😋কিছু ফুড ফটোগ্রাফি😋।
পরম করুনাময় অসীম দয়াল মহান সৃষ্টিকর্তার নামে শুরু করিতেছি।
হ্যালো আমার প্রিয় বাংলা ব্লগবাসি বন্ধুরা, আপনারা সবাই কেমন আছেন। আশা করি আপনারা সবাই অনেক ভাল আছেন। আজকে আমি আপনাদের সাথে নতুন একটি ব্লগ নিয়ে হাজির হয়েছি। আজকে আমি আপনাদের সাথে কিছু ফটোগ্রাফি নিয়ে শেয়ার করব। এখানে অনেক গুলো খাবার আমার নিজে তৈরি করা। যা ফটোগ্রাফি করে আপনাদের মাঝে শেয়ার করব। বাসায় মেহমান থাকলে কমিউনিটিতে কাজ করা যায়না। কয়েকদিন কিছুটা ব্যস্ত ছিলাম, গ্রাম থেকে শাশুড়ী এসেছেন। তিনি ৭ দিন থেকে আজ চলে গেছেন। অনেক ব্যস্ততা নিয়ে ও এক্টিভ থাকার চেষ্টা করি। তবুও এই সপ্তাহে মাঝে মাঝে পোস্ট করতে পারিনা। যাইহোক বন্ধুরা আপনাদের মাঝে এখন কিছু ফুড ফটোগ্রাফি শেয়ার করি। চলুন তাহলে এই ফটোগ্রাফি গুলো দেখে নেওয়া যাক।
বন্ধুরা আপনারা এখানে দেখতে পাচ্ছেন দেশি মুরগির রেসিপি। এই রেসিপিটি আমি নিজের হাতে তৈরি করেছিলাম। কিছুদিন আগে আমার শাশুড়ি ঢাকায় এসেছিলেন। আসার সময় বাড়ি থেকে অনেকগুলো মাছ ও দেশি মুরগি নিয়ে এসেছেন। আর সেই দেশি মুরগির সাথে দেশি লাল ছোট আলু দিয়ে আমি এই রেসিপিটি তৈরি করেছিলাম। আমার শাশুড়ি আসাতে তিনার জন্য আমি অনেক রকমের রেসিপি তৈরি করেছি। আমার শাশুড়ি রেসিপিটি খেয়ে আমার অনেক প্রশংসা করেছেন। ইচ্ছা ছিল এই রেসিপিটি সম্পূর্ণ তৈরি করার ধাপ আপনাদের মাঝে শেয়ার করব। তবে বাড়িতে মেহমান থাকলে কোন কাজ করা সম্ভব হয় না। বিশেষ করে ফটোগ্রাফি তো করা সম্ভবও হয়ই না। তবে পরিবেশনের সময় একটি ফটোগ্রাফি করে নিয়েছিলাম। যা আপনাদের মাঝে এখন শেয়ার করলাম।
আপনার এখানে দেখতে পাচ্ছেন যে চাপিলা মাছের ভুনা রেসিপি। এই মাছগুলো আমাদের তিতাস নদীর মাছ। চাপিলা মাছ আমার ভীষণ পছন্দের একটি মাছ। এই মাছ আমি ভুনা ছাড়া খালি খালি ভাজি করে খেতে খুবই পছন্দ করি। আমার শাশুড়ি আসার পরে তিনার জন্য আমি এই ভুনা রেসিপিটি তৈরি করেছিলাম। সাথে টমেটো দিয়ে এই রেসিপিটি তৈরি করার কারণে রেসিপিটি অনেক সুস্বাদু ও কালারফুল হয়েছিল।
আমার হাজবেন্ডের প্রিয় একটি রেসিপি হল, এই টাকি মাছের ভর্তা রেসিপি। তিনি টাকি মাছের ভর্তা অনেক পছন্দ করেন। তাই আমার শাশুড়ি আসার পর আমি এই রেসিপিটি তৈরি করেছিলাম। টাকি মাছগুলোকে ভেজে, পেঁয়াজ ভেজে, শুকনা মরিচ ভেজে তার সাথে কাঁচামরিচ ও মসলা মিশিয়ে এই রেসিপিটি তৈরি করেছি। সবাই এই রেসিপিটি খেয়ে খুবই প্রশংসা করেছিল।
ছোট বোনের হাতে বানানো প্রথম কেক। আমার ছোট বোন একটু না বেশি খাবার প্রিয়। সে প্রতিদিন কোন না কোন রেসিপি তৈরি করে থাকে। তার রেসিপির প্রতি আগ্রহ টা একটু বেশি। সেই আগ্রহবশত কেক বানানোর কাজ না শিখেই দুর্দান্ত একটি কেক বানিয়ে ফেলল। তার কাছে কোন নকশা করার নজেল ছিল না।
যার কারণে হাতের আঙ্গুল দিয়ে ও দোকান থেকে কেনা চকো চকো দিয়ে খুব সুন্দর করে কেক ডেকোরেশন করে ফেলল। আমাদেরকে এই কেকটা বানিয়ে সারপ্রাইজ দিয়েছিল। তবে দুর্ভাগ্য যে কেক কাটার সময় কারেন্ট চলে গিয়েছিল। যার কারণে কেকের সুন্দর ফটোগ্রাফি আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে পারিনি।
এখানে যে ফটোগ্রাফি দেখতে পারছেন, এই ফটোগ্রাফিটি আমি আমার আপুর বাসা থেকে ক্যাপচার করে ছিলাম। হঠাৎ একদিন বিকেলে আমার আপুকে দেখতে খুব ইচ্ছে করছিল।। তাই আপুকে না জানিয়ে আপুকে দেখতে গেলাম আপুর বাসায়। আপু আমার সাথে ঢাকা নারায়ণগঞ্জে থাকে। তবে আপুর বাসা আমাদের বাসা থেকে প্রায় অনেকটা দূরে। আপুর বাসায় যেতে ১৫ টাকা ভাড়া লাগে। আপুকে না জানিয়ে যাওয়ার পর দুলাভাই আমার জন্য বার্গার ও দই নিয়ে আসেন। আপু তৎক্ষণাৎ নুডুলস তৈরি করেন। আমি তাড়াহুড়া করে যায় আবার তাড়াহুড়া করে চলে আসি। দুই বোন একসাথে বসে খাওয়ার সময় এই ফটোগ্রাফিটি করে নিয়েছিলাম।
তো বন্ধুরা দেখতে দেখতে আপনাদের সাথে অনেকগুলো লোভনীয় খাবারের ফটোগ্রাফি শেয়ার করে ফেললাম। কেমন হলো আমার আজকের ব্লগটি। অবশ্যই আপনাদের কাছে কমেন্টের মাধ্যমে জানার আশা রাখি। সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, সবাই সবার জন্য দোয়া করবেন।
সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ,আল্লাহ হাফেজ।।
ফটোগ্রাফির বিবরণ:
| ডিভাইস | মোবাইল |
|---|---|
| মডেল | রেডমি নোট-৮ |
| শিরোনাম | কিছু ফুড ফটোগ্রাফি।। |
| স্থান | ভাদুঘর ব্রাহ্মণবাড়িয়া,ঢাকা,বাংলাদেশ। |
| তারিখ | ২৩/০২/২০২৫ |
| কমিউনিটি | আমার বাংলা ব্লগ |
| ফটোগ্রাফার | @titash |
আমার পরিচিতি
আমি মোছাঃ মুসলিমা আক্তার নীলা। স্টিমিট প্লাটফর্মে আমি @titash নামে পরিচিত। আমার জন্মস্থান চট্রাগ্রাম বিভাগের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ভাদুঘর গ্রামে। আমি বর্তমানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজে অনার্স তৃতীয় বর্ষে বাংলা বিভাগ নিয়ে পড়াশোনা করতেছি। আমি বিবাহিত,আমার একটি কন্যা সন্তান আছে। আমি আমার হাসবেন্ডের সাথে ঢাকা বিভাগের অন্তর্গত নারায়নগঞ্জ জেলায় বসবাস করছি। আমি আমার হাসবেন্ডের মাধ্যমে স্টিমিট প্লাটফর্ম সম্পর্কে জানতে পারি। প্লাটফর্মটার বিষয়ে জেনে আমি এখানে কাজ করার আগ্রাহ প্রকাশ করি। তারপর ২০২৩ সালের ফ্রেব্রুয়ারী মাসে আমার বাংলা ব্লগের মাধ্যমে স্টিমিট প্লাটফর্মে যুক্ত হয়। আমি ভ্রমন করতে,মজার মজার রেসিপি করতে,বই পড়তে, নতুন নতুন বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করতে ও সৃজনশীল জিনিষ তৈরী করতে ভালোবাসি। আমি বাঙ্গালী জাতি হিসাবে ও আমার বাংলা ব্লগের সদস্য হতে পেরে নিজেকে নিয়ে গর্ববোধ করি।
মুরগির মাংস খেয়ে আপনার শাশুড়ি অনেক প্রশংসা করেছে শুনে অনেক ভালো লাগলো ।ধন্যবাদ খাবারের ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
জি আপু আমার শাশুড়ি অনেক ভালো মানুষ। তাই তিনি আমার রেসিপি খেয়ে কখনোই খারাপ মন্তব্য করেনা।
আপনি লোভনীয় কিছু খাবারের ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন আপু। টাকি মাছ ভর্তা এবং কেকের ফটোগ্রাফিটা আমার কাছে সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে। আপনার ছোট বোন খুব সুন্দর কেক তৈরি করেছে। ধন্যবাদ আপনাকে এত দারুন এবং সুস্বাদু কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য।
জ্বী আপু আমার ছোট বোন অনেক সুন্দর কেক তৈরি করতে পারে। বয়সের তুলনায় তার এই কাজগুলো আশ্চর্যজনক। ধন্যবাদ আপু।
বাহ্ আজকে দেখছি আপনি চমৎকার কয়েকটি খাবারের ফটোগ্ৰাফি করেছেন। আপনার শেয়ার করা প্রতিটি খাবার অনেক লোভনীয় ছিল। আমার কাছে তো ছোট মাছ আর কেকের খাবারটা সব থেকে বেশি লোভনীয় লেগেছে। এছাড়াও বাকি ফটোগ্ৰাফি গুলো এবং খাবার গুলো লোভনীয় ছিল।
আপনার কাছে আমার ক্যাপচার করা কেক ও চাপিলা মাছের ফটোগ্রাফিটি ভালো লেগেছে। যা জেনে খুবই ভালো লাগলো। ধন্যবাদ ভাইয়া।
বিভিন্ন রকম মজার মজার খাবার খেতে এমনিতেই খুব পছন্দ করি। আর এত মজাদার খাবারের ফটোগ্রাফি দেখে এখন তো লোভ সামলাতে পারছিনা। ইচ্ছে করছে এখনই নিয়ে খেয়ে ফেলতে। কেন যে লোভ লাগিয়ে দিলেন খাবারের ফটোগ্রাফি শেয়ার করে। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
মজার মজার রান্না করে ফটোগ্রাফি শেয়ার করাই তো আমাদের কাজ। লোভ না লাগিয়ে পারি না ভাইয়া। হাহা আপনাকেও স্বাগতম ভাইয়া।
মজাদার খাবার গুলোর ফটোগ্রাফি এত সুন্দর করে শেয়ার করেছেন দেখে লোভ লেগে গিয়েছে আমার। খাবার খেতে আমরা সবাই অনেক বেশি পছন্দ করি। আর খাবারের ফটোগ্রাফি দেখলে খুব লোভ লাগে। এত লোভনীয় খাবারের ফটোগুলো শেয়ার করে নিলেন। এটা দেখে অনেক ভালো লেগেছে। অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে শেয়ার করার জন্য।
আপনি একদম ঠিক কথা বলেছেন, লোভনীয় খাবার দেখলে তো লোভ লাগবেই। তাছাড়া আমরা বাঙালিরা খাবার খেতে খুবই পছন্দ করি। স্বাগতম আপু।
এত মজার মজার খাবার চোখের সামনে থাকলে কি লোভ ধরে রাখা যায় আপু। সত্যি কথা বলতে টাকি মাছ ভর্তা আমারও খুবই পছন্দের। আর তাছাড়া অন্যান্য খাবারগুলো খুবই লোভনীয় দেখাচ্ছে। অসংখ্য ধন্যবাদ আপু মজার মজার কিছু খাবারের ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য।
আপু আগে যদি জানতাম আপনি রাকি মাছের ভর্তা পছন্দ করেন। তাহলে তো পার্সেল পাঠিয়ে দিতাম আপনাদের বাসায়। আপনাকেও স্বাগতম আপু।
ফুড ফটোগ্রাফি দেখলে কিন্তু খুব ভালো লাগে। আজকে আপনি চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন। তবে আপনার সবগুলো ফটোগ্রাফি অসাধারণ হয়েছে। বিশেষ করে মুরগির মাংস এর ফটোগ্রাফি ও কেকের ফটোগ্রাফি দেখে আমার খেতে মন চাইলো। তবে আপনার বোন চমৎকার কেক বানাতে পারে। ভালো লাগলো ফুড ফটোগ্রাফি গুলো দেখে।
জ্বী ভাইয়া আমার ছোট বোন অনেক চমৎকার কেক বানাতে পারে। যা ফটোগ্রাফির মাধ্যমে কিছুটা হলেও ফুটে উঠেছে। ধন্যবাদ আপনাকে।
task done: