স্বরচিত একটি কবিতা " বৃক্ষরোপণ"
বন্ধুরা
আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি,আপনারা সবাই ভালো আছেন।আজ আবার একটি কবিতা আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। এই কবিতাটি আমি পাঁচ দিন আগে লিখেছিলাম। কিন্তু সময় সুযোগের অভাবে শেয়ার করতে পারিনি। ৫ ই জুন এই কবিতা লিখছি ,ভেবেছিলাম শেয়ার করবো কিন্তু তা আর হয়ে ওঠেনি। আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। তাহলে চলুন শুরু করা যাক। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।
"বৃক্ষরোপণ"
সবাই মিলে আমরা করি এই মোরা পন,
বছর ভর সময় পেলে করবো বৃক্ষরোপণ।
শাখায় শাখায় সবুজ পাতায় গড়া শীতল ছায়ায়,
নির্মল বাতাসে ধরণী ঘেরা স্নিগ্ধ আপন মায়ায়।
ফুল দিয়েছে ফল দিয়েছে নিজেকে করে নিঃস্ব,
তুমি ছাড়া ক্ষণিকের তরে বাচিবে না এই বিশ্ব।
শ্বাসবায়ু টা নেই যে মোরা সে ও তোমার দান,
মাটি হোক বা জলের মাঝে তুমি সব প্রানের ই প্রান।
মরু থেকে পাহাড়চূড়া কিংবা সমতলে-
দিয়েছো সবই নিঃস্ব করে সময়ের অতল তলে।
তোমার গুণের নেই তো শেষ নিজেই নিজের গুণে ভরা
ঘন সবুজ কার্পেট মোরা মোদের বসুন্ধরা।
তাই আজকে আমরা সবাই করি মোরা পণ,
একটি নয় দুটি নয় করব হাজার বৃক্ষ রোপন,
জঙ্গল কেটে ঘর বানিয়ে করছি বৃক্ষ নাশ,
উষ্ণতা বেড়ে জল সংকটে পৃথিবীর হচ্ছে সর্বনাশ।
ক্ষতিকর রাসায়নিক মিশিয়ে নষ্ট মাটি জল,
রোগব্যাধিতে দগ্ধ মানুষ পাচ্ছে তার ফল।
প্রকৃতি তন্ত্র নষ্ট হয়ে জাগছে মরণ ভাইরাস,
তেমনি এক মহামারী আজ বিশ্বকে করেছে গ্রাস।
পরিবেশের শত্রু গুলোকে যদি এখনই শুধরে নেই
সময় থাকতে পৃথিবী কে বসবাসযোগ্য করবো নিশ্চই।
সরাবো মোরা পৃথিবীর জঞ্জাল যতক্ষণ দেহে প্রাণ।
প্রকৃতির তরে প্রাণপণে করিবো শ্রম দান।
এসো সবাই মিলে করি মোরা পণ
সারাবছর যত্ন নিয়ে করবো হাজার বৃক্ষরোপণ।
কবিতার মাধ্যমে খুব সুন্দর করে গাছের উপকারিতা সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন বৌদি। আসলেই গাছ ছাড়া এই পৃথিবী অচল। তারপরও আমরা প্রতিনিয়ত গাছ কেটে ফেলছি। সেই অনুপাতে গাছ লাগাচ্ছি না। গাছ ছাড়া পৃথিবীর ক্ষতির দিকটিও চমৎকার ভাবে উপস্থাপন করেছেন।
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আপনি অনেক সুন্দর ভাবে এই কবিতা লিখে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। বৌদি আপনার লেখা কবিতা পড়ে খুবই ভালো লেগেছে। সত্যি বলতে আমরা যদি আমাদের পরিবেশ রক্ষা করতে চাই তাহলে অবশ্যই বৃক্ষরোপণ করা অনেক জরুরী। দারুন এই কবিতা লিখে শেয়ার করার জন্য আপনাকে জানাচ্ছি ধন্যবাদ। সেই সাথে আপনার জন্য শুভকামনা রইলো।
বৌদি আপনার লেখা কবিতাটির উপরের এই লাইনগুলো আমার এত ভাল লেগেছে পড়ে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। অসাধারণ ও চমৎকার একটি কবিতা লিখেছেন বৃক্ষরোপণ নিয়ে। আসলে আমাদের সকলেরই বৃক্ষরোপণ এগিয়ে আসা উচিত তা না হলে পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে একদিন। অসংখ্য ধন্যবাদ বৌদি এত চমৎকার একটি কবিতা আমাদেরকে উপহার দেওয়ার জন্য।
আমি বলবো অসাধারণ উক্তি ছিলো নিমোক্ত চরণগুলি।আমাদের সবারই এই পণ থাকা উচিত যে নিম্মে পাঁচটি করে হলে ও বৃক্ষরোপণ করি।আসলেই বৃক্ষ একেবারেই নিঃস্ব ফুল ফল দিয়ে তার আর কিছু থাকে না।
খুব সুন্দর ছন্দ মিলিয়ে পুরো কবিতা দাঁড় করেছো বৌদি। সুন্দর ছিল ভাবনা। ভালবাসা নিও।
বৌদি এই কথাটি স্বীকার করতেই হবে যে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষের ভূমিকা অপরিসীম। কিন্তু আমরা নির্বিচারে বন জঙ্গল কেটে কাঠ সংগ্রহ করছি এবং পরিষ্কার করে সেখানে ঘরবাড়ি বানাচ্ছি। এতে করে প্রতিনিয়ত বৃক্ষ কর্তনের ফলে একদিকে যেমন পৃথিবীর উষ্ণতা বেড়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে। ফলশ্রুতিতে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার কারণে দিন দিন বসবাসের অযোগ্য হয়ে যাচ্ছে। এরকম পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের একমাত্র উপায় বেশি বেশি বৃক্ষরোপণ করা। আপনার কবিতার মধ্যে সবগুলো বিষয় অত্যন্ত চমৎকার করে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। বিশ্ব পরিবেশ দিবস কে লক্ষ্য করে কবিতাটি শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
গাছ হচ্ছে আমাদের নিঃস্বার্থ বন্ধু। যে নিজেকে নিঃস্ব করে আমাদের বাতাস, ছায়া, ফলমূল কাঠ দেয়। আপনি আপনার কবিতায় বৃক্ষের প্রকৃত অবস্থান, প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন। অনেক সুন্দর হয়েছে আপনার কবিতা।
বৃক্ষরোপণ নিয়ে আপনার আগ্রহ ও প্রতিজ্ঞা পূর্বক লেখাগুলো যে কাউকে ভাবিয়ে তুলতে পারে। হয়তোবা কখনো আপনার চাওয়াটা সবার মনে নাড়া দিয়ে সঠিক পথে আনতে পারে। ভালো ছিল আপনার উপদেশ মূলক কবিতাটি।
বৌদি এত সুন্দর কবিতা লিখা আসলেই কি সম্ভব! আসলেই বৃক্ষরোপণ আমাদের জন্য খুবই জরুরী। এই বৃক্ষের মাঝেই আমরা বেঁচে আছি। বৃক্ষের কত আশীর্বাদ আমরা ভোগ করছি। আসলে আমাদের প্রতিনিয়ত বৃক্ষরোপণ করা দরকার।
দিদি আদাব নিবেন ।
অনেক দিন পর আপনার কবিতা পড়লাম।প্রকৃতিকে টিকিয়ে রাখতে হলে আমাদের অনেক বৃক্ষরোপণ করতে হবে। পরিবেশের শত্রু গুলোকে দমন না করলে এ সবুজ পৃথিবী আর বসবাস যোগ্য থাকবেন।আমিও বৃক্ষ নিয়ে একটি কবিতা লেখার চেষ্টা করবো।
সবাই মিলে করব সফল বৃক্ষরোপণ অভিযান
মানব জীবনের চাহিদা পূরণে বৃক্ষের অবদান
বৃক্ষ বিনা দেশ দেখতে লাগে না সুন্দর ও মায়া
তপ্ত রোদে বৃক্ষ আমাদের দেয় শীতল শ্যামল ছায়া।