নামখানা স্টেশনে নেমে তোলা এলোমেলো কিছু ফটোগ্রাফি।
নমস্কার,
| তোমরা সবাই কেমন আছো? আশা করি সবাই অনেক অনেক ভাল আছো । আমিও অনেক ভালো আছি। আজকের নতুন একটি ব্লগে তোমাদের সবাইকে প্রথমে স্বাগতম জানাই। |
|---|
কিছুদিন আগে বন্ধুদের সাথে নিয়ে ঘুরতে গেছিলাম মৌসুনি নামক একটা আইল্যান্ডে। এই আইল্যান্ডে ঘোরাঘুরি নিয়ে তোমাদের সাথে তো কয়েকটি ব্লগ অবশ্যই শেয়ার করব তবে আজকের ব্লগে তোমাদের সাথে সেখানে পৌঁছানোর পূর্বে যখন নামখানা নামক একটা স্টেশনে নেমেছিলাম সেখানে নেমে এলোমেলো যে ফটোগ্রাফি গুলো করেছিলাম সেগুলোই শেয়ার করব। আমি যেহেতু ফটোগ্রাফি করতে ভালোবাসি তাই যেখানেই যাই প্রচুর পরিমাণে ফটোগ্রাফি করে রাখি। এই ফটোগ্রাফি গুলো দেখলে সেই দিনের কথা গুলো স্মৃতির পাতায় ভেসে ওঠে এবং যা মনে অন্যরকম এক অনুভূতি যোগায়।
ফটোগ্রাফি -০১
ফটোগ্রাফিতে যে গাছটি দেখা যাচ্ছে সেই গাছটির নাম আমি সঠিকভাবে জানি না। চলার পথে অনেক গাছই আমরা দেখতে পাই তবে সেগুলোর সঠিক নাম আমাদের জানা থাকে না। এই গাছটির ফটোগ্রাফি আমি কিছুদিন আগে নামখানা স্টেশনের সামনে থেকে তুলেছিলাম। কিছুদিন আগে মৌসুনি আইল্যান্ড ঘুরতে গেছিলাম বন্ধুরা মিলে। সেজন্য প্রথমে শিয়ালদহ থেকে ট্রেনে করে এই নামখানা স্টেশনে নামতে হয়েছিল । এই নামখানা স্টেশন থেকে বের হওয়ার সময় এই গাছটি দেখতে পেয়েছিলাম। এই বর্ষার সময় গাছ টি অনেক সবুজ দেখাচ্ছিল যা দেখতে তখন অনেক ভালো লাগছিল। সেই মুহূর্তে এই ফটোগ্রাফিটি আমি করেছিলাম।
ফটোগ্রাফি -০২
উপরে যে গাছটির ফটো শেয়ার করলাম তার পাশে এই ফাঁকা জায়গাটি ছিল । মূলত স্টেশনের শোভাবর্ধন করার জন্য ফাঁকা অংশটি রাখা হয়েছিল এবং বিভিন্ন ধরনের গাছ লাগানো হয়েছিল আসেপাশে। স্টেশনের সামনে এরকম ফাঁকা জায়গা রাখা ভালো, স্টেশনের শোভা বৃদ্ধি পায়। আমাদের এইদিকে স্টেশনগুলোর সামনে এমন ফাঁকা জায়গা দেখা যায় না কিন্তু এই স্টেশনের সামনেই ফাঁকা জায়গাটি দেখে বেশ ভালোই লেগেছিল ।
ফটোগ্রাফি -০৩
এই নামখানা স্টেশনে নামার পর টোটো স্ট্যান্ডে যাওয়ার পথে এই ফটোগ্রাফিটি তুলেছিলাম। আমাদের সাথে ট্রেনে করে সে সব মানুষ নেমেছিল তারা অধিকাংশই বকখালি অথবা মৌসুনি আইল্যান্ডের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল । তারা সবাই টোটোর উদ্দেশ্যে সামনে ছুটে চলেছিল। আমরাও সবার সাথে সাথে ওই দিকেই যাচ্ছিলাম। ওই যাওয়ার মুহূর্তেই এই ছবিটি আমি তুলেছিলাম।
ফটোগ্রাফি -০৪
টোটো স্ট্যান্ডের দিকে যাওয়ার সময় একটা বিষয় খেয়াল করেছিলাম। একদিকে যাওয়ার মানুষের তাড়া অন্যদিকে আসার মানুষের তাড়া । কেউ ঘরে ফেরার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছে আবার কেউ বাইরে ঘুরতে যাওয়ার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। এই ব্যাপারগুলো সেখানে গিয়ে দেখে আমার বেশ ইন্টারেস্টিং লেগেছিল। এইসব কিছু দেখার সময় এই ফটোগ্রাফিটি আমি করেছিলাম।
ফটোগ্রাফি -০৫
ফটোগ্রাফিটিতে নামখানা স্টেশনের নাম লেখা বোর্ড দেখা যাচ্ছে। প্রত্যেকটা স্টেশনেই এরকম করা থাকে। নামখানা স্টেশনের ভিতর থেকে বাইরে আসার পর প্রথম এই ফটোগ্রাফিটিই করেছিলাম । নামখানা স্টেশনে গেছি সেটা স্মৃতির পাতায় ধরে রাখার জন্য জায়গাটির এই ফটোগ্রাফিটি আমি করেছিলাম। এছাড়া বিশেষ কিছু বর্ণনা করার নেই এই ফটোগ্রাফিটি সম্পর্কে ।
ফটোগ্রাফি -০৬
এই নামখানা স্টেশনে নামার পর প্ল্যাটফর্ম গুলোর উপর তো কিছু সময় হাঁটাহাঁটি করেছিলাম আমরা বন্ধুরা। নতুন জায়গায় যাওয়ার পর নতুন সবকিছু দেখতে বেশ ভালই লাগছিল। আমরা অনেকটা পথ জার্নি করে গেছিলাম আর যেতে যেতে আমাদের খিদেও পেয়ে গেছিল তাই স্টেশন কিছু খাবার পাওয়া যায় কিনা সেই জন্যই মূলত চারপাশে ঘুরে ঘুরে দেখছিলাম। এই ঘোরাঘুরির কোন একটা সময় এই ফটোগ্রাফি আমি তুলেছিলাম
ফটোগ্রাফি -০৭
ফটোগ্রাফিটিতে দেখা যাচ্ছে একটি ওভারব্রিজ। আমাদের এখানকার প্রত্যেকটি রেল স্টেশনেই এরকম ওভারব্রিজ রয়েছে । এক প্লাটফর্ম থেকে অন্য প্লাটফর্মে যাওয়ার জন্য এগুলো করা। এগুলো না থাকলে রেল লাইন ক্রস করে একপাশ থেকে অন্য পাশে যাওয়া সত্যিই অনেক বিপদজনক।ওভারব্রিজ গুলো থাকার কারণে যাত্রীদের অনেক সুবিধা হয়। আমি স্টেশন গিয়ে নামার পরে যখন স্টেশনের বিভিন্ন জায়গার ফটোগ্রাফি করছিলাম তখন এই ফটোগ্রাফিটিও করে নিয়েছিলাম।
ক্যামেরা: স্যামসাং
মডেল: SM-M317F
ফটোগ্রাফার: @ronggin
অবস্থান: নামখানা স্টেশন ,ওয়েস্ট বেঙ্গল।
বন্ধুরা, আজকে শেয়ার করা নামখানা স্টেশনে নেমে তোলা এলোমেলো ফটোগ্রাফি গুলো তোমাদের কেমন লাগলো তা কমেন্ট করে জানিও। সবাই ভালো থাকো, সুস্থ থাকো , সুন্দর থাকো,হাসিখুশি থাকো , নিজের পরিবার নিয়ে সুখে শান্তিতে থাকো , সবার জন্য এই শুভকামনা রইল।
ধন্যবাদ সবাইকে
ফটোগ্রাফিতে যে গাছটি দেখা যাচ্ছে সেই গাছটির নাম আমি সঠিকভাবে জানি না। চলার পথে অনেক গাছই আমরা দেখতে পাই তবে সেগুলোর সঠিক নাম আমাদের জানা থাকে না। এই গাছটির ফটোগ্রাফি আমি কিছুদিন আগে নামখানা স্টেশনের সামনে থেকে তুলেছিলাম। কিছুদিন আগে মৌসুনি আইল্যান্ড ঘুরতে গেছিলাম বন্ধুরা মিলে। সেজন্য প্রথমে শিয়ালদহ থেকে ট্রেনে করে এই নামখানা স্টেশনে নামতে হয়েছিল । এই নামখানা স্টেশন থেকে বের হওয়ার সময় এই গাছটি দেখতে পেয়েছিলাম। এই বর্ষার সময় গাছ টি অনেক সবুজ দেখাচ্ছিল যা দেখতে তখন অনেক ভালো লাগছিল। সেই মুহূর্তে এই ফটোগ্রাফিটি আমি করেছিলাম।
ফটোগ্রাফি -০২
উপরে যে গাছটির ফটো শেয়ার করলাম তার পাশে এই ফাঁকা জায়গাটি ছিল । মূলত স্টেশনের শোভাবর্ধন করার জন্য ফাঁকা অংশটি রাখা হয়েছিল এবং বিভিন্ন ধরনের গাছ লাগানো হয়েছিল আসেপাশে। স্টেশনের সামনে এরকম ফাঁকা জায়গা রাখা ভালো, স্টেশনের শোভা বৃদ্ধি পায়। আমাদের এইদিকে স্টেশনগুলোর সামনে এমন ফাঁকা জায়গা দেখা যায় না কিন্তু এই স্টেশনের সামনেই ফাঁকা জায়গাটি দেখে বেশ ভালোই লেগেছিল ।
ফটোগ্রাফি -০৩
এই নামখানা স্টেশনে নামার পর টোটো স্ট্যান্ডে যাওয়ার পথে এই ফটোগ্রাফিটি তুলেছিলাম। আমাদের সাথে ট্রেনে করে সে সব মানুষ নেমেছিল তারা অধিকাংশই বকখালি অথবা মৌসুনি আইল্যান্ডের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল । তারা সবাই টোটোর উদ্দেশ্যে সামনে ছুটে চলেছিল। আমরাও সবার সাথে সাথে ওই দিকেই যাচ্ছিলাম। ওই যাওয়ার মুহূর্তেই এই ছবিটি আমি তুলেছিলাম।
ফটোগ্রাফি -০৪
টোটো স্ট্যান্ডের দিকে যাওয়ার সময় একটা বিষয় খেয়াল করেছিলাম। একদিকে যাওয়ার মানুষের তাড়া অন্যদিকে আসার মানুষের তাড়া । কেউ ঘরে ফেরার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছে আবার কেউ বাইরে ঘুরতে যাওয়ার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। এই ব্যাপারগুলো সেখানে গিয়ে দেখে আমার বেশ ইন্টারেস্টিং লেগেছিল। এইসব কিছু দেখার সময় এই ফটোগ্রাফিটি আমি করেছিলাম।
ফটোগ্রাফি -০৫
ফটোগ্রাফিটিতে নামখানা স্টেশনের নাম লেখা বোর্ড দেখা যাচ্ছে। প্রত্যেকটা স্টেশনেই এরকম করা থাকে। নামখানা স্টেশনের ভিতর থেকে বাইরে আসার পর প্রথম এই ফটোগ্রাফিটিই করেছিলাম । নামখানা স্টেশনে গেছি সেটা স্মৃতির পাতায় ধরে রাখার জন্য জায়গাটির এই ফটোগ্রাফিটি আমি করেছিলাম। এছাড়া বিশেষ কিছু বর্ণনা করার নেই এই ফটোগ্রাফিটি সম্পর্কে ।
ফটোগ্রাফি -০৬
এই নামখানা স্টেশনে নামার পর প্ল্যাটফর্ম গুলোর উপর তো কিছু সময় হাঁটাহাঁটি করেছিলাম আমরা বন্ধুরা। নতুন জায়গায় যাওয়ার পর নতুন সবকিছু দেখতে বেশ ভালই লাগছিল। আমরা অনেকটা পথ জার্নি করে গেছিলাম আর যেতে যেতে আমাদের খিদেও পেয়ে গেছিল তাই স্টেশন কিছু খাবার পাওয়া যায় কিনা সেই জন্যই মূলত চারপাশে ঘুরে ঘুরে দেখছিলাম। এই ঘোরাঘুরির কোন একটা সময় এই ফটোগ্রাফি আমি তুলেছিলাম
ফটোগ্রাফি -০৭
ফটোগ্রাফিটিতে দেখা যাচ্ছে একটি ওভারব্রিজ। আমাদের এখানকার প্রত্যেকটি রেল স্টেশনেই এরকম ওভারব্রিজ রয়েছে । এক প্লাটফর্ম থেকে অন্য প্লাটফর্মে যাওয়ার জন্য এগুলো করা। এগুলো না থাকলে রেল লাইন ক্রস করে একপাশ থেকে অন্য পাশে যাওয়া সত্যিই অনেক বিপদজনক।ওভারব্রিজ গুলো থাকার কারণে যাত্রীদের অনেক সুবিধা হয়। আমি স্টেশন গিয়ে নামার পরে যখন স্টেশনের বিভিন্ন জায়গার ফটোগ্রাফি করছিলাম তখন এই ফটোগ্রাফিটিও করে নিয়েছিলাম।
ক্যামেরা: স্যামসাং
মডেল: SM-M317F
ফটোগ্রাফার: @ronggin
অবস্থান: নামখানা স্টেশন ,ওয়েস্ট বেঙ্গল।
বন্ধুরা, আজকে শেয়ার করা নামখানা স্টেশনে নেমে তোলা এলোমেলো ফটোগ্রাফি গুলো তোমাদের কেমন লাগলো তা কমেন্ট করে জানিও। সবাই ভালো থাকো, সুস্থ থাকো , সুন্দর থাকো,হাসিখুশি থাকো , নিজের পরিবার নিয়ে সুখে শান্তিতে থাকো , সবার জন্য এই শুভকামনা রইল।
ধন্যবাদ সবাইকে
উপরে যে গাছটির ফটো শেয়ার করলাম তার পাশে এই ফাঁকা জায়গাটি ছিল । মূলত স্টেশনের শোভাবর্ধন করার জন্য ফাঁকা অংশটি রাখা হয়েছিল এবং বিভিন্ন ধরনের গাছ লাগানো হয়েছিল আসেপাশে। স্টেশনের সামনে এরকম ফাঁকা জায়গা রাখা ভালো, স্টেশনের শোভা বৃদ্ধি পায়। আমাদের এইদিকে স্টেশনগুলোর সামনে এমন ফাঁকা জায়গা দেখা যায় না কিন্তু এই স্টেশনের সামনেই ফাঁকা জায়গাটি দেখে বেশ ভালোই লেগেছিল ।
ফটোগ্রাফি -০৩
এই নামখানা স্টেশনে নামার পর টোটো স্ট্যান্ডে যাওয়ার পথে এই ফটোগ্রাফিটি তুলেছিলাম। আমাদের সাথে ট্রেনে করে সে সব মানুষ নেমেছিল তারা অধিকাংশই বকখালি অথবা মৌসুনি আইল্যান্ডের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল । তারা সবাই টোটোর উদ্দেশ্যে সামনে ছুটে চলেছিল। আমরাও সবার সাথে সাথে ওই দিকেই যাচ্ছিলাম। ওই যাওয়ার মুহূর্তেই এই ছবিটি আমি তুলেছিলাম।
ফটোগ্রাফি -০৪
টোটো স্ট্যান্ডের দিকে যাওয়ার সময় একটা বিষয় খেয়াল করেছিলাম। একদিকে যাওয়ার মানুষের তাড়া অন্যদিকে আসার মানুষের তাড়া । কেউ ঘরে ফেরার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছে আবার কেউ বাইরে ঘুরতে যাওয়ার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। এই ব্যাপারগুলো সেখানে গিয়ে দেখে আমার বেশ ইন্টারেস্টিং লেগেছিল। এইসব কিছু দেখার সময় এই ফটোগ্রাফিটি আমি করেছিলাম।
ফটোগ্রাফি -০৫
ফটোগ্রাফিটিতে নামখানা স্টেশনের নাম লেখা বোর্ড দেখা যাচ্ছে। প্রত্যেকটা স্টেশনেই এরকম করা থাকে। নামখানা স্টেশনের ভিতর থেকে বাইরে আসার পর প্রথম এই ফটোগ্রাফিটিই করেছিলাম । নামখানা স্টেশনে গেছি সেটা স্মৃতির পাতায় ধরে রাখার জন্য জায়গাটির এই ফটোগ্রাফিটি আমি করেছিলাম। এছাড়া বিশেষ কিছু বর্ণনা করার নেই এই ফটোগ্রাফিটি সম্পর্কে ।
ফটোগ্রাফি -০৬
এই নামখানা স্টেশনে নামার পর প্ল্যাটফর্ম গুলোর উপর তো কিছু সময় হাঁটাহাঁটি করেছিলাম আমরা বন্ধুরা। নতুন জায়গায় যাওয়ার পর নতুন সবকিছু দেখতে বেশ ভালই লাগছিল। আমরা অনেকটা পথ জার্নি করে গেছিলাম আর যেতে যেতে আমাদের খিদেও পেয়ে গেছিল তাই স্টেশন কিছু খাবার পাওয়া যায় কিনা সেই জন্যই মূলত চারপাশে ঘুরে ঘুরে দেখছিলাম। এই ঘোরাঘুরির কোন একটা সময় এই ফটোগ্রাফি আমি তুলেছিলাম
ফটোগ্রাফি -০৭
ফটোগ্রাফিটিতে দেখা যাচ্ছে একটি ওভারব্রিজ। আমাদের এখানকার প্রত্যেকটি রেল স্টেশনেই এরকম ওভারব্রিজ রয়েছে । এক প্লাটফর্ম থেকে অন্য প্লাটফর্মে যাওয়ার জন্য এগুলো করা। এগুলো না থাকলে রেল লাইন ক্রস করে একপাশ থেকে অন্য পাশে যাওয়া সত্যিই অনেক বিপদজনক।ওভারব্রিজ গুলো থাকার কারণে যাত্রীদের অনেক সুবিধা হয়। আমি স্টেশন গিয়ে নামার পরে যখন স্টেশনের বিভিন্ন জায়গার ফটোগ্রাফি করছিলাম তখন এই ফটোগ্রাফিটিও করে নিয়েছিলাম।
ক্যামেরা: স্যামসাং
মডেল: SM-M317F
ফটোগ্রাফার: @ronggin
অবস্থান: নামখানা স্টেশন ,ওয়েস্ট বেঙ্গল।
বন্ধুরা, আজকে শেয়ার করা নামখানা স্টেশনে নেমে তোলা এলোমেলো ফটোগ্রাফি গুলো তোমাদের কেমন লাগলো তা কমেন্ট করে জানিও। সবাই ভালো থাকো, সুস্থ থাকো , সুন্দর থাকো,হাসিখুশি থাকো , নিজের পরিবার নিয়ে সুখে শান্তিতে থাকো , সবার জন্য এই শুভকামনা রইল।
ধন্যবাদ সবাইকে
এই নামখানা স্টেশনে নামার পর টোটো স্ট্যান্ডে যাওয়ার পথে এই ফটোগ্রাফিটি তুলেছিলাম। আমাদের সাথে ট্রেনে করে সে সব মানুষ নেমেছিল তারা অধিকাংশই বকখালি অথবা মৌসুনি আইল্যান্ডের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল । তারা সবাই টোটোর উদ্দেশ্যে সামনে ছুটে চলেছিল। আমরাও সবার সাথে সাথে ওই দিকেই যাচ্ছিলাম। ওই যাওয়ার মুহূর্তেই এই ছবিটি আমি তুলেছিলাম।
ফটোগ্রাফি -০৪
টোটো স্ট্যান্ডের দিকে যাওয়ার সময় একটা বিষয় খেয়াল করেছিলাম। একদিকে যাওয়ার মানুষের তাড়া অন্যদিকে আসার মানুষের তাড়া । কেউ ঘরে ফেরার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছে আবার কেউ বাইরে ঘুরতে যাওয়ার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। এই ব্যাপারগুলো সেখানে গিয়ে দেখে আমার বেশ ইন্টারেস্টিং লেগেছিল। এইসব কিছু দেখার সময় এই ফটোগ্রাফিটি আমি করেছিলাম।
ফটোগ্রাফি -০৫
ফটোগ্রাফিটিতে নামখানা স্টেশনের নাম লেখা বোর্ড দেখা যাচ্ছে। প্রত্যেকটা স্টেশনেই এরকম করা থাকে। নামখানা স্টেশনের ভিতর থেকে বাইরে আসার পর প্রথম এই ফটোগ্রাফিটিই করেছিলাম । নামখানা স্টেশনে গেছি সেটা স্মৃতির পাতায় ধরে রাখার জন্য জায়গাটির এই ফটোগ্রাফিটি আমি করেছিলাম। এছাড়া বিশেষ কিছু বর্ণনা করার নেই এই ফটোগ্রাফিটি সম্পর্কে ।
ফটোগ্রাফি -০৬
এই নামখানা স্টেশনে নামার পর প্ল্যাটফর্ম গুলোর উপর তো কিছু সময় হাঁটাহাঁটি করেছিলাম আমরা বন্ধুরা। নতুন জায়গায় যাওয়ার পর নতুন সবকিছু দেখতে বেশ ভালই লাগছিল। আমরা অনেকটা পথ জার্নি করে গেছিলাম আর যেতে যেতে আমাদের খিদেও পেয়ে গেছিল তাই স্টেশন কিছু খাবার পাওয়া যায় কিনা সেই জন্যই মূলত চারপাশে ঘুরে ঘুরে দেখছিলাম। এই ঘোরাঘুরির কোন একটা সময় এই ফটোগ্রাফি আমি তুলেছিলাম
ফটোগ্রাফি -০৭
ফটোগ্রাফিটিতে দেখা যাচ্ছে একটি ওভারব্রিজ। আমাদের এখানকার প্রত্যেকটি রেল স্টেশনেই এরকম ওভারব্রিজ রয়েছে । এক প্লাটফর্ম থেকে অন্য প্লাটফর্মে যাওয়ার জন্য এগুলো করা। এগুলো না থাকলে রেল লাইন ক্রস করে একপাশ থেকে অন্য পাশে যাওয়া সত্যিই অনেক বিপদজনক।ওভারব্রিজ গুলো থাকার কারণে যাত্রীদের অনেক সুবিধা হয়। আমি স্টেশন গিয়ে নামার পরে যখন স্টেশনের বিভিন্ন জায়গার ফটোগ্রাফি করছিলাম তখন এই ফটোগ্রাফিটিও করে নিয়েছিলাম।
ক্যামেরা: স্যামসাং
মডেল: SM-M317F
ফটোগ্রাফার: @ronggin
অবস্থান: নামখানা স্টেশন ,ওয়েস্ট বেঙ্গল।
বন্ধুরা, আজকে শেয়ার করা নামখানা স্টেশনে নেমে তোলা এলোমেলো ফটোগ্রাফি গুলো তোমাদের কেমন লাগলো তা কমেন্ট করে জানিও। সবাই ভালো থাকো, সুস্থ থাকো , সুন্দর থাকো,হাসিখুশি থাকো , নিজের পরিবার নিয়ে সুখে শান্তিতে থাকো , সবার জন্য এই শুভকামনা রইল।
ধন্যবাদ সবাইকে
টোটো স্ট্যান্ডের দিকে যাওয়ার সময় একটা বিষয় খেয়াল করেছিলাম। একদিকে যাওয়ার মানুষের তাড়া অন্যদিকে আসার মানুষের তাড়া । কেউ ঘরে ফেরার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছে আবার কেউ বাইরে ঘুরতে যাওয়ার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। এই ব্যাপারগুলো সেখানে গিয়ে দেখে আমার বেশ ইন্টারেস্টিং লেগেছিল। এইসব কিছু দেখার সময় এই ফটোগ্রাফিটি আমি করেছিলাম।
ফটোগ্রাফি -০৫
ফটোগ্রাফিটিতে নামখানা স্টেশনের নাম লেখা বোর্ড দেখা যাচ্ছে। প্রত্যেকটা স্টেশনেই এরকম করা থাকে। নামখানা স্টেশনের ভিতর থেকে বাইরে আসার পর প্রথম এই ফটোগ্রাফিটিই করেছিলাম । নামখানা স্টেশনে গেছি সেটা স্মৃতির পাতায় ধরে রাখার জন্য জায়গাটির এই ফটোগ্রাফিটি আমি করেছিলাম। এছাড়া বিশেষ কিছু বর্ণনা করার নেই এই ফটোগ্রাফিটি সম্পর্কে ।
ফটোগ্রাফি -০৬
এই নামখানা স্টেশনে নামার পর প্ল্যাটফর্ম গুলোর উপর তো কিছু সময় হাঁটাহাঁটি করেছিলাম আমরা বন্ধুরা। নতুন জায়গায় যাওয়ার পর নতুন সবকিছু দেখতে বেশ ভালই লাগছিল। আমরা অনেকটা পথ জার্নি করে গেছিলাম আর যেতে যেতে আমাদের খিদেও পেয়ে গেছিল তাই স্টেশন কিছু খাবার পাওয়া যায় কিনা সেই জন্যই মূলত চারপাশে ঘুরে ঘুরে দেখছিলাম। এই ঘোরাঘুরির কোন একটা সময় এই ফটোগ্রাফি আমি তুলেছিলাম
ফটোগ্রাফি -০৭
ফটোগ্রাফিটিতে দেখা যাচ্ছে একটি ওভারব্রিজ। আমাদের এখানকার প্রত্যেকটি রেল স্টেশনেই এরকম ওভারব্রিজ রয়েছে । এক প্লাটফর্ম থেকে অন্য প্লাটফর্মে যাওয়ার জন্য এগুলো করা। এগুলো না থাকলে রেল লাইন ক্রস করে একপাশ থেকে অন্য পাশে যাওয়া সত্যিই অনেক বিপদজনক।ওভারব্রিজ গুলো থাকার কারণে যাত্রীদের অনেক সুবিধা হয়। আমি স্টেশন গিয়ে নামার পরে যখন স্টেশনের বিভিন্ন জায়গার ফটোগ্রাফি করছিলাম তখন এই ফটোগ্রাফিটিও করে নিয়েছিলাম।
ক্যামেরা: স্যামসাং
মডেল: SM-M317F
ফটোগ্রাফার: @ronggin
অবস্থান: নামখানা স্টেশন ,ওয়েস্ট বেঙ্গল।
বন্ধুরা, আজকে শেয়ার করা নামখানা স্টেশনে নেমে তোলা এলোমেলো ফটোগ্রাফি গুলো তোমাদের কেমন লাগলো তা কমেন্ট করে জানিও। সবাই ভালো থাকো, সুস্থ থাকো , সুন্দর থাকো,হাসিখুশি থাকো , নিজের পরিবার নিয়ে সুখে শান্তিতে থাকো , সবার জন্য এই শুভকামনা রইল।
ধন্যবাদ সবাইকে
ফটোগ্রাফিটিতে নামখানা স্টেশনের নাম লেখা বোর্ড দেখা যাচ্ছে। প্রত্যেকটা স্টেশনেই এরকম করা থাকে। নামখানা স্টেশনের ভিতর থেকে বাইরে আসার পর প্রথম এই ফটোগ্রাফিটিই করেছিলাম । নামখানা স্টেশনে গেছি সেটা স্মৃতির পাতায় ধরে রাখার জন্য জায়গাটির এই ফটোগ্রাফিটি আমি করেছিলাম। এছাড়া বিশেষ কিছু বর্ণনা করার নেই এই ফটোগ্রাফিটি সম্পর্কে ।
ফটোগ্রাফি -০৬
এই নামখানা স্টেশনে নামার পর প্ল্যাটফর্ম গুলোর উপর তো কিছু সময় হাঁটাহাঁটি করেছিলাম আমরা বন্ধুরা। নতুন জায়গায় যাওয়ার পর নতুন সবকিছু দেখতে বেশ ভালই লাগছিল। আমরা অনেকটা পথ জার্নি করে গেছিলাম আর যেতে যেতে আমাদের খিদেও পেয়ে গেছিল তাই স্টেশন কিছু খাবার পাওয়া যায় কিনা সেই জন্যই মূলত চারপাশে ঘুরে ঘুরে দেখছিলাম। এই ঘোরাঘুরির কোন একটা সময় এই ফটোগ্রাফি আমি তুলেছিলাম
ফটোগ্রাফি -০৭
ফটোগ্রাফিটিতে দেখা যাচ্ছে একটি ওভারব্রিজ। আমাদের এখানকার প্রত্যেকটি রেল স্টেশনেই এরকম ওভারব্রিজ রয়েছে । এক প্লাটফর্ম থেকে অন্য প্লাটফর্মে যাওয়ার জন্য এগুলো করা। এগুলো না থাকলে রেল লাইন ক্রস করে একপাশ থেকে অন্য পাশে যাওয়া সত্যিই অনেক বিপদজনক।ওভারব্রিজ গুলো থাকার কারণে যাত্রীদের অনেক সুবিধা হয়। আমি স্টেশন গিয়ে নামার পরে যখন স্টেশনের বিভিন্ন জায়গার ফটোগ্রাফি করছিলাম তখন এই ফটোগ্রাফিটিও করে নিয়েছিলাম।
ক্যামেরা: স্যামসাং
মডেল: SM-M317F
ফটোগ্রাফার: @ronggin
অবস্থান: নামখানা স্টেশন ,ওয়েস্ট বেঙ্গল।
বন্ধুরা, আজকে শেয়ার করা নামখানা স্টেশনে নেমে তোলা এলোমেলো ফটোগ্রাফি গুলো তোমাদের কেমন লাগলো তা কমেন্ট করে জানিও। সবাই ভালো থাকো, সুস্থ থাকো , সুন্দর থাকো,হাসিখুশি থাকো , নিজের পরিবার নিয়ে সুখে শান্তিতে থাকো , সবার জন্য এই শুভকামনা রইল।
ধন্যবাদ সবাইকে
এই নামখানা স্টেশনে নামার পর প্ল্যাটফর্ম গুলোর উপর তো কিছু সময় হাঁটাহাঁটি করেছিলাম আমরা বন্ধুরা। নতুন জায়গায় যাওয়ার পর নতুন সবকিছু দেখতে বেশ ভালই লাগছিল। আমরা অনেকটা পথ জার্নি করে গেছিলাম আর যেতে যেতে আমাদের খিদেও পেয়ে গেছিল তাই স্টেশন কিছু খাবার পাওয়া যায় কিনা সেই জন্যই মূলত চারপাশে ঘুরে ঘুরে দেখছিলাম। এই ঘোরাঘুরির কোন একটা সময় এই ফটোগ্রাফি আমি তুলেছিলাম
ফটোগ্রাফি -০৭
ফটোগ্রাফিটিতে দেখা যাচ্ছে একটি ওভারব্রিজ। আমাদের এখানকার প্রত্যেকটি রেল স্টেশনেই এরকম ওভারব্রিজ রয়েছে । এক প্লাটফর্ম থেকে অন্য প্লাটফর্মে যাওয়ার জন্য এগুলো করা। এগুলো না থাকলে রেল লাইন ক্রস করে একপাশ থেকে অন্য পাশে যাওয়া সত্যিই অনেক বিপদজনক।ওভারব্রিজ গুলো থাকার কারণে যাত্রীদের অনেক সুবিধা হয়। আমি স্টেশন গিয়ে নামার পরে যখন স্টেশনের বিভিন্ন জায়গার ফটোগ্রাফি করছিলাম তখন এই ফটোগ্রাফিটিও করে নিয়েছিলাম।
ক্যামেরা: স্যামসাং
মডেল: SM-M317F
ফটোগ্রাফার: @ronggin
অবস্থান: নামখানা স্টেশন ,ওয়েস্ট বেঙ্গল।
বন্ধুরা, আজকে শেয়ার করা নামখানা স্টেশনে নেমে তোলা এলোমেলো ফটোগ্রাফি গুলো তোমাদের কেমন লাগলো তা কমেন্ট করে জানিও। সবাই ভালো থাকো, সুস্থ থাকো , সুন্দর থাকো,হাসিখুশি থাকো , নিজের পরিবার নিয়ে সুখে শান্তিতে থাকো , সবার জন্য এই শুভকামনা রইল।
ধন্যবাদ সবাইকে
ফটোগ্রাফিটিতে দেখা যাচ্ছে একটি ওভারব্রিজ। আমাদের এখানকার প্রত্যেকটি রেল স্টেশনেই এরকম ওভারব্রিজ রয়েছে । এক প্লাটফর্ম থেকে অন্য প্লাটফর্মে যাওয়ার জন্য এগুলো করা। এগুলো না থাকলে রেল লাইন ক্রস করে একপাশ থেকে অন্য পাশে যাওয়া সত্যিই অনেক বিপদজনক।ওভারব্রিজ গুলো থাকার কারণে যাত্রীদের অনেক সুবিধা হয়। আমি স্টেশন গিয়ে নামার পরে যখন স্টেশনের বিভিন্ন জায়গার ফটোগ্রাফি করছিলাম তখন এই ফটোগ্রাফিটিও করে নিয়েছিলাম।
ক্যামেরা: স্যামসাং
মডেল: SM-M317F
ফটোগ্রাফার: @ronggin
অবস্থান: নামখানা স্টেশন ,ওয়েস্ট বেঙ্গল।
ভ্রমণ করতে আমারও খুব ভালো লাগে। ভ্রমণ করলে যেমন নতুন নতুন সৌন্দর্য উপভোগ করা যায় তেমন নতুন অভিজ্ঞতা ও হয়।
ভ্রমণ পথে স্টেশন থেকে এলোমেলো ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন দেখে খুবই ভালো লাগলো।
নতুন নতুন জায়গা ভ্রমন করলে অনেক অভিজ্ঞতা অর্জন করা যায় ভাই । আমার শেয়ার করা ফটোগ্রাফি গুলোর প্রশংসা করার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
বন্ধুদের সাথে কোথাও ঘুরতে গেলে অনেক মজা অনেক বিনোদন হয় সেটা আমিও ঘুরতে পছন্দ করি। আইল্যান্ডে ঘুরতে যাওয়া মুহূর্তের কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করলেন। সেখানকার কিছু পরিবেশ দেখে ভালো লাগলো।
আইল্যান্ডে পৌঁছানোর পূর্বেই এই ফটোগ্রাফি গুলো করেছিলাম ভাই। শেয়ার করা ফটোগ্রাফি গুলো আপনার ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম।
নামখানা স্টেশনে নেমে আপনার তোলা ফটোগ্রাফি গুলো অনেক সুন্দর হয়েছে ভাইয়া। আইল্যান্ডে যাওয়ার পথে এই ফটোগ্রাফি গুলো অনেক সুন্দর হয়েছে ভাইয়া। অনেক ধন্যবাদ এরকম পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার।
আমার শেয়ার করা ফটোগ্রাফি গুলোর প্রশংসা করার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু।
ভাই আপনি আজকে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন নামখানা স্টেশনে নেমে তোলা এলোমেলো কিছু ফটোগ্রাফি। আপনার শেয়ার করা ফটোগ্রাফি গুলো দেখতে বেশ ভালো লেগেছে ভাই। স্টেশনে মানুষগুলো হাঁটাহাঁটি করছে এবং ট্রেন তখন দাঁড়িয়ে ছিল দেখতে বেশ ভালো লেগেছে ভাই। ধন্যবাদ এত সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য।
আমার শেয়ার করা ফটোগ্রাফি গুলো আপনার ভালো লেগেছে জেনে অনেক খুশি হলাম ভাই। ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্য টি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।