স্বরচিত নতুন একটি কবিতা " কাশবনের শুভ্রতা"
বন্ধুরা
আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি, আপনারা সবাই ভালো আছেন। আজ আমি প্রকৃতি নিয়ে একটি কবিতা লিখবো। আজ আমি কাশ ফুল নিয়ে লিখার চেষ্টা করেছি। তবে হ্যা আমি কাশবন সত্যি কারে এখনো দেখা হয়নি। শুধু টিভির পর্দায় আর ছবিতে। কাশ ফুলের শুভ্রতা আমার খুব ভালো লাগে। আর এটা নিয়েই আজকের কবিতা।আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।
কাশবনের শুভ্রতা
ভেবেছিলাম প্রথম যেদিন ফুটবে তোমায় আমি দেখব,
তোমার পুষ্প বোনের গাঁথা মনের মত লিখবো।
তখন কাজল কালো মেঘ ব্যস্ত ছিল ছুটতে,
ভেবেছিলাম আরো কদিন যাবে তোমার ফুটতে।
সবে তো বর্ষা গেল শরৎ এলো মাত্র,
এরই মাঝে শুভ্র কাশে ভরলো তোমার গাত্র।
ক্ষেতের পাশে নদীর কূলে পুকুরের ওই পাড়টায়,
হঠাৎ দেখি কাশফুল ফুটেছে নদীর ওই ধারটায়।
আকাশ থাকে মুখ নামিয়ে মাটির দিকে নুয়ে
হঠাৎ দেখি কাশফুল দুলছে মাটির দিকে ছুঁয়ে।
কিন্তু কখন ফুটেছে কেউ পারেনা বলতে,
সবাই শুধু থমকে দাঁড়ায় গাঁয়ের পথে চলতে।
পাখনা তোলা পাখির মতো কাশবনে এক কনে,
তুলছে যেন শুভ্র কাশফুল কালো চুলের জন্য।
দেখি শরৎ রানি কাশের শুভ্রতা হওয়ায় দুলে দুলে,
কাশবনের ওই আড়াল থেকে মুখ খানি তুলে।
প্রথম যে কবে কাশ ফুটেছে সেই শুধু তা জানে,
তাইতো সেটা সবার আগে তার খোপায় গাঁথা থাকে।
ইচ্ছে করে দেখে বলি ওগো কাশফুলের রানী,
আজকে আমার চোখ জুড়ালো তোমার দেখা পেয়ে।
তোমার হাতে বন্দি আমার ভালোবাসার রাস,
তাইতো আমি এই শরতে তোমার দাস।
ভালোবাসার কবিতা শুনে কাশফুলের ময়ূর পুচ্ছ ঝরেছে,
দেখি আমার সেই শরতের কাশবন আর নাই।।
বৌদি আপনি খুবই সুন্দর একটি কবিতা লিখেছেন। আসলে এই সৌন্দর্যময় শরৎকালের প্রকৃতি যেন এক অন্যরূপ সাজে। এই প্রকৃতির রূপ নিয়ে আপনি খুবই সুন্দর একটি কবিতা লিখেছেন। অনেক ভালো লাগলো আজকের কবিতাটি।
কি বলেন বৌদি এখনো কাশবন দেখেননি? তাহলে তো দাদাকে নিয়ে অবশ্যই একবার আপনার কাশবনে ঘুরে আসা উচিত। খুবই ভালো লাগবে গিয়ে। কাশবন না দেখলেও কাশবনের সৌন্দর্য খুব সুন্দর ভাবে আপনার কবিতায় ফুটে উঠেছে। খুব ভালো লিখেছেন বৌদি বরাবরের মত।
দিদিভাই দাদাকে নিয়ে একবার অবশ্যই যাবেন নদীর পাড়ে কাশফুল এবং কাশবন দেখতে। অপূর্ব সুন্দর লাগবে। এই বছর আমার দেখা হয়নি। তবে এর আগে দেখেছি বেশ কয়েকবার। কাশফুল আপনি কতটা পছন্দ করেন আপনার লেখার মাঝে সেই চিত্রটা সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। আজকের লেখায় ছন্দবিন্যাস টা খুব মিষ্টি ছিল দিদিভাই।
চমৎকার ছিল এই দুইটা লাইন। 👌👌👌
দিদি কাশবন আপনি এখনো দেখেননি কিন্তু কাশবন নিয়ে খুব সুন্দর কবিতা লিখেছেন। কাশবন সবারই ভাল লাগে। কখনো দাদাকে নিয়ে গিয়ে ঘুরে আসবেন। কাশবনের শুভ্রতা, কবিতার নাম অনেক সুন্দর হয়েছে। কবিতায় আপনি কাশফুল ফোটার আগে থেকেই কি আলামত শুরু হয় তার সুন্দর বর্ননা দিয়েছেন। শরতের কাশফুল যখন ফুটে তখন আকাশও তাকে স্বাগত জানানোর জন্য নতুন সাজ সাজে। আকাশের মেঘগুলো যেন কাশফুলের মত নরম তুলার মত দেখায়। খুব ভাল লেগেছে কবিতা পড়ে। ধন্যবাদ দিদি।
বৌদি এখনও কাশফুল দেখননি,যদি বাংলাদেশে এবার আসতে পারতেন,তাহলে শরৎতের কাশফুল দেখতে পারতেন।যাই হোক কবিতাটা বেশ ভালো লিখেছেন।কাশফুল নিয়ে প্রতিটি লাইন বেশ সুন্দর। ধন্যবাদ
কাশফুল নিয়ে খুব কমই কবিতা পড়া হয়েছে আমার।তাই অনেকদিন পর পড়লাম মনে হচ্ছে আর অনেকদিন পর আপনার কবিতা পড়লাম।