স্বরচিত কবিত" বিদায় বেলা "by @tuhin002
আমি @tuhin002
from Bangladesh
১৯ চৈত্র ১৪২৯ বঙ্গাব্দ।
১১ রমজান ১৪৪৪ হিজরি। ০২ এপ্রিল ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ।
| বাংলা ভাষায় ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি "আমার বাংলা ব্লগ"এর সকল সদস্যগন, সবাই কেমন আছেন ? আশা করি আল্লাহর অশেষ রহমতে সবাই ভাল আছেন।আলহামদুলিল্লাহ্ আল্লাহ্র অশেষ রহমতে আমিও ভাল আছি । |
|---|
আমি @tuhin002,আমি একজন বাংলাদেশি। " আমার বাংলা ব্লগ "এর আমি একজন নিয়মিত ইউজার। প্রতিদিনের মত আমি আজও একটি ব্লগ নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি। আজ আপনাদের মাঝে আমার নিজের লেখা কবিতা শেয়ার করতে চলে এসেছি। প্রতি সপ্তাহে আপনাদের মাঝে একটি করে কবিতা উপস্থাপন করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। আশাকরি আমার লেখা কবিতা আপনাদের কাছে ভালো লাগে। আপনাদের ভালো লাগার জন্যই আমি আমি অনুপ্রেরণা পায় নতুন নতুন কবিতা লিখার। আজকে আমি আপনাদের সামনে যে কবিতাটি শেয়ার করব কবিতাটির নাম "বিদায় বেলা"। আসলে এই বিদায় নিয়েছিলাম সেই ২০১০ সালে। যখন আমি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের গন্ডি ছেড়ে এসেছেিলাম।সেই বিদায় নিয়ে আজকে আমার এই কবিতাটি। এখন আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো, আশা করি কবিতাটি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।
শেষ হয়ে গেল পাঁচটি বছর।
হাসি খুশি আর আনন্দে কাটানো দিন গুলো।
স্কুলের গন্ডি ছেড়ে,
এক ধাপ এগিয়ে দিলাম পা কলেজের দিকে।
আর কখনো পাব না,
সেই হারিয়ে যাওয়া দিনগুলো।
হাসি মজা আনন্দে,
থাকবে না পাশে পুরনো বন্ধুরা।
তবুও স্মৃতির পটে থেকে যাবে,
হারানো দিনগুলো।
বলবে না মহাম্মদ স্যার,
ড্রেস নেই কেনো?
বাড়ি চলে যাও।
বলবে না রাজ্জাক স্যার,
কেন আননি নাই বাড়ির কাজ?
বলবে না খাইবার স্যার,
পড়া হয় নাই কেন?
ভালো করে রিভিশন দাও।
চাইবে না নজরুল স্যার ফাইন,
স্কুল কামাই করলে।
বলবে না হানিফ স্যার,
আগামীকাল পড়া না হলে মারব।
বলবে না সামাদ স্যার,
তোমারা সবাই মেধাবী।
বলবে না আজগর স্যার,
কোনো অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে।
ডাকবে না মাঠে কেউ,
সমাবেশ করাতে।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেণী | কবিতা |
|---|---|
| ডিভাইস | poco M2 |
| লেখক | @tuhin002 |
| লোকেশন | মেহেরপুর |
আমি আবারও একটি নতুন কবিতা আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম" বিদায় বেলা "। যদি আপনাদের কাছে ভালো লাগলে আমাকে জানাবেন। আপনাদের ভালো লাগলে আমার চেষ্টা সফল হবে। পুনরায় আমি চেষ্টা করবো নতুন কোন একটি কবিতা নিয়ে, ইনশাআল্লাহ। সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ আমার পোস্টটি দেখা ও পড়ার জন্য।
সমাপ্ত
👨🦰আমার নিজের পরিচয়👨🦰
আমি তুহিন, আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।আমার মাতৃভাষা বাংলা। আমি বাংলা ব্লগে কাজ করতে অনেক ভালোবাসি। এই ব্লগে কাজ করার মধ্যমে আলাদা প্রশান্তি পায়। এছাড়াও আমার একটি বাগান আছে। বাগানে অনেক ফল ও সবজির চাষ করে থাকি। আমি ছবি আঁকতে পছন্দ করি। এছাড়া আমি বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে খুব পছন্দ করি। সংক্ষিপ্ত আকারে আমার নিজের পরিচয় আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইল।
https://twitter.com/ABashar45/status/1642566659969024000?t=kofH5SADj27uh1AzgvihAw&s=19
স্কুল জীবনের স্মৃতিগুলো ভুলে যাওয়ার মত না। বন্ধুদের সাথে কাটানো মুহূর্ত, স্যারদের শাসন এই বিষয়গুলো প্রতিনিয়ত মনে নাড়া দেয়। আর তাই ত আপনি ২০১০ সালে স্কুল ছেড়েও স্কুলের বিদায় মুহূর্ত ভুলতে না পেরে সেগুলো নিয়ে কবিতা লিখেছেন। আপনার কবিতায় মনের কথা সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন। ধন্যবাদ ভাইয়া।
মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের থাকার সময় বন্ধুদের সাথে স্যারদের সাথে যে সময় পার করেছি সেগুলো ভুলে যাওয়া আসলেই ভাই অনেক কঠিন।
ভাইয়া ,২০১০ সালে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের গন্ডি ছেড়ে আপনি বিদায় নিয়েছিলেন জেনে ভালো লাগলো।আসলে আপনি আমাদের অনেক সিনিয়র তাহলে।যাইহোক এই স্কুল জীবন অনেক আনন্দের ও স্মৃতিময় হয়ে থাকে।এটা ছেড়ে আসা অনেক কষ্টের সেটা আমি আজও অনুভব করি।কবিতাটি সুন্দর হয়েছে, ধন্যবাদ আপনাকে।
জীবনের সব থেকে স্মৃতিময় ও আনন্দময় বলেন স্কুল জীবনের পরে আমি কোন জীবন পাইনি। এতটা আনন্দদায়ক, এতটা সুখের জীবন আমার মনে হয় না শিক্ষা জীবনের আছে।
বিদায় নিয়ে আপনি সুন্দর একটি কবিতা লিখেছেন। আসলে ভাইয়া বিদায় অনেক কষ্টের হয়, যে কোন বিদায় হোক না কেনো।কথায় আছে, যেতে নাহি দেব হায় তবু সে চলে যায়। যাইহোক ছন্দে ছন্দে দারুণ একটা কবিতা লিখেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটা কবিতা উপহার দেওয়ার জন্য।
যখন বিদায়ের দিনে কিছু বলার জন্য মঞ্চে ডাকা হয়েছিল আমাকে,তখন ঠিক এই কথাটাই বলেছিলাম, যেতে নাহি দিব হায় তবুও চলে যেতে হয়। বিদায় সবসময় কষ্টের হয়।
বাহ খুব সুন্দর কবিতা লিখেছেন। আপনার কবিতা পড়ে অনেক ভালো লেগেছে। মুহূর্তের মধ্যে স্কুল আর কলেজে কাটানো মনে পড়ে গেল। আপনি হারিয়ে যাওয়া দিনগুলোর কথা খুব সুন্দর ভাবে কবিতার মধ্যে তুলে ধরেছেন। ধন্যবাদ এত সুন্দর কবিতা আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
সত্যি আপু স্কুল জীবনের হারানো দিন গুলোর কথা মনে পড়লে এখনো ভিতরটা যেন কেমন হয়ে যায়। আমার জীবনের সব থেকেও সুখের মুহূর্ত স্কুল জীবন।
বিদায় শব্দটা খুবই পরিচিত হলেও এই শব্দের সাথে যেন কষ্ট জড়িয়ে থাকে ।আসলেই একটি প্রতিষ্ঠান থেকে যখন বিদায় হয়ে যায় প্রত্যেকের মনের ভেতরে যেন অন্যরকম একটি যন্ত্রণা অনুভব করে। প্রতিটি শিক্ষক বন্ধুবান্ধব সকলের স্মৃতিগুলো সব সময় মনে থাকে। তবুও মানুষকে বিদায় নিয়ে নতুন পথে পাড়ি জমাতে হয়।
আসলে আপু যেদিন আমি স্কুল থেকে বিদায় নেই ঐদিন এতটা খারাপ লাগছিল বলে বোঝাতে পারবো না। আমাকে কথা বলতে বলছিল কিন্তু আমি কথাই বলতে পারছিলাম না।
মামা আপনি আজকে আমাদের মাঝে আপনার লেখা স্বরচিত কবিতা বিদায় বেলা আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। সত্যি আপনার কবিতাটি পড়ে আমার কাছে বেশ দারুন লেগেছে। বিদায় শব্দটা অনেক ছোট হলেও বিদায় শব্দটার গভীরতা কিন্তু অনেক। ঠিক বলেছেন মামা আপনি সেই হারিয়ে যাওয়া দিনগুলো আর কখনোই ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি কবিতা লিখে শেয়ার করার জন্য।
তুমি ঠিকই বলেছ ভাগ্নে বিদায় কথাটা ছোট হলেও অনেক কষ্টদায়ক। স্কুলের গণ্ডি পার হওয়ার সময় আসলে অনেক কষ্ট লাগছিল এবং সেই বিষয়টা মনে পড়ছিল বলেই আজকে এই কবিতাটি লিখা।
সত্যি ভাইয়া এই কবিতাটি পড়ে স্কুল জীবনের কথা মনে পড়ে গেল। প্রতিটা লাইন একেবারে মনের ভিতরে গেঁথে গেল,কারণ আপনার যে অনুভূতি আপনি শেয়ার করেছেন এই অনুভূতিগুলো আমাদেরও রয়েছে যেগুলো আসলে কখনো ভুলার নয়। ফেলে আসা স্কুল জীবন নিয়ে খুবই চমৎকার একটি কবিতা আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন এজন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
স্কুল জীবনের প্রত্যেকটা মানুষেরই একটা অনুভূতি একটা ভালোবাসা জায়গা আছে। আসলে স্কুল জীবনটা কেউ ভুলতে পারে না। কারণ জীবনের প্রথম পার্ট এজন্য কেউ ভুলতে পারে না।
আপনার বিদায় কবিতা পড়ে অনেক ভালো লাগলো। বিদায় শব্দটি সবার অতি পরিচিত কিন্তু এর ব্যাখ্যা অনেক আছে। তবে আপনার কবিতাটি পরে সত্যিই স্কুল জীবনের কথা মনে পড়ে গেল। তবে এক পা সামনে যাওয়া এবং উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে চলে গেলেন। তবে কিছু কিছু স্মৃতি আছে যেগুলো সব সময় মনের মধ্যে আসে। তেমনি হচ্ছে ছাত্র জীবন। অনেক সুন্দর করে কবিতাটি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।
প্রতিটা মানুষের জীবনে শ্রেষ্ঠ সময় হল ছাত্র জীবন। এ সময় নিজের ইচ্ছামতো সব কিছু করা যায়। হাসি ঠাট্টা গান বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেয়ার সবকিছু এই জীবনে করা সম্ভব। বিদায়ের বেলায় মন সবার একটু খারাপ হয়ে থাকে।