টিফিন টাইমে ছাত্র-ছাত্রীদের খেলার মধ্য দিয়ে ফিরে পেলাম শৈশবের স্মৃতি

in আমার বাংলা ব্লগ3 years ago

আজ - শনিবার

২১ মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ


আসসালামু আলাইকুম

IMG_20230202_104021_824.jpg




আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে আপনাকে স্বাগতম



হ্যালো বন্ধুরা,

আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি, সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে অনেক অনেক ভালো রয়েছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় অনেক ভালো রয়েছি। 'আমার বাংলা ব্লগ'এর সকল ভাইবোন বন্ধুদের কে আমার পক্ষ থেকে সালাম এবং অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করতে যাচ্ছি আজকের নতুন একটি পোস্ট। আজ আমি আপনাদের মাঝে উপস্থিত হয়েছি আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদের খেলাধুলা নিয়ে। টিফিন টাইমে ছাত্রছাত্রীরা যে নানান খেলাধুলায় ব্যস্ত হয়ে পড়ে তারই দৃশ্য নিয়ে উপস্থিত হয়েছি এই পোস্টে। আশা করি বিস্তারিত পড়বেন এবং দেখবেন।


'আমার বাংলা ব্লগ'
কোয়ালিটি সম্পন্ন পোস্ট



ফটোগ্রাফি সমূহ:


১ নং ফটোগ্রাফি

কয়দিন ধরে হঠাৎ করে উত্তর দিক থেকে দক্ষিণ দিকে ঠান্ডা বাতাস বয়ে চলছে। কিছুদিন ধরে মনে হচ্ছিল জেনো শীতের সময় বিদায় নিতেছে ঠান্ডা পড়া বাদ দিয়ে হালকা হালকা গরম ধরা শুরু হয়েছে। এদিকে বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পেরেছিলাম শীত বিদায়ের দিকে। কিন্তু হঠাৎ করে এমন ঠান্ডা ঝোড়ো হাওয়া মতো বয়ে চলছে রাত থেকে তা মেনে নেওয়ার মতো নয়। যাই হোক ক্লাসের মধ্যে বা অফিসের মধ্যে বসে থাকলে গা ঠান্ডা হয়ে যেতে থাকছিল। তাই টিফিন টাইমে ভেবেছিলাম একটু রোদে বসে থাকি। যেহেতু বাচ্চারা খেলাধুলা করেছে তাদের খেলা দেখি এবং রোদে বসে গা গরম করে। এই মুহূর্তে লক্ষ্য করলাম বাচ্চারা বিভিন্ন ধরনের খেলায় ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়েছে। ঠিক এই মুহূর্তে স্মরণ করছিলাম আমাদের শৈশবের স্মৃতিগুলো। যে সময় আমার সবচেয়ে প্রিয় খেলা ছিল গুল্লাছুট। কিন্তু এখনকার ছেলে মেয়েরা গুল্লাছুট খালা জায়গায় খুঁজে পায় না। খেলবে কোথায়? যেহেতু আমাদের সময় ছিল বড় মাঠ, এখন তেমন বড় মাঠ নেই বললেই চলে। যাইহোক দেখলাম এক এক ছাত্রছাত্রীরা বিভিন্ন খেলায় ব্যতিব্যস্ত।

IMG_20230202_103508_044.jpg

IMG_20230202_103448_629.jpg

IMG_20230202_103445_041.jpg

IMG_20230202_103441_430.jpg

Photography device: Infinix hot 11s
সোর্স


received_305654148004402.webp


২ নং ফটোগ্রাফি

স্কুল গেটের উপর যদি কোন ছাত্র-ছাত্রী ওঠে সাথে সাথে আমরা তাদেরকে নামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করি যেন চলতি পথের মানুষেরা কোন প্রকার বাজে কমেন্ট না করতে পারে শিক্ষক মন্ডলীদের উদ্দেশ্যে। কারণ গেটের উপর ছাত্র-ছাত্রী উঠে বসে থাকলে দেখতে একটু খারাপ লাগে এবং এই নিয়ে নানান জলে নানান কথা বলাবলি করতে পারে। তাই দেখা মাত্র আমি আর মুস্তাফিজুর তাদেরকে নামিয়ে দিয়ে এবং বলে থাকি যেন কেউ গেটের উপরে না বসে। তবে নতুন বছরে নতুন ছাত্র-ছাত্রী আসার পরে তারা অনেক ছোট এবং শৃঙ্খলা বিষয়ে ধারণা না থাকায় তারা মাঝেমধ্যে সেখানে উঠে বসে পড়ে। তবে আমরা সুন্দর করে বুঝিয়ে তাদেরকে সেখান থেকে নামিয়ে মাঠের মধ্যে নিয়ে আসি এবং এখানে খেলতে বলি।

IMG_20230202_103848_345.jpg

IMG_20230202_103850_533.jpg

IMG_20230202_104219_102.jpg

IMG_20230202_104216_426.jpg

IMG_20230202_104224_920.jpg

Photography device: Infinix hot 11s
সোর্স


received_305654148004402.webp


৩ নং ফটোগ্রাফি

গত বৃহস্পতিবার হঠাৎ লক্ষ্য করলাম সকাল ১১ টার দিকে একটু জোরে ঠান্ডা হাওয়া বইছে। ঠিক এই মুহূর্তে ছাত্র-ছাত্রীরা ঝুড়ির মধ্য থেকে পলিথিন প্যাকেট বের করে নিয়ে যাচ্ছে এবং তা হাওয়ায় উড়ানোর চেষ্টা করছে গেটের উপর বসে। ঝুড়ি থেকে প্যাকেট বার করছে বলতে বোঝায় ছাত্র-ছাত্রীদের দোকান থেকে বিভিন্ন বিস্কুট নিয়ে আসা হয় যে সমস্ত বড় প্যাকেটগুলোতে করে অর্থাৎ অভিভাবকেরা নিয়ে আসে যেই সমস্ত বড় পলিথিনগুলো সে পলিথিনগুলো রাখার একটি নির্দিষ্ট ঝুড়ি রয়েছে শুধু প্যাকেট জাতীয় জিনিস গুলো রাখার জন্য এই ঝুড়ির ব্যবস্থা রয়েছে। তাই সেখানে বিশেষ কোন নোংরা থাকে না যার জন্য ছাত্ররা এই বাতাসের সময় সেই ঝুড়ির মধ্য থেকে বড় বড় প্যাকেট গুলো বের করে নিয়ে আসছে এবং হাওয়ায় উড়ানোর চেষ্টা করছে গেটের উপর বসে। এমন দৃশ্য হঠাৎ আমার আর মুস্তাফিজুরের নজরে আসলো। তখন আমি বারণ করলাম বাচ্চাদের এখন বকাঝকা করার দরকার নেই। কারণ তারা দারুণ একটি খেলার মেতে উঠেছে। যেখানে বিদ্যালয়ের অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রী এই খেলায় অংশগ্রহণ করেছে। কেউ প্যাকেট এনে দিচ্ছে, কেউ প্যাকেট উড়াচ্ছে। আবার কিছু ছাত্র-ছাত্রী বাতাসে ওরা প্যাকেট ধরার জন্য দৌড়াদৌড়ি করছে। আর এমন সুন্দর দৃশ্য অভিভাবক মন্ডলী বসে বসে দেখছে ও হাসাহাসি করছে। লক্ষ্য করলাম এত সুন্দর একটা মুহূর্ত যদি আমি তাদের নষ্ট করে দেই অনেকেই অখুশি হবেন। তাই আমিও তাদের সাথে অংশগ্রহণ করলাম আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার জন্য। আমি সেখানে যে উপস্থিত হলাম এবং তাদের বললাম তোমরা সুন্দর করে হাওয়ায় উড়ানোর চেষ্টা করো আমি তোমাদের ফটোগ্রাফি করি। প্রথমে আমাকে সেখানে উপস্থিত হতে দেখে ছাত্রছাত্রীরা লাফ দিয়ে পালানোর চেষ্টা করছিল। অনেক ছাত্রছাত্রী ক্লাসের মধ্যে প্রবেশ করে ফেলছিল আমাকে দেখে ভয়ে। তবে আমি তাদেরকে বুঝিয়ে বললাম তোমাদের কোন ভয় নেই আমি তোমাদের মারব না। তোমরা যে খেলা খেলছো খেলতে থাকো আমি তোমাদের কয়েকটা ফটো উঠাবো স্মৃতি হিসেবে ধরে রাখার জন্য। কারণ আমার জীবনে আমি ৭০/৮০ রকমের খেলা খেলেছি। তার মধ্যেও এটা একটি। অনেকদিন পর এই জাতীয় খেলাটি স্মরণ হলো আমার তোমাদের খেলা দেখে। কারণ অন্যান্য খেলা তো প্রায় চোখে দেখা যায় কিন্তু এগুলো খুব কম নজরে আসে। যাইহোক ছাত্রছাত্রীরা আবারও ভয় কাটিয়ে খেলা শুরু করে দিল।

IMG_20230202_103939_533.jpg

IMG_20230202_103932_031.jpg

IMG_20230202_103947_395.jpg

Photography device: Infinix hot 11s
সোর্স


received_305654148004402.webp


৪ নং ফটোগ্রাফি

আমিও ১০ মিনিটের জন্য তাদের সাথে খেলায় অংশগ্রহণ করলাম এবং ফটোগ্রাফি করলাম। বাচ্চাদের খেলায় আমার অংশগ্রহণ করা দেখে অন্যান্য অভিভাবকেরা এবং শিক্ষকমন্ডলী হাসাহাসি করছিল। তবে সত্যি বলতে কি আমি আমার একদম ফেলে আসা ছোটকালের সেই স্মৃতিটা খুজে পেয়েছিলাম এই মুহূর্তে। স্মরণ করছিলাম একদম পাশ থেকে দশ বারো বছর বয়সে যে সমস্ত বন্ধু-বান্ধবীদের সাথে খেলা করেছে সেই সমস্ত মানুষগুলোর কথা যাদেরকে আজ কতদিন ধরে স্বচক্ষে দেখি না দুই একজনকে মাঝে মধ্যে দেখা হলেও একত্রে আর পায় না তাদের। হয়তো স্কুল লাইফে যে সমস্ত বন্ধু বান্ধবীরা একসাথে একত্রিত হয়েছি প্রতিদিন না জানি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এভাবে আর একত্রিত হতে পারব কিনা। তাই আমার প্রাণপ্রিয় ছাত্র-ছাত্রীদের এই খেলাটা আমি ভঙ্গ হতে দিলাম না। তবে পরবর্তীতে বলেছিলাম তোমরা মেলাজন করে এভাবে গেটের উপরে উঠোনা। কারণ গেটের উপরে ওঠা মানা। তবে যাই হোক খুবই আনন্দ কোন একটি মুহূর্ত অতিবাহিত করছিলাম তাদের সাথে। আশা করি আপনারা যারা আমার এই পোস্ট দেখছেন। আপনারা আপনাদের শেই শৈশবের স্মৃতি খুঁজে পেয়েছেন এই পোস্টের মধ্য দিয়ে।

IMG_20230202_104024_987.jpg

IMG_20230202_104030_030.jpg

IMG_20230202_104032_627.jpg

IMG_20230202_104039_961.jpg

Photography device: Infinix hot 11s
সোর্স


received_305654148004402.webp

R6TbvATub8MquGoqJZ4SE2UCpaUQzmNnWQxvJGwvYApXWE4KsVzC8vNNXWgtz7hrfoYPSrjupZgj7VtKhrH935ua1PLs4Vr7KiYnVAy3oD...tCNiac63XNuwJJZPbTjHfGPYJH4BJoHgX8HdohSPrSasKvArV8wiiFV7ntYqz66tLZiqG67BKrPAveZFRs3vaqucpJgsaE3qA6Rwasb2fYDx3U5dXGLwwRdyH8.png


আশা করি,আমার এই পোস্টটি পড়ে আপনি অনেক বিষয় সম্পর্কে জানতে বুঝতে ও শিখতে পেরেছেন, সেই সাথে নতুন জ্ঞান অর্জন করতে পেরেছেন। পোস্টটি উপস্থাপনা কেমন ছিল এবং এ বিষয়ে আপনার অনুভূতি কেমন, অবশ্যই কমেন্ট বক্সে আমাকে জানাতে ভুলবেন না। আপনার জন্য আমার পক্ষ থেকে শুভকামনা রইলো।

💌আমার পরিচয়💌


আমি মোঃ নাজিদুল ইসলাম (সুমন)। বাংলা মাস্টার্স ফার্স্ট ক্লাস মেহেরপুর গভমেন্ট কলেজ। আমার বাসা গাংনী-মেহেরপুর। মড়কা বাজার, গাংনী,মেহেরপুর এ গ্রীনরেইন ল্যাবরেটরি স্কুল নামক প্রি-ক্যাডেট স্কুলের সহকারি শিক্ষক । ইলেকট্রনিক্সের যন্ত্রপাতি মেরামত ও সৌর প্যানেল নিয়ে রিসার্চ করতে পছন্দ করি। প্রাকৃতিক দৃশ্য ফটোগ্রাফি করা আমার সবচেয়ে বড় ভালোলাগা। দীর্ঘদিনের আমি পাঙ্গাস মাছ চাষী এবং বিরহের কবিতা লেখতে খুবই ভালোবাসি।




পোস্টটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

received_434859771523295.gif

image.png

image.png

আমার পরিচিতিকিছু বিশেষ তথ্য
আমার নাম@sumon09🇧🇩🇧🇩
ফটোগ্রাফি ডিভাইসমোবাইল
ব্লগিং মোবাইলInfinix hot 11s
ক্যামেরাcamera-50mp
আমার বাসামেহেরপুর
আমার বয়স২৬ বছর
আমার ইচ্ছেলাইফটাইম স্টিমিট এর 'আমার বাংলা ব্লগ' এ ব্লগিং করা

zr7XQBzuvvkjgjjPxunUtP5k84gxgWc4mR8PqdBj5rx8AtXSSugGPwSy7JKyM3rgX4k3arRVPC2wT66DqiAYg2UuYrHpE94NCJsYEnjKP7Erbg.png


পুনরায় কথা হবে পরবর্তী কোন পোস্টে, ততক্ষণ ভালো থাকা হয় যেনো। আল্লাহ হাফেজ।

TZjG7hXReeVoAvXt2X6pMxYAb3q65xMju8wryWxKrsghkLbdtHEKTgRBCYd7pi9pJd6nDf4ZPaJpEx3WAqvFVny2ozAtrhFXaDMnAMUAqtLhNESRQveVFZ7XHcED6WEQD48QkCkVTAvNg6.png

Sort:  
 3 years ago 

হ্যাঁ কয়েকদিন যাবত ঝড়ো হাওয়া বইতে শুরু করেছে ।যেটা শীতের প্রকোপ বাড়িয়ে দিয়েছে কয়েকদিন আগের ঘটনা শীত একদম নাই বললেই চলে। আবার শীতের প্রকোপ বেড়ে গিয়েছে এই ধরনের শৈশবের স্মৃতি সবার জীবনেই রয়েছে যেটা দেখলেই স্মৃতিচারণ হবে।

 3 years ago 

শৈশবকে স্মরণ করতে আমার ভালো লাগে

 3 years ago 

কয়েকদিন আগে তো আবহাওয়ার অবস্থা বেশ ভালোই ছিল। কিন্তু এই কয়েকদিন পর্যন্ত বেশ ভালোই জড়ো হাওয়া বইছে। যার কারনেই শীতের প্রকোপ আরো বেশি বেড়ে যাচ্ছে। ছোটবেলার স্মৃতি গুলো মনে পড়ারই কথা ছোট বাচ্চাদেরকে দেখলে। টিফিন টাইম এ ছোট ছোট বাচ্চারা বেশ ভালোই দুষ্টামি করে এবং তাদেরকে দেখলে ছোটবেলার স্মৃতিগুলো মনে পড়ে যায়। আপনি আজকে দেখছি বেশ ভালোই একটি টপিক নিয়ে পোস্ট করলেন যা পড়ে ভীষণ ভালো লেগেছে।

 3 years ago 

এদের জন্য নিজের শৈশবকে খুঁজে পায়

 3 years ago 

আবহাওয়া কেমন যেন হয়ে যাচ্ছে।ভোরে ঠান্ডা সারাদিন গরম। এভাবেই চলছে। গ্রামে তো একটু বেশীই শীত মনে হয়। যাই হোক ভাইয়া আপনার পোস্ট পড়ে আমিও ছেলেবেলায় চলে গেলাম।বাচ্চাদের সাথে ত ভালো সময় কাটিয়েছেন ফটোগ্রাফি গুলো দেখে অনেক ভাল লাগলো। বাচ্চাদের সাথে আসলে বাচ্চা হয়ে যেতে হয়। তবেই তারা আনন্দ পায়। সুন্দর অনুভূতি শেয়ার করেছেন দেখে অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

 3 years ago 

ওদের সাথে খেলতে ভালো লাগে

 3 years ago 

ভাইয়া আপনি ঠিক বলেছেন দিনের বেলা গরম আর রাতের বেলা ঠান্ডা বাতাসে ঠান্ডা,জ্বর,কাশি আর গলা ব্যথা বেড়েছে। আমি নিজেও গলা ব্যথায় ভুগতেছি। আর আপনার স্কুলের বাচ্ছাদের রোদের মধ্যে খেলার দৃশ্য গুলো দেখে অনেক ভাল লাগলো। বর্তমানে স্কুল ছাড়া আর তেমন খেলার মাঠ নেই বললেই চলে। আগে বাচ্ছারা কত ধরনের খেলা খেলতো। এখন স্কুল ছাড়া তেমন কোন খেলার সুযোগ নেই। ধন্যবাদ ভাইয়া।

 3 years ago 

তোমার সময়ে স্কুলগুলোতে খুব তেমন একটা মাঠ দেখা যায় না

 3 years ago 

শীত তো আবার বেড়েই গেল। ঠান্ডা আর ভাল লাগে না। আপনার স্কুলের ফটোগ্রাফি দেখে তো আমি সেই ছেলেবেলায় হারিয়ে গিয়েছিলাম। কত যে মজা করতাম টিফিন টাইমে । কত জনের টিফিন যে চুরি করে খেয়েছি। তা কি আর বলেতে। খুব সুন্দর একটি বিষয় নিয়ে আজকে পোস্ট করেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে।

 3 years ago 

চেষ্টা করো মাঝেমধ্যে ভালোলাগা বিষয়গুলো তুলে ধরা

Coin Marketplace

STEEM 0.04
TRX 0.33
JST 0.105
BTC 64684.13
ETH 1913.44
USDT 1.00
SBD 0.37