অনু-কবিতা :- ১০৩
কেমন আছেন " আমার বাংলা ব্লগ " পরিবারের সবাই। আশাকরি মহান সৃষ্টিকর্তার কৃপায় আপনারা সবাই সুস্থ আছেন। মহান সৃষ্টিকর্তা এবং আপনাদের আশীর্বাদে আমিও সুস্থ আছি। আজ আমি আমার লেখা আর একটি অনু-কবিতা আপনাদের সাথে শেয়ার করব। আশাকরি আপনাদের খুব ভালো লাগবে।
এই পৃথিবীতে মানুষ কখনো এক হতে পারে না। কেননা এতজন মানুষের মন মানসিকতা এক এক ধরনের হয়ে থাকে। আপনি কোন মানুষের সাথে কোন মানুষের মোটেও মিল খুঁজে পাবেন না। যদিও কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমরা মানুষের মিল খুঁজে পাই। অর্থাৎ যারা ভালো মানুষ তাদের মধ্যে আমরা তেমন কোন একটা বেশি পার্থক্য দেখতে পাই না। সমাজের ভালো মানুষগুলো যদি এক জায়গায় থাকে তখন আপনার মনে হবে যে একজন মানুষ সেখানে বসবাস করছে। কারণ এই ভালো মানুষদের মন মানসিকতা কখনো আলাদা হতে পারে না এবং তারা সবসময় মিলেমিশে একসঙ্গে চলার জন্য চেষ্টা করেন। এছাড়াও কেউ যদি কোন বিপদে আপদে পড়ে তাহলে সবাই মিলে এসে তাকে সেই বিপদ আপদ থেকে উদ্ধার করে এবং সাহায্যের হাত তাদের জন্য সব সময় বাড়িয়ে দেয়।
আসলে এই পৃথিবীতে সামনের দিকে এগিয়ে চলার পথটা মোটেও সোজা নয়। আর যাদের জন্য তাদের মা-বাবা এই পৃথিবীটা অনেক সহজ করে রেখে গেছেন তাদের কাছে কিন্তু এ পৃথিবীটা মোটেও কঠিন বলে মনে হবে না। অর্থাৎ এখানে আমি ধনী পরিবারের লোকেদের কথা বলছি। কেননা তারা তাদের সন্তানদের জন্য সবকিছু করে রেখে যান যাতে করে তাদের সন্তানদের কোন ধরনের অসুবিধা না হয়। কিন্তু তারা গরীব পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছে তাদের জন্য এই পৃথিবীতে অনেক বড় কঠিন মনে হয়। কেননা তারা তাদের জন্মের পর থেকে এই পৃথিবীতে এসে দেখে অভাব অনটন। আসলে এই অভাব অনটনে থাকতে থাকতে এসব মানুষেরা তাদের মন মানসিকতা থেকে অনেকটা বেরিয়ে আসে এবং কি করে দ্রুত বড় হওয়া যায় সেদিকে সবসময় চেষ্টা করে।
আর এই পৃথিবীতে যারা খুব দ্রুত বড় হওয়ার চেষ্টা করে তারা কিন্তু কখনো সৎ উপায় অবলম্বন করে বড় হতে পারে না। যারা আস্তে আস্তে উপরের দিকে উঠতে থাকে তাদের সেই উপরের জায়গাটা স্থায়ী হয় এবং যারা খুব দ্রুত সময়ে উপরে উঠে যায় তাদের কিন্তু সেই উপরে ওঠার পথটা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না। আর এই পৃথিবীতে আমরা যদি মানবতার হাত রেখে অন্যকে সাহায্য না করে শুধুমাত্র অলসের মতো দিনযাপন করি এবং অন্যের ক্ষতি করার চেষ্টা করি তাহলে কিন্তু আমরা কখনো সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারবো না এবং কেউ আমাদেরকে কখনো আর মনে রাখবে না। কেননা এই পৃথিবীতে একমাত্র বেঁচে থাকার পথ হল অন্যের উপকার করা। আর আমরা যদি সারা জীবন অন্যের উপকার করে দিতে পারি তাহলে আমাদের মৃত্যুর পরেও লোকজন আমাদের মনে রাখবে।
✠ ০১ ✠
বিজয়ের গান গাইতে হবে,
পরাজয়কে দূরে রাখতে হবে।
জীবনটা ফুলশয্যা নয়তো আর,
তাইতো সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
একার পক্ষে সকল কাজ,
সমাধান করা মোটেও সম্ভব নয়।
সবাই মিলে একটু করলে পরে,
সেই কাজ কখনো কঠিন নয়।
জীবনের এই যুদ্ধক্ষেত্রে,
একে অপরকে সাহায্য করতে হবে।
কেউ যদি পিছনে পড়ে থাকে,
তাকে নিয়ে সামনে এগোতে হবে।
✠ ০২ ✠
একাকী পথ চলা বড়ই কঠিন,
তাইতো জীবনে সঙ্গীর প্রয়োজন।
কেউ যদি পাশে থাকে আমাদের,
ভয় পাবো নাতো আমরা কোন ক্ষণ।
যদিও সবাই এখন নিজের মত,
একাকী পথ চলতে পছন্দ করে।
স্বার্থপর বলে জানি তাহারে,
সবাই তাহাকে ঘৃণা করে।
স্বার্থপর হলে চলবে নাকো,
মনটাকে অনেক বড় করতে হবে।
এই পৃথিবীর মাঝে একদিন,
অবশ্যই আমাদের নামটি রয়ে যাবে।
আশাকরি আপনাদের সবার খুব ভালো লেগেছে আজকের পোস্টটি । ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করতে ভুলবেন না।
আজ এই পর্যন্তই। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন। দেখা হবে পরবর্তী পোস্টে।
আপনার লেখা অনু কবিতা বেশ দারুন ছিল ভাইয়া। খুব সুন্দর ভাবে আপনি অনু কবিতা লিখে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। প্রত্যেকটা কবিতা আবৃত্তি করতে খুবই ভালো লেগেছে। এ কথা আমিও স্বীকার করি মানুষের জীবনে একাকী পথ চলা যায় না অবশ্যই সংগী লাগে। বেশ জ্ঞানসম্পন্ন কথা দিয়ে লেখা আপনার কবিতা গুলো।
আপনার লেখা আজকের এই অনু কবিতা গুলো আমার অনেক ভালো লেগেছে পড়তে। আপনার এই অনু কবিতার টপিক অনেক সুন্দর ছিল। এরকম সুন্দর অনু কবিতা গুলো আমি লিখতে অনেক বেশি ভালোবাসি। ভিন্ন ভিন্ন টপিক নিয়ে অনু কবিতা লিখলে অনেক বেশি সুন্দর হয়। আপনার লেখা এই অনু কবিতা গুলো অসম্ভব সুন্দর হয়েছে। আশা করছি সব সময় এরকম কবিতা আমাদের মাঝে শেয়ার করবেন।
অনু কবিতাগুলো পড়তে বেশ ভালোই লাগে। আজ আপনি বেশ সুন্দর ভাবে দুটি অনু কবিতা তুলে ধরেছেন ভাইয়া। আপনার লেখা কবিতা গুলো পড়ে খুবই মুগ্ধ হলাম। কবিতার লাইনগুলো বেশ সুন্দরভাবে গুছিয়ে উপস্থাপন করেছেন। ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
বাহ ভাইয়া আপনি খুব সুন্দর দুটো অনু কবিতা লিখেছেন। আপনার অনু কবিতাগুলো পড়ে বেশ ভালো লাগলো। ছোট ছোট মনের অনুভূতি গুলো অনু কবিতার মাঝে প্রকাশ করা যায়। তবে এটি ঠিক অন্যের উপকার যদি করে ভালো কাজে তাহলে মরনের পরও তাকে স্মরণ করবে। ভালো লাগলো আপনার অনু কবিতাগুলো পড়ে।