স্বরচিত প্রতিবাদী কবিতা 'কষ্টের ভাগীদার' || প্রিয় লাজুক খ্যাঁকের জন্য ১০%
আজ - বুধবার
Photography device: Infinix hot 11s
সোর্স
| আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি মহান সৃষ্টিকর্তার অশেষ মেহেরবানীতে ও রহমতে অনেক অনেক ভাল রয়েছেন এবং সুস্থ আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় অনেক ভালো রয়েছি। আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটির সকল ভাই বোন বন্ধুদের আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা সালাম ও অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করতে যাচ্ছি আজকের নতুন একটি পোস্ট। আমার আজকের পোষ্টের বিষয় কবিতা। পূর্ব দিনের ন্যায় আজকেও আমি আপনাদের মাঝে কবিতা নিয়ে উপস্থিত হয়েছি। আশা করি খুব মনোযোগ সহকারে আপনারা আমার এই কবিতাটি পড়বেন এবং কবিতার ভাষা বোঝার চেষ্টা করবেন। তাই চলুন আর দেরি না করে কবিতাটি শুরু করা যাক। |
|---|
কবিতা
যে স্মৃতি স্মরণে হৃদয় হয়ে ওঠে হাহাকার।
তুমি কি বলবে এত অবহেলা পেয়েছো কার
যত্ন করে কষ্ট দিয়েছে,কাকে দিয়েছিলে অধিকার?
আমি হতে চাই তোমার কষ্টের ভাগীদার
আমি চিনতে চাই তোমার বুকে থাকা কষ্টের পাহাড়।
তুমি কি আমায় জানাবে একবার
অতি ভালোবেসে আপন হয়েছিলে কার?
আমি জানতে চাই কে ছিল তোমার মনের দাবিদার
কে লাঞ্ছনা দিয়ে বঞ্চিত করেছে পবিত্র ভালোবাসার।
আমি যেমন বেদনা শয়ে ধৈর্য ধরতে জানি
সময়ের ব্যবধানে পাল্টা জবাবে আঘাত করতে পারি।
তুমি শুধু আমার বল একবার
বুকে চাপা কান্না থাকবেনা আর।
জীবন তো এমনই কত জ্বালা শয়
সত্যের মৌনতা করে নাকো ভয়।
যে গেছে ছেড়ে তোমায় তাকে ভেবোনা আর
সে ছিল মরীচিকা স্মৃতি থেকে মুছে দাও তার।
নিজেকে বাঁচাতে শেখাও হাসতে শিখো আবার
মনের মধ্যে প্রত্যাশা রেখো নতুন কে পাবার।
সমা প্ত |
|---|
আজ ভালোবাসার নামে মিথ্যে ছলনায় প্রতারিত হচ্ছে অনেক মানুষ। যে মিথ্যে ছলনা মানুষের জীবনকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়। হতাশাগ্রস্ত হয়ে বেঁচে থাকার মানে হারিয়ে ফেললে অনেক মানুষ। ঠিক সেই সমস্ত মানুষের পাশে দাড়ানোর সৎ সাহসী এবং সততাবান মানুষের সংখ্যা খুবই কম রয়েছে এই দুনিয়ায়। তাই তেমনি একজন সৎ পথিক এসে এমন হতাশাগ্রস্ত মানুষের মনের দুঃখগুলো শুনে ভাগীদার হতে চাই এবং পিছনের স্মৃতিগুলো ফেলে পুনরায় তাকে নতুন করে হাসিমুখে বেঁচে ওঠার উৎসাহ প্রদান করে ঠিক এভাবেই। বারবার পথিক তার বোঝানোর চেষ্টা করছে, পিছনের সেই দুর্ভাগ্যের স্মৃতিগুলো তা ছিল মরীচিকা। যা ক্ষণিকের আনন্দ দিয়ে অন্ধকার কারাগারে নিক্ষেপ করে চলে গেছে। সেই অন্ধকার কারাগার থেকে নিজেকে বের হয়ে আসতে হবে। বুকে জমা পাহাড় পরিমাণ বেদনাগুলো দিনে দিনে মুছে ফেলতে হবে এবং নতুন করে বাঁচার প্রয়াস জুগিয়েছে মহান পথিক এই কবিতার মধ্য দিয়ে।
ঠিক ই বলেছেন সুখের ভাগীদার সবাই হতে চায়, কিন্তু কষ্টের ভাগীদার কেউ হতে চায় না। কষ্টের সময় বোঝা যায় কে আপন কে পর। ঠিক আজ মিথ্যে ভালবাসার ছলনায় অনেক মানুষ প্রতারিত হচ্ছে। অনেক সময় মিথ্যে ভালোবাসা ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয় । আপনার এই কবিতায় সত্যটা তুলে ধরেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে এরকম একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
আশা করি বাস্তবতার প্রতি ছবি খুঁজে পেয়েছেন আমার এই কবিতায়
অসাধারণ বলেছেন ভাই।যে আমাদের ছেড়ে গেছে তাকে নিয়ে কখনো ভাবা উচিৎ না।এতে শুধু কষ্টই বাড়ে।তাই অন্যের কথা ভাবা বাদ দিয়ে আমাদের নিজেকে ভালবাসতে হবে।ধন্যবাদ ভাই এমন একটি প্রতিবাদী কবিতা শেয়ার করার জন্য।
হ্যাঁ ভাই সে তো মরীচিকা মাত্র তাকে ভেবে লাভ কি
আপনার কবিতাটি পড়ে সত্যি খুব ভালো লাগলো।আসলে আপনি কষ্টের কবিতা আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। সুখের সময় অনেককে পাশে পাওয়া যায় কিন্তু দুঃখের সময় চির চেনা লোকগুলো অচিন পথে হারিয়ে যায় । এটি হলো বাস্তবতা কবিতাটি শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
দুঃখের সময়ের বন্ধুই তো সবচেয়ে বড় বন্ধু।
কবিতা পড়তে আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। আবার মাঝে মাঝে কবিতা লিখতেও ভালো লাগে। কষ্টের ভাগীদার কবিতাটি আমার অনেক ভালো লেগেছে। আসলেই মানুষ যখন বেদনার সহ্য করতে করতে ধৈর্য হারিয়ে ফেলে তখন পাল্টা জবাব দিতে জানে। আপনার কবিতায় এমনটাই প্রকাশ পেয়েছে।
আসলেই,কবিতা পড়ে কবিতা লেখার প্রতি উৎসাহ সৃষ্টি হয়।
মামা তুমি যে এত সুন্দর ভাবে সহজ সরল ভাষায় কবিতা লিখতে পারো তা তো আগে জানতাম না। মামা তোমার কষ্টের ভাগীদার আমি হতে চাই। যে ছেড়ে চলে গিয়েছে তাকে নিয়ে ভাবার কোন সময় নেই মামা। এখন সব সময় নিজেকে নিয়ে ভাবতে হবে। ধন্যবাদ এত সুন্দর কবিতা শেয়ার করার জন্য।
মামা আমি অন্যের কষ্টের ভাগীদার হতে চাই। আমার কোন কষ্ট নাই
এই পৃথিবীতে যে কষ্টের ভাগীদার হতে চাই সে সব থেকে আপন জন। তবে এই পৃথিবীতে কষ্টের ভাগীদার পাওয়া খুব কঠিন ব্যাপার। আপনি অনেক সুন্দর ভাবে কষ্টের ভাগীদার কবিতাটি আমাদের সাথে উপস্থাপন করেছেন।
আপনার জন্য শুভ কামনা রইল
একদম মনের কথা বলেছেন ভাই খুবই খুশি হলাম।