ঘাটশিলা থেকে তোলা কিছু এলোমেলো ফটোগ্রাফি।। মে -১৯/০৫/২০২৩।।
☬নমস্কার সবাইকে☬
হ্যালো বন্ধুরা,
আজ আপনাদের সামনে কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করতে চাই, যে ফটোগ্রাফি গুলো আসলে বিভিন্ন জায়গা থেকে তোলা হয়েছে। তবে সবগুলো ফটোগ্রাফি ঘাটশিলা ঘুরতে গেছিলাম যখন তখন তুলেছিলাম আর কি। যেহেতু ফটোগ্রাফি গুলো দিয়ে আলাদা কোন ভ্রমণ বিষয়ক পোস্ট লেখা সম্ভব নয়, তাই সেগুলো ফটোগ্রাফি পোস্ট হিসেবে ব্যবহার করলাম। যদিও ফটোগ্রাফি গুলো আমার কাছে খুব বেশি একটা খারাপ লাগে নি। তবে এখন আপনাদের কাছে কেমন লাগবে সেটা তো আপনারাই বলতে পারবেন।চলুন তাহলে বেশি কথা না বলে ফটোগ্রাফি গুলো দেখে নেওয়া যাক। আর চেষ্টা করব ফটোগ্রাফি সম্পর্কে টুকটাক কথা বলার।
ঘাটশিলা স্টেশনের পাশে বেশ ছোটখাটো একটা পাহাড় ছিল। সেখান থেকে নাকি সূর্যাস্ত খুব সুন্দর দেখা যায়। সেই উদ্দেশ্য নিয়ে আসলে আমরা গিয়েছিলাম সূর্যাস্ত দেখার জন্য। তবে ব্যাপারটা আসলেই বেশ আশ্চর্যজনক ছিল। পাহাড়ের উপর থেকে সূর্য ডুবে যাওয়া দেখতে বেশ ভালোই লাগছিল।
ঘাটশিলা স্টেশনের ভেতর থেকে তোলা একটি ফটোগ্রাফি। আমরা আসলে ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছিলাম তাই কোন কাজ না পেয়ে একটা ফটো তুলে ফেলেছিলাম।
ব্রুডি লেকের থেকে পাহাড়ের উপর উঠার সময় হঠাৎ করেই দেখলাম এক সাইডে একটা রাস্তা সমান করার গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে। যদিও এই গাড়িগুলোর নাম আমি জানিনা, তবে আমাদের ronggin বাবুর খুব শখ হয়েছিল গাড়ির উপর দাঁড়িয়ে একটা ফটো তোলার।
এই ফটোটা একটু ভালো করে খেয়াল করলে বুঝতে পারবেন যে একটা গাছে প্রচুর পরিমাণে মৌচাক দেখা যাচ্ছে। আসলে এর আগে আমি কখনো একটি কাছে এতগুলো মৌচাক একসাথে দেখিনি। সেজন্য ব্যাপারটা আমার কাছে বেশ আশ্চর্যজনক লাগছিল।
গলুরি ব্যারেজের সামনে থেকে তোলা একটি ফটোগ্রাফি। এ রাস্তা থেকে প্রকৃতিটা দেখতে অনেক বেশি সুন্দর লাগছিল।
কৃষ্ণচূড়া ফুল গাছের একটি ফটোগ্রাফি। যেখানে দেখা যাচ্ছে পুরো গাছ সুন্দর টকটকে লাল ফুলে ছেয়ে আছে।
পাহাড়ি রাস্তা ধরে উপরের দিকে ওঠার সময় তোলা একটি ফটোগ্রাফি।
একদম পাহাড়ের উপর দাঁড়িয়ে আমরা সবাই সূর্যাস্ত দেখার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। সেই সময় এই ফটোটা তোলা হয়েছিল।
এটাও কৃষ্ণচূড়া গাছের ফুলের ফটোগ্রফি। এই গাছগুলোর গায়ে খুব বড় এবং শক্ত কাটা থাকে এজন্য খুব সহজে এই গাছের ওঠা যায় না। শুধুমাত্র দূর থেকে দেখতেই সুন্দর লাগে।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেণী | ফটোগ্রাফি পোস্ট। |
|---|---|
| ডিভাইস | Samsung Galaxy M31s |
| ফটোগ্রাফার | @rupaie22 |
| লোকেশন | ঘাটশিলা, ঝাড়খণ্ড। |
দাদা জানি আপনি কি নিয়ে টেনশন ৷ আশা করি সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে ৷ তবে যাই বলেন দাদা ঘাটশিলা থেকে তোলা কিছু এলোমেলো ফটোগ্রাফি সত্যিই অসাধারণ ছিল ৷ গাছের মৌমাছির চাক ছবিটি বেশ ভালোই লাগলো ৷ অসংখ্য ধন্যবাদ ধন্যবাদ দাদা ৷
এতগুলো মৌচাক একটা গাছে দেখে আমি নিজেও অনেক বেশি অবাক হয়েছিলাম। যাই হোক অসংখ্য ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
ফটোগ্রাফি গুলো দেখে তো একদম অবাক হয়ে গেলাম। অসম্ভব সুন্দর জায়গাগুলো। একটি গাছের মধ্যে এতগুলো মৌচাক একসাথে রয়েছে এই বিষয়টা আমাকে অবাক করেছে। তবে দাদা যে গাছটিকে কৃষ্ণচূড়া গাছ বলেছেন এটি আসলে শিমুল গাছ হবে,যে গাছে তুলা হয় । আমার মনে হয় আপনি নামটা গুলিয়ে ফেলেছেন। যাই হোক সবগুলো ফটোগ্রাফি সত্যি খুব ভালো লেগেছে।
ঠিক বলেছেন, ওটা শিমুল গাছই হবে। কারণ শিমুল তুলো আমার অনেক বেশি পছন্দ। লিখতে গিয়ে হয়তো ব্যাপারটা ভুল হয়ে গেছে। যাই হোক আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু ভুলটা ধরিয়ে দেওয়ার জন্য।
ভাই আপনার সমস্যা সমাধান হয়ে টেনশন মুক্ত আছেন জেনে খুবই ভালো লাগলো। সেই সাথে ভালো লাগলো আপনার পোস্টে থাকা অসাধারণ ফটোগ্রাফি গুলো দেখে। বিশেষ করে পাহাড়ের উপর দাঁড়িয়ে সূর্যাস্তের দৃশ্য এবং একটি গাছে এতগুলো মৌচাক দেখে। আমি আগে কখনো একটি কাছে এতগুলো মৌচাককে বাসা বাঁধতে দেখিনি। এছাড়াও অন্যান্য ফটোগ্রাফি গুলো দুর্দান্ত হয়েছে শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আমি নিজেও কখনো এতগুলো মৌচাক একসাথে একটি গাছে বাসা বাধতে দেখিনি। এটাই প্রথমবার দেখেছিলাম আর কি, এজন্যই তো ফটোটা তুলেছি।
বাবা আজকে কি ওয়ার্ল্ড ফটোগ্রাফি ডে নাকি?অনেকেই দেখলাম ফটোগ্রাফি পোস্ট করেছে। তোমার প্রোফাইলে ঘুরতে এলাম, দেখি তুমিও ফটোগ্রাফি পোস্ট করেছ।আজ কিন্তু আমিও ফটোগ্রাফি পোস্ট করেছি। তবে তোমার তোলা ছবিগুলো সত্যিই খুব সুন্দর।আসলে ঘাটশিলা নিয়ে আলাদা করে কিছু বলার নেই। কণায় কণায় সৌন্দর্য।রঙিনকে দাদা হিসেবে একটা রোলার তোমার গিফট করা উচিত, ওর যখন এত রোলার পছন্দ হয়েছে। 😀
ভালো ফটো তোলা থাকলে খুব সহজে ফটোগ্রাফির পোস্ট করা যায়। লিখতে অনেকটা কষ্ট কম এজন্য হয়তো সবাই ফটোগ্রাফি করে। তবে ব্যাপারটা হয়তো অনেকটা কোইন্সিডেন্ট ছিল।
এমনিতেই এক টেনশনে ঘুমাতে পারেননি, আবার সামনের মাসে পরীক্ষা। টেনশন তো আরো বেড়ে গেলো তাহলে। যাইহোক ফটোগ্রাফি গুলো আমার কাছে এককথায় দুর্দান্ত লেগেছে। বিশেষ করে প্রথম ফটোগ্রাফিটা একেবারে মন ছুয়ে গিয়েছে। পাহাড়ের উপর থেকে সূর্যাস্ত দেখতে, এতো বেশি ভালো লাগে যা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। এই ধরনের অনুভূতি বেশ কয়েকবার হয়েছে আমার। এতো সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। আপনার জন্য অনেক অনেক দোয়া এবং শুভকামনা রইল।
পরীক্ষার টেনশন আমি করছি না, কারণ ওটা যে করেই হোক ম্যানেজ হয়ে যাবে। কিন্তু অন্যান্য মানসিক চিন্তা রীতিমত আমাকে রাতে ঘুমাতে দিচ্ছে না। ধন্যবাদ ভাই পোস্ট পড়ার জন্য।
ভাই টেনশন না করে ভাগ্যের উপর ছেড়ে দেন। দেখবেন সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। আর যদি কিছু করার থাকে আপনার, তাহলে ভালো করে চেষ্টা করে যান। ফিডব্যাক দেওয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই। আপনার জন্য অনেক অনেক দোয়া এবং শুভকামনা রইল।
আপনার টেনশনের সমাধান হয়েছে জেনে ভালো লেগেছে। খুব সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফ আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। সূর্যাস্তের ছবিটি খুবই দারুন লাগছে দেখতে। কৃষ্ণচূড়া ফুল আমার খুব পছন্দের। কৃষ্ণচূড়া গাছের খুব সুন্দরভাবে ছবি তুলেছেন। ronggin দাদা কে দেখে ভালো লাগলো। অন্যান্য ছবিগুলোও খুব সুন্দর হয়েছে। ধন্যবাদ দাদা ।
অনেকদিন পর আপনার মন্তব্য পেলাম। যাই হোক খুব ভালো লাগলো আপনার মন্তব্য কে। পোস্ট পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
আজ আপনি আমাদের মাঝে অসাধারণ কিছু রেনডম ফটোগ্রাফি উপস্থাপন করেছেন। আর টেনশন তো মানুষের বড় ক্ষতির কারণ যে সমাধান হলেই শান্তি। সুন্দর উপস্থাপনার পাশাপাশি বিশেষ কিছু স্থানের দৃশ্য দেখতে পারলাম এবং ভালো লাগলো আপনার প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি। খুব সুন্দর ভাবে আপনি ক্যামেরা বন্দি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন তাই অসংখ্য ধন্যবাদ।
টেনশন তো আজকাল বেশিই থাকে ভাই। যত বয়স বাড়ছে, মনে হয় টেনশন দিন দিন তত বেশি হচ্ছে। যাই হোক পোস্ট পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
মাথায় তো দেখছি অনেক টেনশন ছিল দাদা তোমার, তবে শেষ পর্যন্ত পরদিন সেটার সমাধান হলো জেনে ভালো লাগলো। সামনের মাসে পরীক্ষা তাহলে তো বেশ ভালোই চাপ। সূর্যাস্তের দৃশ্যটা সত্যিই ভালো লাগছে দেখতে। কৃষ্ণচূড়া ফুলের ফটোগ্রাফিও অনেক সুন্দর লাগছে দেখতে। প্রচুর মৌচাকে ভর্তি গাছের ফটোটি দেখতে ভালো লাগছে ঠিকই কিন্তু অনেক ভয়েরও। এছাড়া সবকটি ফটোগ্রাফি অনেক সুন্দর হয়েছে।
তোমাকে অসংখ্য ধন্যবাদ পোস্ট পড়ে এত সুন্দর করে গুছিয়ে মন্তব্য করার জন্য।