কলকাতার এপিঠ ওপিঠ (ফটোগ্রাফি)।। জানুয়ারি-০৯/০১/২০২৩।।
☬নমস্কার সবাইকে☬
হ্যালো বন্ধুরা,
| কেমন আছেন সবাই আপনারা... ? আশাকরি সবাই অনেক অনেক ভাল আছেন সুস্থ আছেন। প্রত্যেকে তার পরিবার নিয়ে সুখে আছেন। আজকের নতুন একটা ব্লগে আপনাদের সবাইকে স্বাগতম। |
|---|
স্থান: কলকাতা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
ব্যস্ত শহর কলকাতার এটাই হল বাস্তব চিত্র। শিয়ালদাহ স্টেশন থেকে বেরিয়ে নীলরতন হসপিটালের অপজিটে যে হাইওয়ে রাস্তাটা রয়েছে তার উপরের অর্থাৎ ওভার ব্রিজের পর থেকে তোলা একটা ফটোগ্রাফি।
স্থান: কলকাতা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
নীলরতন হসপিটাল এর সামনে থেকে তোলা একটি ফটোগ্রাফি। এই রাস্তাটা সবসময়ই খুব ব্যস্ত থাকে তবে ঐদিন কিছুটা ফাঁকা ছিল। এই জায়গা থেকেই সাধারণত কলকাতার বিভিন্ন জায়গার বাসগুলো যাতায়াত করে।
স্থান: কলকাতা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
এই ফটোটা যে ঠিক কোথা থেকে তুলেছিলাম মনে করতে পারছি না। তবে এই ব্রিজের নিচে বেশ রহস্যজনক একটা গল্প আছে, যদি কখনো সুযোগ পায় তাহলে শেয়ার করব।
স্থান: কলকাতা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
স্থান: কলকাতা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
কলকাতা শহরের প্রাণকেন্দ্র শিয়ালদহ স্টেশনের অপজিটের কোন একটা জায়গা থেকে তোলা ফটোগ্রাফি। এই জায়গাটাতে ঘুরতে গেলে শহরের অনুভূতি তেমন একটা পাওয়া যায় না। তবে গ্রামীণ পরিবেশের বেশ একটা সুন্দর আভাস রয়েছে।
স্থান: কলকাতা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
স্থান: কলকাতা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
শহরের ঠিক অপজিটে এই লেকটা অবস্থিত এবং এই লেকটা এত বড় যে একটা ক্যামেরায় পুরোটাকে বন্দী করা সম্ভব নয়। বিশেষ করে শীতকালে এই জায়গাতে প্রচুর পরিমাণে অতিথি পাখি আসে এবং গ্রামীণ পরিবেশের একটা বেশ সুন্দর আভাস পাওয়া যায়।
এটাই হল প্রাণের শহর। যার ভালবাসা সব কিছুর বিনিময়েও ত্যাগ করা যায়না।ফটোগ্রাফ গুলো অসাধারণ হয়েছে দাদা। শহরের সৌন্দর্যের পাশাপাশি গ্রামীন সৌন্দর্য ও লেকের সবুজ মেশানো সৌন্দর্য চোখ জুড়িয়ে দিল।আর ব্রিজের নিচের রহস্যময় গল্পটি অবশ্যই জানতে চাই। ধন্যবাদ দাদা সুন্দর ফটোগ্রাফ গুলো শেয়ার করার জন্য।
দেখি যদি সময় পাই আর মনে থাকে তাহলে ব্রিজের ঘটনা বলার চেষ্টা করব। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ পোস্ট পড়ে মন্তব্য করার জন্য।
দারুন লাগলো কলকাতার প্রাণ কেন্দ্রের ছবিগুলো। ব্যস্তময় শহরের অপজিটে গ্রামীণ পরিবেশের ছবিগুলো বেশ ভালো লাগছে। আর লেকটা বেশ বড়ই বোঝা যাচ্ছে। কারণ যতোটুকু ছবি তুলেছেন তত টুকুর মধ্যে অনেক বড়, আর আশেপাশে তো বড় হবেই। ব্রিজের নিচের গল্পটা শুনতে চাই দাদা শেয়ার করবেন অবশ্যই।
এই লেকটা অনেক বেশি সুন্দর বিশেষ করে শীতকালে এখানে প্রচুর অতিথি পাখি এসে জমা হয়। যাইহোক ব্রিজের নিচের ঘটনা অবশ্যই লেখার চেষ্টা করব যদি মনে থাকে।
আসলে দাদা একটা কথা বলে ৷ যে নিজের বাড়ির যেমনি সেটাই নিজের কাছে রাজপ্রসাদা আর নিজের ছেড়ে অন্য কোথাও কী ভালো লাগে ৷ ঠিক তেমনি আপনার প্রানের কলকাতা শহর ৷ আসলে এখন সব শহর ব্যস্ততার শহর ৷ কে রাখে কার খবর ৷
যা হোক দাদা ক কলকাতা শহরের বেশ সুন্দর সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন ৷ দেখে অনেক ভালো লাগলো ৷
ধন্যবাদ দাদা ৷
আমি ভারতবর্ষের অনেক শহর ঘুরে দেখেছি তবে কলকাতার মত এত সুন্দর এবং ঐতিহ্যময় শহর আমি আর কোথাও পাইনি। যাই হোক তোমাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
কলকাতা শহরের কিছু ফটোগ্রাফি দেখে সত্যি খুব ভালো লাগলো। প্রাকৃতিক অপরূপ সৌন্দর্যের ফটোগ্রাফি গুলো দেখে সত্যি হৃদয় ছুঁয়ে গেলো। ইট পাথরের শহরে এমন প্রাকৃতিক অপরূপ সৌন্দর্য সত্যি খুবই দুর্দান্ত। মন খারাপ করে এমন সৌন্দর্যের প্রাকৃতিক স্থানে এসে কিছুক্ষণ দাঁড়ালে নিশ্চয়ই মন ভালো হয়ে যাবে। এত চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই পোস্ট পড়ে এত সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
নিদারুণ সব ফটো দেখলাম,কলকাতা সম্পর্কেও অনেক কিছু জানলাম।
প্রথম দুইটা ছবি একদম কিলিং ছিল। শুভ কামনা রইলো।
আসলে কলকাতা শহরের ইতিহাস অনেক বড়। আস্তে আস্তে হয়ত বলার চেষ্টা করব। আমি নিজেও বিশেষ কিছু জানিনা। ধন্যবাদ ভাই আমার পোস্ট পড়ার জন্য।
আপনার কলকাতার প্রতি ভালবাসা দেখে খুব ভাল লাগল। কলকাতা শহরে যাওয়ার সৌভাগ্য আমার ৩-৪ বার হয়েছিল। প্রতি বারই আমার মধ্যে আলাদা আলাদা অনুভূতির সৃষ্টি হয়েছে । কেন যেন আপন মনে হয় কলকাতা শহরটাকে। আমার আবার যেতে ইচ্ছে করে কিন্তু পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে পারছি না। সেখানকার খাবার বিশেষ করে স্ট্রিট ফুড, শপিং করার হিউজ এরিয়া, বড় বড় ব্র্যান্ডেড দোকান সব মিলিয়ে খুবই ভাল লাগে। আপনার ছবিগুলো দেখে ভাল লাগল । কলকাতার চাকচিক্যের বাহিরেও যে সুন্দর মনোরম পরিবেশ আছে তা আপনার ছবি দেখে বোঝা যাচ্ছে।
ধন্যবাদ দাদা ।
এই সব কারণেই আসলে আমার কলকাতা শহর অনেক বেশি ভালো লাগে। কলকাতার রাস্তাঘাটে ঘুরতে বেরোলে আর বাড়ি ফেরার কথা মনে থাকে না। মনে হয় সারা রাত কলকাতার ওলিগলি ঘুরে বেড়াই।
ভাইয়া কেমন আছেন, আশাকরি ভাল আছেন। অনেক টাকার বিনিময়েও আপনি কলকাতা ছাড়বেন না,একেই দেশপ্রেম বলে। আপনার কলকাতার ফটোগ্রাফি গুলো দারুন হয়েছে। শহরের অপজিটে লেকের ছবিও অসাধারণ হয়েছে।গ্রামীন ফিলটা পাওয়া গেল।আর লেকটা অনেক বড় দেখেই বোঝা যাচ্ছে। আর ব্রীজের নীচের গল্পটা জানতে চাই ভাইয়া। অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।অভিনন্দন রইলো আপনার জন্য।
আমি খুবই ভালো আছি আপু। আসলে কলকাতা সাথে আমার অনেক ইমোশন জড়িয়ে রয়েছে। এই জন্য আর কি কথাগুলো বলা। ধন্যবাদ আপনাকে পোস্ট পড়ে এত সুন্দর করে গুছিয়ে মন্তব্য করার জন্য।
কারে এমন পাগলে পাইছে যে আপনাকে অনেকগুলো টাকা দিয়ে কলকাতার বাহিরে থাকতে বললে,মানুষের তো খেয়ে ধেয়ে কাজ নেই 😉😉।এ কি ভাব টাকাগুলো ফিরিয়ে দিবে তা না করে আমারে দিয়া দিয়েন টাকাগুলো।যাই হোক আসলে কিছু কিছু ভালো লাগার শহর আছে সবার, তাই হয়ত আপনার ও ভালো লাগার শহর।সবগুলো ছবিই মোটামুটি ভালো লাগছে।ধন্যবাদ
আসলে কথাগুলো ইমোশনাল হয়েই বলে ফেলেছিলাম। কলকাতা শহর আমার কাছে এত বেশি ভালো লাগে যে, যদি আমি কলকাতায় ঘুরতে বেরোই তাহলে বাড়ি ফেরার কথা মনে থাকে না। আপনাকে একদিন কলকাতা শহর ঘুরাবো যদি কখনো এখানে আসেন।😁