বাচ্চাদের স্কুল হলিডে উপলক্ষে বেড়ানোঃ পর্ব -৮ ( Sea beach)
বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভালোই আছেন, আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।
আজকে আবার আপনাদের মাঝে হাজির হয়ে গেলাম বাচ্চাদের স্কুল হলিডে উপলক্ষে বেড়ানোর নতুন একটি সিরিজ নিয়ে। হ্যাঁ বন্ধুরা গত পর্বগুলোতে আপনাদের সাথে শেয়ার করেছিলাম লন্ডন ও টু এর সিরিজ পর্ব।আজকে আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি East bourne Sea beach এর ১ম পর্ব নিয়ে। এর আগে কয়েকবার আপনাদের সাথে ব্রাইটন সমুদ্র সৈকতের অপরূপ সৌন্দর্যের কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছিলাম। মাঝে মাঝে সেখানে যাওয়া হয়, কিন্তু East bourne সমুদ্র সৈকতে এই প্রথম আমরা সকলে মিলে গিয়েছিলাম। যতই সমুদ্র সৈকত দেখি না কেন আমাদের বাংলাদেশের কক্সবাজারের মত এত সুন্দর সমুদ্র সৈকত আমার মনে হয় পৃথিবীর কোথাও নেই। সাগরের পাড় দিয়ে হেঁটে যেতে কতই না ভালো লাগে কিন্তু এখানে হাঁটার উপায় নেই শুধু পাথর আর পাথর। বরাবরের মতো এবারও আমি সাগর পাড়ে যাওয়া থেকে আসা পর্যন্ত নানান রকমের ফটোগ্রাফি আপনাদের সাথে শেয়ার করব। আসলে এদেশের চারপাশের পরিবেশটা খুবই সুন্দর, পরিপাটি। তাই আমি চাচ্ছি এ দেশের সুন্দর পরিবেশ সম্পর্কে আপনাদের একটু ধারণা দিতে।
বরাবরের মতো এবারও আমার ভাসুরের পরিবার আমাদের সাথে ছিল। আর আমাদের জার্নিটা হয়েছিল ট্রেনে। সকলে মিলে ট্রেনে জার্নি করতে আসলেই খুবই ভালো লাগে। আমাদের বাসা থেকে অনেকটা দূর এই সমুদ্র সৈকত। প্রায় ৬০ মাইল এর মত হবে। মনে হচ্ছিল একটি গ্রামের মধ্য দিয়ে আমরা যাচ্ছি। আগে আমি মনে করতাম যে ইংল্যান্ডের কোন গ্রাম নেই। কিন্তু এখানেও বাংলাদেশের মতো গ্রাম রয়েছে যেখানে মাঠের পর মাঠ দেখা যায় যেখানে গরু ও ভেড়া চড়ে বেরোচ্ছে।আরও রয়েছে পাহাড় ও জংগল। যাত্রা পথে খুবই ভালো লাগছিল। চারিপাশের পরিবেশটা এতই সুন্দর ছিল শুধু মনে হচ্ছিল তাকিয়ে তাকিয়ে দেখি।এর আশপাশে ঘরবাড়ি ও তেমন দেখতে পাচ্ছিলাম না।অনেক দূরে বড় বড় পাহাড় দেখতে পাচ্ছিলাম।সবুজ মাঠ দেখতে খুবই চমৎকার লাগছিল। নীল আকাশের সাদা মেঘ গুলো দেখতে দারুন লাগছিল। হ্যাঁ বন্ধুরা, আজকের পর্বে ট্রেনে বসে যাওয়ার সময় যে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যগুলো আমরা অবলোকন করেছি তা আপনাদের সাথে শেয়ার করতে যাচ্ছি।আশা করি আপনাদের অনেক ভালো লাগবে। চলুন তাহলে ফটোগ্রাফিগুলো উপভোগ করা যাক।
উপরের ফটোগ্রাফি দুটি দেখুন কত চমৎকার লাগছে। ছোট্ট একটি লেকের মতো দেখতে পাচ্ছি। আর দূরে সাদা পাহাড় গুলো কত সুন্দর লাগছে।
আজকে তাহলে এতোটুকুই।আগামী পর্বে চলতি পথে আরও কিছু ফটোগ্রাফি আপনাদের সাথে শেয়ার করতে যাচ্ছি।
| Photographer | @tangera |
|---|---|
| Device | I phone 13 Pro Max |
বন্ধুরা এটিই ছিল আমার আজকের আয়োজন।আশাকরি আপনাদের ভালো লেগেছে।
পরবর্তীতে নতুন কিছু নিয়ে হাজির হব আপনাদের মাঝে।
ধন্যবাদ,
👉 আমাদের discord চ্যানেল এ JOIN করুন :
VOTE @bangla.witness as witness
OR
আপু পরিবারের সবাইকে নিয়ে একত্রে ভ্রমণ করার মজাই কিন্তু আলাদা। যদিও আমি চেষ্টা করেছি আপনার এই পর্বগুলোর প্রতিটি পর্বই পড়ার। আগের পর্বগুলো বেশ সুন্দর ছিল আপু। তবে আপনি যে আকাশ আর প্রকৃতির ফটোগ্রাফি গুলা শেয়ার করলেন, প্রতিটি বেশ আকর্ষণীয় মনে হচ্ছে। আসলে আকাশ প্রকৃতি সব জায়গায় একই রকম। ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
বাচ্চাদের হলি ডের ঘুরাঘুরির পর্ব গুলো পড়ে ও ফটোগ্রাফি গুলো দেখে অনেক কিছুই দেখা হয়েছে।আজ আবার দুই পরিবার মিলে ট্রেনে গেলেন।আসলে বিদেশের ট্রেন গুলোতে চড়ে কোথাও যাওয়ার মজাই অন্য রকম। আপনি বেশকিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করলেন আপু।সত্যি আকাশ আর প্রকৃতির ফটোগ্রাফি গুলো চমৎকার হয়েছে।সব কিছু পরিচ্ছন্ন। এতো সুন্দর পরিবেশ দেখলে মনটা এমনিতেও ভালো হয়ে যায়। অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই আপনাকে সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
পরিবারকে নিয়ে বেড়াতে যাওয়ার মজাই অন্যরকম।বাচ্চাদের স্কুল হলিডে উপলক্ষে বেড়ানো, এর আগের পর্বগুলো আমি পড়েছিলাম না, কারণ এর আগের সপ্তাহ আমি একটু অসুস্থ ছিলাম তাই আমি কমেন্ট করতে পারিনি। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো অনেক সুন্দর ছিল। ফটোগ্রাফি গুলো দেখে আমি মুগ্ধ হয়েছি। ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য আপু।
বাচ্চাদের নিয়ে হলিডেতে ঘুরতে বেরিয়েছেন এটি আসলে অনেক ভালো একটি বিষয়। একদিক থেকে বাচ্চাদের মেধাবিকাশ ও তারা কিছুটা আনন্দ উপভোগ করবে। আর জায়গা গুলো সত্যি অনেক সুন্দর। যাইহোক আপু দোয়া করবেন যাতে সহিসালামতে সুন্দর সেই দেশে পৌঁছাতে পারি।
ইংল্যান্ডের গ্রাম বিষয়টি বেশ কৌতূহলের আপু। সত্যি দেখে বেশ চমৎকার লাগছে। কী অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য একেবারে বিমোহিত করে দেয়। East bourne সমুদ্র সৈকত এ যাওয়ার মূহুর্ত টা দারুণভাবে উপস্থাপন করেছেন আপু। পরের পর্বে আরও সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি দেখতে চাই সমুদ্র সৈকত এর। ধন্যবাদ আপনাকে।।
আপু আপনি আপনার পরিবারের সাথে এবং আপনার ভাসুরের পরিবারের সবার সাথে ঘুরতে গিয়েছেন জেনে সত্যি ভালো লাগলো। গ্রামীণ দৃশ্য গুলো দেখে সত্যি অনেক অবাক হয়ে গেলাম আপু। ট্রেন জার্নিটা আপনার অনেক ভালো হয়েছে বুঝতেই পারছি। পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম আপু।
আপু আপনি একদম ঠিক বলেছেন, কক্সবাজারের মতো সুন্দর সমুদ্র সৈকত পৃথিবীতে আর নেই। সবাই একসাথে ঘুরাঘুরি করতে ভীষণ ভালো লাগে। ট্রেন জার্নি বরাবরই আমার খুব পছন্দ। তবে আপনার ফটোগ্রাফি গুলো হঠাৎ করে দেখে মনে হয়েছিল, বাংলাদেশের কোনো গ্রাম থেকে তোলা। চারিদিকে সবুজের সমারোহ এবং নীল আকাশের ফটোগ্রাফি গুলো দেখে একেবারে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছি। সবমিলিয়ে চমৎকার একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন আপু। সেজন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
ওয়াও ফটোগ্রাফি গুলো জাস্ট চমৎকার ছিল।বাইরের কান্ট্রি গুলোর সৌন্দর্য আসলেই মনোমুগ্ধকর।তবে আমাদের বাংলাদেশ ও সুন্দর তার নিজের মতো করে।পরিবারসহ ট্রেন জার্নি করার মজায় আলাদা।আপনার ভাসুরের পরিবারও ছিল যেহেতু দূরের ওই প্লেস টাতে অনেক মজা করেছেন সবাই।সমুদ্রসৈকতে ঘুরতে যেতে আসলেই অনেক ভালো লাগে,বাংলাদেশের সমুদ্র সৈকত আপনার বেশি প্রিয়।এখানে যেহেতু হাঁটার উপায় নেই পাথর রয়েছে তাই।ভালো লেগেছে পোস্টটি,ধন্যবাদ আপু সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।