ব্যস্ত নগরী কলকাতার কিছু ফটোগ্রাফি।। জুলাই -০৯/০৭/২০২৩।।
☬নমস্কার সবাইকে☬
হ্যালো বন্ধুরা,
সত্যি কথা বলতে কলকাতা শহরের উপর এত বিস্তার ভাবে মায়া জন্মেছে যে এই শহর ছেড়ে অন্য কোথাও যাওয়ার ইচ্ছা আমার একদিনের জন্যও করেনি। যদি কম টাকাতেও চাকরি করতে হয় তাহলে আমার কলকাতা শহরে বসেই করব। কারণ এই শহরে রয়েছে মায়া এবং ভালোবাসা যেটা অন্য কোথাও গেলে হয়তো আমি পাব না। আপনি বাড়ি থেকে মন খারাপ করে কলকাতা শহর ঘুরতে বের হবেন, আমি নিশ্চিত রূপে বলতে পারি যে আপনার মন ভালো হয়ে যেতে বাধ্য হবে। আমি তো সময় সুযোগ পেলে কোন কারণ ছাড়াই কলকাতা শহর ঘুরতে বেরোই একা অথবা কোন বন্ধুর সহযোগে। বরাবরের মত সেই কলকাতা শহরের কিছু ফটোগ্রাফি আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করব।
এ রাস্তাটাকে কলকাতা শহরের প্রাণকেন্দ্র বলা যেতে পারে। কারণ এখান থেকেই রাস্তা বিভিন্ন দিকে বিভক্ত হয়ে কলকাতা শহরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছে। ইডেন গার্ডেন থেকে শুরু করে হাওড়া স্টেশন বা কলকাতার অন্যান্য জায়গা গুলোর যাওয়ার রাস্তা এখান থেকে বিভক্ত হয়ে গেছে। প্রধানত এখানেই রয়েছে কলকাতার সব থেকে বড় বাস টার্মিনাল অর্থাৎ এখান থেকে সমস্ত জায়গার বাসগুলো ছাড়ে।
ব্যস্ত কলকাতার চাঁদনী চকের একটি দৃশ্য। এখানে সাধারণত খুব কম দামে জামাকাপড় বা অন্যান্য জিনিসপত্র কেনা যায়। বিশেষ করে ইলেকট্রনিক্স জিনিসের জন্য এই জায়গাটা অনেক বেশি বিখ্যাত। তবে একটা সমস্যা আছে সেটা হচ্ছে আপনি যদি ঠিকঠাক করে জিনিস বেছে কিনতে না পারেন তাহলে ১০০% নিশ্চিত যে সেখান থেকে আপনি বোকা হয়ে বাড়ি আসবেন। এখন থেকে আমি খুব বেশি একটা কেনাকাটা করিনা বা পছন্দ করি না কেনাকাটা করতে।
খুব সম্ভবত এটা ইডেন গার্ডেনের অপোজিটের রাস্তা থেকে তোলা ফটোগ্রাফি। আসলে আমরা তখন গঙ্গার ঘাটে যাচ্ছিলাম এজন্য রাস্তা পার হওয়ার জন্য দাঁড়িয়েছিলাম তবে এত ভিড় ছিল এবং গাড়ি চলাচল করছিল যে রাস্তা পার হওয়া অনেকটাই অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। সেই সুযোগ একটা ফটো তুলে নিয়েছিলাম আর কি।
এটা হলো হিন্দুস্তান বিল্ডিং যেটা বর্তমানে এলআইসি বিল্ডিং নামেও পরিচিত। যেটা পূর্ব কেন্দ্রীয় কার্যালয় নামেও পরিচিত। এই জায়গার নাম আমি অনেকবার শুনেছি এটাই সাধারণত এলআইসি কোম্পানির মেইন বিল্ডিং। আমাদের ইউনিভার্সিটি থেকে খুব বেশি একটা দূরে নয়, তবে কখনো আসলে যাওয়া হয়নি। মেট্রো স্টেশন থেকে উঠে বেশ কিছুটা এগিয়ে গেলেই এই বিল্ডিং। বিল্ডিংটা এত বড় ছিল যে পুরো ক্যামেরায় কাভার করতে পারিনি।
এলআইসি বিল্ডিং এর সামনের রাস্তা যেটা একটা চলে গেছে শিয়ালদা দিকে এবং অন্যটা চলে গেছে রবীন্দ্রভারতী ইউনিভার্সিটি সামনে দিয়ে। এ রাস্তাটা সবসময় লোকে-লোকারণ্য থাকে। তবে ঐদিন কেমন যেন একটু ফাঁকা ফাঁকা ছিল রাস্তাটা এজন্য ঝটপট একটা ফটো তুলে নিয়েছিলাম।
প্রচণ্ড গরমে আমার একমাত্র সঙ্গী হল কোল্ড ড্রিংকস যেটা খাওয়া ঠিক নয় তারপরও মাঝেমধ্যে খাই আর কি। বিশেষ করে কোল্ড্রিংসের ক্যান আমার তো খুবই পছন্দ আর স্টাইল দেওয়ার জন্য এর থেকে বেটার অপশন আর হতে পারে না। হা হা হা... যাইহোক কোলড্রিংস সাথে নিয়ে অনেককে দেখেছি যে এইভাবে ফটো তুলতে, জন্য আমিও একবার চেষ্টা করলাম আর কি।
কলকাতার সব ডিজিটাল মার্কেট গুলোর ভিতর এই ডিজিটাল মার্কেট অনেক বেশি নামকরা এবং আধুনিক। মোটামুটি ইলেকট্রনিক্সের প্রতিটা পার্টস এখানে নিশ্চিত রূপে পাওয়া যায় সেটা যে কোন কিছুই হোক না কেন। আমার ল্যাপটপের একটু সমস্যা থাকার কারণে এখানে ল্যাপটপ নিয়ে গেছিলাম বেশ কম সময়ের ভিতর এবং খুব কম টাকায় এখান থেকে সার্ভিসিং করাতে পেরেছি।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেণী | ফটোগ্রাফি পোস্ট। |
|---|---|
| ডিভাইস | Samsung Galaxy M31s |
| ফটোগ্রাফার | @rupaie22 |
| লোকেশন | কলকাতা,ইন্ডিয়া। |
কলকাতা শহরে সত্যিই অনেক মায়া আর ভালোবাসা জড়িয়ে রয়েছে যা অন্য কোথাও গেলে হয়তো পাওয়া যাবে না। কলকাতা শহরের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে যে রাস্তাটিকে তুলে ধরেছ, সেটা কিন্তু দেখতে সত্যি অনেক সুন্দর লাগছে। চাঁদনী চকের দোকান পাট গুলিতে জামা কাপড় কিনতে গেলেই আমি ঠকে যাওয়ার ভয় পাই সবসময় ,তাই আর রিক্স নিই না। ঠিকই বলেছ, স্টাইল দেওয়ার জন্য কোলড্রিংসের ক্যানের থেকে আর ভালো কিছু হতে পারে না, হি হি হি।
কলকাতা শহরের প্রত্যেকটা অলিগলি এবং রাস্তাঘাট সুন্দর। তুমি যেখান থেকেই ফটো তুলবে সেটাই অনেক ভালো লাগবে দেখতে। যাইহোক পুরো পোস্ট পড়ে মন্তব্য করার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ।
কলকাতা যাওয়ার খুব শখ ছিল তবে সময় সুযোগ করে উঠতে পারেনি তাই আসতেও পারিনি। তবে আপনার ফটোগ্রাফির মাধ্যমে কিছু দৃশ্য হলেও দেখতে পাচ্ছি। অনেক ধন্যবাদ আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
যদি কখনো কলকাতা ঘোরার সময় বা সুযোগ আপনার হয় তাহলে অবশ্যই একবার এই ভালোবাসার শহর টা ঘুরে যাবেন ভাই, আশা করছি আপনার মন ভরে যাবে।
সত্যি কথা বলতে ভাইয়া যে যেখানে থাকে সেখানে অনেক বেশি ভালো লাগে। কিন্তু অন্য জায়গায় ঘুরতে গেলে ভালো লাগে না জাস্ট কম সময়ের জন্য গেলেও নিজের গন্তব্যস্থলে খুব তাড়াতাড়ি ফিরতে ইচ্ছে করে। তবে ফটোগ্রাফির মাধ্যমে বুঝতে পারলাম বেশ সুন্দর কিন্তু কখনো যাওয়ার সুযোগ হলে তো যেয়ে দেখে আসব। আপনার মাধ্যমে ব্যস্ত নগরী কলকাতা সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি দেখার সুযোগ হলো অনেক ধন্যবাদ।
আসলে আমি কলকাতার বাইরেও কিছুদিন ছিলাম আপু পড়াশোনা করার জন্য। তবে কলকাতার মতো এত সুন্দর শহর বা এত ভালোলাগা আমার অন্য কোথাও তৈরি হয়নি।
সত্যি কথা বলতে কি দাদা দিন যতই যাচ্ছে তত যেন পথ ঘাটে ট্রাফিক জ্যাম আরো বেড়েই চলেছে তাই এক পার থেকে আরেক দিকে করচ করা বড়ই কঠিন হয়ে গেছে। তবে আমারও ইচ্ছে রয়েছে কলিকাতায় যাওয়া জানিনা কবে তা সব পূরণ হবে যাই হোক ব্যস্ততম এ নগরীর মাঝখান থেকে কিছুটা হলেও ধারণা দিয়েছেন আমাদের এই দেখে অনেক ভালো লাগলো।
কলকাতা শহরে কিন্তু তেমন কোন ট্রাফিক জ্যাম নেই, সবকিছুই নিয়মমাফিক চলে। এদিক থেকে আপনি গাড়ি চালিয়ে বা ঘোরাঘুরি করে অনেক বেশি মজা পাবেন ভাই।
এটা আমি পূর্বে শুনেছি ঢাকা শহরের চেয়েও অনেকটা নিরাপদ এবং ফ্রি রাস্তা। দোয়া করবেন যেন ভবিষ্যতে কলিকাতা শহর দেখে আসতে পারি।
ভাইয়া ব্যস্ত নগরী কলকাতার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে মনটা ভরে গেছে। কি নেয় কলকাতাতে। খুব মনচাই একবার ঘুরে আসি সেই কলকাতা শহরে। ধন্যবাদ ভাইয়া।
কলকাতা হলো ভালবাসার শহর ভাই, এখানে আপনি সবকিছুই পেয়ে যাবেন। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমার পোস্ট পড়ার জন্য।
গতবছরের এই সময়টা তে আমি বোধ হয় পর পর দুই বার কলকাতা যাই। আপনার সুরে সুর মিলিয়ে আমি চোখ বুজে বলতে পারি ভাই, কলকাতা আসলেই মায়ার শহর, ভালো লাগার শহর, আর ভালোবাসার শহর। শেষবার বাইক নিয়ে দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত ঘুরেছি শহরের এদিক সেদিক। গড়ের মাঠ থেকে ইডেন গার্ডেনের রাস্তা দিয়ে যেতে থাকলে মনে হয় এই পথ যেন শেষ না হয়। এতোই ভালো লাগে। পুরোনো জায়গা গুলো চোখে ভেসে উঠছিল পোস্ট টা দেখে। তবে দুই একটা নতুন ভাবেও চিনলাম। সত্যি বলতে পুরোনো কলকাতার একটা আলাদা সৌন্দর্য্য আছে। যে কেউ প্রেমে পড়ে যাবে ভাই।
আপনি গত বছরের এই সময় কলকাতায় এসেছিলেন এটা তো আমি জানতাম। দাদার মুখেই শুনেছিলাম আর কি। আসলে আমি কলকাতা শহরে থাকতে থাকতে এমন ব্যাপার হয়ে গেছে অন্য কোন শহর আমার কাছে আর ভালো লাগেনা ভাই।