বান্দরবানের নীলাচল পাহাড় টি বেশ বড়। নীলাচল পাহাড়ে প্রবেশ করতে জন প্রতি ৫০ টাকা করে দিতে হয়। পাহাড়ের চার দিকে সবুজ গাছ ও প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যে ঘেরা। মাথার উপরে নীল আকাশ , ইচ্ছা করে এক নজরে তাকিয়ে থাকি সেই নীল আকাশের দিকে। প্রেমে পড়ার মতো প্রতিটি জায়গা। বাংলাদেশের অন্যতম একটি পর্যটক কেন্দ্র এই বান্দরবান। বান্দরবান জেলায় রয়েছে বেশ কিছু পর্যটক কেন্দ্র , যেমন - নীলাচল , নীলগিরি , মেঘলা , চিম্বুক পাহাড় , ভিউ পয়েন্ট এমন আরো বেশ কিছু সুন্দর স্পট রয়েছে যা দেখলে মন জুড়িয়ে যাই ও হারিয়ে যেতে ইচ্ছা করে এই সৌন্দর্যের মাঝে।
নীলাচল পাহারের উপরে প্রতিটি স্পটে মানুষের জমাট ও তাদের ব্যাস্ততা দেখেই বুঝা যাচ্ছিলো মানুষ কতটা সৌন্দর্য উপভোগ করছিলো এই জায়গা গুলোতে। আমি যদি এখানে না আসতাম তাহলে হয়তো এত সুন্দর প্রাকৃতিক অভিজ্ঞতা আমার কখনোই হতো না। পৃথিবীতে এত সুন্দর জায়গা আছে বলে আমার মনে হতো না। আমি যেতে চাই বার বার সেই জায়গা গুলোতে। আমি আমার আজকের এই পোস্টের মাধ্যমে বান্দরবান নীলাচল পাহাড়ের প্রতিটি সুন্দর জায়গা ও স্পট গুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি। আশাকরি ফটোগ্রাফি গুলো আপনাদের কাছে অনেক বেশি ভালো লাগবে।
নীলাচল পাহাড়ের উপরে রয়েছে একটি সুন্দর বাংলো। সেখানে হয়তো সরকারি কর্মকর্তারা এসে থাকে। বাংলোটি খুবই সুন্দর ভাবে তৈরি করা হয়েছে। বাংলোর চারদিকে বেশ কিছু ভাস্কর্য তৈরি করে রেখেছে দেয়ালের মধ্যে যা দেখতে সত্যি অনেক ভালো লাগে। পাহাড়ের উপরে থাকা প্রতিটি বাংলো তৈরি করে গোলাকার ভাবে। পাহাড়ের সাথে গোলাকার বাংলো গুলোই মানানসই। দূর থেকে দেখতে গোল পাহাড়ের মতোই মনে হয়। বাংলোর চার পাশে মানুষজনের ভিড় সবসময় । সবাই বাংলোর চারপাশে ঘুরছে ও ছবি তোলছে।
নীলাচল পাহাড়ের উপরে এক পাশেই রয়েছে চাকমাদেড় নিজস্ব দোকান , যেখানে তাদের নিজেদের তৈরি করা পণ্য বিক্রি করে থাকে। যেমন তাদের হাতের বানানো পোশাক , বাচ্চাদের বিভিন্ন রকমের খেলনা। চন্দনের তৈরি বেশ কয়েক রকমের ক্রিম , হাতের চুড়ি ইত্যাদি। আমি চন্দনের কয়েকটা ক্রিম কিনেছি। এটা আমার কাছে বেশ ভালো বলে মনে হয়েছে।
পাশেই রয়েছে একটি ফুচকার দোকান যা দেখলে আমি আমার লোভ সামলাতে পারি না। প্রথমে ভেবেছিলাম মনে হয় ভালো হবে না। এক প্লেট অর্ডার করে খেয়ে দেখলাম খুবই মজাদার ও একদম আমার মনের মতো ফুচকা এখানে তৈরি করা হয়। পরে আরো এক প্লেট অর্ডার করলে সেটাও আমি একাই শেষ করি। খুব সুন্দর কিছু মুহূর্ত ছিল আমার জীবনের। আমি এই দিন গুলোকে স্মরণীয় করে রাখতে চাই সারাজীবনের জন্য।
খুব আনন্দের সাথে সারাদিন নীলাচলে কাটালাম সেখান থেকে চলে গেলাম মেঘলা রিসোর্ট। আগামী পর্বে আমি আপনাদের সাথে মেঘলা রিসোর্ট এর বেশ কিছু জায়গা শেয়ার করবো। সেই পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন। সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আমি শুনেছি নীলাচল পাহাড় দেখতে অনেক সুন্দর। কিন্তু কখনো নিজ চোখে দেখার সুযোগ হয়নি।কিন্তু আজকে আপনার তোলা ছবিগুলো দেখে মনে হচ্ছে নীলাচল পাহাড়টি আসলেই অনেক সুন্দর । আমাদের মাঝে নীলাচল পাহাড়ের কিছু অংশ তুলে ধরার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপু।আপনার জন্য রইল শুভকামনা।
নীলাচল পাহাড়ের বাহারী সৌন্দর্য দেখতে তো খুব মনোরম। ছবির মাধ্যমে অনেক কিছুই বোঝা যাচ্ছে যে জায়গাটা কতটা সুন্দর। আপু আপনার ফুচকা খাওয়া দেখে আমার অনেক লোভ লাগতেছে। ইচ্ছে করতেছে নিয়ে খেয়ে ফেলি৷ খুব সুন্দর মূহুর্ত কাটিয়েছেন আপনারা। অনেক শুভেচ্ছা রইল আপু আর ভাইয়ার জন্য।
বাহ আপু অসাধারণ একটা পোস্ট শেয়ার করেছেন আজকে। নীলাচল পাহাড় এর অনেক সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন আমাদের সাথে। আপনার দেখার পাশাপাশি আমরাও দেখে নিলাম। সত্যিই অনেক উপভোগ করলাম। দেখতেছি অনেক খাওয়া দাওয়া করেছেন। ধন্যবাদ আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
পাহাড় আমার সবচেয়ে পছন্দের একটি জায়গা। সিলেটে থাকাকালীন সময়ে আমি অনেক পাহাড়ে ভ্রমণ করেছি। কিন্তু কখনো বান্দরবান খাগড়াছড়ি যাওয়ার সুযোগ হয়নি। তবে আপনার ফটোগ্রাফি গুলোর মাধ্যমে বান্দরবানের নীলাচল পাহাড় এর কিছু অংশ দেখতে পেলাম। সেই সাথে আপনাকে ও ভাইয়াকে একসঙ্গে দেখে আমার অনেক ভালো লাগলো। সব মিলিয়ে আশাকরি অসাধারণ একটা ট্যুর ছিল আপনাদের জন্য।
আপু ছবিগুলা অনেক সুন্দর হয়েছে।ছবিগুলা দেখে মনে হচ্ছে, জায়গাটা অনেক সুন্দর। আমার কখনো যদি সুযোগ হয়,, তাহলে যাওয়ার ইচ্ছে আসে।আমারও ভালো লাগে ভ্রমণ করতে।ধন্যবাদ আপু
বাহ অসাধারণ ফটোগ্রাফি আপু। এসব দৃশ্য দেখলে চোখ মন সবই জুড়িয়ে যায়। আহ নীলাচল পাহাড় থেকে নিচে তাকালে কী একটা অনূভুতি না। এ যেন শেষ না এক দিগন্ত দেখা যায়। সবগুলো ফটো ছিল চোখ জুড়ানো এবং অসাধারণ। ধন্যবাদ আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপু।
নীলাচল পাহাড় এর এই সুন্দর ফটোগ্রাফি গুলো দেখে আমার সত্যি অনেক ভালো লেগেছে। আপনি খুবই সুন্দর ভাবে ধাপে ধাপে ফটোগ্রাফি গুলো আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। আপনার ফটোগ্রাফির মাধ্যমে আমি এই পাহাড়ের সৌন্দর্য দেখতে পেলাম। আপনি খুবই সুন্দরভাবে আমাদের দেখার সুযোগ করে দিয়েছেন। আপনার জন্য রইল শুভকামনা
আপু গতকাল আপনার নীলাচলের কিছু সুন্দর ফটোগ্রাফি উপভোগ করেছি। আজকেও নীলাচলের সুন্দর সুন্দর কিছু চিত্র ধারণ আপনি আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন। ভাইয়ের সাথে খুব সুন্দর কিছু মুহূর্ত কাটিয়েছেন তার ছবি দেখে আর বলার অবকাশ রাখে না। অনেক অনেক শুভকামনা আপনাদের দুজনের জন্য আপু।
সুযোগ পেলে পরিবার নিয়ে চলে যাবেন একদিন ভালো লাগবে অনেক। ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
নীলাচল পাহাড়ের বাহারী সৌন্দর্য দেখতে তো খুব মনোরম। ছবির মাধ্যমে অনেক কিছুই বোঝা যাচ্ছে যে জায়গাটা কতটা সুন্দর। আপু আপনার ফুচকা খাওয়া দেখে আমার অনেক লোভ লাগতেছে। ইচ্ছে করতেছে নিয়ে খেয়ে ফেলি৷ খুব সুন্দর মূহুর্ত কাটিয়েছেন আপনারা। অনেক শুভেচ্ছা রইল আপু আর ভাইয়ার জন্য।
হা হা হা , তাই নাকি। একটা ফুচকা নিয়ে খেয়ে নিন , কিছুই বলবোনা। ভালো লাগলো আপু আপনার মন্তব্য টি পড়ে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
বাহ আপু অসাধারণ একটা পোস্ট শেয়ার করেছেন আজকে। নীলাচল পাহাড় এর অনেক সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন আমাদের সাথে। আপনার দেখার পাশাপাশি আমরাও দেখে নিলাম। সত্যিই অনেক উপভোগ করলাম। দেখতেছি অনেক খাওয়া দাওয়া করেছেন। ধন্যবাদ আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
পাহাড় আমার সবচেয়ে পছন্দের একটি জায়গা। সিলেটে থাকাকালীন সময়ে আমি অনেক পাহাড়ে ভ্রমণ করেছি। কিন্তু কখনো বান্দরবান খাগড়াছড়ি যাওয়ার সুযোগ হয়নি। তবে আপনার ফটোগ্রাফি গুলোর মাধ্যমে বান্দরবানের নীলাচল পাহাড় এর কিছু অংশ দেখতে পেলাম। সেই সাথে আপনাকে ও ভাইয়াকে একসঙ্গে দেখে আমার অনেক ভালো লাগলো। সব মিলিয়ে আশাকরি অসাধারণ একটা ট্যুর ছিল আপনাদের জন্য।হা , খুব ভালো সময় কাটিয়েয়েছি। আপনিও সুযোগ পেলে পরিবার নিয়ে চলে যাবেন একদিন ভালো লাগবে অনেক। ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
আপু ছবিগুলা অনেক সুন্দর হয়েছে।ছবিগুলা দেখে মনে হচ্ছে, জায়গাটা অনেক সুন্দর। আমার কখনো যদি সুযোগ হয়,, তাহলে যাওয়ার ইচ্ছে আসে।আমারও ভালো লাগে ভ্রমণ করতে।ধন্যবাদ আপু
হা খুব ভালো সময় কাটিয়েয়েছি। আপনিও সুযোগ পেলে পরিবার নিয়ে চলে যাবেন একদিন ভালো লাগবে অনেক। ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
বাহ অসাধারণ ফটোগ্রাফি আপু। এসব দৃশ্য দেখলে চোখ মন সবই জুড়িয়ে যায়। আহ নীলাচল পাহাড় থেকে নিচে তাকালে কী একটা অনূভুতি না। এ যেন শেষ না এক দিগন্ত দেখা যায়। সবগুলো ফটো ছিল চোখ জুড়ানো এবং অসাধারণ। ধন্যবাদ আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপু।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
আপু গতকাল আপনার নীলাচলের কিছু সুন্দর ফটোগ্রাফি উপভোগ করেছি। আজকেও নীলাচলের সুন্দর সুন্দর কিছু চিত্র ধারণ আপনি আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন। ভাইয়ের সাথে খুব সুন্দর কিছু মুহূর্ত কাটিয়েছেন তার ছবি দেখে আর বলার অবকাশ রাখে না। অনেক অনেক শুভকামনা আপনাদের দুজনের জন্য আপু।আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।