বাবার সাথে দুর্গা পূজা দেখা- বাবার কিছু মুহূর্ত ক্যামেরা বন্দি
দেবী মা দুর্গা পূজা বাঙালির একটা সর্বজনীন বিরাট বড় উৎসব। সকল ধর্মের মানুষ সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে ভ্রাতৃত্বের মেলবন্ধনে উজ্জীবিত হয়ে সবাই মিলে আনন্দ ভাগ করে নেয়।
এই বছর বাবার সাথে পূজা দেখেছি
দুর্গা পূজা খুবই বিরাট বড় আকারে সারা বিশ্বে জনপ্রিয়তার অর্জন করেছে কলকাতার পূজা । কারণ বিশাল বড় প্যান্ডেল করে বলে তাঁরা জনপ্রিয়তার শীর্ষে। প্রতিবছর বন্ধুদের সাথে কলকাতায় পূজা দেখতে যায়। কিন্তু করোনার জন্য গত বছর ও এই বছর কলকাতাতে পূজা দেখতে যায় নি। তবে গত বছর পর্যন্ত কলকাতার মধ্যে বারাসাত শহরে ছিলাম । এখন যেহুতু নতুন জায়গায় বাড়ি করেছি। সে ক্ষেত্রে বাড়ির কাছে শহর গুলি চেনা ও পূজা দেখা উচিত। দাদার প্রতিযোগিতার জন্য আগ্রহ অনেক বেশি থাকায় তিন দিন পূজা দেখতে বেরিয়েছি।
(বড়শুল জাগরণী এর দুর্গাপূজাতে)
নতুন জায়গায় বাবা কে নিয়ে দুই বার পূজা দেখতে যাওয়ার কারণ
আমি বারাসাত শহরে থাকায় আমার বন্ধু বান্ধব সবই বারাসাতে। নতুন জায়গায় পরিচিত কম। যতটুকু পরিচিত আছে সেই টুকু একটু দূরে দূরে । তার কারণ অনেকেই শহরে থাকে ।তারা বহু বছর ধরে রয়েছে। আমরা সেই জায়গায় বাড়ি করার সামর্থ না থাকার দরুন গ্রামে বাড়ি করেছি। অবশ্য গ্রামের শান্ত নিরিবিলি পরিবেশ বেশি ভালো লাগে। বর্ধমান শহরের আত্মীয়দের সাথে বেরোতে পারলাম। সেখানে আমার বয়সের এক কাকু ও ফোন করে ছিলো কিন্তু আমি তার সাথে যায় নি।
(বড়শুল ইয়ং মেনস এসোসিয়েশনের পূজাতে )
করোনার জন্য রাতে পূজা দেখতে অনিচ্ছা
বাবার মামার ছেলে আমার বয়সের ওই কাকু আমাকে ফোন করেছিলো। কিন্তু তাঁরা রাতে পূজা দেখতে যায়। তারা রাত 11 টার সময় পূজা দেখতে বেরোয় বন্ধুদের সাথে। এবার আমি কাকুর বন্ধুদের সাথে ও কাকুর সাথে পূজা দেখতে রাতে বলে বেরোয় নি ।আর একটা বিশেষ কারণের জন্য ও বেরোয় নি সেটা হলো অষ্টমীর দিন বাবা আমি বড়সুলে পূজা দেখে এসেছি দিনের বেলা ।কাকু ওই দিন রাতে যাবে বলে ফোন করে। এমনিতেই করোনার জন্য ইচ্ছা কম তারপর একদিনে দুই বার ববের হবার কোন ইচ্ছা না থাকায় বেরোয় নি।
বাবার সাথে মেমারী ও বর্ধমানের বড়সুলে পূজা দেখেছি
অষ্টমীর দিন বাবার সাথে বড়সুলে পূজা দেখেছি। দশমীর দিন মেমারী তে পূজা দেখেছি। তবুও করোনা কালীন সময়ে করোনা বিধি মেনে মাস্ক সানিটাইজর পড়ে বাবার সাথে পূজা দেখেছি। ভালোই লেগেছিলো তার কারণ দিনের বেলা কোনো ভিড় ছিলো না। প্যান্ডেল ভালোভাবে ঘুরে দেখতে পেরেছিলাম এবং নতুন শহর চেনা হলো। সাথে সাথে চমৎকার মুহূর্ত গুলি ও পূজার ছবি গুলি দাদার আয়োজিত প্রতিযোগিতায় ছেড়ে অংশগ্রহণ করে সবার মাঝে ভাগ করে নিতে পারে খুব আনন্দিত। @rme দাদাকে আন্তরিক ভাবে অসংখ্য ধন্যবাদ।
(বিবেকানন্দ তরুণ সংঘ ক্লাবে ,মেমারী)
(উদয়ন ক্লাব ,মেমারী)
আজ আমি শেয়ার করছি আমার বাবার সাথে পূজা দেখতে বেরোনোর কিছু আনন্দঘন মুহূর্ত। উপরোক্ত ছবি গুলি আমি পূজা প্যান্ডেলের মধ্যে ক্যামেরা বন্দি করি ।আশা করি সকলের ভালো লাগবে। অনেক ধন্যবাদ সকলকে।
| ফটোগ্রাফার | @simaroy |
|---|
10% beneficiary to @shy-fox
| রেগার্ডস | @simaroy |
|---|
বাহ দাদা বাবার সাথে পুরো পুজোটা অসাধারণ কাটিয়েছেন। কলকাতার পুজো আসলেই অনেক জনপ্রিয়। ইচ্ছা আছে পুজোর সময় কখনো কলকাতায় গিয়ে পুজো কাটিয়ে আসবো।
আপনাকে ধন্যবাদ আমাদের সাথে আপনার পুজো শেয়ার করার জন্য। কাকু কে আমার পক্ষ হতে নমস্কার জানাবেন।
হা ভাইয়া অনেক চমৎকার মুহূর্ত কাটানো হয়েছিল। অবশ্যই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে কলকাতাতে পূজা দেখতে আসবেন। আপনার সুন্দর মন্তব্যর জন্য অনেক ধন্যবাদ। আমার পক্ষ থেকেও কাকুকে মানে আপনার বাবাকে নমস্কার জানাবেন। শুভ কামনা রইলো আপনার জন্য
অসাধারন একটি সময় কাটিয়েছেন। সত্যিই খুব সুন্দর লাগছে
অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া। ঠিক বলেছেন।
বাবার সাথে কোনো উৎসব উদযাপন সবসময় অনেক ভালো লাগে। আপনি আপনার সাথে উৎসব উদযাপন করেছেন। মুহূর্তগুলো অনেক ভালো কাটিয়েছেন। আপনার বাবার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি দাদা।
ঠিক বলেছেন বাবার সাথে উৎসব কাটাতে খুবই ভালো লাগে। অনেক সুন্দর মন্তব্যর জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া।আপনার জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা রইলো
আপনাদের বাবা ও ছেলে দুজনকে খুব সুন্দর লাগছে। আর বাবার সাথে ঘুরে বেড়ানো কত যে শান্তির যাদের বাবা আছে তারাই কেবল বুঝি। আর আমিও শুনেছি কলকাতার পুজো নাকি অনেক বড় হয়। তবে কখনও সেই সৌভাগ্য হয়নি তবে নিশ্চয়ই একদিন যাব। আপনার জন্য শুভকামনা।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া। বাবার সাথে কাটানো মুহূর্ত সত্যি চমৎকার হয়। আপনার অনেক ভালো মন্তব্যর অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে ভাইয়া। আপনার জন্য অনেক শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা রইলো।
বাবার সাথে এতো সুন্দর সময় কাটিয়েছেন এটা খুব ভালো লাগলো ভাইয়া। পূজার প্রতিটি ছবি অনেক সুন্দর হয়েছে। শুভ কামনা রইলো আপনার জন্য।
আপনার মন্তব্য আমি খুশি হয়েছি। অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে আপু। আপনার জন্য অনেক শুভ কামনা রইলো।
ভালোই করেছেন রাতে বের হননি কারণ এতে করে আপনার ভীড়ে যাওয়া হয়নি যা আপনাদের সকলের জন্যই ভালো হয়েছে৷
আপনি আপনার বাবাকে সুন্দর ভাবে সময় দিয়েছেন দেখে ভালো লাগলো কারণ আজকাল অনেকেও বাবা মা কে সময় ই দিতে চায় না একদম।
আপু ঠিক বলেছেন। দিনের বলে দেখা ভালো করোনা কালীন সময়ে। সেই জন্যই দিনের বেলা দেখেছিলাম। আপনার মন্তব্য অনেক খুশি হয়েছি আপু। অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
আপনে আপনার বাবার সাথে বেশ সুন্দর আনন্দ ক্ষণ সময় পার করেছেন। পূজোতে হোক বা এমনি দিনে হোক,, বাবার সাথে ঘোরার মজাটা অনেক বেশি।
অনেক সুন্দর একটা পোষ্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আপনার জন্য শুভ কামনা রইল।
হা ভাইয়া অনেক আনন্দ ঘন মুহূর্ত বাবার সাথে কাটিয়েছি। অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ ভাইয়া। শুভ কামনা রইলো আপনার জন্য ও ভাইয়া
আসলের বাবার সাথে কোথাও যাওয়ার আলাদা এক তৃপ্তি কাজ করে। আপনাদের দেশে আসলেই অনেক সুন্দরকরে প্যান্ডেল সাজানো হয়েছি। আশা করি সুন্দর সময় কাটিয়েছেন।
হা আপু সুন্দর সময় কাটিয়েছি। তবে করোনা থেকে পৃথিবী যখন আবার আগের মতো স্বাভাবিক হয়ে উঠবে। ওই সময়ে ঘুরে বেশি মজা। তবুও দিনের বেলা দেখে বাবার সাথে ভালোই সময় কাটিয়েছি। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে আপু। সুন্দর মন্তব্যর জন্য
কাকার প্রতিটি ছবি খুব অপলক দৃষ্টিতে দেখলাম। ◉‿◉
নিশ্চয়ই দিনটি খুব চমৎকার উপভোগ করেছেন। কাকার দীর্ঘায়ু কামনা করছি।
হা ভাইয়া চমৎকার মুহূর্ত উপভোগ করেছেন। আপনার জন্য ও আপনার পরিবারের জন্য অনেক শুভ কামনা রইলো। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে ভাইয়া সুন্দর মন্তব্যর জন্য।
হুম, বাবার ছবিগুলো দারুণ হয়েছে ।হিরোর মতো দেখতে লাগছে।উপস্থাপনাটি ভালো ছিল।ধন্যবাদ দাদা।
ঠিক বলেছো। বাবা বরাবরই হিরো। ধন্যবাদ বোন মন্তব্যর জন্য।