প্রতিবাদী কবিতা 🗒️🗒️ ডাক্তার🏥🏥
১৬ফাল্গুন , ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
০২ফেব্রুয়ারী , ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ
১০শাবান , ১৪৪৪ হিজরী
বৃহস্পতিবার।
বসন্তকাল।
আসসালামু আলাইকুম,আমি মোঃআলী, আমার ইউজার নাম @litonali।আমি বাংলাদেশ থেকে। আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমি আপনাদের দোয়ায় ভালো আছি। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি [আমার বাংলা ব্লগ] এর সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনজানিয়ে আমার আজকের পোস্ট শুরু করছি
আমার বাংলা ব্লগ পরিবারের সকলের সুস্বাস্থ্য মঙ্গল এবং দীর্ঘায়ু কামনা করছি।। খাদ্যদ্রব্যে যে পরিমাণ ভেজাল মিশ্রিত বর্তমান সময়ে সুস্থ থাকাটা রীতিমতো সময়ের ব্যাপার।। অসুস্থ হলেই আমরা ছুটে যাই ডাক্তারের কাছে আর ডাক্তার বর্তমানে সব থেকে বড় কসাই।। চেম্বার আর ক্লিনিকের ব্যবসা বর্তমানে জমজমাট। রোগীরা তো রুগী নয় খদ্দের এখন। বিভিন্ন ধরনের টেস্ট আর ক্লিনিকে ভর্তি করাইতে পারলেই ডাক্তারের কমিশন।। গত কয়েকদিন আগে আমার বন্ধুর বাবা অসুস্থ ছিল। তাকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখান থেকে ভালো চিকিৎসা না পেয়ে একটি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। যেখানে ডাক্তারের একদিনে একটি রোগীকে তিন রাউন্ডে দেখার কথা ছিল সেখানে আমরা দু দিনে একবারও দেখাতে পারিনি।। অথচ যখন ক্লিনিকে ভর্তি করালাম তখন একই ডাক্তার প্রতিদিন দু-তিনবার করে দেখতে শুরু করলো।। ডাক্তাররা এখন বর্তমানে আমাদের দেশের সবথেকে বড় ব্যবসায়ী।। এজন্য মানুষ আমাদের দেশের চিকিৎসার উপরে আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। অনেকেরই দেখেছি চিকিৎসা নেয়ার জন্য বাংলাদেশ পার হয়ে ভারতের দিকে পাড়ি জমায়।। আসলে না গিয়েই কি করবে যে দেশে একটি রোগী শোবার বেডের মূল্য দেড় কোটি টাকা!! এখন হয়তো আপনি বলবেন যে ডাক্তাররাই তো আমাদেরকে চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করে তুলছেন। হ্যাঁ এটা ঠিক আছে কিন্তু সুস্থ করে তুলতে গিয়ে খোঁজ নিয়ে দেখেন কতজনের ভিটাবাড়ি টাকা পয়সা জমি জমা সব হারিয়েছে। তবুও ডাক্তার আর ক্লিনিকের বিল শোধ করতে পারেনি। এখন আমাদের দেশে মরা মানুষ নিয়েও ডাক্তাররা ব্যবসা করে বিভিন্ন গণমাধ্যমে হয়তো খবরে আপনারা দেখেছেন। আঙ্গুল অপারেশন করতে গিয়ে কিডনি উধাও কি আজব দেশ।।
ডাক্তার 🏥🏥
হায় হায় হায়,একি কি লজ্জা!!
ডাক্তার তো হয়ে গেল দুর্নীতির দরজা!!
জ্ঞান থাকলো ফর্মের গাদায়, ধুলোর মধ্যে পড়ে
অযোগ্যরা ডাক্তার হলো শুধু নেতা-বাবার কোটায়।
হায় হায় হায়, একি কি লজ্জা!!
সিজার করে বাচ্চা উধাও!!
সাজায় কত নাটক!!
গরিব বলে ন্যায় বিচার শুধু চোখের পাতায়।
প্রাণ বাঁচানোর দেবদূতেরাও
তৃণমূলে হয়েছে শেষ।
টাকার লোভে রোগী হয়েছে এখন খদ্দের।
খদ্দের পাঠালেই কমিশন।
হায় হায় হায়, একি কি লজ্জা!!
ডাক্তারবাবু খুব গরীব, আয় যে সামান্য!!
কোটায় করে ছেলে মেয়ে ভর্তি,এরাই সমাজে অগ্রগণ্য
আমাদের মন্ত্রী মশাই আরো গরীব,পান শুধু ভাতা !
সন্তানের ডাক্তারিতে ভরসা সুপারিশ আর কোটা।
আঙ্গুল অপারেশনে কিডনি উধাও!!
আজব এই দেশে,আজ সত্যিই লাগে খুব লজ্জা !
দুঃস্থ-মেধাবীরা বঞ্চিত আজ,
বেআব্রু দরজা গেছে খুলে তাইতো স্বাস্থ্যে এই দুর্দশা !
একটা নয়,দুটো নয়,হাজারো'দুর্নীতিতে' বস্তা ঠাসা
ডিভাইসঃ Redmi Note 5
>>>>>|| এখানে ক্লিক করেন ডিসকর্ড চ্যানেলে জয়েন করার জন্য ||<<<<<
VOTE @bangla.witness as witness

OR
সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।
ধন্যবাদ
ডাক্তার তো হয়ে গেল দুর্নীতির দরজা!!
জ্ঞান থাকলো ফর্মের গাদায়, ধুলোর মধ্যে পড়ে
অযোগ্যরা ডাক্তার হলো শুধু নেতা-বাবার কোটায়।
হায় হায় হায়, একি কি লজ্জা!!
সিজার করে বাচ্চা উধাও!!
সাজায় কত নাটক!!
গরিব বলে ন্যায় বিচার শুধু চোখের পাতায়।
প্রাণ বাঁচানোর দেবদূতেরাও
তৃণমূলে হয়েছে শেষ।
টাকার লোভে রোগী হয়েছে এখন খদ্দের।
খদ্দের পাঠালেই কমিশন।
হায় হায় হায়, একি কি লজ্জা!!
ডাক্তারবাবু খুব গরীব, আয় যে সামান্য!!
কোটায় করে ছেলে মেয়ে ভর্তি,এরাই সমাজে অগ্রগণ্য
আমাদের মন্ত্রী মশাই আরো গরীব,পান শুধু ভাতা !
সন্তানের ডাক্তারিতে ভরসা সুপারিশ আর কোটা।
আঙ্গুল অপারেশনে কিডনি উধাও!!
আজব এই দেশে,আজ সত্যিই লাগে খুব লজ্জা !
দুঃস্থ-মেধাবীরা বঞ্চিত আজ,
বেআব্রু দরজা গেছে খুলে তাইতো স্বাস্থ্যে এই দুর্দশা !
একটা নয়,দুটো নয়,হাজারো'দুর্নীতিতে' বস্তা ঠাসা
ডিভাইসঃ Redmi Note 5
VOTE @bangla.witness as witness OR
সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।
ধন্যবাদ
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
আসলেই একদম ঠিক বলেছেন বর্তমানে খাবারের ভেজাল যেন বেড়েই চলেছে। আর এইজন্য বেশিরভাগ ডাক্তারের কাছেই যেতে হয়। কারণ মানুষ ভেজাল খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে ডাক্তারের কাছে যাবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আজকাল তো ডাক্তারেরও কোন ভরসা নেই। যেন সব টাকার খেলা হয়ে গিয়েছে। বেশ সুন্দর একটা কবিতা লিখেছেন বাস্তবিক বিষয় নিয়ে। কবিতার মূল বিষয়টা আমার কাছে ভীষণ ভালো লেগেছে।
ঠিকই বলেছেন আপু বর্তমানে আমরা ডাক্তার দিয়ে বিশ্বাস করতেই পারছিনা। কেননা এমন এমন ঘটনা ঘটছে যেগুলা দেখলে আসলে গা শিউরে ওঠে।
ডাক্তারি একটি মহৎ পেশা। কিন্তু সেই মহৎ পেশার সাথে যারা জড়িত তারা এখনো মহৎ হতে পারল না। সরকারি হাসপাতালে ডিউটি করতে তাদের বোধহয় রুচিতে বাধে। আসলে মাসে মাসে বেতনটা কিন্তু ঠিকই নেয়। শেষে সবাই বাধ্য হয়ে প্রাইভেট ক্লিনিক গুলোতে যায়। যাইহোক ভাইয়া আপনার লেখা কবিতাটি পড়ে ভালো লাগলো। আসলে সমাজের বাস্তব চিত্র আপনি তুলে ধরেছেন।
একথা আপনি ঠিক বলেছেন যে ডাক্তারি একটি মহৎ পেশার কিন্তু মহৎ পেশাকে এখন ডাক্তাররা বানিয়ে নিয়েছে ব্যবসা আর রোগীদেরকে ভাবতে শুরু করেছে খরিদ্দার।।
ডাক্তারকে তো আমরা সবাই অনেকটাই বিশ্বাস করি। মানুষ মনে করে ডাক্তার চিকিৎসা করলে তারা তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে যেতে পারে। আসলে তো এটাই ঠিক যে আমরা যদি স্বাস্থ্যকর খাবার দাবার খেতে পারি তাহলে খুব কমই অসুস্থ হতে পারে। আপনার কবিতাটিও ঠিক আমার কাছে তেমনই ভালো লাগলো। বিশেষ করে কবিতা আমার কাছে খুবই অসাধারণ লাগলো। সুন্দর একটি কবিতা তুলে ধরলেন আজকে আপনি।
আমরা আসলে অসুস্থ হলেই ডাক্তারের কাছে ছুটে চলে যাই যাওয়াটাই স্বাভাবিক কিন্তু কিছু কিছু ডাক্তার বাদে বর্তমানে অধিকাংশ ডাক্তারের ডাক্তারি পেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে ব্যবসা রোগীরা যেন তার কাছে খরিত।।
আজকের এ কবিতার মাধ্যমে আপনি কিছু মনের কথা তুলে ধরেছেন। সত্যি বলতে আমরা এইসব কথাগুলো মনে পুষে রাখি, তবে আপনি কবিতার ভাষায় খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে আপনার সুস্বাস্থ্য কামনা করি।
চেষ্টা করেছি ভাইয়া মনের কথাগুলো কবিতার ভাষায় প্রকাশ করার জন্য সঙ্গে মিলিয়ে আপনার ভালো লেগেছে জেনে খুবই খুশি হলাম ধন্যবাদ।।
একদম ব্যতিক্রমী একটি কবিতা ছিল ধন্যবাদ ভাই খুব পছন্দ হয়েছে।
আপনার কবিতার মধ্যে একদিকে শিক্ষনীয় এবং বাস্তবিক বিষয় তুলে ধরেছেন অন্যদিকে বিনোদনমূলক ছিল। আসলেই বর্তমান ডাক্তারদের যে অবস্থা কসাই এর থেকে কোন অংশে কম নয়। তারা বাণিজ্যের কেন্দ্রিক করে তুলেছে সেবা দেওয়ার চেয়ে তাদের টাকা এবং অর্থ উপার্জনের দিকটা বেশি প্রয়োজন মনে করে।
বাস্তব চিত্র কে অবলম্বন করেই কবিতাটি ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি আপনার ভালো লেগেছে জেনে খুবই খুশি হলাম ধন্যবাদ।।।