আলোচনার বিষয়:দারিদ্রতার কারণ, প্রভাব ও প্রতিকার।( প্রথম পর্ব)
০৭চৈত্র , ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
২১মার্চ , ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ
২৭শাবান, , ১৪৪৪ হিজরী
মঙ্গলবার।
বসন্তকাল।
আসসালামু আলাইকুম,আমি মোঃআলী, আমার ইউজার নাম @litonali।আমি বাংলাদেশ থেকে। আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমি আপনাদের দোয়ায় ভালো আছি। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি [আমার বাংলা ব্লগ] এর সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনজানিয়ে আমার আজকের পোস্ট শুরু করছি
দরিদ্রতা কি: সবাই বলে দারিদ্রের সংজ্ঞা নির্ধারণ করা অনেকটাই জটিল বিষয়। বলে মনে করেন।কারণ দেশ, কাল, স্থান ভেদে, সমাজের অবকাঠামো, ভৌগলিক অবস্থান, ঐতিহ্য,সমতল ভূমির পরিমাণ অবস্থা ইত্যাদি বিবেচনায় দারিদ্রের সংজ্ঞা নির্ধারণ হয়ে থাকে। এটি মূলত আমাদের সমাজের আর্থ -সামাজিক অবস্থার অপর নাম।
সমাজ বিজ্ঞানীদের মতে, সমাজে চলমান জীবন যাত্রার মান বজায় রাখতে ব্যর্থ হলে তাকে দারিদ্র্য বা দরিদ্রতা বলে।
এছাড়া ও অনেক সমাজ বিজ্ঞানীদের মতে অনেকভাবে সংজ্ঞা রয়েছে আমার এই জানামতে একটা ছিলো আপনাদের মাঝে মাঝে তুলে ধরলাম
প্রকৃত পক্ষে আমরা যদি ভাবি যে, সব মানুষ নিজের ও পরিবারের মৌল চাহিদাগুলো পূরণ করতে পারে না তারাই দরিদ্র আর এ অবস্থাই দারিদ্র্যতা। তাহলে এখন প্রশ্ন আমাদের মৌলিক চাহিদা কী পরিমাণ বা কতটুকু থাকলে আমরা সফল আর কি পরিমাণ না থাকার করণে তাকে দরিদ্র বলা যেতে পারে?এখন কী মানের?? বা কী প্রকারের কখন কখন থাকতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি প্রশ্ন আসবে। আবার আমাদের সমাজ ভেদে পার্থক্য আলে আসবে।
অতএব সমাজ বিজ্ঞানীরা বাংলাদেশ পর্যবেক্ষণ করে বলেন থাকেন, দরিদ্র হলো ঐ ব্যক্তি যে আর্থিক সামর্থের অভাবে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান ও চিকিতসা ব্যবস্থা চাহিদা পূরণে অক্ষম তারাই দরিদ্র।
কিন্তু এর বাহিরে আরো অনেক চাহিদা থাকতে পারে এগুলো কে ধরা হয় না। যেমন ধরপন আপনার স্বাধীনতা, আত্মসম্মান নিয়ে বেঁচে থাকা ইত্যাদি।তবে উপরের চাহিদার চেয়ে এই দুইটি চাহিদা কোন অংশে কম প্রয়োজনীয় নয়। সুতরাং আমরা দারিদ্রের একটা যথা্যথ ভালো সঙ্গা করাতে পারি-আমাদের মানুষ হিসাবে বেঁচে থাকার জন্য নূন্যতম যা যা প্রয়োজন তার কমতি থাকাই দরিদ্রতা।
এখন কিছু জিনিস দারিদ্রতার মধ্যে পড়বে না কিছু কিছু স্থান ভেবে। যেমন একজনের দুটি গাড়ি আছে আরও একটি দরকার। একজনের একটি আই ফোন আছে তার থেকে ভাল ব্যান্ডের ফোনের দরকার, কারোর দুইটি বাড়ি আছে আরো ভালো মানের বাড়ি দরকার এগুলো আসলে দারিদ্রতা নয় এগুলো বিলাসিতা দারিদ্রতা নয়।
যাহোক আজ এই পর্যন্তই পরবর্তী পর্ব আগামী সপ্তাহের এই দিনে আবার আপনাদের মাঝে তুলে ধরার চেষ্টা করবো।
চলবে...
ডিভাইসঃ Redmi Note 5
VOTE @bangla.witness as witness OR
সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।
ধন্যবাদ
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
ভাইয়া আপনার আজকের আলোচ্য বিষয় থেকে অনেক কিছুই জানতে পারলাম। আসলে বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষই দারিদ্র্য। আর এই দারিদ্রতা শুধুমাত্র যে মৌলিক চাহিদা পূরণ করা এমন নয়। এছাড়াও আনুষাঙ্গিক কিছু চাহিদাও রয়েছে। তবে এটা ঠিক যার দুটো বাড়ি আছে তারাও একটি বাড়ি দরকার যার দুটো মোবাইল আছে আরো একটি মোবাইল দরকার এটা কখনোই দারিদ্রতার পর্যায়ে পড়ে না।
আমাদের দেশের মানুষ দারিদ্রতার নিম্নে থাকার জন্য দায়ী কালোবাজারি আর ধনী প্রকৃতির মানুষগুলো।
কেউ কালোবাজারি করছে আর কেউ সম্পদ উপার্জন করে করে ব্যাংক ভর্তি করছে অথচ গরিবের দিকে কেউ তাকিয়েও দেখেনা।।
দারিদ্র্যতা বলতে আমি বুঝি পেটের খাবার যোগাড় করতে না পারা, মাথার উপর ছাদ না থাকা, অসুখে ঔষধ না পেয়ে মারা যাওয়া আর শিক্ষাকে বিলাসীতা মনে করা। এগুলো আমাদের সমাজের প্রতিদিনের চিত্র। আমাদের সমাজ ব্যাবস্থা এতোটাই জঘন্য যেখানে দরিদ্র মানুষের খবর নেয়া হয়না। অর্থলোভী কুকুরের দল যেখানে কালো টাকার সাগরে হাবুডুবু খায়।
ঠিকই বলেছেন ভাইয়া অনেক মানুষ এখনো না খেয়ে স্টেশন ফুটপাত অথবা রেললাইনের ধারে ঘুমিয়ে থাকে।। আমাদের এতটা দরিদ্র থাকার একটি কারণ হচ্ছে আমাদের সমাজের মানুষগুলো যারা পাচার করছে বিদেশে টাকা অথচ দেশের মানুষ না খেয়েই রাত পার করে। ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করার জন্য।।