা দারুন কিছু ফটোগ্রাফি আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন আপু। গ্রাম বাংলা তে অবস্থান করলে এই ধরনের সৌন্দর্যগুলো দেখার সৌভাগ্য হয়। আপনার শেয়ার করা ফটোগ্রাফি গুলোর মধ্য থেকে আমার কাছে হলুদ রঙের বেগুনের ফটোগ্রাফি এবং পেঁপের ফটোগ্রাফি খুবই ভালো লেগেছে।
আপনি খুব সুন্দর কিছু রেনডম ফটোগ্রাফি করেছেন। রেনডম ফটোগ্রাফির মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ফটোগ্রাফি দেখা যায়। তবে আপনি বেশ চমৎকার ফটোগ্রাফি করেছেন। বিশেষ করে পেঁপের ফটোগ্রাফি ও কলমি ফুলের ফটোগ্রাফি বেশি ভালো লাগলো। সবগুলো ফটোগ্রাফি সুন্দর বর্ণনা দিয়ে উপস্থাপনা করেছেন।