ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের ভ্রমণ এবং সৌন্দর্যময় কিছু ফটোগ্রাফি
হ্যা লো বন্ধুরা,কেমন আছেন সবাই? আশাকরি সকলেই সুস্থ আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় খুব ভাল আছি। আমি @rayhan111 🇧🇩 বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগ থেকে।
আমার বাবা কিছুদিন আগে অসুস্থ হয়ে ছিলেন। মূলত আমার বাবা হার্ট অ্যাটাক করেছিল। আর বাবাকে নিয়ে অনেক ব্যস্ততার মধ্যে সময় পার করেছি। আলহামদুলিল্লাহ বাবা এখন অনেকটাই সুস্থ আছে। তারপরে আমার বড় ভাই সেনাবাহিনী চাকরি করে। তাই আমার বড় ভাই বলল ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে পাবলিক হসপিটালে অনেক ভালো একজন হার্টের ডাক্তার রয়েছে।সেই ডাক্তার দেখানো জন্য বাবাকে নিয়ে ঢাকায় আসা।তাই আমি বাবা এবং বড় ভাই ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে আসলাম এবং ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে মধ্যে,আমার বড় ভাইয়ের অনেক চেনা স্যার রয়েছে তাই আমাদের ক্যান্টারমেন্ট এর ভিতরেই থাকার খুবই সুন্দর ব্যবস্থা রয়েছে।সেই ভুবনের থেকেছি,সেই ভবনটি ১৬তলা ছিলো।আর তার নাম হল মঙ্গলদীপ।সেখানে আমরা থাকলাম।ডাক্তার দেখানোর আগের দিনের ক্যান্টনমেন্টে এসে আমরা এই মঙ্গলদীপে থাকলাম। পরের দিন ডাক্তার দেখানোর জন্য হাসপাতালে যাওয়ার পথে ক্যান্টনমেন্টের এর ভিতরের সুন্দর কিছু মুহূর্তের ফটোগ্রাফি করেছি।সেই ফটোগ্রাফি গুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। আশা করি আপনাদের এই ফটোগ্রাফি গুলো দেখে ভালো লাগবে।
ক্যান্টনমেন্টের ভেতরে ১৬ তলাবিশিষ্ট একই ধরনের ভবন অনেকগুলো রয়েছে।এই ভবনগুলো দেখে সত্যিই আমি অবাক হয়ে গেছি। এত সুন্দরভাবে তৈরি করা হয়েছে। আর সবগুলো যেন একই রকমের দেখতে।তাই আমার খুবই ভালো লাগলো। আর আমরা যে যে ভবনে ছিলাম সেই ভবন থেকে আমি এই ক্যান্টনমেন্টের সুন্দর দৃশ্যের ফটোগ্রাফি করলাম।
ক্যামেরা.মডেল - Note 6 Pro
অবস্থান
এই মঙ্গলদীপ এর ১৪ তল থেকে আমি নিচের দিকে তাকিয়ে যেন ভয় পাচ্ছিলাম। এত নিচু মনে হচ্ছিল আর এই নিচের সুন্দর দৃশ্য ফটোগ্রাফিও করলাম। দেখলাম সত্যিই ভয়ই লেগেছে আমার। উপর থেকে নিচের দিকে তাকালেই যেন কিরকম লাগতে ছিলো।এই ক্যান্টনমেন্টের সুন্দরতম রাস্তার দশ্য উপভোগ করলাম। সত্যিই অসাধারণ ছিল সেই মুহূর্তটা।
ক্যামেরা.মডেল - Note 6 Pro
অবস্থান
তারপরে আমরা আমাদের মঙ্গল দ্বীপ থেকে নেমে নিচে আসলাম। নিচের সৌন্দর্যময় মাঠের মধ্যে দাঁড়িয়ে বড় ভাইকে একটা ফটোগ্রাফি করলাম।ইনি আমার বড় ভাই। সে সেনাবাহিনীতে চাকরি করে। বড় ভাইয়ের সাথে ক্যান্টনমেন্টের এই সুন্দর দৃশ্য গুলো দেখতে ছিলাম, আর কোথায় কি হয় সে বিষয়ে জানতে চাচ্ছিলাম। তারপরে আমরা এই মাঠের ভিতর দিয়ে হেঁটে হসপিটাল এর উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম।
ক্যামেরা.মডেল - Note 6 Pro
অবস্থান
মাঠের ভিতর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলাম এবং যাওয়ার পথে আমার বাবা অনেক হাসিখুশি ছিল। তাই বাবার হাসিমাখা মুখের একটি ফটোগ্রাফি করলাম। সত্যি বাবার মুখে হাসি দেখতে পেয়ে খুবই ভালো লাগতে ছিলো এবং আমরা তিনজন মিলে একটি সেলফি উঠলাম। আর সেলফিতে তিন জনের মুখে হাসি ছিল। সত্যিই সেই মুহূর্তটা অনেক ভালো লাগতেছিল আমার, কারণ বাবার মুখে হাসি ছিল বলে।
ক্যামেরা.মডেল - Note 6 Pro
অবস্থান
ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের পরিবেশ খুবই সুন্দর। এত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন সত্যিই আপনি এখানে আসলেই মুগ্ধ হয়ে যাবেন।তাই অনেক ভালো লাগলো এবং এই সৌন্দর্যময় রাস্তা একদম নিরিবিলি রাস্তা ছিলো।যা আমার খুবই ভালো লেগেছে। এই রাস্তা দিয়ে আমরা যাচ্ছিলাম যাত্রা পথে রাস্তার পাশেই পাবলিক স্কুলের দেখতে পেলাম সেই স্কুলের একটি ফটোগ্রাফিও করলাম।
ক্যামেরা.মডেল - Note 6 Pro
অবস্থান
তারপরে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট সিএমএস এর ভিতরে আমরা প্রবেশ করলাম। সিএমএস এর ভিতরে সৌন্দর্যময় দৃশ্য দেখতে পেয়ে ভালো লাগলো। রাস্তা একদম পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ছিল। আর অনেক বড় এই হাসপাতালের এরিয়া। যা দেখতে পেয়ে আমি মুগ্ধ হয়ে গেলাম। এর ভিতর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলাম, যাত্রাপথেই সুন্দরময় দৃশ্য ফটোগ্রাফি করলাম।
ক্যামেরা.মডেল - Note 6 Pro
অবস্থান
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট হসপিটালিটি অনেক বড়।এই হসপিটালের অনেক জায়গায় নিয়ে গঠিত।আর এই হসপিটালটি দেখতে পেয়ে আমার খুবই ভাল লাগল। অবশেষে আমরা যে স্যারের সাথে দেখা করব, সেই স্যারের ডিপার্টমেন্ট এর পাশে আসলাম। যে সার্জারি ডিপার্টমেন্ট এর পাশে আমাদের আসলাম। আর সার্জারি ডিপার্টমেন্ট এর পাশে ছিল হার্ট এর ডিপার্টমেন্ট। অবশেষে এখানে আসলাম পেরে শান্তি পেলাম এবং স্যারকে দেখানোর জন্য আমরা সিরিয়াল দিয়ে বসে থাকলাম।
ক্যামেরা.মডেল - Note 6 Pro
অবস্থান
ফোনের বিবরণ
| ক্যামেরা | Redmi Note 6 Pro |
|---|---|
| ধরণ | ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের ভ্রমণ এবং সৌন্দর্যময় কিছু ফটোগ্রাফি। |
| ক্যামেরা.মডেল | Note 6 Pro |
| ক্যাপচার | @rayhan111 |
| অবস্থান | সিরাজগঞ্জ- বাংলাদেশ |
আপনার বাবার সুস্বাস্থ্য মঙ্গল এবং দীর্ঘায়ু কামনা করছি।।
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট ভ্রমণ করে আপনি অনেক সুন্দর সময় অতিবাহিত করেছেন সেই সাথে উঁচু উঁচু ভবনের ফটোগ্রাফি এবং শেষে আপনাদের সেলফি আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন আপনার ফটোগ্রাফি এবং লেখাগুলো পড়েই বুঝতে পারলাম আসলে ক্যান্টনমেন্টের পরিবেশটা অনেক সুন্দর হবে।।
আমি অনেক আগে মিরপুর ১২ এর ক্যান্টনমেন্ট ভ্রমণ করেছিলাম একবার সেখানকার পরিবেশে অনেক সুন্দর ছিল।।
আপনার সুন্দর মতামতের জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া🌻🌹
আপনার বাবা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুক এই দোয়া করি ।আসলে ঢাকার এত চমৎকার সব জায়গা আছে মাঝে মাঝে ঘুরতে যেতে অনেক ভালো লাগে। ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় চারপাশে পরিবেশ খুবই চমৎকার। ষোলতলা ভবন থেকে নিচে ছবি তুলেছেন দেখে আমারও তো ভয় লাগছিল খুবই ক্ষুদ্র মনে হচ্ছে নিচে।
খুবই সুন্দর ভাবে আমাকে উৎসাহিত করেছেন, সেজন্য আপনার প্রতি রইল ভালোবাসা।
ভাইয়া আপনি আপনার বাবাকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট হসপিটালে নিয়ে যাওয়ার অনুভূতি গুলো খুব সুন্দর ভাবে আমাদের সাথে প্রকাশ করেছেন। সেই সাথে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এলাকার অনেকগুলো সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি ও শেয়ার করেছেন। আপনি যে ভবনটিতে থেকেছেন সে চৌদ্দতলা মঙ্গলদীপ ভবনটি সত্যিই অনেক সুন্দর। আপনি চৌদ্দতলা উপর থেকে যে ফটোগ্রাফি টা করেছেন, সেটা দেখে আমার নিজের কাছেও ভয় লাগছিল। ধন্যবাদ ভাইয়া।
আপনার সুন্দর মন্তব্য পেয়ে আমার খুবই ভালো লাগছে, ধন্যবাদ আপনাকে।
পরিবারের মানুষজন যদি অসুস্থ হয় তাহলে নিজের ওপর অন্যরকম এক বাড়তি চাপ অনুভব হয়। এটা জেনে খুবই ভালো লাগলো যে আপনার বাবা বর্তমান সুস্থ আছে। আপনার ভাই সেনাবাহিনীতে জব করায় আপনার বাবার জন্য ভালো ডাক্তারের ব্যবস্থা করে দিয়েছে আসলে হার্টের সমস্যা এটা খুবই গুরুতর ভালো ডাক্তার দিয়ে সব সময় চিকিৎসা করা উচিত বলে আমি মনে করি। যাইহোক ক্যান্টনমেন্টে গিয়ে খুবই সুন্দর কিছু মুহূর্তের ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন দেখে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট ভ্রমণ করে খুব সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন। যা দেখে খুব ভালো লাগলো। আসলেই ভিতরে খুব পরিস্কার পরিচ্ছন্ন এবং সবগুলো বিল্ডিংয়ের আকৃতি একই রকম। আপনাদের তিনজনের সেলফি দেখে ভীষণ ভালো লেগেছে। দোয়া করি আপনার বাবা পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠুক। আপনার পুরো পরিবারের জন্য অনেক অনেক দোয়া এবং শুভকামনা রইল।